কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ জুন ২০২৪, ০৫:৩০ পিএম
আপডেট : ০৬ জুন ২০২৪, ০৫:৪৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

মোদির থেকে যা বাগিয়ে নিতে পারেন নীতিশ-নাইডু

নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে জোটের দুই গুরুত্বপূর্ণ শরীক নীতিশ  কুমার ও নাইডু। ছবি : সংগৃহীত
নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে জোটের দুই গুরুত্বপূর্ণ শরীক নীতিশ কুমার ও নাইডু। ছবি : সংগৃহীত

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে সরকার গঠনে জোটের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপি। অন্যদিকে এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করছেন জোটের শরিকরা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সরকার গঠনে এনডিএর জোটের ওপর নির্ভরশীলতাকে কাজে লাগাচ্ছেন তেলেগু দেশম পার্টির (টিডিপি) নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু এবং জেডিইউর প্রধান নীতিশ কুমার। উভয় দলই নরেন্দ্র মোদির কাছে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দাবি করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

বুধবার নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে এনডিএ জোটের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে নিজেদের দাবি দাওয়া জানিয়েছেন জোট শরিকরা। এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে একাধিক সূত্র জানিয়েছে যে শরিকদের মধ্যে তুমুল দর কষাকষি চলছে।

সূত্র জানিয়েছে, নাইডুর দল টিডিপি অর্থ প্রতিমন্ত্রীসহ ৫টি মন্ত্রণালয়ের দাবি করেছে। এ ছাড়া লোকসভার স্পিকারের পদও দাবি করেছে তারা। এর বাইরে সড়ক, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দিকেও নজর রয়েছে তাদের। দলটি লোকসভায় ১৬টি আসনে জয় পেয়েছে।

দর কষাকষিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকা অপর দল হলো নীতিশ কুমারের জেডিইউ। দলটি নির্বাচনে ১২টি আসন পেয়েছে। তারা দুটি মন্ত্রণালয় ও একটি প্রতিমন্ত্রীর পদ নিয়ে দর কষাকষি করছে। এরমধ্যে রেলমন্ত্রীর দিকে নজর রয়েছে দলটির।

থেমে নেই অন্যরাও

টিডিপি ও জেডিইউ ছাড়াও জোটে থাকা অন্য শরিক দলও দর কষাকষিতে অংশ নিয়েছে। দুটি আসনে জয় পাওয়া জেডিএস তাদের নেতা এইচডি কুমারস্বামীকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করার দাবি করতে পারে। এছাড়া কৃষকের দল হিসেবে প্রচারণা চালানো এইচপি দেবগৌড়ার দল কৃষি মন্ত্রণালয়ের দাবি জানাতে পারে।

গত মঙ্গলবার ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের মতো সংসদের নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি নরেন্দ্র মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। তবে এ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ।

ভারতের সংবিধান অনুসারে, দেশটিতে মোট ৫৪৫টি সংসদীয় আসন রয়েছে। এতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ২৭২ আসন। এ নির্বাচনে বিজেপি এককভাবে ২৪০টি আসন পেয়েছে। এ ছাড়া তাদের নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট পেয়েছে ২৯২ আসন।

নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে বিজেপি ৩২ আসন কম পেয়েছে। এরমধ্যে টিডিপি আর জেডিইউর দখলে রয়েছে ২৮ আসন। ফলে সরকার গঠনে জোটের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন তারা।

আসন সংখ্যার হিসাব অনুসারে, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এনডিএ জোট সরকার গঠন করতে চলেছে। আর আবারও দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। আগামী রোববার তিনি তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। ভারতে জওহরলাল নেহরুর পরে তিনিই দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে টানা তিনবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘জুলাই বেচে খাওয়া শুরু করেছে অনেকেই’

হোয়াইটওয়াশের পর দর্শকদের আক্রমণ করে বিতর্কে পাক ক্রিকেটার

রংপুরে বিএনপির দুগ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ১৫

মার্কিন সফরে নেতানিয়াহু, এবার এজেন্ডা কী নিয়ে?

ভাত নরম হওয়ায় বরপক্ষের লঙ্কাকাণ্ড

পিএসএল নিয়ে রিশাদের বড় স্বপ্ন

ছাগল খোয়াড়ে দেওয়ায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, অতঃপর...

বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক বৈঠককে ইতিবাচক বললেন পার্থ 

সংস্কারের প্রধান প্রস্তাবক ও ধারক বিএনপি : মাহদী আমিন

ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্টকে বরখাস্ত পেজেশকিয়ানের, নেপথ্যে যে কারণ

১০

ঈদের ছুটি শেষে কাল খুলছে তিন বিশ্ববিদ্যালয়

১১

‘পলাতক নেত্রীর কথায় উঁকি-ঝুঁকি মারলেও লাভ হবে না’

১২

‘দায়িত্ব পেলে দেশের প্রতিটি মানুষকে স্বাবলম্বী করা হবে’

১৩

সন্দ্বীপে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, জনমনে আতঙ্ক 

১৪

কোনো ব্যক্তির অপরাধ বিএনপির ওপর না চাপানোর আহ্বান

১৫

বগুড়ার ৭টি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

১৬

‘জুলাই ব্যবসায়ী ছাত্রনেতারা যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারেনি’

১৭

জনগণ দ্রুত সময়ে সুষ্ঠু নির্বাচন চায় : আমিনুল হক 

১৮

মেরা পিক পর্বত অভিযানে ইবিএলের ৫ সদস্য

১৯

গ্যাসের চুলা জ্বালানো নিয়ে তিতাসের সতর্কবার্তা

২০
X