আলোচিত রায় শোনার অপেক্ষায় জাতি, আদালতে সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্না

আলোচিত রায় শোনার অপেক্ষায় জাতি, আদালতে সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্না

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় রোববার (৭ জুন) ঘোষণা করবেন আদালত। বহুল আলোচিত রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সকালেই প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়েছে।  দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম মাত্র ১৭ দিনের মধ্যে
রাশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রাশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইফার নতুন ডিজি মুহিববুল্লাহর ভয়াবহ প্রতারণা-জালিয়াতি
ইফার নতুন ডিজি মুহিববুল্লাহর ভয়াবহ প্রতারণা-জালিয়াতি
মার্টিনেস ও সিমেওনের গোলে হন্ডুরাসকে হারাল আর্জেন্টিনা
মার্টিনেস ও সিমেওনের গোলে হন্ডুরাসকে হারাল আর্জেন্টিনা
খুলেছে স্কুল-কলেজ, এখনো বন্ধ অনেক প্রতিষ্ঠান
দীর্ঘ ছুটি শেষ / খুলেছে স্কুল-কলেজ, এখনো বন্ধ অনেক প্রতিষ্ঠান
মিসরকে হারিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শেষ করলো ব্রাজিল
মিসরকে হারিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শেষ করলো ব্রাজিল
ভর্তুকি-প্রণোদনা পরিকল্পনা আগের মতোই, বরাদ্দ বাড়ছে না কৃষিতেও
ভর্তুকি-প্রণোদনা পরিকল্পনা আগের মতোই, বরাদ্দ বাড়ছে না কৃষিতেও
  • উপজেলা স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পথে সরকার

    উন্নয়নের প্রকৃত অর্থ তখনই প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন তার সুফল মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রতিফলিত হয়। আর সেই সুফলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোর একটি হলো স্বাস্থ্যসেবা। অর্থনীতি যতই সম্প্রসারিত হোক, অবকাঠামো যতই সমৃদ্ধ হোক, যদি সাধারণ মানুষ অসুস্থ হলে যথাযথ চিকিৎসা না পায়, হাসপাতালের বারান্দায় দুর্ভোগ পোহায় কিংবা একটি আইসিইউ বেডের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে, তাহলে সেই উন্নয়নের পূর্ণতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। বাংলাদেশের বাস্তবতাও দীর্ঘদিন ধরে অনেকটা এমনই ছিল। বিশেষ করে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা দেশের কোটি কোটি মানুষের জন্য এক নীরব দুর্ভোগে পরিণত হয়েছিল। এই বাস্তবতার মধ্যেই সরকারের সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য উদ্যোগ নতুন এক সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। দেশের ৪৯২টি উপজেলার ৫০ শয্যার

    সবুজ পরিবেশ, নিরাপদ কৃষি ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশই আমাদের প্রত্যাশা

    প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্বব্যাপী পরিবেশ দিবস পালিত হয়ে আসছে। ইতিহাস থেকে জানা যায়, জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি)-এর উদ্যোগে ১৯৭৩ সাল থেকে দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিই এ দিবসের মূল উদ্দেশ্য। এবার দিবসটি এমন এক সময়ে পালিত হচ্ছে, যখন পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বন উজাড়, পানিদূষণ, মাটির অবক্ষয় এবং জীববৈচিত্র্য হ্রাসের মতো বহুমাত্রিক সংকটের মুখোমুখি। বাংলাদেশের মতো কৃষিনির্ভর দেশের জন্য এসব সংকট শুধু পরিবেশগত নয়, বরং খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি উৎপাদন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। সত্যিকারার্থে পরিবেশ ও কৃষি একে অপরের পরিপূরক। বাংলাদেশের কৃষি সম্পূর্ণভাবে প্রকৃতি ও পরিবেশের

    জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নীল অর্থনীতি

    মাথাপিছু ভূমির স্বল্পতা এবং জ্বালানি সীমাবদ্ধতা—এ দুটি সংকট আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। অতিমাত্রার এ জনবহুল দেশে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং উন্নয়নের জন্য ভূমি ও জ্বালানি দুটিই অপরিহার্য ক্ষেত্র। আমাদের দেশীয় জ্বালানির প্রধান উৎস প্রাকৃতিক গ্যাস। দেশে এ পর্যন্ত ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয়েছে। যেখানে গ্যাস মজুত রয়েছে ৪০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে ২৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট উত্তোলনযোগ্য। মজুতের তুলনায় চাহিদা অনেক বেশি। ঢাকাসহ কিছু এলাকার আবাসিক চাহিদা, শিল্প-কারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, রাসায়নিক সার বিশেষ করে ইউরিয়া ও এমোনিয়াম সালফেট উৎপাদনের জন্য আমরা এরই মধ্যে ২০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করে ফেলেছি। শিল্পায়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও রাসায়নিক সার উৎপাদনের জন্য প্রতি বছর আমাদের গ্যাসের
  • ভূরাজনীতির চক্করে বাংলাদেশ

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র দৃশ্যত গণতান্ত্রিক বিশ্বকে পৃষ্ঠপোষকতা দিত বলে ধারণা করা হয় এবং রাশিয়া ও চীন সমাজতান্ত্রিক বিশ্বের পক্ষে অবস্থান নিত। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন ১৯১৭ সালে যখন প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জড়ান, তখন তিনি কংগ্রেসে দেওয়া ভাষণে বলেছিলেন, ‘পৃথিবীকে গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ করে তুলতে হবে।’ তার এ আদর্শ অনুযায়ী, স্বৈরতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে বিশ্বের ছোট-বড় সব জাতিকে নিজেদের সরকার ব্যবস্থা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। তবে বাস্তব ক্ষেত্রে, আদর্শগতভাবে গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র সবসময় তাদের নিজেদের ভূরাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির এ দ্বিচারিতা ও ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হচ্ছে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রেসিডেন্ট

    সাম্রাজ্যের পতন নয়, রূপান্তর

    ইরানকে পরাজিত করতে না পারা এবং হরমুজ প্রণালি ফের খুলতে বাধ্য করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধকে কেউ কেউ ‘হতাশার কৌশল’, ‘ঐতিহাসিক ভুল’ এবং ‘কৌশলগত পরাজয়’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। সম্প্রতি ওয়াশিংটন পোস্টের একটি বিশ্লেষণে স্যাটেলাইট চিত্রের ভিত্তিতে বলা হয়েছে, এ সংঘাতে অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোর যে ক্ষতি হয়েছে, তা মার্কিন সরকার প্রকাশ্যে যতটা স্বীকার করেছে বা আগে যতটা জানা গিয়েছিল, তার চেয়ে অনেক বেশি। এ যুদ্ধ গোটা বিশ্বের সামনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতাও তুলে ধরেছে। রক্ষণশীল চিন্তাবিদ রবার্ট কাগান পর্যন্ত একে ইরানের হাতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘চেকমেট’ বলে উল্লেখ করেছেন। আবার কেউ কেউ এটিকে ‘আমেরিকার সুয়েজ মুহূর্ত’ বলেও অভিহিত করছেন। তবে

    অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ

    জাতীয় বাজেট কোনো সরকারের আয়-ব্যয়ের হিসাবমাত্র নয়। এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক দর্শন, উন্নয়ন কৌশল এবং জনগণের প্রতি রাষ্ট্রের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে সরকার ‘অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ’-এর বাজেট হিসেবে তুলে ধরেছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ভাষায়, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুফল সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করা এবং অর্থনীতির মূলধারার বাইরে থাকা মানুষদের অন্তর্ভুক্ত করাই এ বাজেটের মূল লক্ষ্য। এ দৃষ্টিভঙ্গি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। তবে সাধারণ মানুষের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, এ বাজেট কি তাদের জীবনে স্বস্তি এনে দিতে পারবে? বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান বাস্তবতায় জনগণের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ দ্রব্যমূল্য। গত কয়েক বছরে খাদ্যপণ্য, জ্বালানি, পরিবহন, বাসা ভাড়া
  • বাজেট : সংখ্যা নয়, বদলাতে হবে অর্থনৈতিক চিন্তার কাঠামো

    বাজেট ২০২৬-২৭ আসছে এমন এক মুহূর্তে, যখন বাংলাদেশের অর্থনীতি তিনটি পরস্পর-সংযুক্ত কাঠামোগত সংকটে আটকা— দুর্বল রাজস্ব, সুদনির্ভর ঋণের বোঝা এবং ব্যাংকিং খাতে খেলাপির মহামারি। এই তিনটি আলাদা সমস্যা নয়; একটি অন্যটিকে খাইয়ে বাঁচিয়ে রাখে। রাজস্ব না বাড়লে ঋণ বাড়ে, সুদ বাড়লে উন্নয়নব্যয় কমে, আর দুর্নীতি থাকলে কোনো উন্নয়ন গল্পই ধোপে টেকে না। প্রচলিত পথে এই চক্র ভাঙা যায়নি, যাবেও না। এই লেখায় আমরা ইসলামি অর্থনীতির আলোকে একটি বিকল্প রোডম্যাপ প্রস্তাব করব— তবে শুধু আদর্শ হিসেবে নয়, প্রয়োগযোগ্য নীতি হিসেবে। আগে কাঠামো, তারপর সংখ্যা : প্রাধান্যের ফিকহ তিন সংকটে ঢোকার আগে একটি কথা স্পষ্ট করা দরকার, কারণ এখানেই প্রচলিত ও ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গির মৌলিক পার্থক্য।

    ঐতিহাসিক বাঁকবদলের এক যোদ্ধা

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মানুষ কেবল নেতা নন, তারা একটি সময়ের প্রতীক। তাদের জীবন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে একটি জাতির স্বপ্ন, সংকট, অর্জন ও অগ্রযাত্রার প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে। তোফায়েল আহমেদ ছিলেন তেমনই একজন রাজনীতিক। উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অগ্নিঝরা দিন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম—প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে তার উপস্থিতি ছিল দৃশ্যমান। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতির একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়ের অবসান ঘটেছে, কিন্তু তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ইতিহাসের পাতায় দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবে। তোফায়েল আহমেদের রাজনৈতিক উত্থান এমন এক সময়ে, যখন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে ক্রমশ প্রতিবাদী হয়ে উঠছিল। ষাটের দশকের
    ইলিয়াস হোসেন
    ইলিয়াস হোসেনহেড অব নিউজ, আরটিভি

    বুদ্ধিজীবী পরিচয়ে বাড়ছে ঘৃণাজীবী

    তারুণ্যের গতি নিয়ে অনেকক্ষণ ধরে বক্তৃতা করলেন এক অশীতিপর জ্যোতির্ময় বৃদ্ধ। বিখ্যাত নির্মাতা ও কবি হিসেবে খ্যাতি তার। দর্শক-শ্রোতার বেশিরভাগই ছিল নিম্নআয়ের মানুষ। দিন আনে দিন খায়। সুযোগ পেলে দিন বদলের গল্প শোনে আর লটারি কিনে বাড়ি ফেরে। বক্তা শেষের দিকে বললেন, ‘তার সব কাজই মেহনতি মানুষ ঘিরে। সাধারণ মানুষের জন্য সারা জীবন কাজ করেছেন তিনি’। এ কথা শুনে দর্শক সারির একজন আরেকজনের কাছে জানতে চাইলেন, উনি কি করেন? দ্বিতীয়জন উত্তরে বললেন, উনি লেখালেখি করেন। সিনেমা-নাটকও বানান। বুদ্ধিজীবী মানুষ। এটা শুনে প্রথমজন হতাশ হলেন। লেখালেখি ও সিনেমা-নাটক বানানো আবার কাজ হয় কীভাবে? শখের জিনিসকে কাজ বলে চালিয়ে দিচ্ছেন! সাধারণ মানুষ কাজ
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জব্দ ইরানি অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত মিত্র দেশগুলোকে দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

তরুণীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

আলোচিত রায় শোনার অপেক্ষায় জাতি, আদালতে সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্না

মার্কিন কর্মকর্তাদের ওপর গোয়েন্দাগিরি করছে ইসরায়েল, কারণ ইরান

মার্টিনেস ও সিমেওনের গোলে হন্ডুরাসকে হারাল আর্জেন্টিনা

আবারও এন্দ্রিকের শো, আনচেলত্তির অধীনে ব্রাজিলের তিনে তিন

দীর্ঘ ছুটি শেষ / খুলেছে স্কুল-কলেজ, এখনো বন্ধ অনেক প্রতিষ্ঠান

চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে ২ পা বিচ্ছিন্ন হওয়া সেই যুবকের মৃত্যু

মিসরকে হারিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শেষ করলো ব্রাজিল

১০

দেশের ১৭ অঞ্চলে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরেও সতর্কতা

১১

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে রহস্যজনক তাপ, উৎস খুঁজছে পুলিশ-ফায়ার সার্ভিস

১২

আন্তর্জাতিক রোবটিক্স অলিম্পিয়াডে স্বর্ণপদক পেলেন বাংলাদেশের প্রিয়ন্ত

১৩

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজ

১৪

রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ

১৫

৩০০ জনকে চাকরি দেবে আবুল খায়ের গ্রুপ, অভিজ্ঞতা ছাড়াও আবেদন

১৬

নিয়োগ দিচ্ছে এসিআই কোম্পানি, অনলাইনে আবেদন শুরু

১৭

রেড ক্রিসেন্টে চাকরির সুযোগ, আবেদন করতে পারবেন যারা

১৮

এসএসসি পাসেই চাকরির সুযোগ, বেতন ছাড়াও থাকছে বিভিন্ন সুবিধা

১৯

দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে আ.লীগ নেতাকে নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ

