সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ভেঙে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন
আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ভেঙে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন
স্পেনের গোল কেন বাতিল হলো!
স্পেনের গোল কেন বাতিল হলো!
ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে রেকর্ড নিয়ে বিশ্বকাপ শেষ করল আর্জেন্টিনা
ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে রেকর্ড নিয়ে বিশ্বকাপ শেষ করল আর্জেন্টিনা
অবশেষে আর্জেন্টিনার জালে গোল, এগিয়ে গেল স্পেন
অবশেষে আর্জেন্টিনার জালে গোল, এগিয়ে গেল স্পেন
মার্টিনেজের রেকর্ড ১০ ‘অবিশ্বাস্য’ সেভ, অতিরিক্ত সময়ে ফাইনাল
মার্টিনেজের রেকর্ড ১০ ‘অবিশ্বাস্য’ সেভ, অতিরিক্ত সময়ে ফাইনাল
পাসপোর্টে ফিরল ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শব্দ, জলছাপে ৩ জুলাই শহীদের ছবি

পাসপোর্টে ফিরল ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শব্দ, জলছাপে ৩ জুলাই শহীদের ছবি

পাসপোর্টে আবারও ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শব্দবন্ধ যুক্ত করে নতুন আদেশ জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের স্বীকৃতি না দেওয়ার নীতির অংশ হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পাসপোর্ট বইয়ের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর আগে ২০২১ সালের মে মাসে এ শব্দবন্ধটি পাসপোর্ট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি পরিবর্তন আনা হয়েছে ই-পাসপোর্টের
কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো কয়েদি রিম্পা গ্রেপ্তার
কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো কয়েদি রিম্পা গ্রেপ্তার
বন বিভাগের বিরুদ্ধে ১২০০ কমলা গাছ কাটার অভিযোগ
বন বিভাগের বিরুদ্ধে ১২০০ কমলা গাছ কাটার অভিযোগ
ছেলে যদি অভিভাবক হয়ে বিয়ে দেয়, তাহলেই করতে পারব: পরীমনি
ছেলে যদি অভিভাবক হয়ে বিয়ে দেয়, তাহলেই করতে পারব: পরীমনি
সৌদি আরবকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
সৌদি আরবকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
জনগণের করের অর্থ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় নিশ্চিত করছে সরকার : আইনমন্ত্রী
জনগণের করের অর্থ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় নিশ্চিত করছে সরকার : আইনমন্ত্রী
হরমুজ প্রণালিতে সব ধরনের জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
হরমুজ প্রণালিতে সব ধরনের জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
  • আলাউদ্দিনের সিংহাসনে বসার রক্তাক্ত ইতিহাস

    দিল্লির ইতিহাসে একটি নির্মম ও কলঙ্কজনক অধ্যায় রচিত হয় ১২৯৬ সালের ১৯ জুলাই। এদিন খিলজি রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান জালালুদ্দিন খিলজি তারই আপন ভ্রাতুষ্পুত্র ও জামাতা আলাউদ্দিন খিলজির চরম বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হন। ক্ষমতার লোভ কীভাবে রক্তসম্পর্ক এবং পারিবারিক বন্ধনকে ছিন্নভিন্ন করতে পারে, এ ঘটনা তারই এক জ্বলন্ত প্রমাণ। সুলতান জালালুদ্দিন খিলজি তার জামাতা আলাউদ্দিনকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। তাকে কারা প্রদেশের শাসনকর্তা নিযুক্ত করেন। কিন্তু আলাউদ্দিনের উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল সীমাহীন। সুলতানকে না জানিয়েই আলাউদ্দিন ১২৯৬ সালের শুরুর দিকে দাক্ষিণাত্যের সমৃদ্ধ রাজ্য দেবগিরিতে এক আকস্মিক ও সফল অভিযান চালান। সেখান থেকে তিনি বিপুল পরিমাণ সোনা, রুপা ও রত্ন লুণ্ঠন করেন। এই বিশাল সম্পদ দিল্লির

    ইরান নয়, বিশ্বের বড় বিপদ ট্রাম্প

    টালমাটাল ও দিশাহীন ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে কার্যত পথ হারিয়েছেন। যে যুদ্ধ তিনি শুরু করেছিলেন, তা থেকে বেরিয়ে আসার কোনো কার্যকর পথ তার হাতে নেই। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী আবারও ইরানে হামলা চালাচ্ছে। এখন আঘাতের লক্ষ্য শুধু সামরিক স্থাপনা নয়, বেসামরিক অবকাঠামোও। আগের মতো এবারও এই আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী হামলা এমন একটি কট্টরপন্থি শাসনব্যবস্থার অবস্থান আরও শক্ত করেছে, যারা নিজেদের জনগণের দুর্ভোগকে খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। ট্রাম্প এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ কতবার যে ভিত্তিহীন বিজয়ের দাবি করেছেন, তার হিসাব রাখা কঠিন। এ সপ্তাহেও ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি ‘বড় ধরনের বিজয়’ অর্জন করছেন। কিন্তু তার এই দাবি বিশ্বাস করার মতো মানুষ খুব

