ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর, এসআইসহ ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর, এসআইসহ ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য নাঈম হাসানকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে মারধর ও থানায় নিয়ে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় খুলশী থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও দুই কনস্টেবলকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) রাতে চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে শনিবার সকালে
ঐতিহাসিক লালদীঘির ময়দানে বিকেলে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় ঐক্য
ঐতিহাসিক লালদীঘির ময়দানে বিকেলে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় ঐক্য
৩ টাকা পর্যন্ত বাড়ছে প্রতি শলাকা, কোন ব্র্যান্ডের সিগারেট কত?
৩ টাকা পর্যন্ত বাড়ছে প্রতি শলাকা, কোন ব্র্যান্ডের সিগারেট কত?
ছাতা মাথায় কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী, স্বাগত জানাতে নেতাকর্মীদের ঢল
ছাতা মাথায় কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী, স্বাগত জানাতে নেতাকর্মীদের ঢল
নবম পে স্কেলে বেতন বাড়ছে দ্বিগুণ থেকে আড়াইগুণ, কার কত?
নবম পে স্কেলে বেতন বাড়ছে দ্বিগুণ থেকে আড়াইগুণ, কার কত?
কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরি কত
দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরি কত
  • চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের জন্য প্রস্তুত হতে হবে

    বিজ্ঞানভিত্তিক অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশে কতটুকু প্রস্তুত। এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এখন বিশ্বে কর্মজীবী মানুষের বিকল্প হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোও উন্নত বিশ্বের মতোই এ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির দখলে চলে যেতে শুরু করেছে। অর্থাৎ, বাংলাদেশও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে। বর্তমান সরকার ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক সিগন্যালসহ কয়েকটি খাতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে। এর আগে কয়েকটি গার্মেন্টস এবং ফার্নিচার শিল্পে রোবট ব্যবহারে শ্রমিকরা কর্মহীন হয়েছে। এ ছাড়া আধা অটোমেশন শিল্প তো আছেই। অটোমেশন এমন একটি প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে মানুষের সরাসরি হস্তক্ষেপ বা শারীরিক শ্রম ছাড়াই কোনো কাজ বা সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করে। চলমান চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে বিশ্বে পর্যায়ক্রমে

    শূন্য কার্বনের ইউনূস রাষ্ট্রে আনেন শূন্য গণতন্ত্র

    চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো ছিল প্রচণ্ড চাপে। রাজনৈতিক উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। জনগণের প্রত্যাশা ছিল বিশাল। এমন এক প্রেক্ষাপটে দেশকে নির্বাচনের রাজনীতিতে ফেরানোর জন্য প্রস্তুত করা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কাজ। বিলম্বে হলেও দেশকে নির্বাচনের রাজনীতিতে ফেরার বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারে ড. ইউনূস সরকার। কারণ, স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক অবস্থায় ফিরে আসতে নির্বাচনই ছিল চূড়ান্ত এবং একমাত্র টেকসই পথ। একটি উত্তাল সময়ে জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার চাপ এবং ভারসাম্য রক্ষার কাজটি ছিল জরুরি। কেননা তীব্র বিভাজিত সমাজে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা সবসময়ই দুরূহ কাজ। অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনকে এটা স্বীকার করতে হবে যে, দেশকে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে নেওয়াই ছিল তাদের

    অর্থনীতির চালিকাশক্তি কৃষিতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি কৃষি। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, গ্রামীণ কর্মসংস্থান, শিল্পের কাঁচামাল এবং পুষ্টি চাহিদার বড় অংশই আসে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত থেকে।  কিন্তু বর্তমান বিশ্ববাস্তবতায় কৃষি এখন শুধু উৎপাদনের বিষয় নয়; এটি খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, নিরাপদ খাদ্য, প্রযুক্তি এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।  চলতি অর্থবছরে বাজেটে কৃষি খাতের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫.৯ শতাংশ, যা আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ অনেক দেশের চেয়ে কম।  তাই ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি খাতের জন্য ১০ শতাংশ বরাদ্দ রাখা জরুরি।  কেননা, কৃষকের ঘাম, শ্রম ও সংগ্রামের ওপর দাঁড়িয়ে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা এখন নিশ্চিত হওয়ার পথে।  কিন্তু বাস্তবতা হলো, যে কৃষক দেশের
  • তিন নতুন জিরো : শূন্য কার্বন থেকে শূন্য গণতন্ত্র

    চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো ছিল প্রচণ্ড চাপে। রাজনৈতিক উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। জনগণের প্রত্যাশা ছিল বিশাল। এমন এক প্রেক্ষাপটে দেশকে নির্বাচনের রাজনীতিতে ফেরানোর জন্য প্রস্তুত করা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ছিল অন্তবর্তী সরকারের প্রধান কাজ। বিলম্বে হলেও দেশকে নির্বাচনের রাজনীতিতে ফেরার বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারে ড. ইউনূস সরকার। কারণ স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক অবস্থায় ফিরে আসতে নির্বাচনই ছিল চূড়ান্ত এবং একমাত্র টেকসই পথ। একটি উত্তাল সময়ে জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার চাপ এবং ভারসাম্য রক্ষার কাজটি ছিল জরুরি। কেননা তীব্র বিভাজিত সমাজে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা সব সময়ই দুরূহ কাজ।  অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনকে এটা স্বীকার করতে হবে যে, দেশকে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে নেওয়াই ছিল তাদের
    ইলিয়াস হোসেন
    ইলিয়াস হোসেনহেড অব নিউজ, আরটিভি

    বাজেট নিয়ে বাজে কথা

    আধুনিক পৃথিবীতে বাজেট এক অনিবার্য অনুষঙ্গ। ব্যক্তিজীবন, প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্র পরিচালনায় পরিকল্পিত হিসাবের কোনো বিকল্প নেই। অতীব গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয় নিয়ে নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে আমজনতার কৌতূহল এবং অবহেলার শেষ নেই। মৌসুম এলে বাজেট নিয়ে প্রচুর বাজে কথা হয়। অর্থনীতির ‘অ’ বোঝেন না, এমন লোকও অর্থহীন কচকচানিতে ব্যস্ত থাকেন। আবার, কাজের কাজ না করেও ফুরসত পান না সরকারের দায়িত্বশীলরা। বারবার প্রতারিত জনগণও ধরে নেয়, এটা তার নিয়তি। যত বড় বাজেটই হোক, তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন হবে না। নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে। অপ্রয়োজনীয় কিছু জিনিসের দাম কমবে। ধনী আরও ধনী এবং গরিব আরও গরিব হবে। এই অতি সরলীকরণ ধারণার সঙ্গে হতাশ জনতা আত্মীয়তা

    জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ : কওমি শিক্ষাধারার উন্নয়নে বরাদ্দ হোক

    ১. ভূমিকা কওমি মাদ্রাসা বাংলাদেশের শিক্ষা-সভ্যতার এক ঐতিহ্যবাহী ধারা। এটি কেবল একটি বিশেষ শিক্ষাব্যবস্থার নাম নয়, বরং ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার এক অবিচ্ছেদ্য ভিত্তি। শতবর্ষী এই শিক্ষাব্যবস্থা সরকারি অনুদান ছাড়াই সম্পূর্ণ সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত দান ও সহযোগিতার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়, যা বিশ্বব্যাপী এক বিরল দৃষ্টান্ত। অজপাড়াগাঁ থেকে শুরু করে শহর-বন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত এই প্রতিষ্ঠানগুলো নিরক্ষরতা দূরীকরণ, চারিত্রিক ও নৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, দ্বীনি শিক্ষা এবং ধর্মীয় চেতনা ও মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করে আসছে। আজকের নিবন্ধে কওমি শিক্ষাধারার অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবদান বিশ্লেষণপূর্বক আসন্ন জাতীয় বাজেটে এই খাতে যুক্তিসংগত বরাদ্দের পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তুলে ধরা হলো। ২. কওমি
  • কূটনীতির ব্যর্থতাই যুদ্ধের জন্ম দেয়

    আন্তর্জাতিক রাজনীতির ইতিহাসে একটি মৌলিক সত্য বারবার প্রমাণিত হয়েছে— যুদ্ধ কখনোই হঠাৎ ঘটে না; এটি দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা কূটনৈতিক ব্যর্থতার অনিবার্য পরিণতি। রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য, ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা নিরাপত্তা উদ্বেগ যখন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যায় না, তখন সেই সংকট ধীরে ধীরে সামরিক সংঘর্ষে রূপ নেয়। International Crisis Group’র বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ‘ধারণাগত কূটনীতি এবং ধারাবাহিক আলোচনাই সংঘাত-উত্তেজনা কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।’ (ICG, ২০২৪)।  আলোচনার দরজা বন্ধ হলেই সংঘর্ষের দরজা খুলে যায়; এই সত্য আজ কেবল তত্ত্বকথা নয়, বরং ২০২৬ সালের ইরান যুদ্ধ সম্ভবত এই সত্যের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রমাণ।এই কূটনৈতিক ব্যর্থতার পরিণতি আজ রক্তাক্ত বাস্তবতায় স্পষ্ট। ইরান-ইসরায়েল-আমেরিকা সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায়

