যুক্তরাষ্ট্র তেল ও অন্যান্য পণ্যের অবৈধ পরিবহনে জড়িত ট্যাঙ্কার ক্যাপ্টেনসহ ১০ জন ব্যক্তি, সংস্থা ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মঙ্গলবার (১১ জুন) মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এ ঘোষণা দেয়।
আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র মূলত হুতিদের সহায়তাকারীদের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনতে চেয়েছে। সামুদ্রিক শিপিং, আর্থিক সহায়তাকারী বেশ কয়েকটি জাহাজের ব্যবস্থাপক ও মালিক এবং শিপিং নথি জাল করার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে যাদের নিষেধাজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তাও এ ইঙ্গিত দেয়।
এ বিষয়ে টেরোরিজম অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্সের কর্মকর্তা ব্রায়ান ই নেলসন বলেন, হুতিরা তাদের অবৈধ কার্যকলাপ চালাতে একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্কের হয়ে কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে, পণ্যসম্ভারের উৎস লুকানো, শিপিং নথি জাল করা এবং অননুমোদিত জাহাজগুলোতে পরিষেবা প্রদান করা।
তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজ ও নৌযানে হুতিদের আক্রমণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন। তাই আমরা চাই এসব অস্ত্রধারীরর ক্ষমতা খর্ব করতে। এ নিষেধাজ্ঞা তাতে সহায়তা করবে।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে লোহিত সাগরে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের মালিকানাধীন জাহাজে হামলা চালাচ্ছে হুতিরা।
হুতিদের ঠেকাতে ইয়েমেনে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য যৌথ হামলা চালালেও; সেগুলো তেমন কার্যকরী হচ্ছে না। হুতিরা মূলত ইয়েমেনের শিয়া মুসলিম সংখ্যালঘু জাইদি নামের উপসম্প্রদায়ের সশস্ত্র গোষ্ঠী। বেশিরভাগ ইয়েমেনি হুতিদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় বসবাস করে।
পাশাপাশি সানা এবং ইয়েমেনের উত্তরে হুতিরা লোহিত সাগরের উপকূলরেখাও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
এ ছাড়া ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা গত কয়েক মাসে বেশ কয়েকটি মার্কিন সামরিক ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে। বলা হচ্ছে, তাদের হামলায় মার্কিনিদের সব সময় আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে।
মন্তব্য করুন