২০
মধ্য ও নিম্নবিত্তের খরচের চাপ আরও বাড়বে
উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে এমনিতেই চিড়েচ্যাপ্টা দশা সাধারণ মানুষের। নিত্যপণ্যের বাজার থেকে শুরু করে জীবনযাত্রার প্রায় প্রতিটি ধাপে খরচ শুধু বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক অস্থিরতা-অনিশ্চয়তার প্রভাবে দেশে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম।
সামাজিক সুরক্ষায় নতুন তিন কর্মসূচি, বরাদ্দ ১৪.৫১ হাজার কোটি টাকা
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডসহ কিছু নতুন কর্মসূচি যোগ হওয়ায় বাজেটে সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ছে ৯ শতাংশের বেশি। এ খাতে মোট বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ১ লাখ
মাদক মামলার বিচারে তৎপর হচ্ছে সরকার
দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বেকারত্বের কারণে মাদকসেবীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। এটা নিয়ন্ত্রণ করতে হলে মাদক মামলার দ্রুত বিচার করে শাস্তি দৃশ্যমান করতে হবে। এ ধরনের মামলার দ্রুত বিচার করতে হবে।
কারাগারে বসে জীবনকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেছেন আইভী
দীর্ঘ ১৩ মাসের কারাজীবনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুক্ত বাতাসে ফিরেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। তবে কারামুক্তির পর প্রথম দিনেই রাজনীতির ময়দানে সক্রিয় হওয়ার কোনো তাড়াহুড়া
রাশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রাশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দ্বিপক্ষীয় আলোচনা ও কূটনৈতিক সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে রাশিয়ার মস্কোর উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। রোববার (৭ জুন) সকালে তিন দিনের সরকারি সফরে তিনি রওনা হন। মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম ভূইয়া গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সফর শেষে আগামী ৯ জুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। জানা গেছে, সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন। ওই বৈঠকে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক, জ্বালানি সহযোগিতা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং অবকাঠামো খাতে চলমান প্রকল্পগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে কেন্দ্র করে সহযোগিতার অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত ও আর্থিক দিকগুলো গুরুত্ব পাবে। একই সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ-পরবর্তী নিষেধাজ্ঞাজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে। সফরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো জাতিসংঘ ও বহুপক্ষীয় কূটনীতি। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), জাতিসংঘের সংস্কার এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের স্বার্থ রক্ষার মতো বিষয়গুলোতে দুই দেশের অবস্থান ও সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় খলিলুর রহমানের নতুন দায়িত্ব এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার ভূমিকা নিয়েও মতবিনিময়ের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রায় সাত বছর বাংলাদেশের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটি মস্কো সফর। এর আগে ২০১৯ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন দ্বিপক্ষীয় সফরে রাশিয়া গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ ঢাকা সফর করেন।
৩ মিনিট আগে

এত অনিয়ম, তবু তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী!

৯ ঘণ্টা আগে

ইফার নতুন ডিজি মুহিববুল্লাহর ভয়াবহ প্রতারণা-জালিয়াতি

৯ ঘণ্টা আগে

ডিজিটাল গণমাধ্যম অগ্রদূতের আত্মপ্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সভা অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে

সকাল ৯টার মধ্যে ১৮ জেলায় ঝড়ের আভাস

৯ ঘণ্টা আগে
রাজনীতিতেই থাকতে চাই, চাকরি নয় : ছাত্রদল নেতার আবেগঘন স্ট্যাটাস
রাজনীতিতেই থাকতে চাই, চাকরি নয় : ছাত্রদল নেতার আবেগঘন স্ট্যাটাস
চাকরি নয়, রাজনীতিতেই নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চান বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি তার এই আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরেন। শনিবার (৬ জুন) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্দেশে দীর্ঘ ও অনুভূতিপূর্ণ এ বার্তা লিখেছেন। সেখানে তিনি সরাসরি দেখা হলে বলতে না পারা কথাগুলো তুলে ধরেছেন। স্ট্যাটাসে তারিক উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা, মামলা-হামলা, গ্রেপ্তারের ভয় এবং ক্যাম্পাসে নিয়মিত যেতে না পারার বাস্তবতা সত্ত্বেও তিনি থেমে থাকেননি। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই তিনি অনার্স ও মাস্টার্সে বিভাগের সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারীদের একজন হয়েছেন বলে জানান। তরিকুল ইসলাম তারিক জানান, ইচ্ছা করলে শিক্ষকতার মতো পেশায় যেতে পারতেন। তবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং ছাত্রদলের রাজনীতির প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছেন। এ পথচলায় তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন। শরীরে গুলির চিহ্ন ও স্প্লিন্টার বহন করার কথাও তিনি তুলে ধরেন। তিনি জানান, বিভিন্ন ধর্ম ও অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে তাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ছাত্রদলের ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। দলের শীর্ষ নেতার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাওয়াকে নিজের জীবনের বড় প্রাপ্তি উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, এখন তার একমাত্র ইচ্ছা রাজনীতির মধ্যেই থাকা এবং দলের জন্য কাজ করা। এমন কোনো চাকরি তিনি চান না, যা তাকে রাজনীতি ও নেতৃত্ব থেকে দূরে সরিয়ে দেবে। স্ট্যাটাসের শেষাংশে তারিক জানান, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দলের যেকোনো দায়িত্ব পালন করতে তিনি প্রস্তুত। সুযোগ পেলে আমৃত্যু দলের প্রতি তার অঙ্গীকার অটুট থাকবে। প্রসঙ্গত, মো. তরিকুল ইসলাম তারিক বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রদলের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
৯ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে নাহিদ ইসলামের বৈঠক
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে নাহিদ ইসলামের বৈঠক
‘এনসিপিকে জামায়াতের প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড় করানো হচ্ছে’
‘এনসিপিকে জামায়াতের প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড় করানো হচ্ছে’
জামায়াত-এনসিপি ঠেকাতে মাঠে ফেরার ছক আ.লীগের
জামায়াত-এনসিপি ঠেকাতে মাঠে ফেরার ছক আ.লীগের
বিরিয়ানির বিনিময়ে বিক্রি হচ্ছে বিবেক, শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাশেদ খাঁনের ক্ষোভ
বিরিয়ানির বিনিময়ে বিক্রি হচ্ছে বিবেক, শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাশেদ খাঁনের ক্ষোভ
তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও সীমান্তে পুশইনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভের ডাক
তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও সীমান্তে পুশইনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভের ডাক
‘আসিফ মাহমুদের ঐতিহাসিক পদক্ষেপের সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশের ফুটবল’
‘আসিফ মাহমুদের ঐতিহাসিক পদক্ষেপের সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশের ফুটবল’