    যুদ্ধের একশ দিন পর ইরান

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে সমন্বিত সামরিক অভিযান শুরু করার পর ১০০ দিন পেরিয়ে গেছে। এপ্রিল মাস থেকে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। তবে এই সময়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বারবার গোলাগুলি ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। হরমুজ প্রণালি এখনো বন্ধ রয়েছে এবং লেবাননেও সংঘাত অব্যাহত আছে। শান্তি এখনো অধরা। কারণ কোনো পক্ষই তাদের মূল লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি। ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের লক্ষ্য ছিল শুধু ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করা নয়। তারা ইরানের নিরাপত্তা ও সামরিক কাঠামোকেও দুর্বল করতে চেয়েছিল, যাতে দেশটির ভেতরে রাজনৈতিক পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়। অন্যদিকে তেহরানের প্রধান লক্ষ্য ছিল শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখা এবং

    প্রদীপের নিচে অন্ধকার

    দেশের অন্যতম প্রধান শিল্পাঞ্চল গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত শ্রমকল্যাণ কেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা বাংলা প্রবাদ ‘প্রদীপের নিচে অন্ধকার’কে স্মরণ করিয়ে দেয়। শ্রম অধিদপ্তরের অধীন এ কেন্দ্রের লক্ষ্য শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য এবং বিভিন্ন সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা। অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়, অবহেলা, নিরাপত্তাহীনতা এবং দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনায় প্রতিষ্ঠানটির নিজেরই এখন রুগ্ণদশা। মঙ্গলবার কালবেলায় প্রকাশিত এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনে শ্রমকল্যাণ কেন্দ্রের বর্তমান জরাজীর্ণ দশা এবং অবহেলার বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে কামারপাড়া রোডের মুখে প্রায় তিন বিঘা মূল্যবান সরকারি জমির ওপর নির্মিত কেন্দ্রটির বড় একটি অংশ পরিত্যক্ত এবং জরাজীর্ণ। শ্রমিকদের কল্যাণে কেন্দ্রটি সরব থাকার কথা থাকলেও এর একটি
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শহীদ জিয়াউর রহমানের সমাধিতে যুবদলের শ্রদ্ধা

খেলা দেখে ফেরার পথে প্রাণ গেল যুবকের

নাঈমের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি চায় কোয়াব

নাঈমকে হেনস্তার ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিসিবির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর শয্যাশায়ী জাহেরা বেগমের পাশে ইউএনও

৩ টাকা পর্যন্ত বাড়ছে প্রতি শলাকা, কোন ব্র্যান্ডের সিগারেট কত?

ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর, এসআইসহ ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

রাজবাড়ীতে দলীয় স্লোগানে আওয়ামী লীগের মিছিল

স্কয়ার গ্রুপে চাকরির সুযোগ

ছাতা মাথায় কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী, স্বাগত জানাতে নেতাকর্মীদের ঢল

১০

টাঙ্গুয়ার হাওরে সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির মিলনমেলা

১১

কুমিল্লায় আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের বাজিমাত  

১২

নবম পে স্কেলে বেতন বাড়ছে দ্বিগুণ থেকে আড়াইগুণ, কার কত?

১৩

ইউক্রেনের হামলায় ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে পুতিনের স্বীকারোক্তি

১৪

দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরি কত

১৫

এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনা তদন্তে আরও সময় লাগবে, জানাল ভারতীয় কর্তৃপক্ষ

১৬

মার্কিন হামলায় মৃত্যুর আগে সুরেশ বলেছিলেন, ‘আমি নিরাপদে বাড়ি ফিরব’

১৭

কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১৮

বিশ্বকাপে ডেকে ফিলিস্তিন ফুটবলপ্রধানকে ভিসা দেয়নি কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র

১৯

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা কাছাকাছি, খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি

২০
৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের বিশাল লক্ষ্য
পুরো বিশ্ব কাঁপছে ফুটবল বিশ্বকাপজ্বরে। সেই কাঁপুনি অনুভূত হচ্ছে ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশেও। এর মধ্যেও সাধারণ মানুষের চোখ দেশের বার্ষিক জাতীয় বাজেটের দিকে। নতুন সরকারের প্রথম বাজেট আজ বৃহস্পতিবার। অর্থমন্ত্রী
শূন্য কার্বনের ইউনূস রাষ্ট্রে আনেন শূন্য গণতন্ত্র
চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো ছিল প্রচণ্ড চাপে। রাজনৈতিক উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। জনগণের প্রত্যাশা ছিল বিশাল। এমন এক প্রেক্ষাপটে দেশকে নির্বাচনের রাজনীতিতে ফেরানোর জন্য প্রস্তুত করা এবং স্থিতিশীলতা বজায়
‘ছিন্ন বিশ্বে’ একতার গান
বিশ্বকাপ মানে যুদ্ধ। জয়-পরাজয়ের আখ্যান। আজ কানাডা, আমেরিকা ও মেক্সিকোতে সেই আখ্যানের গল্পগুলোর মঞ্চায়ন শুরু হবে ১৬ স্টেডিয়ামে। বিরোধ-সংক্ষোভে রক্তাক্ত হতে থাকা পৃথিবী ফুটবল নিয়ে খেলার আনন্দে মেতে উঠবে। ৪৮টি
নদীভাঙনে ছোট হয়ে আসছে বরিশাল
নদীবেষ্টিত অঞ্চল বরিশাল। কীর্তনখোলা, পদ্মা, মেঘনা, কালাবদর, আড়িয়াল খাঁ, তেঁতুলিয়া, সন্ধ্যা, কারখানাসহ অসংখ্য নদী বয়ে চলেছে বরিশালের চারদিক থেকে। ফলে বছরজুড়েই নদীভাঙনে পাল্টে যাচ্ছে বরিশালের মানচিত্র। নদীতে হারিয়ে যাচ্ছে মাইলের
৩ টাকা পর্যন্ত বাড়ছে প্রতি শলাকা, কোন ব্র্যান্ডের সিগারেট কত?
৩ টাকা পর্যন্ত বাড়ছে প্রতি শলাকা, কোন ব্র্যান্ডের সিগারেট কত?
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সব স্তরের সিগারেটের ন্যূনতম খুচরা মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্য সামনে রেখে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব কার্যকর হলে ব্র্যান্ড ও স্তরভেদে প্রতি শলাকা সিগারেটের দাম এক থেকে তিন টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাজেট বক্তৃতায় তিনি জানান, রাজস্ব সম্ভাবনা ও স্বাস্থ্য-ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিগারেটের ন্যূনতম খুচরা মূল্য পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, নিম্নস্তরের সিগারেটের ১০ শলাকার প্যাকেটের মূল্য ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা, মধ্যম স্তরের ৮০ টাকা থেকে ৯২ টাকা, উচ্চস্তরের ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চস্তরের ১৮৫ টাকা থেকে ২১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নিম্নস্তরের ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে নেভি, রয়েল ও ডার্বি উল্লেখযোগ্য। এসব সিগারেটের প্রতি শলাকার দাম হিসাব অনুযায়ী ২০ পয়সা বাড়লেও খুচরা বাজারে তা এক টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। ফলে প্রতিটি শলাকার দাম দাঁড়াতে পারে প্রায় ৭ টাকা। মধ্যম স্তরের সিগারেটের ক্ষেত্রে ১০ শলাকার প্যাকেটের মূল্য ১২ টাকা বাড়িয়ে ৯২ টাকা করা হয়েছে। এতে প্রতি শলাকার মূল্য ৯ টাকা ২০ পয়সা হলেও বাজারে তা ১০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। উচ্চস্তরের ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে জনপ্রিয় গোল্ড লিফের ক্ষেত্রে ১০ শলাকার প্যাকেটের ন্যূনতম মূল্য ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে প্রতি শলাকার মূল্য হবে ১৬ টাকা। অন্যদিকে অতি উচ্চস্তরের ব্র্যান্ড যেমন বেনসন অ্যান্ড হেজেসের ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রতি শলাকার মূল্য দাঁড়াবে ২১ টাকা। উল্লেখ্য, প্রস্তাবিত এই মূল্যবৃদ্ধি কার্যকর হলে নিম্নস্তরের সিগারেটে প্রায় ১ টাকা, মধ্যম ও উচ্চস্তরের সিগারেটে ১ থেকে ২ টাকা এবং অতি উচ্চস্তরের সিগারেটে প্রায় ৩ টাকা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি দেখা যেতে পারে।
৩৭ মিনিট আগে

কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

২ ঘণ্টা আগে

বার কাউন্সিলের এমসিকিউতে পাস করলেন জাইমা রহমান

৩ ঘণ্টা আগে

কক্সবাজারে যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে

শিক্ষাব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার মানে উন্নীত করার কাজ চলছে : শিক্ষামন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে

দেশে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরেও সতর্কবার্তা

৪ ঘণ্টা আগে
শহীদ জিয়াউর রহমানের সমাধিতে যুবদলের শ্রদ্ধা
শহীদ জিয়াউর রহমানের সমাধিতে যুবদলের শ্রদ্ধা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে নবগঠিত জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি।  শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর জিয়া উদ্যানে বেলা সোয়া ১১টার দিকে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের নেতৃত্বে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতারা ছাড়াও ঢাকা মহানগর ও বিভিন্ন জেলা ইউনিটের হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। এদিকে যুবদলের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর প্রথম বড় কর্মসূচি হওয়ায় রাজধানীর জিয়া উদ্যানে যুবদলের নেতাকর্মীদের ব্যাপক সমাগম ঘটে।  সরেজমিনে দেখা গেছে, কর্মসূচিতে অংশ নিতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণসহ দেশের বিভিন্ন জেলা, মহানগর ও ইউনিটের নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় পতাকা নিয়ে জিয়া উদ্যানে আসেন।  সবার মধ্যে ছিল বাড়তি উৎসাহ-উদ্দীপনা। স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। সকাল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সমাধিস্থল এলাকায় মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। হাজার হাজার নেতাকর্মী জিয়া উদ্যানের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেন। যুবদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সাজিদ হাসান বাবু বলেন, নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম কর্মসূচি হিসেবে আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে এসেছি। বিপুল নেতাকর্মীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যুবদল আজ আরও সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ। শহীদ জিয়ার আদর্শ এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের চেতনা ধারণ করে যুবদল দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে যাবে। নতুন কমিটি সংগঠনকে তৃণমূল পর্যন্ত আরও শক্তিশালী করতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।  
১৮ মিনিট আগে
‘ধর্ষণে অভিযুক্ত’ শিবির নেতা সাজালেন আত্মগোপনের নাটক
‘ধর্ষণে অভিযুক্ত’ শিবির নেতা সাজালেন আত্মগোপনের নাটক
ঐতিহাসিক লালদীঘির ময়দানে বিকেলে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় ঐক্য
ঐতিহাসিক লালদীঘির ময়দানে বিকেলে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় ঐক্য
মারা গেলেন জামায়াত নেতা
মারা গেলেন জামায়াত নেতা
সীমান্তে অবৈধ পুশইন ও ফ্যাসিবাদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
সীমান্তে অবৈধ পুশইন ও ফ্যাসিবাদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
কক্সবাজার সৈকতে ৩ প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন
কক্সবাজার সৈকতে ৩ প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন
পুশইনের প্রতিবাদে বিভিন্ন জেলায় ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ
পুশইনের প্রতিবাদে বিভিন্ন জেলায় ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ

‘সরকার বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী করতে চায়’ 

সরকার বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী করতে চায় বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, ‘নতুন গণতান্ত্রিক সরকার বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সার্বভৌমত্ব, সমতা এবং শান্তি ও সমৃদ্ধির অংশীদারিত্বকে আরও গভীর ও শক্তিশালী করতে আগ্রহী।’ শুক্রবার (১২ জুন) চীন-দক্ষিণ এশিয়া এক্সপো উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ডে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ের স্থানীয় একটি হোটেলে সকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘উভয় দেশের জনগণ যাতে বাস্তব ও প্রত্যক্ষ উপকার লাভ করতে পারে, সে রকম টেকসই সম্পর্ক সৃষ্টিতে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তারই প্রতিফলন এবারের মেলায় বাংলাদেশের রেকর্ডসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ।’ তিনি বলেন, “আজ আমাদের জন্য একটি বিশেষ দিন, কারণ আমরা আতিথেয়তাপূর্ণ ও উষ্ণ শহর কুনমিংয়ে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন করছি। চীনের মাটিতে এমন উদযাপন করতে পারা আমাদের দুই দেশের মধ্যকার গভীর বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার এক উজ্জ্বল প্রতীক। যা বছরের পর বছর ধরে লালিত ও বিকশিত হয়েছে। আমরা গর্বের সঙ্গে আমাদের দেশকে সম্ভাবনার এক অনন্য ভূমি হিসেবে অভিহিত করি। এটি কেবল একটি স্লোগান নয়; বরং একটি উন্মুক্ত আমন্ত্রণ।” এতে বক্তব্য রাখেন, চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম, ইউনান প্রদেশের ভাইস গভর্নর লিউ ইয়াং, বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ, চীনের কাউন্সিল ফর দ্য প্রোমোশন ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট লিউ কী লিন।

‘ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা যে কোনো সময় টাকা তুলতে পারবেন’

ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা যে কোনো সময় টাকা তুলতে পারবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু টুলস আছে, যা আমরা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে প্রয়োগ করব। ইসলামী ব্যাংকের জন্য ইমার্জেন্সি লিকুইডিটি সাপোর্ট (জরুরি তারল্য সহায়তা) যা দেওয়ার প্রয়োজন, তা আমরা দেবো।’ শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে মো. মোস্তাকুর রহমান বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকে আমরা এসে একটি বোর্ড পাই, যা অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক গঠিত। পাঁচজনের এই বোর্ডের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ থাকায় তাকে ১৬ মার্চ পরিবর্তন করা হয়। এর বাইরে আমাদের কোনো কার্যক্রম ছিল না। আমরা কোনো বোনাস, বদলি বা পদোন্নতির জন্য কোনো হস্তক্ষেপ করিনি।’ তিনি বলেন, ‘ঈদুল আজহার আগে ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেন। যেহেতু একটি সিস্টেমিক ব্যাংকে ন্যূনতম পাঁচজন সদস্য ছাড়া বোর্ড চলে না, তাই আমাদের তাৎক্ষণিকভাবে একজনকে নিয়োগ দিতে হয়েছে।’ গভর্নর বলেন, ‘জুলাই ২০২৪-এ ইসলামী ব্যাংকের এডিআর (ঋণ-আমানত অনুপাত) ছিল ৯৩, যা বর্তমানে ৯৭-৯৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আমাদের নির্ধারিত সীমা হলো ৯২। আমরা ম্যানেজমেন্টকে এটি কমাতে বলেছি।’

সরকারি কর্মকর্তাদের আয় বাড়লে দুর্নীতি কমবে : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘গত ১১ বছর পে-স্কেল হয়নি। কিন্তু মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। আশা করছি, সরকারি কর্মকর্তাদের আয় বাড়লে দুর্নীতি কমবে।’ শুক্রবার (১২ জুন) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারি চাকরিজীবীদের সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘সর্বশেষ ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল দেওয়া হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর পর নতুন স্কেল দেওয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এ বাজেট সবার জন্য। সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে। এই সীমাবদ্ধার মধ্যে দেশের প্রতিটি মানুষকে বাজেটের আওতায় আনা হয়েছে। কেউই এ বাজেটের আওতার বাইরে নেই। অর্থনীতিকে গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যারা অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বাইরে ছিলেন, তাদেরও বাজেটের আওতায় আনার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, “সবার জন্য ‘ইনক্লুসিভ’ বাজেট করতে হয়েছে। গত দেড় দশক আমাদের অর্থনীতি ছিল পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি। কিছু মানুষের অর্থনীতি। নির্দিষ্ট কিছু মানুষকে, একটি গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা আমাদের অর্থনীতির ভাবনায় সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চাই। সেই ভাবনা থেকে সীমিত সম্পদের মধ্যে সবার জন্যই এ বাজেট দেওয়া হয়েছে।’ এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাজেট বক্তব্যে সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি সায় দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও সহায়তার জন্য নতুন বেতন কাঠামো তথা নবম জাতীয় পে-স্কেল আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার ঘোষণা দিচ্ছি।’
১৮ ঘণ্টা আগে
সরকারি কর্মকর্তাদের আয় বাড়লে দুর্নীতি কমবে : অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে পতন

আন্তর্জাতিক বাজারে শুক্রবার স্বর্ণের দাম কমেছে এবং সপ্তাহজুড়ে উল্লেখযোগ্য ক্ষতির দিকে এগোচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ এবং দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনার কারণে স্বর্ণের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। খবর রয়টার্সের।  শুক্রবার স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,১৮৩.১৯ ডলারে নেমে আসে। এদিকে সপ্তাহজুড়ে স্বর্ণের দাম প্রায় ৩.৪ শতাংশ কমার পথে রয়েছে। অন্যদিকে, আগস্ট ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারস ২.২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,২০৪.৪০ ডলারে পৌঁছেছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি অব্যাহত থাকলে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়ানোর পদক্ষেপ নিলে স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদের চাহিদা আরও চাপের মুখে পড়তে পারে। ফলে বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করছেন।
২১ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে পতন

বাজেটে বড় আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটলেও বাস্তবায়নই চ্যালেঞ্জ : সিপিডি