    বিশ্বকাপে জিতেছে বাংলাদেশ

    আমাদের দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশ সবসময় তপ্ত। আমি হিসাব করে বলতে পারব না, কবে কখন বছরের পর বছর আমরা কলহমুক্ত ছিলাম। এ রাজনীতিপ্রবণ সমাজে ঈদ পূজা এমন কয়েকটি উৎসব ব্যতীত আর কিছুই আমাদের শান্ত বা উৎসবমুখর রাখতে পারে না। এমন কী বাঙালির নববর্ষ বা শহীদ দিবস মানে একুশেও এখন নানা কারণে রাজনীতির শিকার। এসব প্রবণতার মাঝে চার বছর পর পর বিশ্বকাপ ফুটবল আসে। আর এলেই বাংলাদেশ আনন্দ বেদনা হর্ষ বিষাদে এক হয়ে যায়। এ এক ম্যাজিক, এ এক জাদুর খেলা। সারা বছর ধরে ক্রিকেট নিয়ে মাতামাতি চললেও ফুটবলের আসর সবার ওপরে । ক্রিকেট জটিল খেলা। সাধারণ মানুষের মনে রেখাপাত
  • প্রতারক চক্রের মূলোৎপাটন দরকার

    বিদেশে উচ্চশিক্ষা, স্কুলিং ভিসা কিংবা ওয়ার্ক পারমিটের স্বপ্ন দেখিয়ে দেশের শত শত তরুণ-তরুণী ও অভিভাবককে নিঃস্ব করার যে ভয়াবহ প্রতারণা ও জালিয়াতির চিত্র কালবেলার একটি প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগের। শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, রাজধানীর একটি কনসালট্যান্সি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিদেশে পড়তে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষাকেই পুঁজি করে প্রতিষ্ঠানটি। এর ওপর আস্থা রেখে প্রতারিত হয়ে অনেকেরই শিক্ষাজীবন থমকে গেছে। অনেক পরিবার ঋণের ভারে জর্জরিত। কারও কারও ভিটেমাটি হারিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি পরিকল্পিতভাবে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন, ভুয়া অফার লেটার এবং নিশ্চিত ভিসার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আদায় করে। কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, মাল্টা,

    সরকারি বেতন বাড়ে, পাবলিক মরে

    সরকারি লোকজনের বেতন বাড়ছে। এটি হবে নতুন পে-স্কেলের আওতায়। এ জন্য অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। এদিকে জিনিসপত্রের দামে আমজনতার হা-হুতাশ রয়েছে। এ অবস্থায় সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নিত্যপণ্যের দাম আবারও বেড়ে যাবে। বাড়বে মানুষের ওপর বাড়তি বোঝা। কিন্তু বেসরকারি লোকদের আয় বাড়ছে না। এ আলোচনায় কেউ বলছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়া মানেই হচ্ছে প্রকারান্তরে পাবলিকের মরণ। পাবলিকের এ উদ্বেগকে খুব বেশি অমূলক বলা যাবে না। এদিকে উদ্ভূত এ পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যে ধরনের পরিকল্পনা ও পূর্বপ্রস্তুতি থাকা প্রয়োজন, সরকার সেদিকে দৃষ্টি না দিলে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংকট আরও বেড়ে যেতে

    বিরোধী দল গোল খাচ্ছে, সরকারি দল গোল দিচ্ছে

    চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানপরবর্তী রাজনীতিতে ইসলামপন্থিদের অবস্থান কোথায়? কেন পিছিয়ে পড়ছেন মূলধারার আলেমরা? জামায়াত, বিএনপি, কালেমার পতাকা বিতর্ক এবং রাষ্ট্রচিন্তা থেকে শুরু করে সমসাময়িক বিভিন্ন প্রসঙ্গে কালবেলার সঙ্গে খোলামেলা আলাপ করেছেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ, তাহরিকে খতমে নুবুওয়্যাত বাংলাদেশের আমির ড. মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসি ওয়া সিদ্দিকি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আবু তালহা রায়হান। বিস্তারিত দেখতে নিচের ভিডিওতে ক্লিক করুন।  
  • অর্থনীতির কাঠামোগত রূপান্তরের অসম্পূর্ণ যাত্রা

    অর্থনৈতিক উন্নয়নের ইতিহাস বলে, দেশগুলো তখনই দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসে, যখন তারা নিম্ন উৎপাদনশীল কৃষি থেকে উচ্চ উৎপাদনশীল শিল্প ও সেবা খাতে সম্পদ স্থানান্তর করতে পারে। হার্ভার্ডের অধ্যাপক ড্যানি রড্রিক এই প্রক্রিয়াকে ‘কাঠামোগত রূপান্তর’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং বলেছেন যে, এই রূপান্তর স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয় না। এর জন্য প্রয়োজন রাষ্ট্রের সক্রিয় ও সুচিন্তিত পদক্ষেপ। তার ২০০৪ সালে প্রকাশিত গ্রন্থ ‘In Search of Prosperity’-এ তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এশিয়ার সফল অর্থনীতি—দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, চীন কখনো শুধু বাজারের ওপর নির্ভর করেনি; তারা সুনির্দিষ্ট শিল্পনীতির মাধ্যমে নতুন সক্ষমতা তৈরি করেছে। বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়া চলছে, রপ্তানি কাঠামো মারাত্মকভাবে

    ইরানে শান্তি প্রচেষ্টা কি ভেস্তে যাচ্ছে

    শনিবার (১১ জুলাই) রাতে মার্কিন বাহিনী একই সপ্তাহে তৃতীয়বারের মতো ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি কনটেইনার জাহাজে ইরানের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়। এর জবাবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় দেশ বাহরাইন, কুয়েত ও কাতারে পাল্টা হামলা চালায়। তাই প্রশ্ন জেগেছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার ইরানি প্রতিপক্ষের মধ্যে জুনের মাঝামাঝি সময়ে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অধীনে সম্মত হওয়া যুদ্ধবিরতি কি ভেস্তে গেছে? এদিকে আপাত ভেস্তে গেছে মনে হলেও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য শনিবার সকালে একটি ইরানি প্রতিনিধিদল ওমানে যায়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুক্রবার হুমকি দিয়েছেন যে, ইরান যদি তার জীবননাশের চেষ্টা করে, তবে তিনি ইরানকে ‘ধ্বংস