ইসলামী ব্যাংককে অনৈতিক সুবিধা, জরিমানাও মাফ

এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় ইসলামী ব্যাংকে জালিয়াতি করে বিপুল অর্থ সহায়তা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দীর্ঘদিনেও সেই অর্থ ফেরত না পেয়ে ব্যাংকটিকে জরিমানাও করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে সেই জরিমানাও অনৈতিকভাবে মাফ করার ঘটনা ঘটেছে। জানা যায়, এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় তারল্য সংকটে থাকা ইসলামী ব্যাংককে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত পাঁচ দফায় ১৩ হাজার কোটি টাকা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ইসলামী ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কেনার বিনিময়ে এই অর্থ দেওয়া হয়। তবে ডলারের বিনিময়ে টাকা দিলেও বাংলাদেশ ব্যাংক সেই ডলার বুঝে পায়নি। এরপর জালিয়াতির মাধ্যমে নেওয়া অর্থ ইসলামী ব্যাংক ফেরত না দেওয়ায় ব্যাংকটিকে ৩৭ কোটি টাকা জরিমানা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে জরিমানার সেই অর্থের অর্ধেক মওকুফ করে দেওয়া হয় অনৈতিকভাবে। এতে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারসহ কিছু কর্মকর্তা। অবশ্য জরিমানা অর্ধেক মওকুফ করার পরও সে সময় তা পরিশোধ করেনি ইসলামী ব্যাংক। চব্বিশের ৫ আগস্টের পর রউফ তালুকদার পদত্যাগ করলে অন্তর্বর্তী সরকার নিয়োজিত গভর্নর আহসান এইচ মনসুরও জরিমানা মওকুফের বিষয়টি বহাল রাখেন। অথচ জরিমানার অর্থ মওকুফের জন্য ইসলামী ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোনো আবেদনই করা হয়নি। এমনকি নেওয়া হয়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বোর্ডের অনুমোদনও। ব্যাংকসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের ঘটনা একেবারেই নজিরবিহীন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তারাই যদি নিয়ম লঙ্ঘন করে, তবে পুরো খাতে তার প্রভাব পড়ে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন স্বেচ্ছাচারিতাই ব্যাংক খাতে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছিল। আবেদন ছাড়াই জরিমানা মাফ: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ এক পর্যালোচনা প্রতিবেদনে বলা হয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে টাকা নিয়েও বিক্রি করা ডলার না দেওয়ার আর কোনো নজির নেই। ইসলামী ব্যাংক ডলার না দিয়েও টাকা নেওয়ার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের অডিট রিপোর্টে ‘কোয়ালিফায়েড অপিনিয়ন’ বা আপত্তির ঝুঁকি তৈরি হয়, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আন্তর্জাতিক সুনামের জন্য ক্ষতিকর। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, ডলার জালিয়াতির প্রথম ঘটনার পরই তারা ঊর্ধ্বতন দায়িত্বশীলদের বিষয়টি জানান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এ বিষয়ে তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। পরে আন্তর্জাতিক বাজার রীতি ও চুক্তি আইন-১৮১৭ অনুযায়ী, সময়মতো অর্থ পরিশোধ না করায় বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের ওপর ক্ষতিপূরণ বা ‘গুড ভ্যালু’ আরোপ করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কালবেলাকে বলেন, বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে ডলার বা অন্য বৈদেশিক মুদ্রা বেচাকেনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি স্বীকৃত প্রথা। সাধারণভাবে কোনো ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করতে চাইলে সমপরিমাণ টাকা দেওয়া হয়। সাধারণত ডলার বিক্রির টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগেই সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে হস্তান্তর করে, আর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘নস্ট্রো’ অ্যাকাউন্টে ডলার যোগ হয় পরদিন। কোনো কারণে পরদিন ডলার না এলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে সুদসহ পুরো টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ফেরত দিতে হয়। এসব নিয়ম না মেনে ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে ডলারের সাজানো লেনদেনের বিপরীতে বিপুল অঙ্কের টাকা দেওয়ার বিষয়টি একটি জালিয়াতি। বিপুল অঙ্কের অর্থ দিয়ে গভর্নর, নীতি উপদেষ্টা, ডেপুটি গভর্নর, নির্বাহী পরিচালক ব্যক্তিগতভাবে সুবিধা নিয়েছেন কি না, দেখা দরকার। এ ছাড়া এ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি হওয়া উচিত। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগ, ডিভিশন-১ থেকে ২৪ জুন ২০২৪ সালে একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয়। ওই প্রতিবেদনে দীর্ঘদিন ডলার আটকে রাখার অভিযোগে জরিমানা হিসেবে ২৫ লাখ ১৪ হাজার ডলার (প্রায় ৩০ কোটি টাকা) গুড ভ্যালু ধরা হয়। একই সঙ্গে তখন পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংকের কাছে পাওনা ১৫০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধের জন্য বলা হয়। তবে এই প্রতিবেদনের ওপর তৎকালীন ডেপুটি গভর্নর-১ কাজী সাইদুর রহমান শাস্তির সেই ৩০ কোটি টাকার অর্ধেকে (৫০ শতাংশ) মওকুফ করার সুপারিশ করেন। অথচ জরিমানা মওকুফের জন্য ইসলামী ব্যাংক থেকে কোনো আবেদনই করা হয়নি। পরে তৎকালীন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারও জরিমানা মওকুফের অনুমোদন দেন। অবশ্য তখন শর্ত দেওয়া হয় যে, ৩০ জুনের মধ্যে সব পাওনা পরিশোধ করতে হবে। যদিও জরিমানর সেই অর্ধেক টাকাও তখনকার ইসলামী ব্যাংক থেকে পাওয়া যায়নি। পরে অন্তর্বর্তী সরকার নিয়োজিত গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের সময় গত বছরের ৯ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগ থেকে একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয়। তাতে জরিমানার ৫০ শতাংশ মওকুফের সিদ্ধান্ত বাতিল করে মোট জরিমানা (গুড ভ্যালু) ৩১ লাখ ১৩ হাজার ডলার (৩৭ কোটি টাকার বেশি) নির্ধারণ করা হয় এবং এই অর্থ আদায়ের সুপারিশ করা হয়। তবে তৎকালীন গভর্নর আহসান মনসুর আগের ৫০ শতাংশ মওকুফ বহাল রাখতে নির্দেশ দেন। বক্তব্য নেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের: এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খানের কাছে দুই দিন সরাসরি দেখা করে ও লিখিত প্রশ্ন পাঠিয়েও কোনো ব্যাখ্যা বা উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে মুখপাত্রের মনোনীত একজন কর্মকর্তা বলেন, আমি সংশ্লিষ্ট বিভাগে যোগাযোগ করলে তারা বলেছে তথ্যে কিছু ভুল রয়েছে। তবে কী ভুল রয়েছে সেটা তিনি বলতে পারেননি। যা বলছে ইসলামী ব্যাংক: জানতে চাইলে ইসলামী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ট্রেজারি বিভাগটা থাকে সবসময় ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) অধীনে। তখন যে এমডি ছিলেন, তিনি তার মতো করে ট্রেজারি বিভাগে লোক বসিয়েছিলেন, যাদের কেউই এখন আর নেই। তাই এ বিষয়ে আমাদের কাছে বিস্তারিত কিছু নেই। তবে এমন ঘটনা ঘটেছিল এটা ঠিক। অভিযোগ রয়েছে, গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় ২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারি ইসলামী ব্যাংক দখলে নেয় এস আলম গ্রুপ। এরপর গ্রুপটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন উপায়ে এই ব্যাংক থেকে ৯১ হাজার কোটি টাকা বের করে নেওয়ার তথ্য পেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। যখন এসব ঋণ দেওয়া হয়, তার বেশিরভাগ সময় ইসলামী ব্যাংকের এমডি ছিলেন মনিরুল মওলা। একই এলাকায় বাড়ি হওয়ার সুবাদে এস আলমের সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠে তার। এ জন্য এস আলম ব্যাংক দখলের পর তাকে এমডি করা হয়। পরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ব্যাংকটির পর্ষদের বেশিরভাগ সদস্য ও অধিকাংশ ডিএমডি আত্মগোপনে চলে যান। তখন ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন এস আলমের ছেলে আহসানুল আলম। তবে মনিরুল মওলা বহাল তবিয়তে ছিলেন। পরে কর্মকর্তাদের চাপে তাকে ছুটিতে পাঠায় পরিচালনা পর্ষদ। ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হুসাইন কালবেলাকে বলেন, তখন তো অনেক কিছুই হয়েছে, যা আমরা জানতাম না। আমি যেহেতু এই পদে নতুন, তাই বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে আমাকে। যেভাবে হয় জালিয়াতি: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ এক পর্যালোচনা প্রতিবেদনে অনুসারে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট ইসলামী ব্যাংকের কাছ থেকে পাঁচ দফায় মোট ২০টি ‘বাই-সেল’ ডিলের মাধ্যমে ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্রয় দেখায়। এই ডলার ক্রয়ের জন্য ইসলামী ব্যাংকের নস্ট্রো হিসাবে চার দফায় ৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়। ২০২৩ সলের ২৬ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ২৮ মার্চ পর্যন্ত চার দফায় এই টাকা দেওয়া হয়। তবে বিপরীতে তখন ডলার দেয়নি ইসলামী ব্যাংক। অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের ব্যাক অফিস একাধিকবার সুইফট মেসেজ ও ইমেইল পাঠায় সেই ডলার ক্রয় নিষ্পত্তি করতে। পরে মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে ৫৮৫ মিলিয়ন ডলার সমন্বয় করে ইসলামী ব্যাংক। বাকি ১৫ মিলিয়ন ডলার সমন্বয় দেখিয়ে আবার ৩ জুলাই ৫৫০ মিলিয়ন ডলার ক্রয় দেখিয়ে দেওয়া হয় ৬ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। সেবারও ইসলামী ব্যাংক থেকে কোনো ডলার দেওয়া হয়নি। আবার টাকাও ফেরত দেয়নি ইসলামী ব্যাংক। সেই ডলার চুক্তির সর্বশেষ কিস্তি নিষ্পত্তি হয় ২০২৫ সালের জুনে।

