বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা, মেসিদের পরের ম্যাচ কবে, প্রতিপক্ষ কে?
মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা, মেসিদের পরের ম্যাচ কবে, প্রতিপক্ষ কে?
অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন আর্জেন্টিনার, মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা
অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন আর্জেন্টিনার, মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা
৯৬ বছরের ‘অবিশ্বাস্য’ রেকর্ড ছুঁলেন মেসি
৯৬ বছরের ‘অবিশ্বাস্য’ রেকর্ড ছুঁলেন মেসি
মেসির জাদুতে সমতায় আর্জেন্টিনা
মেসির জাদুতে সমতায় আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপে টানা দুই পেনাল্টি মিস, লজ্জার এই রেকর্ডে নাম শুধুই মেসির
বিশ্বকাপে টানা দুই পেনাল্টি মিস, লজ্জার এই রেকর্ডে নাম শুধুই মেসির
‎কক্সবাজার জেলারও বুধবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত 

‎কক্সবাজার জেলারও বুধবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত 

চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির পর এবার কক্সবাজার জেলাতেও বুধবারের (০৮ জুলাই) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। ‎বৈরি আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। তবে এদিন খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলা এবং অন্যান্য এলাকায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা চলবে।  ‎মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) রাতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড
মেসির পেনাল্টি ‘কলঙ্কে’ বিপদে আর্জেন্টিনা 
মেসির পেনাল্টি ‘কলঙ্কে’ বিপদে আর্জেন্টিনা 
বন্যায় চট্টগ্রাম ও রাঙামাটিতে বুধবার এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত
বন্যায় চট্টগ্রাম ও রাঙামাটিতে বুধবার এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত
বিএনপি নেতার ছেলে ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা
চিকিৎসককে মারধর / বিএনপি নেতার ছেলে ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা
সংসদে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কুশল বিনিময়
সংসদে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কুশল বিনিময়
গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত: ট্রাম্প
গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত: ট্রাম্প
এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে উৎকণ্ঠায় প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থী
এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে উৎকণ্ঠায় প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থী
  • শ্রীলঙ্কা পেরেছে, বাংলাদেশ কি পারবে

    মাত্র তিন বছর আগে যে শ্রীলঙ্কা বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে খেলাপি হয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছিল, সেই দেশই আজ আবার উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে ফিরেছে। বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশটির মাথাপিছু জাতীয় আয় ৪ হাজার ৪৯৬ ডলারের নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করেছে এবং প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ শতাংশ। এটি শুধু একটি পরিসংখ্যানগত অর্জন নয়; বরং সংকট-পরবর্তী কঠিন সংস্কার, নীতিগত ধারাবাহিকতা এবং সুশাসনের ফল। অন্যদিকে বাংলাদেশ এখনো নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ। যদিও গত এক দশকে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছিল, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হ্রাস, মূল্যস্ফীতি, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা, কর-জিডিপি অনুপাতের স্থবিরতা এবং ডলারের

    গাজায় গণহত্যা ও দ্বৈত মানদণ্ড

    জাতিসংঘ আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, গাজা উপত্যকায় গণহত্যা চলছে। ২০২৬ সালের ২৩ জুন অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে, বিশেষ করে শিশুদের বিরুদ্ধে, ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর আগে একই কমিশন ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে গাজায় গণহত্যা চলছে বলে উল্লেখ করেছিল। এরপর ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদকও একই ধরনের মূল্যায়ন প্রকাশ করেন। কিন্তু এত বিস্তারিত আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনই বা কী করতে পারে, যখন অনেকেই ইসরায়েলের প্রকাশ্য গণহত্যার ঘোষণা, জাতিগত নির্মূলের পরিকল্পনা, ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং ভয়াবহ অনাহারের নীতি দেখেও চোখ ফিরিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? জাতিসংঘের বিশেষায়িত প্রতিবেদন,

    মব কি থামবে না!

    সহিংস কর্মকাণ্ড বা আইন হাতে তুলে নেওয়ার ঘটনা থামছেই না। এবার নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইরে বাসা থেকে ধরে নিয়ে ছিনতাইকারী সন্দেহে সিজান নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ধারাবাহিক এসব ঘটনা নিঃসন্দেহে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নাজুক অবস্থা এবং বিচারহীনতা সংস্কৃতিরই ইঙ্গিতবাহী। গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, গত শনিবার রাত ১০টার দিকে নারায়ণঞ্জের পশ্চিম মাসদাইর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সিজান শহরের পশ্চিম মাসদাইর এলাকার ইউনুছ মিয়ার ছেলে। সিজানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক সেবন ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগের কথা জানা যায়। জানা যায়, এলাকার মসজিদের ইমাম কাউসার আহমেদ কাসেমি সম্প্রতি এলাকায় ‘আল ফালাহ কল্যাণ’ নামে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী একটি সামাজিক
  • সরকারি ব্যানারে ছবি সরানোর পেছনের রহস্য ও তারেক রহমানের ব্র্যান্ডিং!

