সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
গ্যাস অনুসন্ধান জোরদারে বাপেক্সের জন্য আসছে আরও দুটি আধুনিক রিগ

গ্যাস অনুসন্ধান জোরদারে বাপেক্সের জন্য আসছে আরও দুটি আধুনিক রিগ

দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম আরও ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) জন্য দুটি নতুন আধুনিক রিগ কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, বাপেক্সের জন্য দুটি আধুনিক অনুসন্ধান কূপ খনন রিগ কেনার প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে বাপেক্সের পাঁচটি রিগ রয়েছে। এগুলো হলো
সিলেটে শিক্ষিকার ভিডিও ভাইরাল: ‘গান গাওয়া অন্যায় নয়’, বললেন প্রতিমন্ত্রী
সিলেটে শিক্ষিকার ভিডিও ভাইরাল: ‘গান গাওয়া অন্যায় নয়’, বললেন প্রতিমন্ত্রী
২০২৬-২৭ অর্থবছরে রপ্তানির লক্ষ্য ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার
২০২৬-২৭ অর্থবছরে রপ্তানির লক্ষ্য ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার
ইএসডিও গবেষণা: যেসব টুথপেস্টে মেলেনি ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক’
ইএসডিও গবেষণা: যেসব টুথপেস্টে মেলেনি ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক’
পাউরুটিতে ক্যানসারের উপাদান, পটাশিয়াম ব্রোমেটের ব্যবহার বন্ধে রিট
পাউরুটিতে ক্যানসারের উপাদান, পটাশিয়াম ব্রোমেটের ব্যবহার বন্ধে রিট
টুথপেস্টের টিউবে নিচের রঙিন দাগ কেন থাকে?
টুথপেস্টের টিউবে নিচের রঙিন দাগ কেন থাকে?
১৮ মন্ত্রীর ‘এসকর্ট’ প্রত্যাহার, যাদের থাকছে
১৮ মন্ত্রীর ‘এসকর্ট’ প্রত্যাহার, যাদের থাকছে
  • ফিলিস্তিন সংকট ও ইউরোপের নীতি

    অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপন ইউরোপের বিশ্বাসযোগ্যতার সবচেয়ে স্পষ্ট পরীক্ষা হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এর সদস্য দেশগুলোর জন্যও একটি পরীক্ষা। ফিলিস্তিনে সংঘাতের অবসান এবং একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানোর ব্যাপারে তারা কতটা আন্তরিক, সেটিও এ পরীক্ষার মাধ্যমে স্পষ্ট হবে। ১৯৪৮ সালের নাকবার পর থেকে দখলদার শক্তির মানবাধিকার লঙ্ঘন অব্যাহত রয়েছে। গত তিন বছরে গাজায় তা গণহত্যামূলক যুদ্ধ ও জাতিগত নিধনের রূপ নিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতিনির্ধারকদের সামনে এখন প্রশ্ন হলো, তারা কি সত্যিই দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান রক্ষায় আন্তরিক? তারা বারবার এ সমাধানের পক্ষে কথা বলে আসছে। এর জন্য পুরো দখলদারত্ব এবং এর সঙ্গে যুক্ত সব ধরনের

    রোহিঙ্গা সংকট উত্তরণের উপায়

    মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর পরিচালিত উপর্যুপরি দমন-নিপীড়ন, উদ্বাস্তুজীবন থেকে মুক্তি ও স্বস্তির পরিবেশ সন্ধানের তাড়নায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া বা ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশে পাড়ি জমাতে গিয়ে সাগরে হারিয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার রোহিঙ্গা। দালালের খপ্পরে পড়ে তারা সাগরের উপকূলে বন্দিশিবিরে মানবেতর জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। থাইল্যান্ডের জঙ্গলে রোহিঙ্গাদের গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে। রোহিঙ্গাদের সাগরে সলিলমৃত্যু বর্তমান সময়ে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বড় মানবিক বিপর্যয়গুলোর মধ্যে অন্যতম। জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক সংস্থা (IOM) এবং শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (UNHCR) সূত্রে জানা যায়, বিগত ১৬ জুলাই বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় ৫৩০ জন রোহিঙ্গার সলিল সমাধি হয়েছে। জুন মাসের শেষদিকে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্যের বঙ্গোপসাগর উপকূল

    রক্ত, কারাগার আর রাজপথ: ফ্যাসিবাদের দিনলিপি

    ২০২৪ সালের আগস্টে স্বৈরাচারের যে পতন আমরা দেখেছি, তা হুট করে এক বা দুই মাসের কোনো আন্দোলনের ফল নয়; এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ ১৭ বছরের এক নির্মম ও রক্তক্ষয়ী লড়াই। আর সেই দীর্ঘ লড়াইয়ের মাঠপর্যায়ের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে আমি নিজেই ফ্যাসিবাদের সেই নিকষ অন্ধকারের মধ্য দিয়ে গিয়েছি। এই গল্প বাংলাদেশের রাজপথে বুক চিতিয়ে লড়াই করা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিটি সাধারণ কর্মীর রক্ত, ঘাম আর টিকে থাকার এক অলিখিত ইতিহাস। একটি প্রচলিত কথা আছে- ‘পানি দিয়ে গোসল করলে কেবল গায়ের কাপড় বদলায়, ঘাম দিয়ে গোসল করলে বদলায় নিজের ভাগ্য; আর যারা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে গোসল করে, তারা বদলে দেয় আস্ত
  • বন্যার ক্ষত মুছতে চাই পুনর্বাসন

    দেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের বন্যা আবারও আমাদের সামনে একটি কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরেছে। বন্যা শুধু মানুষের ঘরবাড়ি ভাসিয়ে নেয় না; মানুষের জীবিকা, সঞ্চয় এবং ভবিষ্যতের স্বপ্নও কেড়ে নেয়। এবারের বন্যায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলাসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সাত জেলায় এ পর্যন্ত ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১২ লাখের বেশি মানুষ। এ বিপুলসংখ্যক মানুষের দুর্ভোগ কোনোভাবেই সাময়িক সংকট হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তাদের পুনর্বাসন ও জীবিকা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ প্রয়োজন। বন্যায় প্রাণিসম্পদ খাতেও ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ তিন পার্বত্য জেলায় প্রাণিসম্পদ খাতে ক্ষতির পরিমাণ ৭৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা। মারা গেছে ১ লাখ ৬১ হাজার গবাদি পশু ও
    মোস্তফা কামাল