বাজার সংস্কারে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে : বিএসইসি চেয়ারম্যান

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর পুঁজিবাজার সংস্কার ও উন্নয়নের চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেছেন মাসুদ খান। গত বৃহস্পতিবার দায়িত্ব নেওয়ার পর শুক্রবার রাতে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, সামনে কঠিন পথ রয়েছে।  তিনি বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ যেমন একটি সম্মানের বিষয়, তেমনি এটি একটি বড় দায়িত্বও। ফেসবুক পোস্টে বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান বলেন, গত কয়েক দিনে আমি যে বিপুল পরিমাণ শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও সমর্থনের বার্তা পেয়েছি, তাতে আমি সত্যিই অভিভূত। আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়ে আমি গভীরভাবে বিনম্র ও সম্মানিত বোধ করছি। তিনি বলেন, আমি পুরোপুরি উপলব্ধি করি যে, দেশের পুঁজিবাজার বর্তমানে একটি কঠিন সময় অতিক্রম করছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে হবে, বাজারকে আরও গভীর ও শক্তিশালী করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে। বাজারকে পুনরুজ্জীবিত করে একটি শক্তিশালী ও টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো সহজ কাজ নয়। আমাদের সামনে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বিএসইসির চেয়ারম্যান বলেন, এই দায়িত্ব গ্রহণের সিদ্ধান্ত মোটেই সহজ ছিল না। অতীতের চেয়ারম্যান ও কমিশনগুলোর অভিজ্ঞতা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে এই দায়িত্ব অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং এবং পুঁজিবাজার সংস্কার ও উন্নয়নের প্রচেষ্টার সঙ্গে নানা ধরনের ঝুঁকি জড়িত। অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী আমাকে সামনে থাকা কঠিন বাস্তবতা সম্পর্কে সতর্ক করেছেন এবং বলেছেন যে মানুষের প্রত্যাশা কখনও কখনও স্বল্প সময়ে বাস্তবায়ন করা কঠিন হতে পারে। ফেসবুক পোস্টে মাসুদ খান আরও লেখেন, এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে ব্যক্তিগত ত্যাগও জড়িত ছিল। দীর্ঘ ও সফল করপোরেট জীবনের পর এই দায়িত্ব গ্রহণ করতে গিয়ে আমাকে উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা এবং একটি নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পেশাগত অবস্থান ছেড়ে আসতে হয়েছে। তবে জনসেবার ক্ষেত্রে অনেক সময় ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে বৃহত্তর স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হয়। তিনি আরও বলেন, আমার পরিবারের সদস্য, বন্ধু এবং সহকর্মীরা আমাকে এই দায়িত্বকে দেশের জন্য কাজ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখতে উৎসাহিত করেছেন। তাদের বিশ্বাস ছিল, অর্থবহ পরিবর্তন আনতে হলে চ্যালেঞ্জ, অনিশ্চয়তা এবং ত্যাগ স্বীকারের মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হয়। জাতীয় দায়িত্ববোধ এবং জনস্বার্থে কাজ করার এই অনুভূতিই শেষ পর্যন্ত আমার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছে। তাই আমি বিনয়ের সঙ্গে এই দায়িত্ব গ্রহণ করছি। সামনে যে কঠিন পথ রয়েছে সে সম্পর্কে আমি সম্পূর্ণ সচেতন। একই সঙ্গে আমি বিশ্বাস করি, এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ যেমন একটি সম্মানের বিষয়, তেমনি এটি একটি বড় দায়িত্বও। বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান আরও লেখেন, আমাদের কাজ শুধু বাজারকে পুনরুদ্ধার করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে, ভালো ও মানসম্পন্ন কোম্পানিকে বাজারে আনতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হবে, সুশাসন ও স্বচ্ছতা জোরদার করতে হবে, ডিজিটাল রূপান্তরকে এগিয়ে নিতে হবে, বিনিয়োগকারী শিক্ষা বাড়াতে হবে এবং বাজারের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ এবং যেখানে সম্ভব সেখানে নিয়মকানুন সহজ করার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে বলে জানান তিনি। আমার মূল নীতি হবে— ‘যেখানে প্রয়োজন সেখানে নিয়ন্ত্রণ, আর যেখানে সম্ভব সেখানে সরলীকরণ।’ তিনি বলেন, আমি এই দায়িত্ব পালন করবো বিনয়, দৃঢ় সংকল্প এবং গভীর কর্তব্যবোধের সঙ্গে। আমি এটাও বিশ্বাস করি যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান একা সফল হতে পারে না। আপনাদের মতামত, পরামর্শ এবং গঠনমূলক সমালোচনা আমি মনোযোগ দিয়ে শুনব এবং সর্বদা পুঁজিবাজার, বিনিয়োগকারী এবং বৃহত্তর অর্থনীতির সর্বোত্তম স্বার্থে কাজ করার চেষ্টা করব। তিনি আরও বলেন, সারা জীবন ও কর্মজীবনে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে এসেছি যে আল্লাহই সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী। আমার জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এমনভাবে এসেছে, যা আমি আগে কল্পনাও করিনি বা তখন পুরোপুরি বুঝতেও পারিনি। এই নতুন দায়িত্ব গ্রহণের সময়ও আমি মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রাখছি। ইনশাআল্লাহ, তার দিকনির্দেশনা ও রহমতে আমরা সামনের চ্যালেঞ্জগুলো সফলভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হব। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমাদের সামনে যে কাজ রয়েছে তা একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা। বিনিয়োগকারী, তালিকাভুক্ত কোম্পানি, বাজার-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, নীতিনির্ধারক, পেশাজীবী সংগঠন এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতা, সমর্থন ও শুভকামনা নিয়ে আমরা অবশ্যই বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে পারব এবং একটি স্বচ্ছ, ন্যায়সঙ্গত, প্রাণবন্ত ও স্থিতিশীল পুঁজিবাজার গড়ে তুলতে সক্ষম হব’ সবশেষ তিনি লেখেন, আপনাদের উৎসাহ, সমর্থন এবং দোয়ার জন্য আবারও আন্তরিক ধন্যবাদ। এই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দায়িত্ব পালনে সব অংশীজনের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় রইলাম। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে জারি হওয়া এক সার্কুলারে বিএসইসি চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার দিনেই তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরি কত