    নতুন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনেক আশা নিয়ে জাতি তাকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসন ও লুটপাটে জীর্ণ অর্থনীতি। শিক্ষা-সংস্কৃতি নিম্নমুখী। সবখানেই হাহাকার। রাষ্ট্র, প্রতিষ্ঠান ও সরকারের সব কাঠামোতেই অবিশ্বাসে ভরপুর। ফ্যাসিবাদের দোসর ও গুপ্ত-সুপ্ত কিংবা লুটপাটে প্রশাসন বিপর্যস্ত। প্রধানমন্ত্রীর অফিস, সচিবালয় থেকে শুরু করে উপজেলা প্রশাসনে মানুষের আস্থা ফেরানোর সব চেষ্টাতেই কোনো কোনো মহল থেকে তুমুল সমালোচনার সূত্রপাত হয়।  মোদ্দাকথা, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি এমন এক সময় সরকার গঠন করেছে, যখন দেশের সবকিছুই যেন এলোমেলো। ফ্যাসিবাদ শক্তি রাষ্ট্র কাঠামোকে দুর্বল করে দিয়ে গেছে। শৃঙ্খলা বা জনআস্থা ফেরানোর সব চেষ্টাতেই যেন সফল হওয়া অসম্ভব প্রায়। এরপর ২০ বছর পর ক্ষমতায়
    এস আই শরীফ
    এস আই শরীফবার্তা সম্পাদক, কালবেলা

    ঝরে পড়ার ‘মহামারি’ থামবে কবে

    দেশে শিক্ষার অগ্রগতির গল্প আমরা প্রায়ই শুনি এবং বলি। সাক্ষরতার হার বেড়েছে, স্কুলে ভর্তি বেড়েছে, নতুন নতুন ভবন হয়েছে, ডিজিটাল ক্লাসরুম হয়েছে। আরও কত কি! কিন্তু উন্নয়নের গল্পের আড়ালে এমন কিছু পরিসংখ্যান আছে, যা আমাদের আত্মতুষ্টিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। চলতি বছরে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সে প্রশ্নটিই নতুন করে সামনে এসেছে। দুই বছর আগে একাদশ শ্রেণিতে প্রায় ১৫ লাখ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছিল। অথচ পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করে মাত্র সাড়ে ৯ লাখ। অর্থাৎ প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ শিক্ষার্থী, নিয়মিতদের প্রায় ৩৬ শতাংশ পরীক্ষা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি। আরও উদ্বেগজনক তথ্য হলো, যারা ফরম পূরণ করেছিল তাদের মধ্যে প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষার প্রথম

    জুলাইয়ের চেতনা : ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার

    বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠনের ইতিহাস মূলত অধিকার, ন্যায়বিচার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণআন্দোলন এবং সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান—প্রতিটি অধ্যায়ের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল মানুষের মুক্তি, বৈষম্যের অবসান এবং একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা। ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে এ দেশের মানুষ বারবার প্রমাণ করেছে, যখন রাষ্ট্র জনগণের প্রত্যাশা থেকে বিচ্যুত হয়, তখন জনগণই পরিবর্তনের শক্তি হয়ে ওঠে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান সেই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতারই সর্বশেষ ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। জুলাইয়ের আন্দোলনকে কেবল একটি সরকারের পতনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ করে দেখলে এর প্রকৃত তাৎপর্য অনুধাবন করা সম্ভব নয়। এটি ছিল একটি গভীর সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রত্যাশার বহিঃপ্রকাশ। দীর্ঘদিনের বৈষম্য, অন্যায়, ক্ষমতার
  • ঘর পোড়ার মধ্যে আলু পোড়া

    ইসলামের মারেফতি জগতে ‘দোয়া ইউনুস’ একটি অলৌকিক প্রার্থনার নাম কিন্তু তার চেয়েও বেশি এটি এক বুকফাটা আর্তনাদের নাম, এক নিঃসহায় মানুষের আত্মসমর্পণের নাম। মাছের পেটের অন্ধকারে নবী ইউনুস (আ.) উচ্চারণ করেছিলেন- ‘লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ জোয়ালিমিন’, অর্থাৎ ‘তুমি ছাড়া উপাস্য নেই, নিশ্চয়ই আমি নিজেই অন্যায়কারীদের একজন।’ এই আত্মসমীক্ষার সাহসই এ প্রার্থনার মারেফত, আর সেই সততার ফজিলত হলো অন্ধকার থেকে মুক্তির আশা। ২০২৪ সালে বাংলাদেশের মাটিতে এলেন আরেক ‘ইউনূস’- নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।  জাতি ভেবেছিল, এবার সত্যিই দোয়ার ফজিলতের মতো মুক্তি আসবে। কিন্তু যা এলো তা ছিল ভিন্ন এক ফজিলত- তার প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ মদদে গড়ে ওঠা একটি