    চুপ ছিলেন ভালোই ছিলেন

    কোন বা পথে নিতাইগঞ্জ যাই/জেগে দেখি বেলা নাই—গানের অবস্থা হয়নি মো. সাহাবুদ্দিন চুপপুর। ঠিক ঘুমিয়ে ছিলেন না। জেগেই ছিলেন। নিজের ডাকনাম চুপপু ছেঁটে ফেলেছেন রাষ্ট্রপতি হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই। পরে কয়েকদিন একটু হিরোইজম। পটপরিবর্তনের পর আরেক মুড। তুলনামূলক চুপ ছিলেন। চামেচুমে ভালোই ছিলেন। যেখান দিয়ে যে যা বলেছেন, গায়ে মাখেননি। সহ্য করে গেছেন চুপ করে। রাষ্ট্রপতির গদিনশিন প্রথাগত কাজও করেছেন। বড় ঝামেলা হয়নি। ক্ষমতাসীন শক্তির রাজনৈতিক সমীকরণের বেনিফিট পাচ্ছিলেন। ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার তাকে হটায়নি। গিলতে হয়েছে। চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে হাসিনা রেজিমের পতনের পর তাকেই রাজনৈতিক-সাংবিধানিক-রাষ্ট্রিক স্থিতির নিশ্চিতি বলে ধরে নিয়ে তাকেই রাষ্ট্রপতি পদে রেখে দেয়। মোট কথা, মো. সাহাবুদ্দিনকে যে

    অবহেলা ও উদাসীনতা

    যোগাযোগব্যবস্থাকে যে কোনো অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও জনজীবনের স্বস্তির অন্যতম মূল শর্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অস্বীকার করার উপায় নেই যে, দেশে বিগত দেড় দশকে অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে অভাবনীয় পর্যায়ে। তার পরও প্রত্যন্ত অঞ্চলের এমন কিছু অবহেলিত চিত্র মাঝেমধ্যেই সামনে আসে, যা সত্যিকারই দুঃখজনক। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় আজও একটি টেকসই সেতুর অভাবে সাত গ্রামের হাজার হাজার মানুষকে প্রতিদিন যে চরম দুর্ভোগ ও মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়, এ চিত্র সেই অবহেলারই প্রতিফলন। শুক্রবার কালবেলায় ‘ওদের চাই শুধু একটি সেতু’ শীর্ষক শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি যে কোনো সচেতন ও হৃদয়বান মানুষের মনকেই নাড়া দিতে বাধ্য। প্রতিবেদন অনুসারে, উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা খালের ওপর
  • ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জন্য ভিয়েতনাম ফাঁদ

    ধীরগতির এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার মতো, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী হামলা ধীরে ধীরে তৃতীয় উপসাগরীয় যুদ্ধে রূপ নিচ্ছে। ইরানের হরমুজ প্রণালির ওপর সার্বভৌমত্ব স্বীকার করে এবং ইসরায়েলকে লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে বাধ্য করে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন, তার পর থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ধীরে ধীরে সেই দুই অঙ্গীকার থেকেই সরে গেছেন। এখন আবার পূর্ণমাত্রার এবং ক্রমেই আরও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হয়েছে। ট্রাম্প এবং তাকে এই যুদ্ধে ঠেলে দেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, দুজনই নিজ নিজ দেশে যুদ্ধবিরতি চুক্তির কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন। ট্রাম্পের সমালোচনা হয়, কারণ তিনি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। আর নেতানিয়াহুর সমালোচনা

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেনা মোতায়েন?

    আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন (ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ) সামনে রেখে আইন ও আচরণবিধি সংশোধনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গতকাল (২২ জুলাই) পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ ও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে। সিদ্ধান্তগুলো হলো: এক. এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। দুই. কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণখেলাপি এবং খেলাপিদের জামিনদাররা স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য হবেন। তিন. কোনো প্রার্থীর বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস বা অন্যান্য ইউটিলিটি বিল বকেয়া থাকলে তিনি প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য বিবেচিত হবেন। চার. স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো দলীয় প্রতীকের পরিবর্তে নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। পাঁচ. জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও সশস্ত্র বাহিনী বা

    নির্বাচন হোক অংশগ্রহণমূলক

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন গণতন্ত্রের ভিত্তিকে শক্তিশালী করে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মানুষের সবচেয়ে কাছের প্রতিনধি নির্বাচিত হয়। এ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হলে রষ্ট্রের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়ে। স্থানীয় উন্নয়নও গতিশীল হয়। তাই নির্বাচনব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের আইন সংশোধনের সুপারিশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করা, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বক্ষণিক কর্মরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করা এবং দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা। একই সঙ্গে ঋণখলাপি,
  • ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৩ পিএম
    পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাকে দেখতে চান? আপনার মতামত জানান।

    পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাকে দেখতে চান? আপনার মতামত জানান।

    • পছন্দের ব্যক্তির নাম কমেন্ট বক্সে জানান
    +
    =
    সাবমিট
    মোট ভোটদাতাঃ ১১৪ জন
    মোট ভোটারঃ ১১৪
    ভোট দিন
    Link Copied
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গ্যাস অনুসন্ধান জোরদারে বাপেক্সের জন্য আসছে আরও দুটি আধুনিক রিগ

আল ওয়াহদাহ ফাউন্ডেশনের ফ্রি কুরআন বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

পয়ঃনিষ্কাশনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, গাজীপুর সিটির ৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

মহিপালে যুবলীগ নেতা রুবেল হাজারী গ্রেপ্তার

সিলেটে শিক্ষিকার ভিডিও ভাইরাল: ‘গান গাওয়া অন্যায় নয়’, বললেন প্রতিমন্ত্রী

একদিকে তদন্ত, অন্যদিকে প্রশংসা— আর্জেন্টিনাকে নিয়ে নতুন বিতর্কে ফিফা সভাপতি

ট্রাকচাপায় পথচারী নিহত, সড়ক অবরোধে ৭ কিলোমিটার যানজট

পাউরুটিতে ক্যানসারের উপাদান, পটাশিয়াম ব্রোমেটের ব্যবহার বন্ধে রিট

ছেলের টর্চলাইটের আঘাতে বাবার মৃত্যু

ফিলিস্তিনের দুটি মসজিদে ইসরায়েলিদের অগ্নিসংযোগ

১০

বিচার ও সংস্কারে কোনো আপস করবে না এনসিপি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১১

মশাল মিছিলের সময় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৩ কর্মী গ্রেপ্তার

১২

বাথরুমের স্ল্যাবের নিচে নারীর বস্তাবন্দি কংকাল

১৩

রক্ত, কারাগার আর রাজপথ: ফ্যাসিবাদের দিনলিপি

১৪

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা, হামাসের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ নিহত ২

১৫

বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই ক্লাব ফুটবলেও বড় ধাক্কা রোনালদোর!