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বড় আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটলেও বাস্তবায়নই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে মন্তব্য করেছে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। প্রশাসনের আধুনিকায়ন, অটোমেশন ও কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। শুক্রবার (১২ জুন) সিপিডি আয়োজিত ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পরবর্তী প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক সভায় এসব কথা বলেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। তিনি বলেন, উন্নয়ন বাজেটে থোক বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে ব্যয়ের ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। একই সঙ্গে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণ বাড়লে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কমে যেতে পারে। বিদেশি ঋণের প্রসঙ্গ টেনে ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, স্বচ্ছতা ও সুশাসনের সঙ্গে বিদেশি ঋণ ব্যবহার করা না গেলে ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বাড়বে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তিনি বলেন, আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে খাদ্য ও জ্বালানির সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষ ও বাস্তবসম্মত মুদ্রানীতি গ্রহণ করতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি আরও কিছুদিন অব্যাহত রাখাতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারি ব্যয়ের মাধ্যমে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি না পেলে মূল্যস্ফীতি কমানোর লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করলেও কৃষি খাতে বরাদ্দ কমে যাওয়াকে উদ্বেগজনক। নিম্নআয়ের মানুষের ওপর করের চাপ বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক। তিনি বলেন, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে করমুক্ত আয়সীমা আরও বাড়ানোর সুযোগ ছিল। বাজেটে করের ক্ষেত্রে ব্যাপক ছাড় দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, দেশীয় শিল্পের জন্য কর রেয়াত ও আমদানি পর্যায়ে কর সুবিধা দেয়া হয়েছে। উৎপাদন বাড়িয়ে কর্মসংস্থান তৈরির উদ্যোগ রয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে।
২৩ ঘণ্টা আগে
বাজেটে বড় আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটলেও বাস্তবায়নই চ্যালেঞ্জ : সিপিডি
খেলা দেখে ফেরার পথে প্রাণ গেল যুবকের
খেলা দেখে ফেরার পথে প্রাণ গেল যুবকের
কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর শয্যাশায়ী জাহেরা বেগমের পাশে ইউএনও
কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর শয্যাশায়ী জাহেরা বেগমের পাশে ইউএনও
ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর, এসআইসহ ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর, এসআইসহ ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
রাজবাড়ীতে দলীয় স্লোগানে আওয়ামী লীগের মিছিল
রাজবাড়ীতে দলীয় স্লোগানে আওয়ামী লীগের মিছিল
ছাতা মাথায় কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী, স্বাগত জানাতে নেতাকর্মীদের ঢল
ছাতা মাথায় কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী, স্বাগত জানাতে নেতাকর্মীদের ঢল
টাঙ্গুয়ার হাওরে সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির মিলনমেলা
টাঙ্গুয়ার হাওরে সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির মিলনমেলা
কুমিল্লায় আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের বাজিমাত  
কুমিল্লায় আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের বাজিমাত  
‘ধর্ষণে অভিযুক্ত’ শিবির নেতা সাজালেন আত্মগোপনের নাটক
‘ধর্ষণে অভিযুক্ত’ শিবির নেতা সাজালেন আত্মগোপনের নাটক
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
.

ইউক্রেনের হামলায় ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে পুতিনের স্বীকারোক্তি

সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনের হামলা রাশিয়ার অর্থনীতি ও সামাজিক জীবনে ক্ষতির প্রভাব ফেলছে বলে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্বীকার করেছেন। তবে তিনি দাবি করেছেন, এসব হামলা রাশিয়ার জনগণের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারবে না এবং দেশটির অর্থনীতি দ্রুত ঘুরে দাঁড়াবে। খবর আলজাজিরার।  শুক্রবার দেওয়া এক বক্তব্যে পুতিন বলেন, ইউক্রেনের হামলার ফলে কিছু ক্ষতি হচ্ছে, বিশেষ করে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, তারা আমাদের ক্ষতি করছে ঠিকই, কিন্তু আমরা দ্রুত পুনরুদ্ধার করছি। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউক্রেন রাশিয়ার ভেতরে অবস্থিত তেল শোধনাগার, জ্বালানি ডিপো ও পাইপলাইনের ওপর হামলা জোরদার করেছে। এর মধ্যে রাশিয়ার নিজনেকামস্ক শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে হামলার দায়ও ইউক্রেন স্বীকার করেছে। এসব স্থাপনা রাশিয়ার তেল ও গ্যাস রপ্তানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুতিন অভিযোগ করেন, এসব হামলার উদ্দেশ্য রুশ সমাজে বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা সৃষ্টি করা। তবে তার মতে, ইউক্রেন এ লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হবে। তিনি বলেন, তারা সমাজকে বিভক্ত করতে বা আমাদের অর্থনীতিকে তাদের প্রত্যাশামতো ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারবে না। অন্যদিকে, ইউক্রেনের দাবি, রাশিয়ার প্রতিদিনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাব হিসেবেই তারা এসব অভিযান পরিচালনা করছে। ইউক্রেনের মতে, রুশ হামলায় দেশটির বিভিন্ন শহর ও বেসামরিক অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ছে। পুতিন আরও জানান, রাশিয়ার সামরিক বাহিনী শিগগিরই শত্রুর অবকাঠামো লক্ষ্য করে আরও জোরালো হামলা চালাবে, যাতে তারা রাশিয়ার বেসামরিক স্থাপনায় আক্রমণ থেকে বিরত থাকে। একই সঙ্গে তিনি দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনা তদন্তে আরও সময় লাগবে, জানাল ভারতীয় কর্তৃপক্ষ
এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনা তদন্তে আরও সময় লাগবে, জানাল ভারতীয় কর্তৃপক্ষ
মার্কিন হামলায় মৃত্যুর আগে সুরেশ বলেছিলেন, ‘আমি নিরাপদে বাড়ি ফিরব’
মার্কিন হামলায় মৃত্যুর আগে সুরেশ বলেছিলেন, ‘আমি নিরাপদে বাড়ি ফিরব’
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা কাছাকাছি, খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা কাছাকাছি, খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি
ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ মামলার সাবেক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ মামলার সাবেক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
বিশেষ শর্তে আমিরাত থেকে হাজার কোটি ডলার পাচ্ছে ইরান
বিশেষ শর্তে আমিরাত থেকে হাজার কোটি ডলার পাচ্ছে ইরান
হরমুজে জাহাজ লক্ষ্য করে ছোড়া ইরানের সব ড্রোন ভূপাতিতের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
হরমুজে জাহাজ লক্ষ্য করে ছোড়া ইরানের সব ড্রোন ভূপাতিতের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
তারকাদের নিয়ে ক্রিটিসিজমটা বেশিই হয় : নুসরাত ফারিয়া
তারকাদের নিয়ে ক্রিটিসিজমটা বেশিই হয় : নুসরাত ফারিয়া
শিল্পকলায় আজ থেকে ‘নতুন নাটকের উৎসব’
শিল্পকলায় আজ থেকে ‘নতুন নাটকের উৎসব’
বিজয়ের ৫২তম জন্মদিনে ভক্তদের জন্য থাকছে বিশেষ উপহার
বিজয়ের ৫২তম জন্মদিনে ভক্তদের জন্য থাকছে বিশেষ উপহার
শিবা শানুর বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ সালমান শাহ’র মায়ের
শিবা শানুর বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ সালমান শাহ’র মায়ের
চলতি বছরই আসছে ‘সুড়ঙ্গ-২’ সিক্যুয়েল
চলতি বছরই আসছে ‘সুড়ঙ্গ-২’ সিক্যুয়েল
প্রচারে আসছে নতুন ধারাবাহিক 'গ্রামের নাম সুন্দরপুর'
প্রচারে আসছে নতুন ধারাবাহিক 'গ্রামের নাম সুন্দরপুর'
আফরান নিশোকে নিয়ে নতুন তিন সিনেমার ঘোষণা
আফরান নিশোকে নিয়ে নতুন তিন সিনেমার ঘোষণা
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
নাঈমকে হেনস্তার ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিসিবির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
নাঈমকে হেনস্তার ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিসিবির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
বিশ্বকাপে ডেকে ফিলিস্তিন ফুটবলপ্রধানকে ভিসা দেয়নি কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপে ডেকে ফিলিস্তিন ফুটবলপ্রধানকে ভিসা দেয়নি কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র
নাঈমের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি চায় কোয়াব
নাঈমের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি চায় কোয়াব
জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানের ওপর শারীরিক নির্যাতন ও হয়রানির ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (কোয়াব)। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। শনিবার (১৩ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোয়াব চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কর্তৃপক্ষের কাছে এ ঘটনায় জড়িত প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ শেষে গত ১২ জুন রাতে নিজ শহর চট্টগ্রামে ফেরার পথে লালখান বাজার এলাকায় পুলিশের মুখোমুখি হন নাঈম হাসান। শুরু থেকেই তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক ও বৈরী আচরণ করা হয় বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। কোয়াবের দাবি, নাঈম নিজের পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করলে তার গলা চেপে ধরা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বহু মানুষ তাকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিলেও পুলিশ সদস্যরা তা আমলে নেননি। বরং তাকে পাইপ দিয়ে মারধর করা হয়। সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, পরে নাঈমকে খুলশী থানায় নেওয়া হলে সেখানেও তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়। একপর্যায়ে তিনি পরিচিতজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। বিজ্ঞপ্তিতে কোয়াব উল্লেখ করে, দেশের যে কোনো নাগরিকের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে এমন আচরণ কাম্য নয়। কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন ইতোমধ্যে নাঈম হাসানের সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানানো হয়েছে। তিনি নাঈমকে আশ্বস্ত করেছেন যে দেশের ক্রিকেটার সমাজ তার পাশে রয়েছে এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর আগে জাতীয় দলের অফস্পিনার নাঈম হাসান অভিযোগ করেন, চট্টগ্রামের লালখান বাজার এলাকায় পুলিশের হাতে তিনি শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধরের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অভিযোগের পর ঘটনাটি তদন্তের কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে এক এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দুর্দান্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের 
প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দুর্দান্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের 
৩ গোলে এগিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র
৩ গোলে এগিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X