দেশের বাজারে ফের কমেছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা। শনিবার (০৬ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাজুস। নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা। এর আগে গত ২ জুন স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৭১ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭ বার দাম বেড়েছে এবং ৩৪ বার কমেছে। অন্যদিকে ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যার মধ্যে ৬৪ বার বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল। স্বর্ণের পাশাপাশি কমেছে রুপার দামও। ভরিতে ৪০৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট রুপার ভরি ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপার ভরি ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি ৩ হাজার ২০৮ টাকা। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৪২ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২২ বার দাম বেড়েছে এবং ২০ বার কমেছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার বেড়েছিল এবং ৩ বার কমেছিল।
২২ ঘণ্টা আগে
দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরি কত

বাজারে ক্রেতাস্বল্পতা, তবু দাম চড়া মুরগি-সবজির

কোরবানির ঈদের ছুটি শেষ হলেও বাজারে এখনো ক্রেতা বাড়েনি। গতকাল সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও রাজধানীর বাজারগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম দেখা গেছে। তার ওপর ছিল বৃষ্টির বাগড়া। বেচাকেনা চলেছে ঢিমেতালে। তারপরও বাজারে বেড়েছে মুরগির দাম। অন্যদিকে সবজির বাজার আগের মতোই চড়া রয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাছ, মাংস ও ডিমের দোকানগুলো এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি। মুরগির দোকানগুলো খোলা থাকলেও ক্রেতার অপেক্ষায় অলস সময় পার করছেন বিক্রেতারা। একই চিত্র ডিমের দোকানগুলোতেও। বাজারে যারা আসছেন তাদের বেশিরভাগই এখন ভিড় করছেন সবজির বাজারে। গতকাল রাজধানীর শনির আখড়া বাজারের সবজি কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মো. লিয়াকত আলীর সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তিনি বলছিলেন, ‘বাসায় এখনো গরুর মাংস রান্না হচ্ছে। তাই আপতত মাছ-মাংস তেমন একটা কেনা হচ্ছে না। সবজি, কাঁচামরিচ, ধনেপাতা, টমেটো, শসা—এগুলো কিনতে এলাম। কিন্তু দাম তো অনেক চড়া। বেগুন, করলা, পটোল, ঝিঙাসহ বেশিরভাগ সবজির দামই কেজিপ্রতি ৮০ টাকার আশপাশে। এর মধ্যে টমেটো, কাঁচামরিচ, গাজর, শসা, শিমের দাম অত্যধিক। বাধ্য হয়ে কম করে কিনছি।’ এ বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. আবু ইসমাইল কালবেলাকে বলেন, ঈদের পর সবজির আড়তগুলোতে সব পাইকার এখনো তাদের ব্যবসা পুরোপুরি চালু করেনি। এতে সবজির সরবরাহ কিছুটা কম এখন। তার ওপর বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তাই দাম একটু চড়া আছে। অদিনের হওয়ায় শিম, বাঁধাকপি, ফুলকপিসহ কয়েক পদের সবজির দাম বেশি। তবে সরবরাহ বাড়লে মৌসুমি সবজিগুলোর দাম কিছুটা কমে আসবে। এদিকে মুরগির খুচরা বিক্রেতা মো. উজ্জ্বল জানান, কোরবানির ঈদের অনেকটা সময় ধরে মাছ-মাংসের চাহিদা কম থাকে। কারণ সবার ঘরে এ সময়ে কমবেশি গরুর মাংস থাকে। তিনি বলেন, ‘তারপরও ব্রয়লার ও সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে। তবে, তা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক কম। দিনভর বসেই থাকতে হয় ক্রেতার অপেক্ষায়।’ ক্রেতা কম হলেও ব্রয়লার মুরগির দাম হঠাৎ কেজিপ্রতি ২০ টাকা বেড়ে গেছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, ঈদের বাজারে ব্রয়লারের কেজি ১৫০ টাকা পর্যন্ত নেমে যাওয়ার পর এখন তা আবার বেড়ে ১৭০ টাকা হয়েছে। দোকানভেদে কোথাও কোথাও সোনালি মুরগির দামও বেড়েছে। এ মুরগি এখন প্রতি কেজি ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মালিবাগ বাজারের মুরগি বিক্রেতা মো. ফারুক হোসেন বলেন, কোরবানির ঈদের সময় মুরগির চাহিদা সবসময়ই কম থাকে। এ জন্য দামও পড়ে যায়। এ সময় মুরগি সরবরাহও কমে আসে। এখনো পাইকারিতে সরবরাহ কম। তাই কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। তবে, সোনালি ও লেয়ার মুরগির দাম অপরিবর্তিত আছে। এ বাজারের ডিম ব্যবসায়ী মো. তানভীর ইসলাম বলেন, ঈদের পর এখনো ঢিলেঢালা ব্যবসা যাচ্ছ। ক্রেতা কম। দামও অপরিবর্তিত আছে। ফার্মের বাদামি ডিমের ডজন (১২ পিস) আকার ভেদে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা এবং সাদা ডিম ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজি বাজারগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতি কেজি করলা, বেগুন, কাঁকরোল, ঢ্যাঁড়স, পটোল, ঝিঙা, কচুরলতি, শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকার আশপাশে। এর মধ্যে বেগুনের দাম প্রকারভেদে কোথাও কোথাও ৭০ টাকাতেও মিলছে। ধুন্দল ও চিচিঙ্গার কেজি ৭০ টাকা। অন্যদিকে বরবটি, কচুরমুখী, দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এখনো শিম পাওয়া যাচ্ছে, যার কেজি পড়ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা। বাঁধাকপির পিস ৬০ টাকা। টমেটোর কেজি শতকের ওপর বিক্রি হচ্ছে। লাউয়ের পিস ৮০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ টাকা। আর কাঁচা মরিচের কেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। কাঁচা কলা প্রতি হালি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজির বাজার চড়া হলেও আলু-পেঁয়াজের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা এবং আলু ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মাছের দর আগের মতোই রয়েছে বলে জানান শনির আখড়া বাজারের মাছ বিক্রেতা মো. নিয়াজ উদ্দিন। তিনি বলেন, ঈদের পর এখনো সব মাছের দোকান চালু হয়নি। মাছ বিক্রেতাদের অনেকে এখনো গ্রামে রয়েছেন। বেচাবিক্রিও তুলনামূলক কম। চিংড়ির চাহিদা এখনো আছে। কেজি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পাঙ্গাশ প্রতি কেজি আকারভেদে ১৮০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়ার কেজি ২২০ টাকা। অন্যান্য মাছের দামও অপরিবর্তিত আছে।
০৬ জুন, ২০২৬
বাজারে ক্রেতাস্বল্পতা, তবু দাম চড়া মুরগি-সবজির