    উগ্রবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য জরুরি

    মানুষের বাক ও চিন্তার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, রাজনৈতিক সহনশীলতাকে প্রধান্য দেওয়া এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার অন্যতম ভিত্তি। যে রাষ্ট্রে উগ্রবাদ, চরমপন্থা এবং সহিংসতার ক্ষেত্র তৈরি হয়, সেখানে গণতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সংসদে দেওয়া বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, সরকার কোনো ধরনের উগ্রবাদ বা চরমপন্থা সহ্য করবে না। একই সঙ্গে তিনি সরকার ও বিরোধী দলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। এ আহ্বান দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মতের ভিন্নতা থাকবেই। সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে নীতি, কর্মসূচি এবং রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে থাকবে বিতর্ক। এটিই গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য।
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে রেকর্ড নিয়ে বিশ্বকাপ শেষ করল আর্জেন্টিনা

আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ভেঙে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন

স্পেনের গোল কেন বাতিল হলো!

অবশেষে আর্জেন্টিনার জালে গোল, এগিয়ে গেল স্পেন

মার্টিনেজের রেকর্ড ১০ ‘অবিশ্বাস্য’ সেভ, অতিরিক্ত সময়ে ফাইনাল

১০ জনের দলে পরিণত হলো আর্জেন্টিনা, মহাবিপদে মেসিরা 

দ্বিতীয় হাইড্রেশন ব্রেকের আগেও নিষ্প্রভ মেসি ও আর্জেন্টিনা, লক্ষ্যে শট নেই

ফাইনাল দেখতে স্টেডিয়ামে উপস্থিত প্রায় ৮০ হাজার দর্শক

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে মঞ্চ মাতালেন আইশোস্পিড

মার্টিনেজের চোটে 'বাড়তি চাপে' আর্জেন্টিনা

১০

মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেই বড় ধাক্কা! চোটের কারণে মাঠ ছাড়লেন আর্জেন্টিনার তারকা ফুটবলার

১১

মেসির বিপক্ষে বাজি ধরা কঠিন: ট্রাম্প

১২

ইতিহাসের একমাত্র ফুটবলার হিসেবে যে রেকর্ড গড়লেন ইয়ামাল

১৩

গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে আর্জেন্টিনা-স্পেন

১৪

স্পেনের পাসিং ফুটবলে ‘দিশেহারা’ আর্জেন্টিনা

১৫

হাইড্রেশন ব্রেকের আগে মেসিদের বিপক্ষে স্পেনের দাপট

১৬

ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তির রেকর্ড ছুঁলেন মেসি

১৭

লামিন ইয়ামালের নামের পেছনে যে হৃদয়ছোঁয়া গল্প

১৮

২০১০–এর সঙ্গে অবিশ্বাস্য ৭ মিল, আবারও কি বিশ্বকাপ জয়ের পথে স্পেন?

১৯

ফাইনালে মেসিকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে উন্মাদনা

২০
৩০২ দখলদারে জীবন যায় কপোতাক্ষ ইছামতী বেতনার
সাতক্ষীরায় জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ হিসেবে বহু বছর ধরে চিহ্নিত হয়েছে নদী-খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি। খাল-নদী ভরাট, অবৈধ দখল, মাছের ঘের, ইটভাটা ও শিল্প-কারখানার দখলে সংকুচিত হয়ে পড়েছে জেলার
ছোটদের জাদুতে বড়দের পতন
বিশ্বকাপ মানেই বড় দলের আধিপত্য, তারকাদের ঝলক আর শিরোপার লড়াই। কিন্তু চলতি বিশ্বকাপ সেই চেনা গল্পকে বদলে দিয়েছে। উত্তর আমেরিকার মাটিতে অনুষ্ঠিত এই আসর থেকে কয়েকটি পরাশক্তি বিদায় নিয়েছে প্রত্যাশিত
শুধুই কি জেলা প্রশাসকরা দায়ী!
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তেই ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে বিতর্কিত তিনটি সংসদ নির্বাচন হয়েছিল। নিজের একান্ত অনুগত কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে রাষ্ট্রের
সম্পাদকীয় / বর্ষা নাকি অজুহাত
বর্ষা এলেই দেশের কাঁচাবাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়। কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি কিংবা সীমিত আকারের বন্যার খবর এলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করে। এবারও তার ব্যতিক্রম
পাসপোর্টে ফিরল ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শব্দ, জলছাপে ৩ জুলাই শহীদের ছবি
পাসপোর্টে ফিরল ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শব্দ, জলছাপে ৩ জুলাই শহীদের ছবি
পাসপোর্টে আবারও ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শব্দবন্ধ যুক্ত করে নতুন আদেশ জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের স্বীকৃতি না দেওয়ার নীতির অংশ হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পাসপোর্ট বইয়ের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর আগে ২০২১ সালের মে মাসে এ শব্দবন্ধটি পাসপোর্ট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি পরিবর্তন আনা হয়েছে ই-পাসপোর্টের জলছাপেও, যেখানে যুক্ত করা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ৩ শহীদের (আবু সাঈদ, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ ও ওয়াসিম আকরাম) ছবি। এ বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। রোববার (১৯ জুলাই) উপসচিব মোহাম্মদ নুরুজ্জামান সরকারি আদেশে বলা হয়েছে, ই-পাসপোর্ট বুকলেটে বিদ্যমান ছবি পুনর্বিন্যাস করে এর ডিজাইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে জলছাপগুলো সুবিন্যস্ত করা হলো। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার ই-পাসপোর্টের জলছাপে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিদ্যমান নকশা পুনর্বিন্যাস করে নতুন ডিজাইন চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা ধাপে ধাপে নতুন ইস্যু হওয়া পাসপোর্টে সংযুক্ত করা হবে। সরকারি আদেশ অনুযায়ী, পাসপোর্টের শুরুতে ডাটা পেজের বিপরীত অংশ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে পাসপোর্টে আবারও যুক্ত করা হয়েছে ‘THIS PASSPORT IS VALID FOR ALL COUNTRIES OF THE WORLD EXCEPT ISRAEL’ বা ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শব্দবন্ধ। নতুন জলছাপে জাতীয় পাখি দোয়েল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, জাতীয় স্মৃতিসৌধের শিখা অনির্বাণ এবং জাতীয় সংসদ ভবনের ছবি স্থান পেয়েছে।  নতুন নকশার অংশ হিসেবে ই-পাসপোর্ট থেকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ, রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতার স্তম্ভ, মডেল মসজিদ, বঙ্গবন্ধু সেতু (যমুনা সেতু), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, নৌকাসহ কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের ছবি, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং মেহেরপুরের মুজিবনগর সরকারের স্মৃতিসৌধের ছবি বাদ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এর স্মারক হিসেবে শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ ও শহীদ ওয়াসিম আকরামের ছবি সংবলিত বিশেষ জলছাপ যুক্ত করা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রতীকী ছবি হিসেবে দুই হাত প্রসারিত অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকা আবু সাঈদের ছবি, উত্তরার আজমপুরে পানির বোতল হাতে থাকা মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর ছবি এবং জাতীয় পতাকার জার্সি পরিহিত ওয়াসিম আকরামের ছবি। এই তিনটি ছবি ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’ শিরোনামে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংশোধিত এই নকশা ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার সব নতুন ই-পাসপোর্টে ব্যবহার করা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে

কুয়েত প্রবাসীদের জন্য বিশেষ বার্তা

৯ ঘণ্টা আগে

ঢাকাসহ ১৭ জেলায় রাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

১০ ঘণ্টা আগে

প্রাথমিকের মানোন্নয়নে গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান, পাবেন ২ লাখ টাকা

১০ ঘণ্টা আগে

শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের বৈঠক

১০ ঘণ্টা আগে

ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ইউএনডিপির প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

১০ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জুলাই সনদকে ইস্যু করতে চায় বিরোধী দল: খোকন
ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জুলাই সনদকে ইস্যু করতে চায় বিরোধী দল: খোকন
বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও নরসিংদী- ১ সদর আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন বলেন, ‘বর্তমান বিরোধী দল নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তারা জুলাই সনদকে ইস্যু করছে। তারা হুংকার দেয় জনগণকে নিয়ে রাজপথে নামবে।’ রোববার (১৯ জুলাই) রাতে নরসিংদী শিশু একাডেমিতে নরসিংদী কারা বিদ্রোহ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। খায়রুল কবির খোকন বলেন, বিএনপি আর আওয়ামী লীগকে যদি এক কাতারে মাপতে চান তবে আপনারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে, বিগত ১৭ বছরের আন্দোলনে আপনাদের ভূমিকা কী ছিল জনগণ তা জানে। ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে রাজনৈতিক অস্থিতিশিল পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইলে  জনগণ বসে থাকবে না , তারা অত্যন্ত সচেতন। জনগণকে বিভ্রান্ত করা সম্ভব না। জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে বলেই ৫ আগস্ট সংগঠিত হয়েছে।  তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করতে করতে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার পতন হয়েছে। আবার যদি কেউ জুলাই চেতনা বিক্রি করতে চান তাদেরও পরিণতি ভালো হবে না। জুলাই সনদে বিএনপি যে স্বাক্ষর করেছে তার প্রতিটি অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। জুলাই গণঅভ্যূত্থানে আহত নিহতের পরিবারের সব দ্বায়িত্ব এই সরকার নিয়েছে। জেলা শিশু একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের সংসদ সদস্য মনজুর এলাহী, জেলা বিএনপির সহসভাপতি এম এ জলিল, অ্যাড. বাছেদ ভুইয়া, একে এম গোলাম কবির কামাল, হারুন অর রশিদ, আবু সালেহ চৌধুরী, ফারুক উদ্দিন ভূইয়া, আকবর হোসেন, খবিরুল ইসলাম বাবুল, বিজি রশীদ নওশের, রবিউল ইসলাম রবি, আমিনুল হক বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল হোক টিটু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহসিন হোসাইন বিদ্যুৎসহ অন্যান্য নেতারা।
৫ ঘণ্টা আগে
জুলাই শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না:  আমান
জুলাই শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না:  আমান
‘প্রধানমন্ত্রী যে বাংলাদেশ চান মন্ত্রী-এমপিরা সেই রাজনীতিকে ধারণ করছে না’
‘প্রধানমন্ত্রী যে বাংলাদেশ চান মন্ত্রী-এমপিরা সেই রাজনীতিকে ধারণ করছে না’
জনগণই দেশের প্রকৃত মালিক: ব্যারিস্টার মীর হেলাল
জনগণই দেশের প্রকৃত মালিক: ব্যারিস্টার মীর হেলাল
জুলাই গণঅভ্যুত্থান নতুন আশা জাগিয়েছে: বরকতউল্লাহ বুলু
জুলাই গণঅভ্যুত্থান নতুন আশা জাগিয়েছে: বরকতউল্লাহ বুলু
সরকার জনগণের বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে : জালালুদ্দীন আহমদ
সরকার জনগণের বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে : জালালুদ্দীন আহমদ
জনগণের রায়ের সঙ্গে আপস নয়: জামায়াত আমির
জনগণের রায়ের সঙ্গে আপস নয়: জামায়াত আমির