    স্বপ্নভঙ্গের খতিয়ান: বাল্যবিয়ের বিষ-ছোবলে লাখো ছাত্রী

    নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের তাসলিম লিরা (ছদ্মনাম)। প্রবাসী বাবা মেয়েকে বিয়ে দিলেন ঢাকার এক স্বনামধন্য ব্যবসায়ীর সাথে। এইচএসসি পরীক্ষার ঠিক আগে আগে বিয়ে হওয়ায় রেজিস্ট্রেশন করেও বিয়ের হইহুল্লোড়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে আর যাওয়া হয়নি লিরার। কিন্তু ঢাকা বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয়া তারই ননদের মেয়ের পরীক্ষার তদারকির সব ভার তাঁর কাঁধে। ভাগনী সকালে পড়তে উঠলে নিয়ম করে উঠতে হয় লিরাকে। কী খাবে, পরীক্ষা কেন্দ্রে যাবার আগে কলম, এডমিড কার্ড সব ঠিকঠাক আছে কি না চেক করে দেওয়ার দায়িত্ব নববধূর। এই করতে গিয়েই যে নববধূর মনটা ভেঙে যায় তা দেখার কেউ নেই। বিবাহিত লিরার মন চলে যায় নিজের বান্ধবী সহপাঠীদের কাছে। তারওতো এই রকম করেই

    সশস্ত্র বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তা পেলেন ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও বকেয়া সুবিধা

    যারা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার শপথ নিয়ে জীবন উৎসর্গ করেন, তাদের মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্রের অন্যতম পবিত্র দায়িত্ব। একজন সৈনিকের কাছে পদ-পদবি, ইউনিফর্ম কিংবা বেতন যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়েও মূল্যবান তার সম্মান। সেই সম্মান যদি অন্যায়ভাবে কেড়ে নেওয়া হয়, তাহলে শুধু একজন কর্মকর্তাই ক্ষতিগ্রস্ত হন না; আহত হয় একটি পরিবারের স্বপ্ন, একটি প্রতিষ্ঠানের মনোবল এবং শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের নৈতিক ভিত্তি। পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে বৈষম্য, প্রতিহিংসা ও প্রশাসনিক অন্যায়ের শিকার হওয়ার অভিযোগে সশস্ত্র বাহিনীর বহু কর্মকর্তা বছরের পর বছর ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় ছিলেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বর্তমান সরকার বাংলাদেশ সেনাবাহিনী,
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

৯৬ বছরের ‘অবিশ্বাস্য’ রেকর্ড ছুঁলেন মেসি

ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে ‘বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস’ দিল সরকার

মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা, মেসিদের পরের ম্যাচ কবে, প্রতিপক্ষ কে?

‎কক্সবাজার জেলারও বুধবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত 

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন আর্জেন্টিনার, মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা

মেসির জাদুতে সমতায় আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপে টানা দুই পেনাল্টি মিস, লজ্জার এই রেকর্ডে নাম শুধুই মেসির

আর্জেন্টিনার জালে আরও এক গোল মিসরের

মেসির পেনাল্টি ‘কলঙ্কে’ বিপদে আর্জেন্টিনা 

দরজা ভেঙে যুবকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার

১০

দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক রূপান্তরে বাংলাদেশের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হয়েছে: সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ

১১

বন্যায় চট্টগ্রাম ও রাঙামাটিতে বুধবার এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

১২

পরপর ৪ বার ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানে শীর্ষে নতুনধরা

১৩

ভোলার ৫ নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

১৪

মেসির পেনাল্টি মিস 

১৫

বোমা-ককটেল বিস্ফোরণ করে এনসিপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না: সারজিস

১৬

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে মিশর

১৭

চিকিৎসককে মারধর / বিএনপি নেতার ছেলে ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা

১৮

সংবাদকর্মী ও শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংস পুলিশি হামলার প্রতিবাদে জবিতে মানববন্ধন

