বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
অনিচ্ছাকৃত ফাউলে কপাল পুড়ল ফ্রান্সের, সেমির মাঝপথে পেল আরও বড় দুঃসংবাদ
অনিচ্ছাকৃত ফাউলে কপাল পুড়ল ফ্রান্সের, সেমির মাঝপথে পেল আরও বড় দুঃসংবাদ
এই কারণেই কি আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিততে পারবে না?
এই কারণেই কি আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিততে পারবে না?
পোরোর গোলে কপাল পুড়ছে ফ্রান্সের
পোরোর গোলে কপাল পুড়ছে ফ্রান্সের
এমবাপ্পেদের জালে বল পাঠিয়ে ওইয়ারসাবালের নতুন ইতিহাস
এমবাপ্পেদের জালে বল পাঠিয়ে ওইয়ারসাবালের নতুন ইতিহাস
পেনাল্টির আশীর্বাদে শুরুতেই এগিয়ে স্পেন
পেনাল্টির আশীর্বাদে শুরুতেই এগিয়ে স্পেন
ভাইরাল অডিওর জন্য সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ

ভাইরাল অডিওর জন্য সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ

জাতীয় সংসদে নিজের সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে এ দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।  শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য নিয়ে অনেকেই আপত্তি জানিয়েছেন। আমি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে কিছু বলিনি। তারপরও আমার বক্তব্যে কেউ যদি
পাহাড়ে সুরক্ষিত ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি ট্রাম্পের
পাহাড়ে সুরক্ষিত ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি ট্রাম্পের
‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে সরকারের পরিণতি আ.লীগের মতো হবে’
‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে সরকারের পরিণতি আ.লীগের মতো হবে’
এবার বাংলাদেশে ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’র আত্মপ্রকাশ!
এবার বাংলাদেশে ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’র আত্মপ্রকাশ!
সেই ১৪ জুলাই: ‘রাজাকার’ বলার দিনেই ‘মুরগিতে’ উত্তাল দেশ
সেই ১৪ জুলাই: ‘রাজাকার’ বলার দিনেই ‘মুরগিতে’ উত্তাল দেশ
প্রাইভেট পড়ানোর বকেয়া চাওয়ায় শিক্ষিকাকে একের পর এক কোপ
প্রাইভেট পড়ানোর বকেয়া চাওয়ায় শিক্ষিকাকে একের পর এক কোপ
‘ফার্মের মুরগি’ প্রসঙ্গে কী বলেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী?
‘ফার্মের মুরগি’ প্রসঙ্গে কী বলেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী?
  • ফরাসি বিপ্লব: বাস্তিলের পতন থেকে আধুনিক গণতন্ত্রের জন্ম

    ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বিকেলে যখন ক্ষুব্ধ প্যারিসবাসীর একটি বিশাল জনস্রোত বাস্তিল দুর্গের সামনে জড়ো হয়েছিল, তখন কেউ জানত না যে এই একটি বিকেল ইতিহাসের গতিপথ চিরতরে পাল্টে দেবে। প্রায় চার ঘণ্টার তুমুল সংঘর্ষের পর দুর্গটির পতন ঘটে। এই লড়াইয়ে প্রায় আটানব্বই জন হামলাকারী নিহত হন, বিপরীতে দুর্গরক্ষীদের পক্ষে প্রাণ হারান মাত্র একজন; কেননা দুর্গের পুরু প্রাচীর তাদের অনেকটাই সুরক্ষা দিয়েছিল। আত্মসমর্পণের পরও দুর্গের সেনাপতি বার্নার্দ-রনে জর্দ্যাঁ দ্য লোনেকে জনতা হত্যা করে এবং তার মাথা বর্শায় গেঁথে শহরে প্রদর্শন করা হয়। 3 আরেকটি হৃদয়বিদারক ঘটনা, বেকার নামের এক সেনা কর্মকর্তা দুর্গের ফটক খুলে দেওয়ার পরও তাকে ভুল করে রক্ষী মনে করে

    বৃষ্টি যখন পূর্বানুমিত, পরীক্ষা কেন নয়?

    প্রযুক্তির অগ্রগতিতে এখন ভারী বৃষ্টি, লঘুচাপ কিংবা সম্ভাব্য বন্যার পূর্বাভাস অনেক আগেই পাওয়া যায়। আবহাওয়া অধিদপ্তর নিয়মিত পূর্বাভাস দেয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডও নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি এবং বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আগাম সতর্কবার্তা প্রকাশ করে। অর্থাৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি সম্পর্কে রাষ্ট্র আগে থেকেই ধারণা রাখে। প্রশ্ন হলো, তাহলে প্রতি বছর একই মৌসুমে লাখো শিক্ষার্থীকে কেন অনিশ্চয়তার মধ্যে পাবলিক পরীক্ষায় বসতে হবে? এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ঘিরে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তা শুধু পরীক্ষা স্থগিত হবে কি না—এই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়। বিষয়টি আসলে বাংলাদেশের শিক্ষা পরিকল্পনা জলবায়ু বাস্তবতার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, সেই প্রশ্নও সামনে নিয়ে এসেছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি বলেছে, ১২ লাখ ৭০