শুক্রবার কমলো স্বর্ণের দাম, বিশ্ববাজারে আশঙ্কার কারণ কী

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম শুক্রবার কমেছে এবং টানা দরপতনের কারণে সপ্তাহজুড়েও ক্ষতির মুখে রয়েছে মূল্যবান ধাতুটি। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তা এবং সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। খবর রয়টার্সের।  শুক্রবার স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৪৪২.৯৪ ডলারে নেমে আসে। চলতি সপ্তাহে স্বর্ণের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমে ৪,৪৬৯.১০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হিজবুল্লাহর যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান এবং ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহারে অনীহা মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত নিরসনের সম্ভাবনাকে দুর্বল করেছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলা বৃহত্তর শান্তি প্রচেষ্টাও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি এখনো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রার ওপরে থাকায় বাজারে সুদের হার আরও বাড়তে পারে, এমন আশঙ্কা জোরালো হয়েছে। দেশটির কয়েকজন নীতিনির্ধারকও প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে সুদের হার বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিয়েছেন। সাধারণত স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হলেও উচ্চ সুদের পরিবেশে এর আকর্ষণ কমে যায়, কারণ স্বর্ণ থেকে কোনো সুদ বা আয় পাওয়া যায় না। ফলে বিনিয়োগকারীরা সুদবাহী সম্পদের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেন। বাজার এখন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী নীতিগত সিদ্ধান্তের দিকে নজর রাখছে। এসব তথ্য ভবিষ্যতে স্বর্ণের দামের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
০৫ জুন, ২০২৬
শুক্রবার কমলো স্বর্ণের দাম, বিশ্ববাজারে আশঙ্কার কারণ কী
তরুণীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
তরুণীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে ২ পা বিচ্ছিন্ন হওয়া সেই যুবকের মৃত্যু
চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে ২ পা বিচ্ছিন্ন হওয়া সেই যুবকের মৃত্যু
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে রহস্যজনক তাপ, উৎস খুঁজছে পুলিশ-ফায়ার সার্ভিস
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে রহস্যজনক তাপ, উৎস খুঁজছে পুলিশ-ফায়ার সার্ভিস
আন্তর্জাতিক রোবটিক্স অলিম্পিয়াডে স্বর্ণপদক পেলেন বাংলাদেশের প্রিয়ন্ত
আন্তর্জাতিক রোবটিক্স অলিম্পিয়াডে স্বর্ণপদক পেলেন বাংলাদেশের প্রিয়ন্ত
দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে আ.লীগ নেতাকে নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ
দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে আ.লীগ নেতাকে নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ
সন্ত্রাসের স্থান হবে না জঙ্গল সলিমপুরে
সন্ত্রাসের স্থান হবে না জঙ্গল সলিমপুরে
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদল নেতাদের ওপর ‘আ.লীগের’ হামলা, আহত ১৮
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদল নেতাদের ওপর ‘আ.লীগের’ হামলা, আহত ১৮
জিম্মায় নেওয়া চুরির মালামাল থানায় ফেরত দিলেন কর্মকর্তা
কালবেলায় সংবাদ প্রকাশ / জিম্মায় নেওয়া চুরির মালামাল থানায় ফেরত দিলেন কর্মকর্তা
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
.