১৯

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ১৮ জুলাই

২০
শিগগির স্বেচ্ছাসেবক দলের নয়া কমিটি, আলোচনায় এক ডজন নেতা
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ের পর সরকার গঠন করে অনেকটাই ফুরফুরে বিএনপি। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করতে ঢাকা মহানগরীসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গসহযোগী সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে
বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে দেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মতো নিজের বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার
মাধ্যমিকেও চালু হচ্ছে মিড ডে মিল, শিক্ষার্থী পাবে ড্রেস-জুতা
প্রাথমিকের মতো মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া কমাতে চালু হচ্ছে মিড ডে মিল এবং স্কুল ড্রেস বিতরণ কর্মসূচি। মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য ৩ হাজার ৫০২ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘কমবাইন্ড স্টুডেন্টস ফ্যাসিলিটিস
ধর্মীয় সাইনবোর্ডে দখলের থাবা ইস্টার্ন হাউজিংয়ের
মো. মোহন মিয়া। জীবিকার তাগিদে ১৯৮৯ সালে পাড়ি জমান ইরাকে। এরপর সেখানে যুদ্ধ শুরু হলে চলে যান তুরষ্কে। ১৯৯২ সালে দেশে ফিরে ফের পাড়ি জমান মালয়েশিয়া। ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রবাস
মন্ত্রিসভায় যাচ্ছে নবম পে-স্কেল, যে হারে বাড়বে বেতন
সর্বশেষ বৈঠক / মন্ত্রিসভায় যাচ্ছে নবম পে-স্কেল, যে হারে বাড়বে বেতন
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জন্য নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত সচিব কমিটির অনুষ্ঠিত সর্বশেষ সভায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিসভায় পেশ করার জন্য অর্থ বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠকে বেতন বৃদ্ধি, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া, ভাতা কাঠামো এবং পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সব গ্রেডে সমান হারে বেতন বাড়বে না। নিম্ন গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন তুলনামূলক বেশি বাড়ানোর সুপারিশ করা হচ্ছে। কমিশনের আগের প্রস্তাব অনুযায়ী মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে- এ বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ ছাড়া ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা বাস্তবায়নের জন্য একাধিক বিধিবদ্ধ নিয়ন্ত্রক আদেশ (এসআরও) জারির বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পে স্কেল বাস্তবায়নে তাড়াহুড়া করা হবে না। প্রতিটি প্রস্তাবের আর্থিক প্রভাব, প্রশাসনিক সক্ষমতা ও আইনগত দিক যাচাই করেই চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরি করা হবে। চলতি জুলাই মাসের শেষ নাগাদ সচিব কমিটি তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দিতে চায়। এর আগে আরও দুটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকগুলোতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মতামত, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা, বাস্তবায়ন কৌশল এবং ধাপভিত্তিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা হবে। চূড়ান্ত সুপারিশ মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের পর সেখানে প্রয়োজন হলে পরিবর্তন, সংযোজন বা বিয়োজন করা যাবে। এরপর প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন, আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং এবং গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নবম পে স্কেল কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বেসামরিক সরকারি কর্মচারীদের পাশাপাশি বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর জন্যও পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। উল্লেখ্য, সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ প্রণয়নের জন্য গত ২১ এপ্রিল ১০ সদস্যের সচিব কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সভাপতিত্ব করছেন নাসিমুল গনি। এর আগে জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন নবম জাতীয় বেতন কমিশন বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে বেতন ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল।
৪ ঘণ্টা আগে

বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে দেন প্রধানমন্ত্রী

০৭ জুলাই, ২০২৬

ধর্মীয় সাইনবোর্ডে দখলের থাবা ইস্টার্ন হাউজিংয়ের

০৭ জুলাই, ২০২৬

শক্তিশালী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সহায়তার আশ্বাস যুক্তরাজ্যের

৬ ঘণ্টা আগে

সরকারি চাকরিতে শূন্য পদ ৫ লাখ ২১ হাজার

৬ ঘণ্টা আগে

ফের কমলো জেট ফুয়েলের দাম

৭ ঘণ্টা আগে
বোমা-ককটেল বিস্ফোরণ করে এনসিপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না: সারজিস
বোমা-ককটেল বিস্ফোরণ করে এনসিপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না: সারজিস
বোমা ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) দমিয়ে রাখা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে এনসিপির উদ্যোগে একটি র‍্যালি বের হয়। র‌্যালি শেষে পথসভায় এ কথা বলেন তিনি। র‍্যালিটি পুরাতন বাসস্ট্যান্ড হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নিরালা মোড় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এতে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পরে পথসভায় বক্তব্যে সারজিস আলম বলেন, বোমা-ককটেল কিংবা ভয়ভীতি দেখিয়ে এনসিপির নেতাকর্মীদের দমিয়ে রাখা যাবে না। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। এ সময় নাহিদ ইসলামসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেন এবং বিপুল নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
যুবদল সভাপতি-সম্পাদকের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়, হতাশ পদবঞ্চিত নেতারা
যুবদল সভাপতি-সম্পাদকের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়, হতাশ পদবঞ্চিত নেতারা
এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণ, সংসদে আখতারের ক্ষোভ
এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণ, সংসদে আখতারের ক্ষোভ
বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে দেন প্রধানমন্ত্রী
বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে দেন প্রধানমন্ত্রী
গণভোট বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে ১১ দলের স্মারকলিপি
গণভোট বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে ১১ দলের স্মারকলিপি
ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ  
ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ  
জনগণের ম্যান্ডেটে ক্ষমতায় এসেছে সরকার: রিজভী
জনগণের ম্যান্ডেটে ক্ষমতায় এসেছে সরকার: রিজভী

দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক রূপান্তরে বাংলাদেশের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হয়েছে: সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ

ঢাকা: দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আঞ্চলিক সংযোগ এবং কৌশলগত অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের (এআইইউবি) ফিন্যান্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ। তিনি বলেন, গত এক দশকে বাংলাদেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করেনি, বরং দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও সংযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছে। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) রাজধানীর এআইইউবি অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি অনুধাবন’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। এআইইউবি, জাপানের সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশন (এসপিএফ) এবং রিক্কিও ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে সেমিনারটির আয়োজন করা হয়। সেমিনারে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় অর্থনৈতিক রূপান্তর এবং বাংলাদেশের ভূমিকা’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ। প্রবন্ধে তিনি তুলে ধরেন, দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক কাঠামো দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এ পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসছে বাংলাদেশ, যার পেছনে রয়েছে রপ্তানিমুখী শিল্পের সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদে বিনিয়োগ এবং আঞ্চলিক সংযোগ জোরদারের উদ্যোগ। তিনি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতির অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মধ্যেও বাংলাদেশ স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এ সক্ষমতা ভবিষ্যতে দক্ষিণ এশিয়ার বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের গুরুত্ব আরও বাড়াবে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশ আঞ্চলিক সহযোগিতার অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে বলেও তিনি মত দেন। সেমিনারে বক্তারা বলেন, দক্ষিণ এশিয়া ও বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিবর্তিত কৌশলগত বাস্তবতায় বাংলাদেশের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। এ বাস্তবতায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সুশাসন, কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের সিএমএস ফেলো ও রিক্কিও ইউনিভার্সিটির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. নাওনোরি কুসাকাবে। সমাপনী বক্তব্যে এআইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং নীতিনির্ভর গবেষণা জোরদারে বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষকেরা দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি, বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক, আন্তর্জাতিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থা, সুশাসন, চীনের সফট পাওয়ার এবং বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান নিয়ে পৃথক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, নীতিনির্ধারণী বিশেষজ্ঞ, শিক্ষার্থী এবং জাপানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা মত দেন, পরিবর্তিত আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বাস্তবতায় বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে গবেষণা, নীতিনির্ধারণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে আরও জোরদার করতে হবে।  

‘আকু’র দেড় বিলিয়ন ডলার বিল পরিশোধ

বাংলাদেশ ব্যাংক এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মে ও জুন মাসের প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলার আমদানি বিল পরিশোধ করেছে। ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। সাধারণত আকুর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে লেনদেনের জন্য দুই মাস পরপর এ ধরনের বিল পরিশোধ করতে হয়। মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) ১৪৯ কোটি ডলার (১.৪৯ বিলিয়ন) সমপরিমাণ অর্থ আকুকে পরিশোধ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দেশের মোট (গ্রোস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলারে এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার। গ্রোস রিজার্ভ ও বিপিএম-৬ এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা সবসময়, প্রকাশ করা হয় না।  কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ (এনআইআর) বা ব্যয়যোগ্য নিট রিজার্ভ ২৭ দশমিক ৯৩ ডলারে রয়েছে। প্রতি মাসে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার করে এ রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে ৫ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন ভালো অবস্থানে রয়েছে। একটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম সূচক হলো বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ। কেন পরিশোধ করতে হয় আকুর বিল? আকু হলো- একটি আন্তঃদেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার লেনদেনের দায় পরিশোধ করা হয়। ইরানের রাজধানী তেহরানে আকুর সদর দপ্তর। এ ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি দুই মাস অন্তর আমদানির অর্থ পরিশোধ করে। জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনীতি ও সামাজিক কমিশনের (এসক্যাপ) ভৌগোলিক সীমারেখায় অবস্থিত সব দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর জন্য আকুর সদস্য পদ উন্মুক্ত।