    দেশের উদারনীতি কেন পিছিয়ে পড়ছে

    আবার এসেছে জুলাই। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনামলের বিরুদ্ধে সফল অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বছর। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একটা বড় অভিযোগ যে, দলটি দেশে এক দলীয় কর্তৃত্ববাদী শাসন চালু করে জনগণের ওপর চেপে বসেছিল। কিন্তু এখন জুলাইয়ে অংশ নেওয়া অনেকেই বলছেন, দেশে উগ্রবাদের বিকাশ ঘটেছে। প্রথম আলো সম্পাদক সম্প্রতি জার্মান টেলিভিশন ডয়েচে ভেলের বাংলা বিভাগকে বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তার পত্রিকায় হামলাকারীরা উগ্রবাদী গোষ্ঠীর। ইউনূস সরকারের ভেতরেও উগ্রবাদীদের সমর্থক কয়েকজন উপদেষ্টা ছিল বলেও মনে করেন তিনি। গত বছর মার্কিন প্রভাবশালী দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমসও বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রবাদীদের উত্থানের শঙ্কা প্রকাশ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। এরকম মন্তব্য আরও অনেকেই করছেন। দেশবাসীও তার নমুনা নানা
  • ফিফা একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার

    বিশ্বকাপ যত এগোচ্ছে, ততই ফিফা এবং এর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন বাড়ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পর এক মার্কিন ফুটবল খেলোয়াড়ের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিশ্বজুড়ে সমর্থকদের ক্ষুব্ধ করেছে। একই সময়ে মিশর ও কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচে রেফারিদের পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। ফিলিস্তিনে আমরা বহু বছর ধরে ফিফার দুর্নীতিগ্রস্ত চরিত্র দেখেছি এবং তার প্রভাব ভোগ করেছি। ফিফার নিজস্ব নীতিমালায় মানবাধিকারকে সম্মান করার কথা স্পষ্টভাবে বলা আছে। কিন্তু ফিলিস্তিনি ফুটবলের ক্ষেত্রে তারা বারবার সেই দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে। ইসরায়েলি ক্লাবগুলো অবৈধভাবে দখল করা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে লিগ ম্যাচ খেলছে। এ কারণে ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ

    অবহেলার চড়া মাশুল

    কয়েক ঘণ্টার টানা বৃষ্টি মানেই রাজধানী ঢাকা পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া। ঢাকাবাসীর জন্য এটা যেন এক অবধারিত নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে! জলাবদ্ধতা নিরসনে যদি আধুনিক, পরিকল্পিত, সময়োপযোগী ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ হতো, তাহলে নিশ্চিতভাবেই এ নিয়তিকে এড়ানো সম্ভব হতো। অত্যন্ত হতাশার কথা হচ্ছে, বছরের পর বছর সমন্বয়হীনতা ও অবহেলার শিকার এই নগরী শুষ্ক মৌসুমিতেই একটানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে যায়। আর বর্ষাকাল এলে তো কথাই নেই, অর্থাৎ নগরবাসীর ভোগান্তির কোনো সীমা-পরিসীমা থাকে না। রোববার দিনভর বৃষ্টিতে রাজধানীর কোথাও কোথাও কোমরসমান পানির নিচে চলে যায়। কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। রাস্তায় যানবাহন বিকল হয়। ফুটপাত তলিয়ে যাওয়ায় যে অবর্ণনীয় ভোগান্তি হয়, তা

    ‘জনআকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ ও তারেক রহমানের রূপান্তরের রাজনীতি’

    জনআকাঙ্ক্ষার সাথে যখন দূরদর্শী ও জনকল্যাণকামী নেতৃত্বের মেলবন্ধন ঘটে, তখন একটি রাষ্ট্রের সামগ্রিক রূপান্তরের পথ সুগম হয়। দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা রাজনৈতিক অবরুদ্ধতা, অনিশ্চয়তা এবং জনআকাঙ্ক্ষার অবদমনের পর, এদেশের মানুষ অবশেষে তাদের কাঙ্ক্ষিত ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে জনগণের অভূতপূর্ব রায় একটি জনগণের সরকার গঠনের ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ। সেই বিপুল জনরায়ের মূলে দাঁড়িয়ে, ১৭ ফেব্রুয়ারি জনম্যান্ডেট নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার হাল ধরেন দেশনায়ক তারেক রহমান। ২০২৪-এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এদেশের সাধারণ মানুষ ও তরুণ সমাজ যে ‘নতুন বাংলাদেশ’-এর স্বপ্ন দেখেছিল, ২০২৬-এর এই ম্যান্ডেটে তারই এক সুসংহত এবং নিয়মতান্ত্রিক রূপান্তর ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে
  • চব্বিশের তাপে তেইশের ‘১-দফা’ কি ভুলে যাব

    দিনটি ছিল ২০২৩ সালের ১২ জুলাই। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। সেদিন রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশ থেকে যুগপৎ আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে। সমাবেশে বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে ঐতিহাসিক ‘একদফা’ ঘোষণা করেন। তার সেই বজ্রকণ্ঠের মূল বার্তা ছিল, ‘দফা এক, দাবি এক, শেখ হাসিনার পদত্যাগ’। স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে তিনি দলমত নির্বিশেষে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। বিএনপির এ ঘোষণার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে একই দিনে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দল ও জোটগুলোও রাজধানীর