১৬

স্বামীর ওপর অভিমানে প্রাণ দিলেন নববধূ

১৭

টুথপেস্টের টিউবে নিচের রঙিন দাগ কেন থাকে?

১৮

গুনে গুনে ঘুষ নিচ্ছেন ভূমি কর্মকর্তা, ভিডিও ভাইরাল

১৯

ধর্ষণে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা প্রতিবন্ধী নারী, যুবক গ্রেপ্তার

২০
সেই দিনটি / কিউবায় ‘২৬ জুলাই মুভমেন্ট’
কিউবার আধুনিক ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ও রক্তক্ষয়ী অধ্যায়ের সূচনা হয় ১৯৫৩ সালের ২৬ জুলাই। এদিন তরুণ আইনজীবী ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে একদল বিপ্লবী তৎকালীন কিউবার স্বৈরাচারী শাসক ফুলহেনসিও বাতিস্তার পতন ঘটাতে
চারদিক / প্রান্তিক কন্যাশিশুদের চ্যালেঞ্জ
বর্তমান সময়ে বিশ্বজুড়ে মেয়েদের মানবাধিকার নিশ্চিত, শিক্ষার অধিকার, স্বাস্থ্যসেবা, পরিপুষ্টি, সুরক্ষা এবং বাল্যবিবাহ ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। কিন্তু কী হবে সেই মেয়েদের,
বার্ধক্য সুরক্ষায় রাষ্ট্র বনাম পরিবার
অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ডাউনিং স্ট্রিটে দায়িত্ব নেওয়ার আগে শেষ যে কাজগুলো করেছেন, এর একটি হলো বাবার সঙ্গে দেখা করা। তার বাবা রয় বার্নহ্যাম এখন একটি নার্সিং হোমে থাকেন। তিনি আলঝেইমার রোগে
সেই দিনটি / আন্দিজের চূড়ায় মাচু পিচুর আবিষ্কার
পৃথিবীর ইতিহাসের পাতায় এক রোমাঞ্চকর দিন হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়ে আছে ১৯১১ সালের ২৫ জুলাই (মতান্তর রয়েছে)। এই দিনে মার্কিন প্রত্নতাত্ত্বিক ও অভিযাত্রী হিরাম বিংহ্যাম পেরুর আন্দিজ পর্বতমালার দুর্গম চূড়ায় খুঁজে
গ্যাস অনুসন্ধান জোরদারে বাপেক্সের জন্য আসছে আরও দুটি আধুনিক রিগ
গ্যাস অনুসন্ধান জোরদারে বাপেক্সের জন্য আসছে আরও দুটি আধুনিক রিগ
দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম আরও ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) জন্য দুটি নতুন আধুনিক রিগ কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, বাপেক্সের জন্য দুটি আধুনিক অনুসন্ধান কূপ খনন রিগ কেনার প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে বাপেক্সের পাঁচটি রিগ রয়েছে। এগুলো হলো বিজয়-১০, বিজয়-১১, বিজয়-১২, বিজয়-১৮ এবং আইপিএস-১। নতুন দুটি রিগ যুক্ত হলে বাপেক্সের মোট রিগের সংখ্যা বেড়ে সাতটিতে উন্নীত হবে। পেট্রোবাংলার একটি সূত্র জানায়, ২ হাজার হর্সপাওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন একটি রিগ কেনার জন্য বর্তমানে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি ১ হাজার ৫০০ হর্সপাওয়ার ক্ষমতার আরেকটি রিগ সংগ্রহের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত করা হচ্ছে। ডিপিপি চূড়ান্ত হওয়ার পর অনুমোদনের জন্য তা পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে বাপেক্সের ধারাবাহিক সাফল্যের কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে বাপেক্স উন্নয়ন কূপ, ওয়ার্কওভার এবং নতুন অনুসন্ধান কূপ খননের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে, দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ বাড়াতে বাপেক্সের একটি মূল্যায়ন-সহ-উন্নয়ন কূপ এবং দুটি অনুসন্ধান কূপ খননের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। অনুমোদিত প্রকল্পের আওতায় বেগমগঞ্জ-৫ মূল্যায়ন-সহ-উন্নয়ন কূপটি প্রায় ৩ হাজার ৫৫০ মিটার, বেগমগঞ্জ-৬ অনুসন্ধান কূপটি প্রায় ৩ হাজার ৪০০ মিটার এবং সুনেত্রা-২ অনুসন্ধান কূপটি প্রায় ৫ হাজার ৩০০ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করা হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব কূপে গ্যাসের সন্ধান মিললে পরবর্তী সময়ে পরীক্ষণ ও কূপ সম্পন্নকরণের (ওয়েল কমপ্লিশন) কাজ করা হবে। সরকারের আশা, নতুন অনুসন্ধান কার্যক্রম সফল হলে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং আমদানিনির্ভরতা কিছুটা কমবে। সূত্র: বাসস
২১ মিনিট আগে

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র: এনএফটিই

৪ ঘণ্টা আগে

ইএসডিও গবেষণা / বাজারের বেশিরভাগ টুথপেস্টেই মিলেছে ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক’