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় বেড়েছে ইন্টারনেট গ্রাহক

চলমান ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য গতি এসেছে। পাঁচ মাসে ইন্টারনেট গ্রাহক বেড়েছে ৫০ লাখ ৮০ হাজার। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্বকাপ চলাকালে ডেটা ব্যবহারের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াসহ কয়েকটি কারণে ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।  বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশে ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল ১২ কোটি ৮৯ লাখ। মে মাস শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৪১ লাখে।  একই সময়ে সক্রিয় মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যা ১৮ কোটি ৫৮ লাখ থেকে বেড়ে ১৮ কোটি ৮৬ লাখে পৌঁছেছে। এ সময়ে নতুন সক্রিয় গ্রাহক যুক্ত হয়েছে ২৮ লাখ। খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী মোবাইল ফোনে বিশ্বকাপের ম্যাচ স্ট্রিমিং করায়, ইন্টারনেট ট্রাফিক উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহও ইন্টারনেট ব্যবহারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়তা করেছে। তাদের মতে, ঈদের ছুটিতে ডিজিটাল মাধ্যমে যোগাযোগ বৃদ্ধি, এইচএসসি পরীক্ষা-সংশ্লিষ্ট অনলাইন কার্যক্রম ও মোবাইল ফোনের সিমে আরোপিত ৩০০ টাকার কর পুরোপুরি প্রত্যাহার করাও নতুন মোবাইল সংযোগ বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সেবাদাতা কোম্পানি রবি’র করপোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান শাহেদ আলম রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা-বাসসকে বলেন, ‘চলমান ফিফা বিশ্বকাপের পাশাপাশি আরও কয়েকটি কারণে ডেটা ব্যবহারের পরিমাণ বেড়েছে। এর ফলে ইন্টারনেট ট্রাফিকও বেড়েছে।’ তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ চলাকালে বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইন্টারনেট ট্রাফিক রেকর্ড করা হয়েছে।’ শাহেদ আলম আরও বলেন, ‘সিম কর পুরোপুরি প্রত্যাহার হওয়াও গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।’ জুন ও পরবর্তী মাসগুলোতে এর ইতিবাচক প্রভাব আরও দেখা যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। বিটিআরসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট ইন্টারনেট গ্রাহকের প্রায় ৮৯ শতাংশই মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। মে মাসে নিবন্ধিত ১৩ কোটি ৪১ লাখ ইন্টারনেট গ্রাহকের মধ্যে ১১ কোটি ৯১ লাখ মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করেছেন। বাকি ১ কোটি ৪৯ লাখ গ্রাহক ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) ও পিএসটিএন অপারেটরদের ফিক্সড ব্রডব্যান্ড সেবা ব্যবহার করেছেন। তথ্যে দেখা যায়, জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ইন্টারনেট গ্রাহক বৃদ্ধির প্রায় পুরোটা এসেছে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহকদের মাধ্যমে। এ সময়ে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক ১১ কোটি ৪২ লাখ থেকে বেড়ে ১১ কোটি ৯১ লাখে পৌঁছেছে। অর্থাৎ প্রায় ৪৯ লাখ নতুন গ্রাহক যুক্ত হয়েছেন। অন্যদিকে, জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ফিক্সড ব্রডব্যান্ড গ্রাহক ছিল ১ কোটি ৪৭ লাখ। এপ্রিলে তা বেড়ে ১ কোটি ৪৯ লাখে ওঠে ও মে মাসেও একই অবস্থায় থাকে। সর্বশেষ পরিসংখ্যানে, ফেব্রুয়ারিতে সাময়িকভাবে ইন্টারনেট গ্রাহক কমে যাওয়ার চিত্রও উঠে এসেছে। ওই মাসে মোট ইন্টারনেট গ্রাহক নেমে আসে ১২ কোটি ৮২ লাখে এবং মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক কমে দাঁড়ায় ১১ কোটি ৩৫ লাখে।  যদিও মার্চে আবার প্রবৃদ্ধি শুরু হয়। ওই মাসে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক বেড়ে হয় ১১ কোটি ৪৮ লাখ। এপ্রিলে তা ১১ কোটি ৬৪ লাখ ও মে মাসে ১১ কোটি ৯১ লাখে পৌঁছে। বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের আগস্টের পর থেকে ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকা সক্রিয় মোবাইল গ্রাহক সংখ্যা চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে সময়ে আবার বাড়তে শুরু করেছে। ২০২৫ সালের আগস্টে সক্রিয় মোবাইল গ্রাহক ছিল ১৮ কোটি ৮৫ লাখ। পরে তা ধারাবাহিকভাবে কমে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ১৮ কোটি ৫৮ লাখে নেমে আসে। মে মাস শেষে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল অপারেটর হিসেবে গ্রামীণফোনের গ্রাহক ছিল ৮ কোটি ৫৯ লাখ। এরপর রয়েছে রবি আজিয়াটা ৫ কোটি ৮২ লাখ, বাংলালিংক ৩ কোটি ৭৭ লাখ এবং রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিটক ৬৮ লাখ ১০ হাজার গ্রাহক নিয়ে। জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত সময়ে টেলিটকই একমাত্র অপারেটর, যার গ্রাহক সংখ্যা কিছুটা কমেছে। জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক ছিল ৬৮ লাখ ৩০ হাজার। মে মাসে তা কমে ৬৮ লাখ ১০ হাজারে দাঁড়ায়। বিটিআরসির সংজ্ঞা অনুযায়ী, গত ৯০ দিনের মধ্যে অন্তত একটি ভয়েস কল, এসএমএস বা ইন্টারনেট সেশন ব্যবহার করা হয়েছে— এমন সিমকেই সক্রিয় গ্রাহক হিসেবে গণ্য করা হয়।

বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৩০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে চীনা কোম্পানি

চীনা মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেড চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে টেক্সটাইল পণ্য উৎপাদন কারখানা স্থাপনে ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। সম্প্রতি ঢাকার বেপজা কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা) এবং হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডের মধ্যে এ বিষয়ে ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তিতে বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিন ওয়াং নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন| অনুষ্ঠানে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন উপস্থিত ছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী, ৩৬ হাজার বর্গমিটার জমির ওপর কারখানাটি স্থাপন করা হবে| পূর্ণ উৎপাদনে গেলে কারখানাটি বছরে ২৪ হাজার টন সুতা এবং ২০ মিলিয়ন মিটার গ্রে ওভেন ফেব্রিক উৎপাদনে সক্ষম হবে| এছাড়া প্রকল্পটিতে ৫৮০ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান বাংলাদেশ তথা বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলকে বিনিয়োগের গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়ায় হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডকে ধন্যবাদ জানান।  তিনি আরও বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ, আধুনিক ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে বেপজা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ| পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির সফল ও নির্বিঘ্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মো. খুরশিদ আলম, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হক, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ.এস.এম. আনোয়ার পারভেজসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিডা, বেজা ও পিপিপিএকে একীভূত করে গঠিত হচ্ছে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’  

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ (পিপিপিএ) একীভূত হতে যাচ্ছে। এই লক্ষ্যে গত বুধবার জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল, ২০২৬’। সরকার কর্তৃক গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে নির্ধারিত তারিখ থেকে আইনটি কার্যকর হবে। একই সময়ে নতুন পরিচয়ে ইনভেস্ট বাংলাদেশের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।  আইনটি কার্যকর হলে এর মাধ্যমে গঠিত ইনভেস্ট বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতায় দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে কাজ করবে। বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও সমন্বিত করা এবং বিনিয়োগ উন্নয়ন, শিল্পাঞ্চল ব্যবস্থাপনা ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব কার্যক্রমকে একক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনা এর লক্ষ্য।  এ বিষয়ে বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং পিপিপিএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক চৌধুরী বলেন,  বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ, বিনিয়োগকারীদের সহায়তা এবং নীতি-সমর্থনের ক্ষেত্রে বাস্তব প্রভাব রাখবে এমন উদ্যোগগুলোতে সরকারের সুস্পষ্ট মনোযোগের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্য অর্জনে দেশের যে বিনিয়োগ প্রয়োজন, তা আনতে হলে বিনিয়োগকারীদের জন্য সত্যিকারের ওয়ান স্টপ সেবা কাঠামো জরুরি। এমন একটি সমন্বিত বিনিয়োগ সংস্থা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের সুপারিশ। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা পরিবেশ সংস্কারের অগ্রগতি পর্যালোচনার পর ইউএনসিটিএডিও এই একীভূতকরণের সুপারিশ করেছে। আমরা বিশ্বাস করি ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিনিয়োগকারীদের আরও কার্যকরভাবে সেবা দিতে পারবে এবং প্রতিযোগিতামূলক বৈশ্বিক বিনিয়োগ পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভ্যালু প্রপোজিশন আরও শক্তভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হবে। ২০২৬ সালের মার্চে ঘোষিত সরকারের ১৮০ দিনের ব্যবসা-সহায়ক পরিবেশ উন্নয়ন পরিকল্পনার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল পাশ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বিনিয়োগ সেবার কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।  নতুন কর্তৃপক্ষের আওতায় বিনিয়োগ সংক্রান্ত অনুমোদন, নিবন্ধন, আমদানি-রপ্তানি, প্রণোদনা, শিল্পাঞ্চল উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবার প্রক্রিয়া আরও কার্যকরভাবে সমন্বয় করা হবে। একই সঙ্গে সিঙ্গেল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, অনুমোদন ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার ডিজিটালাইজেশন এবং বিনিয়োগ ও ব্যবসা সংক্রান্ত সেবাকে একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।  ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিলের উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে ঘোষিত শিল্পাঞ্চল, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলকে সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার সুযোগ; লাইসেন্স, অনুমোদন ও সেবা প্রদানের পদ্ধতি ও সময়সীমা নির্ধারণ; পিপিপি প্রকল্প অনুমোদনের কাঠামো স্পষ্ট করা; ক্ষুদ্র পিপিপি প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মাধ্যমে সহজ অনুমোদনের সুযোগ; অব্যবহৃত সরকারি জমি, স্থাপনা, শেয়ার ও স্বত্ব উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের বিধান; এবং বিনিয়োগ ও ব্যবসা সংক্রান্ত সব সেবা একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনার ব্যবস্থা।  বিলটি বিনিয়োগ উন্নয়ন কার্যক্রমে নীতিগত অসামঞ্জস্যতা কমাতে, বিভিন্ন সংস্থার কার্যপরিধির দ্বৈততা ও পুনরাবৃত্তি পরিহার করতে এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সমন্বয় বাড়াতে সহায়ক হবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও সর্বোত্তম চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সমন্বিত বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হলো।  ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল আইন হিসেবে কার্যকর হলে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৬, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ আইন, ২০১৫ এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিস আইন, ২০১৮ রহিত হবে; এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ম্যান্ডেটগুলো ইনভেস্ট বাংলাদেশের আওতায় একীভূত হবে।  
১৮ জুলাই, ২০২৬
বিডা, বেজা ও পিপিপিএকে একীভূত করে গঠিত হচ্ছে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’  