    ফুটবল এখনো মানুষকে স্বপ্ন দেখায়

    ডোনাল্ড ট্রাম্প অনেক বিতর্কিত কাজ করেছেন। তিনি অন্য দেশে বোমা হামলা চালিয়েছেন। স্বৈরশাসকদের প্রতিও নমনীয় মনোভাব দেখিয়েছেন। কিন্তু গত সপ্তাহের যুক্তরাষ্ট্র ও বেলজিয়ামের বিশ্বকাপ ম্যাচে তার গোপন হস্তক্ষেপ সারা বিশ্বে সবচেয়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। প্রায় সবাই এর নিন্দা জানিয়েছে। ট্রাম্প বুঝতে পারেন না, ফুটবল সাধারণ মানুষের জীবনে কত গভীর প্রভাব ফেলে। এই খেলার প্রতি মানুষের ভালোবাসা তার নিজের প্রভাবের চেয়েও অনেক বেশি। বিশ্ব সত্যিই ফুটবলকে ভালোবাসে, ট্রাম্পকে নয়। শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচটি হেরেও গেছে। ঘটনাটি অনেকের কাছে কর্মফলের মতো মনে হয়েছে। এ ঘটনা আনন্দের সঙ্গে দেখিয়ে দিয়েছে, কর্তৃত্ববাদী ক্ষমতারও সীমা আছে। আজকের বিশ্বে বড় অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তিগুলো অনেক ক্ষেত্রেই

    চিকিৎসকের আন্তরিকতা

    ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গত শনিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে চিকিৎসকদের আন্তরিকতা, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও দায়িত্ববোধের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। চিকিৎসার জন্য বিপুল অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় রোধ এবং জনগণের আস্থা ফেরাতে চিকিৎসকদের ‘মানবিক অ্যাপ্রোচ’ অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার এ বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণের কোনো সুযোগ নেই। কেননা রোগমুক্তির জন্য ওষুধের পাশাপাশি চিকিৎসকের সহানুভূতিশীল আচরণ গুরুত্বপূর্ণ। আবার এটাও স্মরণে রাখতে হবে, শুধু চিকিৎসকদের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা দিয়ে একটি দেশের পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে দরকার বিদ্যমান কাঠামোগত ও পদ্ধতিগত দুর্বলতাগুলোর স্থায়ী সমাধান করা। আমরা জানি, স্বাস্থ্য খাতের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত ভঙ্গুর।
  • ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
    শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবি করছে শিক্ষার্থীরা। আপনি কি তাদের এই দাবিকে যৌক্তিক মনে করেন?

    শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবি করছে শিক্ষার্থীরা। আপনি কি তাদের এই দাবিকে যৌক্তিক মনে করেন?

    • হ্যাঁ
    • না
    • মন্তব্য নেই
    +
    =
    সাবমিট
    মোট ভোটদাতাঃ ১,৪৭৭ জন
    মোট ভোটারঃ ১,৪৭৭
    ভোট দিন
    Link Copied
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পোরোর গোলে কপাল পুড়ছে ফ্রান্সের

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি / চট্টগ্রামে সাদিয়া’স কিচেনকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

অনিচ্ছাকৃত ফাউলে কপাল পুড়ল ফ্রান্সের, সেমির মাঝপথে পেল আরও বড় দুঃসংবাদ

ফার্মের মুরগি বলা জেন-জিই করেছে মহাকাব্যিক বিপ্লব: তাজুল ইসলাম

এই কারণেই কি আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিততে পারবে না?

এমবাপ্পেদের জালে বল পাঠিয়ে ওইয়ারসাবালের নতুন ইতিহাস

চট্টগ্রামে চাপাতি ও বাটালিসহ দুই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামে বন্যার্তদের মাঝে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার ত্রাণ বিতরণ

রেকর্ডের জোয়ারে শেষ বয়সভিত্তিক সাঁতার

পেনাল্টির আশীর্বাদে শুরুতেই এগিয়ে স্পেন

১০

সেমির আগে নতুন বল, কিন্তু কেন?

১১

আয়াতুল্লাহ খামেনির নির্দেশেই হরমুজ বন্ধের পরিকল্পনা হয়েছিল

১২

দেশে অস্থিতিশীলতার সুযোগ নেবে ফ্যাসিবাদী শক্তি: মাওলানা রাব্বানী

১৩

স্পেন-ফ্রান্সের মহারণ, ইতিহাসের সবচেয়ে দামী ম্যাচ

১৪

ফ্রান্সের বিপক্ষে স্পেনের শক্তিশালী একাদশ ঘোষণা

১৫

ফেসবুক পোস্টে মাহদী আমিন / চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া দেশের সকল কেন্দ্র পরীক্ষার উপযোগী

১৬

স্পেনের বিপক্ষে ফ্রান্সের একাদশ ঘোষণা

১৭

চট্টগ্রামে প্রাইম মুভার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ধর্মঘটের ডাক

১৮

কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে বাংলাদেশে বৃহস্পতিবার অর্ধদিবস শোক