জব্দ ইরানি অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত মিত্র দেশগুলোকে দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের জব্দকৃত অর্থ ব্যবহার করে ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত উপসাগরীয় দেশগুলোর পুনর্গঠন ও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র। এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে ইরানের হামলায় প্রতিবেশী দেশগুলোতে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়নের নির্দেশ দিয়েছেন। ভবিষ্যতে ক্ষতিপূরণ বা পুনর্গঠন তহবিল গঠনে এ মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অন্যদিকে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য যেকোনো চুক্তির অংশ হিসেবে জব্দকৃত অর্থ দ্রুত ছাড়ের দাবি জানিয়েছে। দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেছেন, সম্ভাব্য সমঝোতার আওতায় ইরানের জব্দ সম্পদের অন্তত ৫০ শতাংশ অবিলম্বে মুক্ত করতে হবে। এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়ি সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তি হতে হলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে আটকে থাকা ২৪ বিলিয়ন ডলার ইরানি সম্পদ ছাড় করতে হবে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসরায়েলের লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে উত্তেজনা প্রশমনের পথে এগোবে না বলে অবস্থান নিয়েছে তেহরান। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি এবং ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ নিয়ে খসড়া চুক্তিতে পরিবর্তন চাইছে ওয়াশিংটন। এসব বিষয়ে মতপার্থক্যের কারণে চূড়ান্ত চুক্তি এখনও অনিশ্চিত রয়ে গেছে।   
মার্কিন কর্মকর্তাদের ওপর গোয়েন্দাগিরি করছে ইসরায়েল, কারণ ইরান
মার্কিন কর্মকর্তাদের ওপর গোয়েন্দাগিরি করছে ইসরায়েল, কারণ ইরান
গৃহকর্মী থেকে মন্ত্রী : কলিতা মাঝির উত্থানের গল্প
গৃহকর্মী থেকে মন্ত্রী : কলিতা মাঝির উত্থানের গল্প
আসছে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ, দিনে-দুপুরে নেমে আসবে অন্ধকার
আসছে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ, দিনে-দুপুরে নেমে আসবে অন্ধকার
গাজায় বিয়ের অনুষ্ঠানে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৫
গাজায় বিয়ের অনুষ্ঠানে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৫
হঠাৎ জ্বালানি তেলের দাম কমলো বিশ্ববাজারে 
হঠাৎ জ্বালানি তেলের দাম কমলো বিশ্ববাজারে 
ইরানের হাতে এখনও ২২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে : ট্রাম্প
ইরানের হাতে এখনও ২২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে : ট্রাম্প
বুবলীর মা হওয়ার খবরে স্মিতার কড়া সমালোচনা
বুবলীর মা হওয়ার খবরে স্মিতার কড়া সমালোচনা
জীবনের অর্থ নিয়ে রহস্যময় পোস্টে ফের আলোচনায় ঐশ্বরিয়া
জীবনের অর্থ নিয়ে রহস্যময় পোস্টে ফের আলোচনায় ঐশ্বরিয়া
নতুন সভাপতি নিয়ে নির্বাচন মাঠে মুক্তি
নতুন সভাপতি নিয়ে নির্বাচন মাঠে মুক্তি
সাড়া ফেলেছে ‘আহত ফুলের গল্প’, প্রশংসায় রিয়া-তন্ময়
সাড়া ফেলেছে ‘আহত ফুলের গল্প’, প্রশংসায় রিয়া-তন্ময়
মধ্যরাতে শাকিব-বুবলীকে নিয়ে মিষ্টি জান্নাতের রহস্যময় পোস্ট
মধ্যরাতে শাকিব-বুবলীকে নিয়ে মিষ্টি জান্নাতের রহস্যময় পোস্ট
মেয়ের বাবা হলেন শাকিব খান
মেয়ের বাবা হলেন শাকিব খান
হোমিওপ্যাথির পক্ষে পোস্ট করে তোপের মুখে আনুশকা শর্মা
হোমিওপ্যাথির পক্ষে পোস্ট করে তোপের মুখে আনুশকা শর্মা
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
আবারও এন্দ্রিকের শো, আনচেলত্তির অধীনে ব্রাজিলের তিনে তিন
আবারও এন্দ্রিকের শো, আনচেলত্তির অধীনে ব্রাজিলের তিনে তিন
মিসরকে হারিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শেষ করলো ব্রাজিল
মিসরকে হারিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শেষ করলো ব্রাজিল
মার্টিনেস ও সিমেওনের গোলে হন্ডুরাসকে হারাল আর্জেন্টিনা
মার্টিনেস ও সিমেওনের গোলে হন্ডুরাসকে হারাল আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে হন্ডুরাসের মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা। কোচ লিওনেল স্কালোনির মতে, চোট কাটিয়ে বেশ ভালোভাবে ফিটনেস ফিরে পাওয়ার পথে আছেন লিওনেল মেসি। কিন্তু হন্ডুরাসের বিপক্ষে সব মিলিয়ে ১০টি বদল আনলেও তাকে বেঞ্চেই রাখলেন বিশ্বকাপ জয়ী কোচ। অবশ্য তাতে জিততে কোনো সমস্যা হয়নি। ২-০ গোলে হন্ডুরাসকে হারিয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। পুরো ৯০ মিনিট খেলেছেন কেবল অগাস্তিন গিয়াই। টেক্সাসের কলেজ স্টেশনের কাইল ফিল্ড স্টেডিয়ামের গ্যালারি জুড়ে থাকা দর্শকরা ম্যাচজুড়ে আর্জেন্টিনাকে জোরালো সমর্থন জুগিয়ে যান। তবে দলের প্রধান তারকা মেসি পেশির ক্লান্তির কারণে পুরো ম্যাচ বেঞ্চে বসে কাটানোয় প্রস্তুতি নেওয়া হলো না। ম্যাচের ৩৭ মিনিটে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের পক্ষে পেনাল্টি থেকে প্রথম গোলটি করেন লাউতারো মার্টিনেস। নিকোলাস তাগলিয়াফিকোকে বক্সের ভেতর ফাউল করায় এই পেনাল্টি পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আর্জেন্টিনার ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড জিউলিয়ানো সিমিওনে। লাউতারোর একটি চমৎকার ব্যাকহিল পাস থেকে বল পেয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোলটি করেন তিনি। সিমিওনের গোলের পরপরই আর্জেন্টিনা কোচ  স্কালোনি দলে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনলেও মেসিকে মাঠে নামাননি। ৩৮ বছর বয়সী এই তারকা গত ২৫ মে ইন্টার মায়ামির হয়ে নিজের শেষ ম্যাচটি খেলার সময় সামান্য চোট পান, যার পরেই তিনি জাতীয় দলে যোগ দেন। ম্যাচের আগে মেসি সম্পর্কে স্কালোনি বলেছিলেন, ‘লিও ভালো আছে। ও (শুক্রবার) দলের সাথে কিছুটা সময় অনুশীলন করেছে, যা খুবই ইতিবাচক দিক। ও দল থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন নয়; ধীরে ধীরে সেরে উঠছে। এই দুটি প্রস্তুতি ম্যাচের যেকোনো একটিতে ও কিছু সময়ের জন্য মাঠে নামতে পারে। আমরা দেখব সেটা আগামীকালের ম্যাচে হয় নাকি পরেরটিতে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘তবে ও এখন অনেক ভালো বোধ করছে, যা আমাদের স্বস্তি দিচ্ছে।’ বিশ্বকাপে আগামী ১৬ জুন ‘জে’ গ্রুপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের অভিযান শুরু করবে আর্জেন্টিনা। এই গ্রুপের অন্য দুই প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া ও জর্ডান। তবে তার আগে, আগামী ৯ জুন আইসল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামবে স্কালোনির দল।
শেষ মুহূর্তে বড় ধাক্কা, আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারের বিশ্বকাপ শেষ
শেষ মুহূর্তে বড় ধাক্কা, আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারের বিশ্বকাপ শেষ
ব্রাজিলের সামনে এবার মিসর
ব্রাজিলের সামনে এবার মিসর
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X