চার জেলায় ব্যাংক খোলা আছে আজ

আমের মৌসুমে ব্যবসায়ীদের লেনদেন নির্বিঘ্ন রাখতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রাজশাহী অঞ্চলের চার জেলার আমের বাজারসংলগ্ন এলাকায় শনিবার (১৮ জুলাই) সীমিত পরিসরে ব্যাংকের শাখা ও উপশাখা খোলা রাখা হয়েছে। শুধু আজই নয়, আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত প্রতি শনিবার একই ব্যবস্থা চালু থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এক নির্দেশনায় জানিয়েছে, চলমান আমের মৌসুমে রাজশাহী অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট উপজেলা, নওগাঁর সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলা এবং রাজশাহী ও নাটোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গড়ে ওঠা স্থায়ী ও অস্থায়ী আমের বাজার সংলগ্ন ব্যাংকের শাখা নগদ অর্থের সরবরাহ ও জমা নিশ্চিত এবং ব্যবসায়ীদের নগদ অর্থ সংরক্ষণজনিত ঝুঁকি কমাতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবারও খোলা থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখার এই সিদ্ধান্ত আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তফসিলি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সীমিত পরিসরে ব্যাংকের শাখা ও উপশাখা খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
১৮ জুলাই, ২০২৬
চার জেলায় ব্যাংক খোলা আছে আজ

বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এই প্রভাবেই বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বাজারের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার স্পট গোল্ডের দাম ১.৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৩,৯৮৩ ডলারে নেমে আসে। এর ফলে স্বর্ণের দাম মনস্তাত্ত্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ৪,০০০ ডলার প্রতি আউন্সের নিচে চলে যায়। একই সময়ে রুপার দামও তুলনামূলকভাবে আরও বেশি হারে কমেছে। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, তেলের মূল্যবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ সুদের হার নীতিকে প্রভাবিত করতে পারে। এ অনিশ্চয়তার কারণে মূল্যবান ধাতুর বাজারে বিক্রির চাপ বেড়েছে।
১৭ জুলাই, ২০২৬
বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
আদালত জামিন দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্বামীকে মারধর, কারাগারে স্ত্রী
আদালত জামিন দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্বামীকে মারধর, কারাগারে স্ত্রী
ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জুলাই সনদকে ইস্যু করতে চায় বিরোধী দল: খোকন
ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জুলাই সনদকে ইস্যু করতে চায় বিরোধী দল: খোকন
কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো কয়েদি রিম্পা গ্রেপ্তার
কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো কয়েদি রিম্পা গ্রেপ্তার
বন বিভাগের বিরুদ্ধে ১২০০ কমলা গাছ কাটার অভিযোগ
বন বিভাগের বিরুদ্ধে ১২০০ কমলা গাছ কাটার অভিযোগ
একই পরিবারের তিন নেতার আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ
একই পরিবারের তিন নেতার আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ
মাদক ব্যবসার অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে কাঁদলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা
মাদক ব্যবসার অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে কাঁদলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা
মহিষবোঝাই ভটভটি উল্টে নিহত ২
মহিষবোঝাই ভটভটি উল্টে নিহত ২
মেহেন্দিগঞ্জে পুকুরে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু
মেহেন্দিগঞ্জে পুকুরে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
.