১৯

ফরাসি বিপ্লব: বাস্তিলের পতন থেকে আধুনিক গণতন্ত্রের জন্ম

২০
পুঁজিবাজারে জালিয়াতি ঠেকাতে ডিজিটাল নজরদারি
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ও অর্থ আত্মসাৎ ঠেকাতে ব্রোকারেজ হাউসগুলোর ওপর ডিজিটাল নজরদারি জোরদার করছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর অংশ হিসেবে প্রতিটি শেয়ার লেনদেনের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে বিনিয়োগকারীর মোবাইল
টিকিট বিক্রির ৩৫ কোটি টাকা হাতিয়েছে সেই ‘ফ্লাইট এক্সপার্ট’
কয়েকশ গ্রাহক ও সাব-এজেন্টের কাছ থেকে উড়োজাহাজের টিকিটের অগ্রিম টাকা নিয়ে টিকিট সরবরাহ না করে ৩৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকা হাতিয়েছে অনলাইনভিত্তিক ট্রাভেল প্রতিষ্ঠান ‘ফ্লাইট এক্সপার্ট’। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ
‘তিন দিন ধইরা গো ভাত কী জিনিস দেখছি না’
‘আজ তিন দিন ধইরা গো সোনা, ভাত কী জিনিস দেখছি না। গর্ত ফাড়া (ছেঁড়া) কাপড় ফিন্দে আছি। একটা কাপড় ভিজে আর এই কাপড়ই ভিজে, দেইরা (বাড়তি) একটা কাপড়-চোপড়ও নাই। ঘরদর
ভুয়া নথিতে ১৪ প্রতিষ্ঠানের কোটি কোটি টাকা পাচার
আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের আড়ালে দেশের ১৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মিলে কোটি কোটি টাকা অর্থ পাচার করেছে বলে প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছেন শুল্ক কর্মকর্তারা। এই জাল-জালিয়াতির ঘটনা এখানেই শেষ নয়; প্রতিষ্ঠানগুলো ঘরে বসেই অনলাইনের
ফার্মের মুরগি বলা জেন-জিই করেছে মহাকাব্যিক বিপ্লব: তাজুল ইসলাম
ফার্মের মুরগি বলা জেন-জিই করেছে মহাকাব্যিক বিপ্লব: তাজুল ইসলাম
‘যাদেরকে ফার্মের মুরগি বলা হচ্ছে, সেই জেন-জিই আবাবিল পাখির মতো হয়ে শেখ হাসিনার মতো একটি দানবকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে। এমন মহাকাব্যিক বিপ্লব দেশের কোনো রাজনৈতিক দল বা রাজনীতিবিদ করতে পারেননি’ বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে জুলাই গণঅভ্যুত্থান: সাম্প্রতিক ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘যাদেরকে ভেবেছিলাম তারা কিছু পারে না, যাদেরকে আমরা অপদার্থ ভেবেছিলাম, সেই বাচ্চা ছেলেরা এক মহাকাব্যিক বিপ্লবের মাধ্যমে এমন কাজ করে দেখিয়েছে, যা বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দল বা কোনো রাজনীতিবিদ করতে পারেননি। তাই এই জেনারেশনের দেশপ্রেম ও প্রতিভার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা উচিত নয়। তারা যে কাজ করে দেখিয়েছে, তাতে আমাদের রাজনীতিবিদদের লজ্জা পাওয়া উচিত। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে দেশের জেন-জি প্রজন্মের তরুণরা যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে, তা থেকে দেশের প্রবীণ নাগরিকদেরও শিক্ষা নেওয়া উচিত।’ দীর্ঘ দেড় যুগের গুম-খুনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র এ আইনজীবী বলেন, ‘তদন্তের সময় সাক্ষীদের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে যে ভয়াবহতার চিত্র উঠে এসেছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। অনেক মানুষকে কোনো ধরনের পূর্বাভাস ছাড়াই তুলে নিয়ে যাওয়া হতো; পরিবারের সদস্যরা বুঝে ওঠার আগেই তারা নিখোঁজ হয়ে যেতেন।’ সেমিনারে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের পর ২০২৪ বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে দেশকে জনকল্যাণমুখী ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রে রূপ দিতে দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা, আত্মসমালোচনা ও কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প নেই। একই সঙ্গে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনায় নৈতিকতা, জবাবদিহি ও মানবিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ স্মরণে রাখার আহ্বান জানান। জুলাই গণঅভ্যুত্থান-কে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় লেখক ফোরাম আয়োজিত এ সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবুল কাসেম, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহ হোসাইন আহমদ মেহেদী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় লেখক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক মুহাম্মাদ শরীফুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় লেখক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. সেতাউর রহমানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, লেখক, গবেষক এবং শতাধিক শিক্ষার্থী।
৩৯ মিনিট আগে

বন্যায় শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে পরীক্ষা পেছানোর আহ্বান রিজভীর

৪ ঘণ্টা আগে

প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্ট জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে

সেই ১৪ জুলাই: ‘রাজাকার’ বলার দিনেই ‘মুরগিতে’ উত্তাল দেশ

৫ ঘণ্টা আগে

দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

৫ ঘণ্টা আগে

এলডিসি উত্তরণে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি জোরদারের আহ্বান ঢাকা চেম্বারের

