হার্ট অ্যাটাকের পর এখন বাসায় সময় কাটছে জাতীয় দলের সাবেক ওপেনার ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের বর্তমান অধিনায়ক তামিম ইকবালের। পেশাদার ক্রিকেটে ফিরতে কতদিন লাগবে, সেটা এখনও অনিশ্চিত। তবে এই মৌসুমে যে আর ফেরা হচ্ছে না তার—তা মোটামুটি নিশ্চিত করে বলাই যায়। লিগের মাঝপথে তামিমের অসুস্থতায় নতুন করে নেতৃত্ব নিয়ে ভাবতে হচ্ছে মোহামেডানকে। বাকি ম্যাচগুলোতে নেতৃত্বে দেখা যেতে পারে দলটির ব্যাটার তাওহীদ হৃদয়কে। শুক্রবার (০৪ এপ্রিল) দলের ম্যানেজার সাজ্জাদ আহমেদ শিপন গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এমনই ইঙ্গিত দেন।
আসন্ন জিম্বাবুয়ে সিরিজ সামনে রেখে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। সিরিজের জন্য মোহামেডানের হয়ে খেলা হবে না মুশফিকুর রহিম, মেহেদী হাসান মিরাজদের। এতে করে দলটির অধিনায়কত্ব পেতে যাচ্ছেন লাল বলের ক্রিকেটে না থাকা তাওহীদ হৃদয়ই। শিপন বলেছেন, ‘আগামীকালকে (শনিবার) অফিসিয়াল অনুশীলন শুরু। তারপরে জানতে পারব আসলে কে (অধিনায়ক) হবে। এখন পর্যন্ত তাওহীদ হৃদয়ের ভালো সুযোগ রয়েছে। দুই একটি ম্যাচ সে কন্ট্রোল করেছে তামিম যখন বাইরে ছিল তখন। পসিবিলিটি বেশি তবে সেটা টিম ম্যানেজমেন্ট দেখবে বা সেটা ক্লাব দেখবে।’
হৃদয় এখনো দলের সঙ্গে যোগ না দিলেও অনুশীলন ঠিকই শুরু করে দিয়েছেন। বগুড়ায় তার কিছু অনুশীলনের ভিডিও দেখা গেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। কাল থেকে দলের আনুষ্ঠানিক অনুশীলনেও দেখা যেতে পারে এই ব্যাটারকে। নেতৃত্ব মিললে চ্যালেঞ্জ ছাপিয়ে খেলতে হবে তার।
লিগে এখন পর্যন্ত মোটামুটি অবস্থায় মোহামেডান। তবে শিরোপা জিততে হলে আবাহনীকে টেক্কা দিতে হবে তাদের। এখন পর্যন্ত ৮ ম্যাচ খেলা মোহামেডানের পয়েন্ট ১২। আর সমান ম্যাচে আবাহনীর একটি জয় বেশি থাকায় পয়েন্ট ১৪। অর্থাৎ ২ পয়েন্টে এগিয়ে টেবিলেরও শীর্ষে তারা। লিগ জিততে হলে মোহামেডানের বড় প্রতিদ্বন্দ্বি হতে পারে এই আবাহনীই। গেল কয়েক মৌসুমে দাপুটের সঙ্গে জিতেছিল দলটি। সবমিলিয়ে সামনের ম্যাচগুলো যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা জানা মোহামেডানেরও। শিপন বলেছেন, ‘এইবার একটা লিগ হচ্ছে যেটা খেলা গুরুত্বপূর্ণ সবাই বলছে। প্রতিটা ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ। একটা খেলা হেরে গেলে অনেক পিছিয়ে যেতে হবে। তো আমরা চাচ্ছি প্রতিটা ম্যাচ জিতে সুপার লিগ ধরে রাখতে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য আর কোনো অপশন নেই। একটা ম্যাচ হেরে গেলে আমরা অনেক পিছিয়ে যাব।’
তারকাদের ছাড়াই লিগে খেলতে হবে মোহামেডানকে। একই অবস্থা অন্যান্য দলগুলোরও। সুপার লিগের বেশিরভাগ দলই এবার খেলবে জাতীয় দলের তারকা খেলোয়াড়দের ছাড়াই। তাইতো বড় চ্যালেঞ্জ ও পারফরম্যান্সের চাপ থাকবে অন্যদের ওপর।
মন্তব্য করুন