৪ ঘণ্টা আগে

দাপ্তরিক চিঠিতে নজরুল বর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশ

৪ ঘণ্টা আগে

যারা ইনসাফ ও কল্যাণের কথা বলে তাদের অপকর্ম বেশি: এ্যানি

৫ ঘণ্টা আগে

প্রাথমিকের শিক্ষকদের পে-স্কেল ও নতুন নীতিমালা নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে
বিচার ও সংস্কারে কোনো আপস করবে না এনসিপি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
বিচার ও সংস্কারে কোনো আপস করবে না এনসিপি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন, জবাবদিহিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগের বিচার এবং প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার সম্পন্ন করা অপরিহার্য। বিচার ও সংস্কারের প্রশ্নে এনসিপি কোনো ধরনের আপস করবে না। জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে দল রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলবে। রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় এনসিপির আয়োজিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল একটি বৈষম্যহীন, জবাবদিহিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের আন্দোলন। সেই আন্দোলনের চেতনা বাস্তবায়নের জন্য বিচার নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করা জরুরি। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সরকারি ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয় প্রভাব বিস্তার করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং জনগণের প্রত্যাশিত পরিবর্তনের পরিবর্তে পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে। তিনি আরও বলেন, জনগণ পরিবর্তনের যে প্রত্যাশা নিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছিল, সেই প্রত্যাশা পূরণে এনসিপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিচার ও সংস্কারের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না। জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে তা প্রতিহত করতে রাজপথেই আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। বিএনপির এক কর্মীকে চোখ উপড়ে ফেলার হুমকির অভিযোগের প্রসঙ্গ টেনে নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘গতকাল একটি সংবাদে দেখলাম, এক মুফতি সাহেবকে চোখ উপড়ে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। জুলাই আন্দোলনে আমাদের অনেক ভাই চোখ হারিয়েছেন, অনেকে এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শেখ হাসিনার গুন্ডাবাহিনী তাদের চোখ কেড়ে নিয়েছিল। এখন আবার কোন সন্ত্রাসী নতুন করে আবির্ভূত হয়েছে, যে প্রকাশ্যে মানুষকে চোখ উপড়ে ফেলার হুমকি দিচ্ছে?’ তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতভিন্নতা থাকতেই পারে; কিন্তু ভয়ভীতি, সহিংসতা কিংবা সন্ত্রাসের মাধ্যমে কাউকে দমিয়ে রাখার সংস্কৃতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এমন হুমকির ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে এমন ব্যক্তিদের নির্বাচিত করা উচিত, যারা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। সৎ, যোগ্য ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হলেই স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হবে এবং জনগণ প্রকৃত সেবা পাবে। তিনি আসন্ন তারাকান্দা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এনসিপি-সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচিত হওয়ার আগে কিংবা পরে ওই প্রার্থী কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি বা অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে দল তার বিরুদ্ধেও কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। দলের নীতির প্রশ্নে কোনো ব্যক্তি ছাড় পাবেন না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য আতিকুর রহমান মুজাহিদ, ময়মনসিংহ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক এ টি এম মাহবুব আলম, সদস্যসচিব জসিম উদ্দিন, মহানগর সদস্য সচিব ইকরাম এলাহী খান, জাতীয় যুবশক্তির ময়মনসিংহ জেলা আহ্বায়ক ফয়সাল ফারনিম এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি ময়মনসিংহ জেলা শাখার আহ্বায়ক আলী হোসেন। ময়মনসিংহ মহানগর এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফুয়াদ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত পথসভায় দলীয় নেতাকর্মী, স্থানীয় সমর্থক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। সভা শেষে ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে নেতাকর্মীরা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গ্যাসের সংকট দ্রুত নিরসনে সরকারকে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জামায়াতের  
গ্যাসের সংকট দ্রুত নিরসনে সরকারকে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জামায়াতের  
রাষ্ট্রপতিকে আইনের আওতায় আনা যায় না, এটা ‘ভুল কনসেপ্ট’: আখতার হোসেন 
রাষ্ট্রপতিকে আইনের আওতায় আনা যায় না, এটা ‘ভুল কনসেপ্ট’: আখতার হোসেন 
স্থানীয় নির্বাচনেও কারচুপির চেষ্টা হলে প্রতিহত করা হবে: সেলিম উদ্দিন
স্থানীয় নির্বাচনেও কারচুপির চেষ্টা হলে প্রতিহত করা হবে: সেলিম উদ্দিন
জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জনে মুখ খুলল নেজামে ইসলাম
জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জনে মুখ খুলল নেজামে ইসলাম
দিনাজপুরের ২ উপজেলার কমিটি বিলুপ্ত করল বিএনপি
দিনাজপুরের ২ উপজেলার কমিটি বিলুপ্ত করল বিএনপি
ইসিতে আয়-ব্যয়ের হিসাব দিল জাতীয় পার্টি
ইসিতে আয়-ব্যয়ের হিসাব দিল জাতীয় পার্টি

ব্যাংক কর্মীদের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ দুই মাসে নিষ্পত্তি করতে হবে

ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ উঠলে তা চাকরিবিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে। সার্কুলারে বলা হয়, ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ২০০৫ সালে জারি করা নির্দেশনা আংশিক সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাপরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট চাকরিবিধি অনুসারে তা সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে অভ্যন্তরীণ তদন্ত ও অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ার সুযোগ কমবে এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, নতুন এ নির্দেশনার মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতে জবাবদিহিতা, সুশাসন ও পেশাদারিত্ব আরও জোরদার হবে। সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, এই সংশোধনী শিগগির কার্যকর হবে। তবে এ পরিবর্তন ছাড়া ২০০৫ সালে জারি করা মূল সার্কুলারের অন্যান্য সব নির্দেশনা আগের মতোই বহাল থাকবে।

সেলার অ্যাপ / ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে বিক্রেতাদের জন্য আসছে বড় চমক

ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে কেনাবেচাকে আরও সহজ, নিরাপদ ও কার্যকর করতে একাধিক নতুন সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে মেটা। এর মধ্যে রয়েছে নিয়মিত বিক্রেতাদের জন্য আলাদা অ্যাপ, সেলফির মাধ্যমে বিনা মূল্যে পরিচয় যাচাই, নতুন ভিডিও ইন্টারফেস এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) বিভিন্ন টুল।  মেটার তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত পণ্য বিক্রি করা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য ‘সেলার’ নামে একটি স্বতন্ত্র অ্যাপ চালু করা হবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে বিক্রেতারা পণ্যের তালিকা পরিচালনা, ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিক্রির অগ্রগতি সহজে পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে প্রতি মাসে ৪৩ কোটির বেশি নতুন পণ্যের তালিকা প্রকাশ করা হয়। তাই নিয়মিত বিক্রেতাদের জন্য কেনাবেচার প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল করতেই এই অ্যাপ আনা হচ্ছে। ব্যবহারকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ‘ফেসবুক ভেরিফায়েড’ নামে একটি বিনা মূল্যের যাচাইকরণ সুবিধাও চালু করা হবে। এতে ব্যবহারকারীরা সেলফির মাধ্যমে নিজেদের পরিচয় যাচাই করতে পারবেন। যাচাই সম্পন্ন হলে তাদের প্রোফাইলে সাদা বৃত্তের মধ্যে একটি টিকচিহ্ন দেখা যাবে, যা ফেসবুক মার্কেটপ্লেস, ফেসবুক গ্রুপ এবং ফেসবুক ডেটিংয়েও প্রদর্শিত হবে। মেটার দাবি, এই ব্যবস্থা ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও প্রতারণার ঝুঁকি কমাবে এবং ব্যবহারকারীদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বাড়াবে। ভিডিও দেখার অভিজ্ঞতাও উন্নত করা হচ্ছে। পরীক্ষামূলকভাবে নির্বাচিত কয়েকটি বাজারে ফুল-স্ক্রিন ভিডিও ইন্টারফেস চালু করা হবে। তবে ব্যবহারকারীরা চাইলে আগের ফিডভিত্তিক ভিডিও প্রদর্শন পদ্ধতিতেই ফিরে যেতে পারবেন। এ ছাড়া মার্কেটপ্লেসের সেলার অ্যাপ ও ফেসবুক গ্রুপে এআইনির্ভর নতুন কিছু সুবিধা যুক্ত করা হবে। এসব সুবিধার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পণ্যের বিবরণ তৈরি, গ্রুপে প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত খুঁজে পাওয়া এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সহজে জানা যাবে। মেটা জানিয়েছে, নতুন এআইভিত্তিক টুলগুলো ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন কাজ আরও সহজ করবে এবং ফেসবুক ব্যবহারের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা উন্নত করবে।  

সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের তদন্ত করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক

সাবেক রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আলাদাভাবে কোনো আর্থিক অনিয়মের তদন্ত করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম তদন্তের সময় তার বা অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাই তাকে লক্ষ্য করে ব্যক্তিগতভাবে আলাদা কোনো অনুসন্ধান বা তদন্ত পরিচালনার পরিকল্পনা বাংলাদেশ ব্যাংকের নেই। তবে মুখপাত্র জানান, দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতের সংস্কারের অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানভিত্তিক তদন্ত চলমান রয়েছে। এসব তদন্তে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম কিংবা সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আরিফ হোসেন খান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল লক্ষ্য হলো আর্থিক খাতের সুশাসন নিশ্চিত করা এবং প্রতিষ্ঠানভিত্তিক অনিয়মের তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তদন্তে যারই সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তার ক্ষেত্রেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইসলামী ব্যাংকের ৮০ হাজার কোটি টাকা শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সরাসরি জড়িত ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তার কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্স। এই মর্মে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সম্প্রতি বিএফআইইউ হাইকোর্টে এ প্রতিবেদন দাখিল করে। আদালত এ বিষয়ে দুদককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এই মামলা সংশ্লিষ্ট আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির শনিবার (২৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আগামী বুধবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে জেএমসি বিল্ডার্সের মনোনীত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পরে ইসলামী ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ওই দায়িত্বে বহাল ছিলেন এবং এই সময়কালের মধ্যে ইসলামী ব্যাংক থেকে ২৪টি কোম্পানি মিলে ৮০ হাজার কোটি টাকা লোন নেয়। ২৪টি কোম্পানির একটি হলো রাষ্ট্রপতির কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্স। ওই টাকা এখনও ইসলামী ব্যাংককে পরিশোধ করা হয়নি।
১০ ঘণ্টা আগে
সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের তদন্ত করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক

গ্যাস সংকট / লাইনে কাটছে দিন, রান্নায় বাড়তি খরচ

ভোর ৪টার দিকে রাজপথ যখন সবে জাগতে শুরু করে, ততক্ষণে রাজধানীর সিএনজি স্টেশনগুলোর সামনে জমে উঠেছে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ গাড়ির সারি। চাকা ঘোরেনি এক ইঞ্চিও, ইঞ্জিনের গর্জন স্তব্ধ। স্টিয়ারিংয়ে মাথা রেখে ঝিমাচ্ছেন মধ্যবয়সী চালক নবীন হোসেন। ঘড়ির কাঁটা সকাল সাড়ে ১০টা স্পর্শ করলেও মেলেনি কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি। গ্যাস আসবে কি না, তা জানা নেই স্টেশনের কারও। নবীন হোসেনের মতো হাজারো চাকা-ঘোরানো মানুষের জন্য এখন প্রতিটি দিনই এক অনিশ্চিত অপেক্ষার গল্প। হঠাৎ কেন এই অবস্থা? পেট্রোবাংলার পরিসংখ্যানের দিকে তাকালেই মিলবে উত্তর। দেশের ২২টি প্রাকৃতিক গ্যাসকূপের সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৬১৫ মিলিয়ন ঘনফুট। রাষ্ট্রায়ত্ত এসব কূপ থেকে দৈনিক উৎপাদন করা হয় ৯০০ থেকে ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। অথচ চাহিদার বাকি অংশ পূরণ করতে সমপরিমাণ গ্যাস আমদানিকৃত এলএনজি থেকে মেটানো হয়। ফলে কোনো কারণে আমদানি ব্যাহত বা এলএনজি টার্মিনালে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে কার্যত ভয়াবহ গ্যাস সংকটে পড়ে পুরো দেশ। দেশের অভ্যন্তরীণ গ্যাসের চাহিদা মেটাতে ২০১৮ সাল থেকে এলএনজি আমদানি প্রক্রিয়া শুরু হয়। কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত দুটি এলএনজি টার্মিনালের সরবরাহ সক্ষমতা ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট। স্বাভাবিক সময়ে টার্মিনাল থেকে ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। তবে চলতি সপ্তাহে একটি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটির ফলে গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট, যা গ্রাহকপর্যায়ে চরম প্রভাব ফেলেছে। পেট্রোবাংলার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত ১৮ জুলাই প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদিত ও সরবরাহ করা হয়েছে ৯২৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস, আর এলএনজি থেকে সরবরাহ করা হয়েছে ৯৭৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। তবে এলএনজির টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত ২২ জুলাই সরবরাহ নেমে আসে ৬২১ মিলিয়ন ঘনফুটে। প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনও কিছুটা কমে ৯০৯ মিলিয়ন ঘনফুটে এসে দাঁড়িয়েছে। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে সার্বিকভাবে গ্যাস সরবরাহ কমেছে অনেকটাই। রাজধানীর হাতিরঝিল-বাড্ডা সংলগ্ন জামান সিএনজি স্টেশনে গত কয়েকদিনের মতো গতকাল শনিবারও গ্যাস সরবরাহ প্রায় বন্ধ ছিল। মাঝে মধ্যে গ্যাস এলে অপেক্ষমাণ কয়েকটি গাড়িতে গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। বাকি সময় কখন গ্যাস আসবে, সেই অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে চালকদের। নবীন হোসেন নামের এক সিএনজিচালক কালবেলাকে বলেন, ‘ভোর থেকে অপেক্ষা করছি। এখন সকাল সাড়ে ১০টা বাজে, গ্যাস পাওয়ার কোনো খবর নেই। কখন আসবে, সেটাও কেউ বলতে পারছে না। গাড়িতে গ্যাস নেই, তাই অন্য কোথাও যেতে পারছি না। যতক্ষণই লাগুক, এখান থেকেই গ্যাস নিতে হবে।’ মধ্য বাড্ডার মা সিএনজি স্টেশনেও একই চিত্র দেখা গেছে। সেখানে দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে চালকরা গ্যাসের অপেক্ষা করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর প্রায় সব সিএনজি স্টেশনেই একই অবস্থা। গ্যাস এলে সর্বোচ্চ এক থেকে দেড় ঘণ্টা সরবরাহ থাকে, এরপর আবার বন্ধ হয়ে যায়। ভাড়ায় চালিত সিএনজি ও প্রাইভেট গাড়ির চালকরা বলছেন, গ্যাস সংকটের কারণে তাদের পরিবারে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। পর্যাপ্ত ট্রিপ দিতে না পারায় আয় কমে গেছে। দ্রুত এ সমস্যার সমাধানের দাবি জানান তারা। গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে যাত্রী পরিবহনেও। রাস্তায় সিএনজির সংখ্যা কমে যাওয়ায় বেড়েছে ভাড়া। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ত্রুটি মেরামতের কাজ চলছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছি। সিএনজি স্টেশনের সংকট খুবই সাময়িক, এটি থাকবে না। তিনি আরও বলেন, ‘একটি এফএসআরইউতে (এলএনজির ভাসমান টার্মিনাল) যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে। এ কারণেই সিএনজি স্টেশনগুলোতে কিছুটা লাইন দেখা গেছে।’
২৬ জুলাই, ২০২৬
লাইনে কাটছে দিন, রান্নায় বাড়তি খরচ

৩৩২৪ টাকা কমার পর আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ

টানা দুই দফা দাম বৃদ্ধির পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।  শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস তথ্যটি জানায়। নতুন এ দাম ওইদিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। সেই অনুযায়ী রোববার (২৬ জুলাই) সারা দেশে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালংকার ও রৌপ্যালংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৯৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৪৫ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৪৮ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
১৭ ঘণ্টা আগে
৩৩২৪ টাকা কমার পর আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
পয়ঃনিষ্কাশনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, গাজীপুর সিটির ৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
পয়ঃনিষ্কাশনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, গাজীপুর সিটির ৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
মহিপালে যুবলীগ নেতা রুবেল হাজারী গ্রেপ্তার
মহিপালে যুবলীগ নেতা রুবেল হাজারী গ্রেপ্তার
সিলেটে শিক্ষিকার ভিডিও ভাইরাল: ‘গান গাওয়া অন্যায় নয়’, বললেন প্রতিমন্ত্রী
সিলেটে শিক্ষিকার ভিডিও ভাইরাল: ‘গান গাওয়া অন্যায় নয়’, বললেন প্রতিমন্ত্রী
ট্রাকচাপায় পথচারী নিহত, সড়ক অবরোধে ৭ কিলোমিটার যানজট
ট্রাকচাপায় পথচারী নিহত, সড়ক অবরোধে ৭ কিলোমিটার যানজট
ছেলের টর্চলাইটের আঘাতে বাবার মৃত্যু
ছেলের টর্চলাইটের আঘাতে বাবার মৃত্যু
বিচার ও সংস্কারে কোনো আপস করবে না এনসিপি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
বিচার ও সংস্কারে কোনো আপস করবে না এনসিপি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
মশাল মিছিলের সময় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৩ কর্মী গ্রেপ্তার
মশাল মিছিলের সময় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৩ কর্মী গ্রেপ্তার
বাথরুমের স্ল্যাবের নিচে নারীর বস্তাবন্দি কংকাল
বাথরুমের স্ল্যাবের নিচে নারীর বস্তাবন্দি কংকাল
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
.