৫ ঘণ্টা আগে
‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে সরকারের পরিণতি আ.লীগের মতো হবে’
‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে সরকারের পরিণতি আ.লীগের মতো হবে’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে বর্তমান সরকারের পরিণতিও পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের মতো হবে। তিনি বলেন, এই দেশ দিল্লির তাবেদারিতে চলবে না। শহীদ হাদীর রক্ত আমরা বৃথা যেতে দেব না। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার সিও অফিস বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সারজিস আলম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু শুধু ব্যক্তিগত যোগ্যতায় এ পদে আসেননি। ১৭ বছর পর দেশে ফিরে আসার পর দেশের মানুষ আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ বিদায় জানিয়েছে, তাদের সামনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি ভেসে উঠেছে। সেই আবেগ, প্রত্যাশা ও বিশ্বাস থেকেই মানুষ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘জনগণ যে আমানত আপনার হাতে তুলে দিয়েছে, তা রক্ষা করতে পারলে ভবিষ্যতেও জনগণের সমর্থন পাবেন। কিন্তু সেই আমানতের মর্যাদা রক্ষা করতে না পারলে, বিশেষ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে, আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ তথা বিএনপিকে জনগণ আর ভোট দেবে না।’ জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া এবং স্থানীয় সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এনসিপি ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ স্লোগানে দেশব্যাপী পদযাত্রা ও পথসভার আয়োজন করে। বগুড়া জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব এবং বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনের অ্যাম্বাসেডর ইজাজ আল ওয়াসী জ্বীমের সঞ্চালনায় পথসভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী, যুগ্ম সদস্য সচিব গাজী সালাউদ্দিন তানভীর, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাদিক মাহাদী, বগুড়া জেলা এনসিপির আহ্বায়ক এমএসএ মাহমুদ, সদস্য সচিব সুলতান মাহমুদ এবং দুপচাঁচিয়া উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারী ও এনসিপি মনোনীত দুপচাঁচিয়া পৌরসভার মেয়র প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক।
৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই শহীদদের কাছে চিরঋণী জাতি: বিরোধীদলীয় নেতা
জুলাই শহীদদের কাছে চিরঋণী জাতি: বিরোধীদলীয় নেতা
দুই-এক দিন পরীক্ষা পেছাতে কী সমস্যা ছিল, শিক্ষামন্ত্রীকে রুমিন ফারহানা
দুই-এক দিন পরীক্ষা পেছাতে কী সমস্যা ছিল, শিক্ষামন্ত্রীকে রুমিন ফারহানা
প্রতিহিংসা নয়, ইতিবাচক রাজনীতির চর্চা করুন: শিমুল বিশ্বাস
প্রতিহিংসা নয়, ইতিবাচক রাজনীতির চর্চা করুন: শিমুল বিশ্বাস
উন্নয়নের নামে অপরিকল্পিতভাবে পরিবেশ ধ্বংস করা হয়েছে: রিজভী
উন্নয়নের নামে অপরিকল্পিতভাবে পরিবেশ ধ্বংস করা হয়েছে: রিজভী
ডাকসুর বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প আটকে থাকায় জামায়াত আমিরের উদ্বেগ
ডাকসুর বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প আটকে থাকায় জামায়াত আমিরের উদ্বেগ
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের

বিশ্বে ব্রয়লার মুরগি উৎপাদনে ৫৩তম বাংলাদেশ, শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র

দেশের অভ্যন্তরে পোলট্রি শিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটলেও বিশ্বে ব্রয়লার মুরগির মাংস উৎপাদনে শীর্ষ ৫০-এর বাইরে রয়েছে বাংলাদেশ। বৈশ্বিক উৎপাদনের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৫৩তম। বিশেষ করে আধুনিক প্রযুক্তির অভাব, পোলট্রি খাদ্যের উচ্চমূল্য এবং খামারিদের সঠিক প্রশিক্ষণের ঘাটতি এই খাতে আশানুরূপ অগ্রগতি অর্জনে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্রয়লার বা পোলট্রি মাংস উৎপাদনকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্র। বৈশ্বিক উৎপাদনের প্রায় ১৭ শতাংশই আসে দেশটি থেকে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীন, তৃতীয় ব্রাজিল, চতুর্থ রাশিয়া এবং পঞ্চম ভারত। বাংলাদেশে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির চাহিদা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। পোলট্রি শিল্প বর্তমানে দেশের প্রাণিজ আমিষের অন্যতম প্রধান উৎস এবং এই খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে লাখো মানুষের জীবিকা জড়িত। তবে বৈশ্বিক র‌্যাংকিংয়ে আরও এগিয়ে যেতে হলে উৎপাদন ব্যয় কমানো, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের পোলট্রি শিল্পের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো খাদ্যের উচ্চ মূল্য। একটি ব্রয়লার মুরগি উৎপাদনের মোট ব্যয়ের বড় অংশই খাদ্যের পেছনে ব্যয় হয়। পাশাপাশি আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা, জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বার্ড ফ্লুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া গেলে দেশের উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব হবে। খাতসংশ্লিষ্টদের আশা, সরকারি সহায়তা, প্রযুক্তির বিস্তার এবং বেসরকারি বিনিয়োগ অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক বছরে বৈশ্বিক উৎপাদনের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও উন্নত হবে। এদিকে বিশ্বজুড়ে ফার্মের মুরগি উৎপাদনের ১ম স্থান ধরে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কৃষি বিভাগের (USDA) সর্বশেষ ২০২৫ সালের পূর্ণ বছরের হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৫ সালে প্রায় ২১.৭৭ মিলিয়ন মেট্রিক টন ব্রয়লার মুরগির মাংস উৎপাদিত হয়েছে। এই উৎপাদনের ভিত্তিতে ২০২৫ সালেও যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে ব্রয়লার মুরগি উৎপাদনে প্রথম স্থান ধরে রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এশিয়ার পরাশক্তি চীন। দেশটিতে ২০২৫ সালে প্রায় ১৬.৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন ব্রয়লার উৎপাদিত হয়েছে। চীনের বিশাল জনসংখ্যার মাংসের চাহিদা মেটাতে দেশটির সরকার পোলট্রি শিল্পে বড় ধরনের বিনিয়োগ করে আসছে। অন্যদিকে, তৃতীয় স্থান দখল করে রেখেছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল। দেশটি ২০২৫ সালে ১৫.৪৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন ব্রয়লার মুরগির মাংস উৎপাদন করেছে। শুধু উৎপাদনেই সেরা নয়, তারা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ মুরগির মাংস রপ্তানিকারকও বটে। মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার বহু দেশে ব্রাজিলের হিমায়িত মুরগির মাংস নিয়মিত রপ্তানি হয়। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়া তাদের অভ্যন্তরীণ পোলট্রি শিল্পকে বেশ শক্তিশালী করে তুলেছে। ২০২৫ সালে দেশটি প্রায় ৪.৮ মিলিয়ন মেট্রিক টন ব্রয়লার মুরগির মাংস উৎপাদন করেছে। বিশ্বে পঞ্চম স্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। মার্কিন কৃষি বিভাগের (USDA) ২০২৫ সালের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ২০২৫ সালে প্রায় ৫.৪৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন ব্রয়লার (চিকেন) মাংস উৎপাদিত হয়েছে। তাদের বিশাল অভ্যন্তরীণ বাজার এবং পোলট্রি ফিড বা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা তাদের এই অবস্থানে আসতে সাহায্য করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী, মঙ্গলবারও বাড়ল দাম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের অপেক্ষায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। খবর রয়টার্সের।  মঙ্গলবার স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,০৩১.৪৩ ডলারে পৌঁছায়। এর আগে দিনের শুরুতে স্বর্ণের দাম ১ জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। একই সময়ে আগস্ট মাসে সরবরাহযোগ্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচারও শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,০৩৭.৮০ ডলারে লেনদেন হয়। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে। এর ফলে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আরও বাড়াতে পারে, এমন প্রত্যাশাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রভাব ফেলছে। এদিকে, বিনিয়োগকারীরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মূল্যস্ফীতির তথ্যের দিকে নজর রাখছেন। এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী মুদ্রানীতির সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