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মোজতবা খামেনির সঙ্গে এখনো সাক্ষাৎ হয়নি: আরাগচি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, মার্চ মাসে শুরু হওয়া যুদ্ধের পর নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে এখন পর্যন্ত তিনি ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করেননি। পডকাস্টার জাভাদ মোগুইয়ের সঙ্গে এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে আরাগচি বলেন, যুদ্ধের শুরুতে ইসরায়েল যে নিরাপত্তা দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল, সেই দুর্বলতা এখনো পুরোপুরি দূর হয়নি। খবর সিএনএনের। সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে আলোচনার সময় তিনি বলেছিলেন, আপনি কি কখনো এমন কোনো বৈঠকে অংশ নিয়েছেন, যেখানে যে কোনো মুহূর্তে বোমা হামলার আশঙ্কা ছিল? আরাগচির দাবি, ফেব্রুয়ারিতে তেহরানে চালানো মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা, যাতে সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি এবং তার পরিবারের বহু সদস্য নিহত হন, তা একটি নিরাপত্তা দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে পরিচালিত হয়েছিল। তিনি বলেন, সেই নিরাপত্তা দুর্বলতা এখনো বিদ্যমান। সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির মৃত্যুর খবর জানার পর কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল এ প্রসঙ্গে আরাগচি বলেন, প্রথম দিন থেকেই পরিকল্পনা ছিল, যদি সর্বোচ্চ নেতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়, তাহলে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি জানান, এরপরই তিনি আঞ্চলিক দেশগুলোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালাব। বুঝে নিন, এই পদক্ষেপ কেবল আমেরিকার বিরুদ্ধেই হবে। নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে আরাগচি বলেন, সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এখন পর্যন্ত আমি ব্যক্তিগতভাবে মোজতবার সঙ্গে দেখা করিনি। খুব অল্পসংখ্যক মানুষই তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পেয়েছেন। সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে তিনি দাবি করেন, ২০২৫ সালের জুন এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যবর্তী আট মাসে ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এমনভাবে পরিবর্তন করেছে, যাতে যত ক্ষেপণাস্ত্রই নিক্ষেপ করা হোক না কেন, তাদের মজুত শেষ হয়ে না যায়। যুদ্ধ চলাকালে নিজের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আরাগচি বলেন, তিনি এবং উপপররাষ্ট্রমন্ত্রীরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভবন ছেড়ে যাননি। প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা তারা গাড়িতে করে রাজধানী তেহরান ঘুরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতেন। তিনি বলেন, আমি আমার মোবাইল ফোন এক মুহূর্তের জন্যও দূরে রাখতে পারিনি। ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে আরাগচি বলেন, যদি আমাদের পূর্ণাঙ্গ সামরিক বিজয় অর্জনের সক্ষমতা না থাকে, তাহলে আলোচনায় বসতেই হবে। তবে আলোচনা তখনই হওয়া উচিত, যখন সামরিক ক্ষেত্রে আপনার অবস্থান শক্তিশালী থাকবে।  
ডলার ছেড়ে চীনা মুদ্রার লেনদেন ব্যবস্থায় যোগ দিল লিবিয়া
ডলার ছেড়ে চীনা মুদ্রার লেনদেন ব্যবস্থায় যোগ দিল লিবিয়া
ইরানের যেকোনো হামলার জবাবে পূর্ণ শক্তি প্রয়োগের হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের
ইরানের যেকোনো হামলার জবাবে পূর্ণ শক্তি প্রয়োগের হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের
জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ধ্বংসাবশেষ পড়ল ইসরায়েলে
জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ধ্বংসাবশেষ পড়ল ইসরায়েলে
কোথায় আছেন মোজতবা খামেনি?
কোথায় আছেন মোজতবা খামেনি?
মার্কিন হামলার ৬ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের গুরুত্বপূর্ণ টানেল চালু
মার্কিন হামলার ৬ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের গুরুত্বপূর্ণ টানেল চালু
যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান
ছেলে যদি অভিভাবক হয়ে বিয়ে দেয়, তাহলেই করতে পারব: পরীমনি
ছেলে যদি অভিভাবক হয়ে বিয়ে দেয়, তাহলেই করতে পারব: পরীমনি
অপূর্ণ স্বপ্ন হয়ে আছে কবরী পরিচালিত শেষ সিনেমা
অপূর্ণ স্বপ্ন হয়ে আছে কবরী পরিচালিত শেষ সিনেমা
তারকারাও চাইছেন আর্জেন্টিনার জয়, মেসিদের ঘিরে শোবিজে উচ্ছ্বাস
তারকারাও চাইছেন আর্জেন্টিনার জয়, মেসিদের ঘিরে শোবিজে উচ্ছ্বাস
মেসির লড়াইয়ে মুগ্ধ শাকিরা
মেসির লড়াইয়ে মুগ্ধ শাকিরা
চার নামে আলোকিত দিন আজ
চার নামে আলোকিত দিন আজ
গুঞ্জনের মধ্যেই ছবি প্রকাশ, আলোচনায় পূজা
গুঞ্জনের মধ্যেই ছবি প্রকাশ, আলোচনায় পূজা
আদনানের প্রথম সিনেমায় সিয়ামের সম্ভাবনা
আদনানের প্রথম সিনেমায় সিয়ামের সম্ভাবনা
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ভেঙে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন
আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ভেঙে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন
স্পেনের গোল কেন বাতিল হলো!
স্পেনের গোল কেন বাতিল হলো!
ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে রেকর্ড নিয়ে বিশ্বকাপ শেষ করল আর্জেন্টিনা
ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে রেকর্ড নিয়ে বিশ্বকাপ শেষ করল আর্জেন্টিনা
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে পুরো খেলায় স্পেনের গোলপোস্টে মাত্র দুইটি শট নিতে পারেছে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে এটিই আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বাজে আক্রমণাত্মক রেকর্ড।  শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে মাঠে নামা আর্জেন্টিনা শুরু থেকেই স্পেনের চাপের মুখে পড়ে। খেলার শেষ পর্যন্ত সে ধারাবাহিকতা ধরে রাখে স্পেনিশরা।  বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকা স্পেনের বিপরীতে প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনার আক্রমণ ছিল নিষ্প্রভ। এ দিন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে স্পেন বল দখলে রাখে ৬৬%। অন্যদিকে পুরো খেলায় মাত্র  ৩৫% বল দখলে রাখে সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। এছাড়া পুরো খেলায় গোলের উদ্দেশ্যে আর্জেন্টিনার গোল পোস্টে ২০ টি শট নেয় স্পেন। এর বিপরীতে স্পেনের গোলপোস্টে মাত্র ২টি শট নিতে পেরেছে মেসি বাহিনী।  ফলে বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে নতুন এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে নাম লেখাল আর্জেন্টিনা। 
অবশেষে আর্জেন্টিনার জালে গোল, এগিয়ে গেল স্পেন
অবশেষে আর্জেন্টিনার জালে গোল, এগিয়ে গেল স্পেন
মার্টিনেজের রেকর্ড ১০ ‘অবিশ্বাস্য’ সেভ, অতিরিক্ত সময়ে ফাইনাল
মার্টিনেজের রেকর্ড ১০ ‘অবিশ্বাস্য’ সেভ, অতিরিক্ত সময়ে ফাইনাল
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X