ফের কমলো জেট ফুয়েলের দাম

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার প্রভাব পড়েছে জেট ফুয়েলের বাজারেও। ফলে দেশের বাজারে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত এ জ্বালানির দাম আবারও কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সে অনুযায়ী জুলাই মাসের জন্য দেশের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১৫০ টাকা ২১ পয়সা থেকে কমিয়ে ১৩০ টাকা ৯৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন দাম ঘোষণা করে বিইআরসি। নতুন নির্ধারিত মূল্য মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে। বিইআরসির নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্যও জেট ফুয়েলের দাম কমানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতি লিটার ফুয়েলের দাম ০.৯৮০৮ ডলার থেকে কমিয়ে ০.৮৫৫৬ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত ৭ জুন অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১৬৫ টাকা ৮৮ পয়সা থেকে কমিয়ে ১৫০ টাকা ২১ পয়সা করা হয়েছিল। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য দাম ১.০৮২৩ ডলার থেকে কমিয়ে ০.৯৮০৮ ডলার নির্ধারণ করা হয়। তার আগের মাসে দুই দফায় কমে ৬১ টাকা ১২ পয়সা। যদিও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। যুদ্ধ শুরুর পর মার্চ মাসে দুই দফায় জেট ফুয়েলের দাম বেড়েছিল ১০৭ টাকা এবং এপ্রিল মাসে এক দফায় বেড়েছিল ২৪ টাকা ৭৯ পয়সা। নতুন দর অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১৩০ টাকা ৯৯ পয়সা। অথচ যুদ্ধ শুরুর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এই দাম ছিল ৯৫ টাকা ১২ পয়সা। জানা গেছে, বিশ্ববাজারের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে গত বছরের মে মাস থেকে প্রতি মাসে জেট ফুয়েলের দাম পুনর্নির্ধারণ করছে বিইআরসি। এর আগে জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব ছিল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) হাতে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে নির্বাহী আদেশের বিধান বাতিলের পর ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ফার্নেস অয়েল ও জেট এ-১-এর দাম নির্ধারণের দায়িত্ব বিইআরসিকে দেওয়া হয়। এরপর গতবছরের ২৩ মার্চ প্রথমবারের মতো জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণে গণশুনানি করে বিইআরসি। সেই ধারাবাহিকতায় এখন প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে জেট ফুয়েলের দাম সমন্বয় করা হচ্ছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ফের কমলো জেট ফুয়েলের দাম

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল গ্যাস ও তেলের দাম

ওমান উপকূলের কাছে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বের হওয়ার সময় একটি এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) বহনকারী জাহাজে হামলার খবরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে গ্যাস ও তেলের দাম বেড়েছে। খবর আল জাজিরার।  মঙ্গলবার ইউরোপের বেঞ্চমার্ক প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম ৪.৫ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি মেগাওয়াট-ঘণ্টা ৪৬ ইউরো (প্রায় ৫২.৫ ডলার) হয়েছে। আগের দিনের দরপতনের পর বাজারে এ ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবি দাবি করেছে, সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে এগিয়ে যাওয়ার পর জাহাজটি হামলার মুখে পড়ে। তবে হামলার ঘটনার বিষয়ে স্বাধীনভাবে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এদিকে, জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও বেড়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৭৩ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ।
১০ ঘণ্টা আগে
বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল গ্যাস ও তেলের দাম

১৫০৪ কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগে শেল্‌টেক গ্রুপ, লক্ষ্য ৪৫ হাজার কর্মসংস্থান