ইরানে নতুন করে হামলার খবরে ১৩ শতাংশের বেশি বাড়ল তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্নের আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ছে। আনাদোলু এজেন্সির মঙ্গলবারের হিসাবে দাম ব্যারেলপ্রতি ৮৫ ডলার অতিক্রম করেছে, যা প্রায় এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। মঙ্গলবার জিএমটি সকাল ৬:৩৫ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২.৪ শতাংশ বেড়ে যায়। সপ্তাহের শুরু থেকে এ পর্যন্ত তেলের দাম মোট ১৩ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, তাদের সর্বশেষ পাঁচ ঘণ্টার সামরিক অভিযানে ইরানের দক্ষিণ উপকূলের একাধিক সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এসব লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন স্থাপনা এবং সামুদ্রিক সক্ষমতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ছিল। সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, হামলাগুলো বুশেহর, চাবাহার, জাস্ক, কোনারাক, আবু মুসা এবং বন্দর আব্বাস এলাকায় পরিচালিত হয়। তাদের দাবি, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার সক্ষমতা দুর্বল করাই ছিল এই অভিযানের উদ্দেশ্য। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্য করেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি তেহরানের সঙ্গে ব্যবসা করা জাহাজ এবং ইরানের বিরুদ্ধে অবরোধ পুনর্বহালের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে নতুন করে হামলার খবরে ১৩ শতাংশের বেশি বাড়ল তেলের দাম

স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন, ভরি কত?

টানা দ্বিতীয় দফায় দেশের বাজারে কমানো হলো স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম আরও দুই হাজার ১৫৮ টাকা কমেছে।  এতে ভ্যাটসহ ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।  স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম কমায় এই দাম কমানো হয়েছে। মঙ্গলবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যটি জানানো হয়। নতুন দাম অনুযায়ী- দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম হবে দুই লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। যদিও অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপ্য অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।  এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে। এর আগে সবশেষ গত ১৩ জুলাই সকালে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন ভরিতে দুই হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দুই লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন, ভরি কত?