ফিলিস্তিনের দুটি মসজিদে ইসরায়েলিদের অগ্নিসংযোগ

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোতে হামলা চালিয়ে দুটি মসজিদে অগ্নিসংযোগ করেছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। এ সময় বিভিন্ন ভবনের দেয়ালে হিব্রু ভাষায় উসকানিমূলক স্লোগানও লিখে রাখা হয়। রোববার (২৬ জুলাই) ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর রয়টার্সের। এর আগে শুক্রবার নাবলুসের দক্ষিণ-পশ্চিমে তাল গ্রামে সংঘর্ষে চার ফিলিস্তিনি এবং দুই ইসরায়েলি নিরাপত্তা সদস্য নিহত হন। নিহত ইসরায়েলিদের একজন পাশের একটি বসতির নিরাপত্তা সমন্বয়কারী ছিলেন। ওই ঘটনার পরপরই নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। শুক্রবারের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় রোববার ভোরে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন ফিলিস্তিনি গ্রামে হামলা চালায় ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা বলে অভিযোগ করেছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। নাবলুসের দক্ষিণ-পূর্বে কুসরা গ্রামের কাউন্সিলপ্রধান আবদেল আজিম ওয়াদি জানান, নতুন নির্মিত একটি মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মসজিদটির নির্মাণকাজ প্রায় শেষ হয়েছিল এবং নামাজ আদায়ের জন্য প্রস্তুত ছিল। ভেতরে আসবাবপত্রও রাখা হয়েছিল। হামলাকারীরা আগুন লাগিয়ে দেয় এবং দেয়ালে হিব্রু ভাষায় বিভিন্ন স্লোগান লিখে যায়। দেয়ালে লেখা স্লোগানগুলোর মধ্যে ছিল ‘ইহুদিদের প্রতিশোধ’ এবং তাল গ্রামের ঘটনায় নিহত এক ইসরায়েলির নাম। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছে, এ হামলা পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে চলমান বৃহত্তর সহিংসতার অংশ। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে জানায়, ইসরায়েলি রাষ্ট্রের মদদপুষ্ট বসতি স্থাপনকারীদের সন্ত্রাস এখন অধিকৃত পশ্চিম তীরে পরিকল্পিত গণহামলার রূপ নিয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, কুসরা গ্রামে গিয়ে তারা অগ্নিসংযোগ ও দেয়ালে লেখা স্লোগানের প্রমাণ পেয়েছে এবং হামলাকারীদের শনাক্তে অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রমাণ সংগ্রহে পুলিশও কাজ করছে। সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, ধর্মীয় উপাসনালয়ে হামলাসহ এ ধরনের সব ঘটনা আমরা কঠোরভাবে নিন্দা জানাই। এলাকায় নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের দাবি, তুলকারম শহরের দক্ষিণ-পূর্বে কুর গ্রামের একটি মসজিদেও আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। একই সময়ে রামাল্লার কাছে কাফর মালিক শহরের একটি পাথর কাটার কারখানায় কর্মরত ফিলিস্তিনি শ্রমিকদের ওপরও হামলা চালানো হয়। কুর গ্রামের কাউন্সিল সদস্য ফরিদ জিয়ুসি বলেন, ভোরে তিনজন বসতি স্থাপনকারী মসজিদে আগুন লাগানোর চেষ্টা করে। তবে মুসল্লিরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় মূল নামাজঘর রক্ষা পায়। তিনি বলেন, আমাদের গ্রামে এ ধরনের হামলা এই প্রথম। হামলাকারীরা মসজিদের দেয়ালেও হিব্রু ভাষায় বিভিন্ন স্লোগান লিখে গেছে।  ফিলিস্তিনি সূত্র জানায়, সশস্ত্র কিছু ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী তাল গ্রামে প্রবেশ করলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের বাধা দিতে বেরিয়ে আসেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক ফিলিস্তিনি একজন বসতি স্থাপনকারীর অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। স্থানীয় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের দাবি, বসতি স্থাপনকারীরাই প্রথমে হামলা চালিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটায়। তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, উভয় পক্ষ থেকেই গুলি ছোড়া হয়েছিল। জাতিসংঘ ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর বসতি স্থাপনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে কয়েক ডজন ফিলিস্তিনি নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে কথিত সন্ত্রাসী হামলামোকাবিলায় পশ্চিম তীরে বড় ধরনের নিরাপত্তা অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন এবং সদস্যদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। নেতানিয়াহুর সরকারের কট্টর ডানপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচসহ কয়েকজন মন্ত্রী ১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সময় দখল করা পশ্চিম তীরকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। পশ্চিম তীরজুড়ে নিরাপত্তা অভিযান চালিয়ে শনিবার রাত থেকে প্রায় ৬০ জন ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী বলে জানিয়েছে প্যালেস্টিনিয়ান প্রিজনার্স ক্লাব, যারা ইসরায়েলি কারাগারে থাকা ফিলিস্তিনিদের তথ্য সংরক্ষণ করে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও জাতিসংঘের অধিকাংশ সংস্থা পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলোকে আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী বলে মনে করে। যদিও ইসরায়েল এ অবস্থান প্রত্যাখ্যান করে। ফিলিস্তিনিরা ভবিষ্যৎ স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড হিসেবে পশ্চিম তীরকে দাবি করে। অন্যদিকে ইসরায়েল ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ওই ভূখণ্ডের ওপর নিজেদের দাবি তুলে ধরে। ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধী নেতানিয়াহু সরকার সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্রুতগতিতে নতুন বসতি সম্প্রসারণ করছে। এদিকে রোববার পোপ লিও পশ্চিম তীরে বাড়তে থাকা সহিংসতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি ন্যায়সঙ্গত রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছাতে আলোচনার আহ্বান জানান এবং সব ধর্মের পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা ও প্রচলিত অবস্থান  লঙ্ঘন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা, হামাসের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ নিহত ২
গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা, হামাসের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ নিহত ২
হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরের পর কাস্পিয়ান সাগরেও ছড়িয়ে পড়ছে ইরান যুদ্ধ
আল জাজিরার বিশ্লেষণ / হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরের পর কাস্পিয়ান সাগরেও ছড়িয়ে পড়ছে ইরান যুদ্ধ
যুদ্ধের মধ্যেও সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে ইরান, যুক্ত হলো নতুন প্রযুক্তি
যুদ্ধের মধ্যেও সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে ইরান, যুক্ত হলো নতুন প্রযুক্তি
‘পূর্ণ আত্মসমর্পণ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ওপর হামলা অব্যাহত থাকবে’
‘পূর্ণ আত্মসমর্পণ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ওপর হামলা অব্যাহত থাকবে’
ইউক্রেনের বেপরোয়া হামলার সমুচিত জবাব দেওয়া হবে: ইরান
ইউক্রেনের বেপরোয়া হামলার সমুচিত জবাব দেওয়া হবে: ইরান
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের পুঁতে রাখা মাইনের আঘাতে ট্যাংকার বিস্ফোরণ
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের পুঁতে রাখা মাইনের আঘাতে ট্যাংকার বিস্ফোরণ
শক্তিশালী গল্পেই কাজ করতে চান সাদিয়া আয়মান
শক্তিশালী গল্পেই কাজ করতে চান সাদিয়া আয়মান
ফোক স্টুডিও বাংলায় কাজল আরিফের ‘তোর পিরিতের বিষে’
ফোক স্টুডিও বাংলায় কাজল আরিফের ‘তোর পিরিতের বিষে’
আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন আহমেদ শরীফ
আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন আহমেদ শরীফ
শফিক তুহিনের জন্মদিনে আসছে ‘তোমায় দেখলে মনে হয় ২.০’
শফিক তুহিনের জন্মদিনে আসছে ‘তোমায় দেখলে মনে হয় ২.০’
বাংলাদেশের সিনেমায় অভিষেক, উচ্ছ্বসিত মধুমিতা সরকার
বাংলাদেশের সিনেমায় অভিষেক, উচ্ছ্বসিত মধুমিতা সরকার
ফুড লাভার সাদিয়া আয়মান, তবু কীভাবে থাকেন ফিট?
ফুড লাভার সাদিয়া আয়মান, তবু কীভাবে থাকেন ফিট?
বাঁশরী নজরুল নাট্যোৎসবে আজ তিন নাটক
বাঁশরী নজরুল নাট্যোৎসবে আজ তিন নাটক
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
বিশ্বকাপের পর ক্লাব ফুটবলেও বড় ধাক্কা রোনাল্দোর, বিক্রি হয়ে যাচ্ছে আল নাসে
বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই ক্লাব ফুটবলেও বড় ধাক্কা রোনালদোর!
মেসিকে ছাড়াই দল ঘোষণা
মেসিকে ছাড়াই দল ঘোষণা
একদিকে তদন্ত, অন্যদিকে প্রশংসা— আর্জেন্টিনাকে নিয়ে নতুন বিতর্কে ফিফা সভাপতি
একদিকে তদন্ত, অন্যদিকে প্রশংসা— আর্জেন্টিনাকে নিয়ে নতুন বিতর্কে ফিফা সভাপতি
২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর আর্জেন্টিনা দলের আচরণ নিয়ে যখন ফিফার তদন্ত চলছে, ঠিক সে সময় দলটির ‘পেশাদারিত্বের’ প্রশংসা করে নতুন বিতর্কে জড়িয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়াকে পাঠানো ইনফান্তিনোর একটি ব্যক্তিগত চিঠি প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা দলের পারফরম্যান্স, খেলোয়াড়দের পরিশ্রম ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেছেন ফিফা প্রধান। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কারণ স্পেনের কাছে ফাইনালে হারের পর আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়ে বর্তমানে তদন্ত করছে ফিফা। একদিকে আর্জেন্টিনা ফুটবলারদের বিশৃঙ্খল আচরণ নিয়ে ফিফার তদন্ত, অন্যদিকে আলবিসেলেস্তেদের পেশাদারিত্বের জন্য ইনফান্তিনোর ধন্যবাদ- অনেকেই দুটি বিষয়কে সাংঘর্ষিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তা ফিফা কেন আর্জেন্টিনাকে নিয়ে তদন্ত করছে? এর বেশ কয়েকটি কারণ থাকলেও সবচেয়ে সাম্প্রতিক ছিল ফাইনাল ম্যাচের শেষ বাঁশির বাজার পরের ঘটনা। ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ আছে, ওই সময় লিয়ান্দ্রো পারেদেস স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান। এ ঘটনায় ফিফা তদন্ত শুরু করেছে। এই তদন্ত চলাকালেই এএফএ সভাপতি তাপিয়াকে ধন্যবাদ জানানো ইনফান্তিনোর চিঠি সামনে এসেছে। শুরুতে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এ চিঠির সত্যতা যাচাই করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল। ওই চিঠিতি ইনফান্তিনো লিখেছেন, ‘আর্জেন্টিনার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এই বিশ্বকাপকে অসাধারণ একটি আয়োজনে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।’ আর্জেন্টিনার প্রশংসা করে ওই চিঠিতে ফিফা সভাপতি আরও লিখেছেন, ‘এই ধরনের সাফল্য আসে ধারাবাহিক পরিশ্রম, পেশাদারিত্ব, খুঁটিনাটির প্রতি মনোযোগ, পাশাপাশি আবেগ, নিবেদন ও ভালোবাসা থেকে।’ চিঠিতে ইনফান্তিনো আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়, কোচ লিওনেল স্কালোনি, কোচিং স্টাফ ও সমর্থকদেরও অভিনন্দন জানান। তবে ফিফা সভাপতির এই মন্তব্যের সঙ্গে সাম্প্রতিক বিতর্কের বিষয়টি অনেকের কাছেই সাংঘর্ষিক মনে হচ্ছে। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার খেলার ধরন নিয়েও সমালোচনা হয়েছিল। দলটির বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষকে উসকানি দেওয়া, সময় নষ্ট করা এবং রেফারির সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করার চেষ্টা করার অভিযোগ ওঠে। বিশেষ করে ফাইনালের পরের ঘটনা নিয়ে ফিফার তদন্তের পাশাপাশি সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচেও আর্জেন্টিনার আচরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। সেই ম্যাচে জুড বেলিংহামের সঙ্গে রেফারির সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ফাইনালে হারের পর আর্জেন্টিনার কিছু খেলোয়াড় ও সমর্থকদের উদযাপন নিয়েও সমালোচনা হয়। ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে রাজনৈতিক বার্তা সংবলিত ব্যানার ব্যবহারের ঘটনাও বিতর্ক তৈরি করেছিল। এদিকে, ফিফার তদন্তের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে একদিকে আর্জেন্টিনার আচরণ নিয়ে তদন্ত, অন্যদিকে ইনফান্তিনোর প্রশংসা— দুই বিষয় মিলিয়ে বিশ্ব ফুটবলে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে।
দলের বড় জয়ে উজ্জ্বল হৃদয়-সাকিব
দলের বড় জয়ে উজ্জ্বল হৃদয়-সাকিব
কমনওয়েলথ গেমসে বাংলাদেশকে দারুণ সুখবর দিলেন বক্সার রাকিব
কমনওয়েলথ গেমসে বাংলাদেশকে দারুণ সুখবর দিলেন বক্সার রাকিব
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X