দেশের কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণ, রিয়েল এস্টেট, বস্ত্র, উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে মোট ১ হাজার ৫০৪ কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগ পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে দেশের অন্যতম শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠান শেল্‌টেক গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির এই বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৪৫ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, যার বড় অংশই চুক্তিভিত্তিক কৃষিকাজের মাধ্যমে গড়ে উঠবে। ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত শেল্‌টেক গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে দেশের রিয়েল এস্টেট, নির্মাণ খাত, প্রিমিয়াম ওয়াল ও ফ্লোর টাইলস, বৈদ্যুতিক পোল, কৃষি, গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল খাত, হসপিটালিটি সেক্টর এবং বিভিন্ন সেবাখাতে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। গুণগত মান, সময়মতো প্রকল্প হস্তান্তর, করপোরেট সুশাসন এবং টেকসই উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য শিল্পগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। গ্রুপটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন এই বিনিয়োগ দেশের শিল্পায়ন, রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিনিয়োগের একটি বড় অংশ নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে। পাশাপাশি যৌথ উদ্যোগ, ব্যাংক ঋণ এবং বৈদেশিক অর্থায়নের মাধ্যমে বাকি প্রকল্পগুলো এগিয়ে নেওয়া হবে। শেল্‌টেক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা এবং দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ সম্প্রসারণ করছে। তিনি বলেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিল্প উৎপাদন, রপ্তানি আয় ও কর্মসংস্থান উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। কৃষি ও রপ্তানিতে বড় উদ্যোগ কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে গ্রুপটির স্পেনীয় যৌথ উদ্যোগ স্পেন বাংলাদেশ এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডে ইতোমধ্যে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। দিনাজপুরের পার্বতীপুরে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং সেখান থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানিও চলছে। এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৪০ হাজার কৃষককে চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালিত হলে প্রকল্পটি থেকে বছরে প্রায় ২,৪৪০ কোটি টাকার রপ্তানি আয় অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। রিয়েল এস্টেটে নতুন সম্প্রসারণ রিয়েল এস্টেট খাতে বনশ্রী এলাকায় শেল্‌টেক লিগ্যাসি প্লাজা নামে ১৭ তলা আধুনিক শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণে ৫৭৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। প্রায় দুই লাখ বর্গফুট বাণিজ্যিক স্পেস নিয়ে নির্মিতব্য এই ভবনটি আন্তর্জাতিক মানের লিড (LEED) সনদপ্রাপ্ত গ্রিন বিল্ডিং হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া জলসিঁড়ি আবাসন এলাকায় যৌথ উদ্যোগে ২৬৫ কোটি টাকা বিনিয়োগে ২১টি আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে। উৎপাদন ও বস্ত্র শিল্পে সক্ষমতা বৃদ্ধি সিলেটে দেশের একমাত্র অ্যাব্রেসিভ পেপার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গ্রাইন্ডটেক লিমিটেডে ৮৫ কোটি টাকার বিনিয়োগ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদিকে, বস্ত্র খাতে ব্লেন্ডেড সুতার উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেড প্রায় ১৭৯ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে। ২০২৭ সালের মধ্যে এই সম্প্রসারণ কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শেল্‌টেক গ্রুপ তাদের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ১০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে। এ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানটির টেকসই উন্নয়ন কৌশলের অংশ হিসেবে বাস্তবায়িত হবে। বর্তমানে শেল্‌টেক গ্রুপের বার্ষিক টার্নওভার প্রায় ৬,৭০০ কোটি টাকা। নতুন প্রকল্পগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে ২০৩০ সালের মধ্যে এই টার্নওভার ৯,২০০ কোটি টাকায় উন্নীত হবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি। শেল্‌টেক গ্রুপের এই বহুমুখী বিনিয়োগ পরিকল্পনা শুধু শিল্প খাতেই নয়, কৃষি, রপ্তানি, কর্মসংস্থান এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির মতো অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতেও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক অবদান রাখার পাশাপাশি এই বিনিয়োগ দেশের শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নের পথকে আরও শক্তিশালী করবে বলেও প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
১১ ঘণ্টা আগে
১৫০৪ কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগে শেল্‌টেক গ্রুপ, লক্ষ্য ৪৫ হাজার কর্মসংস্থান
দরজা ভেঙে যুবকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার
দরজা ভেঙে যুবকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার
বোমা-ককটেল বিস্ফোরণ করে এনসিপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না: সারজিস
বোমা-ককটেল বিস্ফোরণ করে এনসিপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না: সারজিস
বিএনপি নেতার ছেলে ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা
চিকিৎসককে মারধর / বিএনপি নেতার ছেলে ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা
পরিত্যক্ত কারখানায় মিলল যুবকের মরদেহ
পরিত্যক্ত কারখানায় মিলল যুবকের মরদেহ
মেঘনায় নিউ আল-শেফা হাসপাতালকে জরিমানা, অপারেশন থিয়েটার সিলগালা
মেঘনায় নিউ আল-শেফা হাসপাতালকে জরিমানা, অপারেশন থিয়েটার সিলগালা
নোয়াখালীতে দুই হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ
নোয়াখালীতে দুই হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ
আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে উৎকণ্ঠায় প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থী
এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে উৎকণ্ঠায় প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থী
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
.