পুঁজিবাজারে জালিয়াতি ঠেকাতে ডিজিটাল নজরদারি

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ও অর্থ আত্মসাৎ ঠেকাতে ব্রোকারেজ হাউসগুলোর ওপর ডিজিটাল নজরদারি জোরদার করছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর অংশ হিসেবে প্রতিটি শেয়ার লেনদেনের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে বিনিয়োগকারীর মোবাইল ফোন ও ইমেইলে পাঠানো হবে। পাশাপাশি সব ব্রোকারেজ হাউসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) অনুমোদিত ব্যাক-অফিস সফটওয়্যার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, অতীতে কিছু ব্রোকারেজ হাউস ভুয়া বা ডুপ্লিকেট ব্যাক-অফিস সফটওয়্যার ব্যবহার করে বিনিয়োগকারীদের প্রকৃত হিসাব গোপন করেছে। এসব সফটওয়্যারে তথ্য পরিবর্তনের সুযোগ থাকায় শেয়ার ও অর্থ আত্মসাতের মতো গুরুতর অনিয়ম ঘটেছে। এ ধরনের জালিয়াতি ঠেকাতে এখন থেকে শুধু ডিএসই অনুমোদিত ব্যাক-অফিস সফটওয়্যার ব্যবহার করা যাবে। বর্তমানে ডিএসইর অনুমোদিত সাতটি ব্যাক-অফিস সফটওয়্যার রয়েছে। এসব সফটওয়্যারে লেনদেনের তথ্য পরিবর্তনের সুযোগ নেই। ফলে ভুয়া হিসাব তৈরি বা লেনদেন গোপনের সুযোগ অনেকটাই বন্ধ হবে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সাতটি ব্রোকারেজ হাউস ভুয়া ব্যাক-অফিস সফটওয়্যার ও বিভিন্ন কারসাজির মাধ্যমে প্রায় ৪৫ হাজার বিনিয়োগকারীর ৫৬০ কোটি টাকার বেশি অর্থ ও শেয়ার আত্মসাৎ করেছে। ডিএসইর সাম্প্রতিক এক পরিদর্শন প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। তদন্তে দেখা গেছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্ধারিত প্রযুক্তি ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে গ্রাহকদের অজান্তে শেয়ার বিক্রি, হিসাব গোপন এবং অর্থ সরিয়ে নেওয়ার মতো কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা জোরদারে আরও কয়েকটি প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিনিয়োগকারীর মোবাইল ফোন ও ইমেইলে স্বয়ংক্রিয় বার্তা পাঠানো হবে। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করবে, যার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা যে কোনো সময় তাদের বিও হিসাবে থাকা শেয়ারের হালনাগাদ তথ্য দেখতে পারবেন। এ ছাড়া ব্রোকারেজ হাউস, ব্যাংক ও সিডিবিএলের রেকর্ডে যাতে কোনো অসংগতি না থাকে, সে জন্য এপিআই প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় তথ্য সমন্বয় (অটোমেটেড রিকনসিলিয়েশন) ব্যবস্থা চালু করা হবে। এতে কোনো তথ্য গোপন বা পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে না। পাশাপাশি বিনিয়োগকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর ও ইমেইল কঠোরভাবে যাচাই করা হবে। ব্রোকারেজ হাউসগুলো ইচ্ছামতো এসব তথ্য পরিবর্তন করতে পারবে না। সম্প্রতি সালতা ক্যাপিটালে বিনিয়োগকারীদের ১০০ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পর প্রযুক্তিনির্ভর এসব নিরাপত্তা ব্যবস্থা দ্রুত বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে কমিশন। বিএসইসির কর্মকর্তারা মনে করছেন, এসব ব্যবস্থা কার্যকর হলে গ্রাহকের অজান্তে শেয়ার বিক্রি, ভুয়া হিসাব তৈরি এবং অর্থ আত্মসাতের মতো অনিয়ম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খান সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেন, পুঁজিবাজারে কারসাজি ও জালিয়াতি পুরোপুরি বন্ধ করতে আগামী এক বছরের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর তদারকি ব্যবস্থা চালু করা হবে। জালিয়াতির ঘটনায় শুধু জরিমানা বা দেওয়ানি মামলায় সীমাবদ্ধ না থেকে প্রয়োজন হলে সরাসরি ফৌজদারি মামলাও করা হবে। এ বিষয়ে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নুজহাত আনোয়ার কালবেলাকে বলেন, ‘অতীতে ঘটে যাওয়া জালিয়াতির ঘটনাগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে ডিএসই একটি বিশেষ সফটওয়্যার তৈরি করছে। এটি চালু হলে কনসোলিডেটেড কাস্টমার্স অ্যাকাউন্ট (সিসিএ) রিয়েল টাইমে পর্যবেক্ষণ করা যাবে এবং প্রতিদিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাবের সমন্বয় (রিকনসিলিয়েশন) হবে। কোনো অমিল ধরা পড়লে সিস্টেম তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা দেবে। এতে দ্রুত জবাবদিহি নিশ্চিতের পাশাপাশি আকস্মিক পরিদর্শন চালানোও সহজ হবে।’
১৪ জুলাই, ২০২৬
পুঁজিবাজারে জালিয়াতি ঠেকাতে ডিজিটাল নজরদারি
চট্টগ্রামে সাদিয়া’স কিচেনকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি / চট্টগ্রামে সাদিয়া’স কিচেনকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা
চট্টগ্রামে চাপাতি ও বাটালিসহ দুই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে চাপাতি ও বাটালিসহ দুই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে বন্যার্তদের মাঝে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার ত্রাণ বিতরণ
চট্টগ্রামে বন্যার্তদের মাঝে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার ত্রাণ বিতরণ
চট্টগ্রামে প্রাইম মুভার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ধর্মঘটের ডাক
চট্টগ্রামে প্রাইম মুভার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ধর্মঘটের ডাক
ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
গাইবান্ধায় ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ
গাইবান্ধায় ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ
চেয়ারম্যান প্রার্থীর কাছে টাকা চেয়ে দুই ভুয়া ডিজিএফআই সদস্য গ্রেপ্তার
চেয়ারম্যান প্রার্থীর কাছে টাকা চেয়ে দুই ভুয়া ডিজিএফআই সদস্য গ্রেপ্তার
পদ্মা নদীতে ভাঙন, হুমকির মুখে নদী রক্ষা বেড়িবাঁধ ও বসতভিটা
পদ্মা নদীতে ভাঙন, হুমকির মুখে নদী রক্ষা বেড়িবাঁধ ও বসতভিটা
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
.

আয়াতুল্লাহ খামেনির নির্দেশেই হরমুজ বন্ধের পরিকল্পনা হয়েছিল

ইরানের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সরাসরি নির্দেশনায় হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন দেশটির শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল ইয়াহইয়া রহিম সাফাভি। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দেওয়া এক বক্তব্যে সাফাভি বলেন, ২০১১ সালে খামেনি তাকে হরমুজ প্রণালি বন্ধের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেন। খবর প্রেস টিভির। তিনি বলেন, ‘আজ যে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, তা ১৫ বছর আগে আয়াতুল্লাহ খামেনির দূরদর্শিতা ও প্রজ্ঞার ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছিল।’ সাফাভি জানান, সেসময় ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) তৎকালীন নৌবাহিনীর কমান্ডার অ্যাডমিরাল আলি ফাদাভি, ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটের তৎকালীন প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির আলি হাজিজাদেহ এবং আইআরজিসির তৎকালীন উপপ্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামির সঙ্গে মিলে তিনি ১৫ পৃষ্ঠার একটি সামরিক অভিযান পরিকল্পনা তৈরি করেন। তার মতে, ওই পরিকল্পনায় শুধু হরমুজ প্রণালিই নয়, পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর, লোহিত সাগর এবং ভূমধ্যসাগরে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পরপরই ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। ৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেও ইরানি জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেয়। এরপর থেকেই হরমুজ প্রণালিতে ইরান আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। এদিকে, ১৭ জুন পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু ও পরিচালনার দায়িত্ব নেয় ইরান। সমঝোতা অনুযায়ী, প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য ইরান একটি বিশেষ নৌপথ নির্ধারণ করে এবং অন্য পথ ব্যবহার না করার জন্য সতর্ক করে দেয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র ওই নির্ধারিত পথের বাইরে একটি বিকল্প করিডোর দিয়ে জাহাজ চলাচলে সহায়তা করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান। ইরানের দাবি, ওয়াশিংটন আঞ্চলিক নৌ চলাচলে হস্তক্ষেপ বন্ধ না করা পর্যন্ত ওই করিডোর বন্ধ থাকবে। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি দিয়ে বলেছেন, এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ‘অনেক অর্থ আয় করবে’। ইরান ঘোষণা দিয়েছে, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত’ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতেই থাকবে।
বাংলাদেশে ভারতের উন্নয়ন প্রকল্প বন্ধের গুঞ্জন নিয়ে নয়াদিল্লির প্রতিক্রিয়া
বাংলাদেশে ভারতের উন্নয়ন প্রকল্প বন্ধের গুঞ্জন নিয়ে নয়াদিল্লির প্রতিক্রিয়া
ইরানে আরও শক্তিশালী হামলা চালানো হবে: নেতানিয়াহু
ইরানে আরও শক্তিশালী হামলা চালানো হবে: নেতানিয়াহু
পদত্যাগ করলেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী
পদত্যাগ করলেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী
পাহাড়ে সুরক্ষিত ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি ট্রাম্পের
পাহাড়ে সুরক্ষিত ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি ট্রাম্পের
হরমুজ প্রণালি রক্ষায় শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের
হরমুজ প্রণালি রক্ষায় শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের
উপসাগরীয় দেশগুলোর আকাশসীমা এড়িয়ে চলতে সতর্কতা জারি
উপসাগরীয় দেশগুলোর আকাশসীমা এড়িয়ে চলতে সতর্কতা জারি
'আমাদের শিল্পীরা কি মারা গেছে?'— বললেন মাহিয়া মাহি
'আমাদের শিল্পীরা কি মারা গেছে?'— বললেন মাহিয়া মাহি
জাহিদ হাসানের নতুন নাটক ‘পথহারা মন’
জাহিদ হাসানের নতুন নাটক ‘পথহারা মন’
শিল্পকলায় রুনা লায়লার একক গানের সন্ধ্যা
শিল্পকলায় রুনা লায়লার একক গানের সন্ধ্যা
বিশ্বকাপের মঞ্চ কাঁপিয়ে এবার দেশে গাইবেন সঞ্জয়
বিশ্বকাপের মঞ্চ কাঁপিয়ে এবার দেশে গাইবেন সঞ্জয়
এবার পর্দায় ভিলেন হতে চান পূর্ণিমা
এবার পর্দায় ভিলেন হতে চান পূর্ণিমা
বানভাসিদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালেন রাশেদ সীমান্ত
বানভাসিদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালেন রাশেদ সীমান্ত
‘পর্দায় এমন অভিনয় করা আমিই প্রথম নই’
‘পর্দায় এমন অভিনয় করা আমিই প্রথম নই’
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
অনিচ্ছাকৃত ফাউলে কপাল পুড়ল ফ্রান্সের, সেমির মাঝপথে পেল আরও বড় দুঃসংবাদ
অনিচ্ছাকৃত ফাউলে কপাল পুড়ল ফ্রান্সের, সেমির মাঝপথে পেল আরও বড় দুঃসংবাদ
এই কারণেই কি আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিততে পারবে না?
এই কারণেই কি আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিততে পারবে না?
পোরোর গোলে কপাল পুড়ছে ফ্রান্সের
পোরোর গোলে কপাল পুড়ছে ফ্রান্সের
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে দাপট ধরে রেখেছে স্পেন। ম্যাচের ৬২তম মিনিটে আরেকটি গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেছে লা রোজারা। দানি অলমোর দারুণ এক পাস থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিং করেন পেদ্রো পোরো। তার গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন। দ্বিতীয় গোল হজম করে ম্যাচে আরও চাপে পড়ে যায় ফ্রান্স। এর আগে ম্যাচের ১৯তম মিনিটে ফ্রান্সের পেনাল্টি বক্সের ভেতরে স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালকে ফাউল করেন এক ফরাসি ডিফেন্ডার। এতে স্পেনের পক্ষে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পট কিক থেকে কোনো ভুল করেননি মিকেল ওয়ারজাবাল। তাঁর নেওয়া নিখুঁত শটে বল জড়িয়ে যায় ফ্রান্সের জালে। সেই গোলেই প্রথমে এগিয়ে যায় স্পেন। পরে পেদ্রো পোরোর গোলে ব্যবধান ২-০ করে সেমিফাইনালে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা।
এমবাপ্পেদের জালে বল পাঠিয়ে ওইয়ারসাবালের নতুন ইতিহাস
এমবাপ্পেদের জালে বল পাঠিয়ে ওইয়ারসাবালের নতুন ইতিহাস
রেকর্ডের জোয়ারে শেষ বয়সভিত্তিক সাঁতার
রেকর্ডের জোয়ারে শেষ বয়সভিত্তিক সাঁতার
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X