ইরান যুদ্ধে যাদের ভূমিকায় হতাশ ট্রাম্প

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে ন্যাটো মিত্রদের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ন্যাটোর প্রতিক্রিয়ায় তিনি খুবই হতাশ হয়েছেন। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সহায়তার প্রয়োজন ছিল না। তবে মিত্ররা সংকটের সময় পাশে দাঁড়ায় কি না, সেটি যাচাই করতেই তিনি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন। ট্রাম্প আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অভিযোগ করে আসছেন যে যুক্তরাষ্ট্র মিত্রদের পাশে দাঁড়ালেও প্রয়োজনে তারা একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করে না। ইরান যুদ্ধের সময় ইউরোপের কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সূত্র : সিবিএস নিউজ
গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত: ট্রাম্প
গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত: ট্রাম্প
খামেনির জানাজার মধ্যেই ইরানকে ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারি
খামেনির জানাজার মধ্যেই ইরানকে ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারি
চীনে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ১১, উপকূলে আঘাত হানতে যাচ্ছে সুপার টাইফুন
চীনে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ১১, উপকূলে আঘাত হানতে যাচ্ছে সুপার টাইফুন
ইরানের নতুন নেতৃত্ব কীভাবে আগের শাসকদের চেয়ে অনেক আলাদা
ইরানের নতুন নেতৃত্ব কীভাবে আগের শাসকদের চেয়ে অনেক আলাদা
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ কাতারের
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ কাতারের
উপকূল থেকে ৭ জেলেকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গেল ইসরায়েলি বাহিনী
উপকূল থেকে ৭ জেলেকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গেল ইসরায়েলি বাহিনী
বাংলাদেশের বাউল ঐতিহ্য তুলে ধরতে যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক উৎসব
বাংলাদেশের বাউল ঐতিহ্য তুলে ধরতে যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক উৎসব
নন্দনে নন্দিত হলো জীবনের ‘সম্পর্ক’
নন্দনে নন্দিত হলো জীবনের ‘সম্পর্ক’
ইউল্যাবে শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি ‘মাস্তুল’ টিম
ইউল্যাবে শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি ‘মাস্তুল’ টিম
ট্রমা পেরিয়ে নতুন জীবনে মৌসুমী হামিদ, জানালেন অজানা গল্প
ট্রমা পেরিয়ে নতুন জীবনে মৌসুমী হামিদ, জানালেন অজানা গল্প
১০ বছর পর ওয়ারফেজের নতুন স্টুডিও ট্র্যাক ‘গিরগিটি’
১০ বছর পর ওয়ারফেজের নতুন স্টুডিও ট্র্যাক ‘গিরগিটি’
সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত পরিচালক এফ আই মানিক
সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত পরিচালক এফ আই মানিক
'সবাইকে নিয়েই কাজ করতে চাই', পলির অভিযোগেও ইতিবাচক শিবা সানু
'সবাইকে নিয়েই কাজ করতে চাই', পলির অভিযোগেও ইতিবাচক শিবা সানু
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা, মেসিদের পরের ম্যাচ কবে, প্রতিপক্ষ কে?
মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা, মেসিদের পরের ম্যাচ কবে, প্রতিপক্ষ কে?
অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন আর্জেন্টিনার, মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা
অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন আর্জেন্টিনার, মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা
৯৬ বছরের ‘অবিশ্বাস্য’ রেকর্ড ছুঁলেন মেসি
৯৬ বছরের ‘অবিশ্বাস্য’ রেকর্ড ছুঁলেন মেসি
মিশরের বিপক্ষে গোল করে আবারও দলের ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন লিওনেল মেসি। আর এই গোল করার পর আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে আরও একটি রেকর্ড ভাঙা থেকে মাত্র এক গোল দূরে অবস্থান করছেন এলএম টেন। শেষ ষোলোর ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানে জয়ের দিনে এই আসরে নিজের অষ্টম গোলটি করেন লিওনেল মেসি। এর মাধ্যমে তিনি ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা আর্জেন্টিনার সাবেক তারকা গিয়ের্মো স্তাবিলের রীতিমতো অবিশ্বাস্য কীর্তি ছুঁয়ে ফেললেন। মেসি একমাত্র খেলোয়াড় যিনি বিশ্বকাপের এই আসরের প্রতিটি ম্যাচেই গোল করেছেন। ইতিমধ্যে আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া, জর্ডান, কেপ ভার্দে এবং মিসর তার গোলশিকারের তালিকায় যুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে, এ বছর সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে থাকা কিলিয়ান এমবাপে, আর্লিং হলান্ড এবং হ্যারি কেইন অন্তত একটি ম্যাচে গোল করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজের রেকর্ডকে আরও সমৃদ্ধ করে চলেছেন মেসি। মিসরের বিপক্ষে আজ গোল করার পর এই আর্জেন্টাইন তারকার বিশ্বকাপে মোট গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১-এ। তাই এককভাবে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি। চলতি আসরে এই আর্জেন্টাইনের গোল আটটি। এবং সাতটি গোল নিয়ে তাঁর ঠিক পেছনেই আছেন এমবাপে ও হলান্ড। কেইন এখন পর্যন্ত ছয়টি গোল করে এই দৌড়ে কিছুটা পিছিয়ে আছেন। তাদের সবার দলই কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে এবং টুর্নামেন্টে প্রত্যেকেরই অন্তত আরও একটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ রয়েছে।
মেসির জাদুতে সমতায় আর্জেন্টিনা
মেসির জাদুতে সমতায় আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপে টানা দুই পেনাল্টি মিস, লজ্জার এই রেকর্ডে নাম শুধুই মেসির
বিশ্বকাপে টানা দুই পেনাল্টি মিস, লজ্জার এই রেকর্ডে নাম শুধুই মেসির
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X