বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৮:৫৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এবি পার্টির মতবিনিময়

ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এবি পার্টির নেতাকর্মীরা। ছবি : কালবেলা
ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এবি পার্টির নেতাকর্মীরা। ছবি : কালবেলা

ঢাকায় নবনিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত ও মিশন প্রধান মাইকেল মিলারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন এবি পার্টি নেতারা।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকাস্থ ইইউ মিশনে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স ইনচার্জ ব্যারিস্টার নাসরীন সুলতানা মিলি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সানি আবদুল হক এবং ইন্টারন্যাশনাল টিমের অন্যতম সদস্য হাজরা মেহজাবিন। এসময় ইইউ প্রতিনিধি দলের ডেপুটি হেড ড. বার্ণড স্প্যানিয়ারও উপস্থিত ছিলেন বলে গতকাল এবি পার্টির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এবি পার্টি রাষ্ট্রদূত মিলারকে ২০২০ সালে দলটির আত্মপ্রকাশ, কেন্দ্র ও তৃণমূলে সংগঠন কাঠামো, দেশ জুড়ে দলের নেটওয়ার্ক এবং দ্বিতীয় প্রজন্মের রাজনীতি বিষয়ে ধারণা দেন। তরুণ প্রজন্মের কাছে সেবা এবং সমস্যা সমাধানের রাজনীতির ধারণা কীভাবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে তা তারা তুলে ধরেন। বিগত বছরগুলিতে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন এবং বিশেষ করে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে এবি পার্টির ভূমিকা সম্পর্কেও বৈঠকে আলোচনা হয়।

এবি পার্টি মনে করে যে, ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিবাদী শাসক দিল্লিতে পালিয়ে যাওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারকে কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করতে হয়েছে। তারা যে প্রেক্ষাপটে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে সে প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে অন্তর্বর্তী প্রশাসনের প্রতি এখনও মানুষের অগাধ আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। তুলনামূলকভাবে তারা ভালো কাজ করার চেষ্টা করছে। যদিও অগ্রগতি এবং উন্নয়নের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে আরও আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে এবি পার্টির দায়িত্বশীল সমালোচনা চলমান রেখেছে। এবি পার্টি নেতারা মনে করে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইইউ’র এমনকিছু গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ এবং অবদান রয়েছে যা প্রশংসার দাবিদার। তবে বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ইইউ'র পক্ষ থেকে আরও সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করে এবি পার্টি। ২০২৬ সালে এলডিজি গ্রাজুয়েশন বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তাই তা সংশোধন করা দরকার। বাংলাদেশে জিএসপি প্লাস সুবিধা পেতে সাহায্য করার জন্য ইইউ’র প্রতি বৈঠকে অনুরোধ জানানো হয়।

দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে বিপর্যস্থ হওয়া বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে, প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে কোটি কোটি বেকারদের জন্য কাজের বাজার তৈরি করতে এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও পর্যটন খাতে এফবিআইকে উৎসাহিত করতে ইইউ বাংলাদেশকে সাহায্য করবে বলে এবি পার্টি আশাবাদ ব্যক্ত করে। রাষ্ট্রদূত মিলার গণতন্ত্রে উত্তরণ সম্পর্কে নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে আরও জানতে আগ্রহী ছিলেন এবং আশ্বস্ত করেছিলেন যে ইইউ তার সহায়তা অব্যাহত রাখতে চেষ্টা করবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাঙলা কলেজে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দুই পক্ষের সংঘর্ষ

রাতে খুবি ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল

রাজশাহীতে ডাকাতি-ছিনতাই-চাঁদাবাজি চক্রের ১১ জন গ্রেপ্তার

গ্রাহকদের টাকা আত্মসাৎ, পুলিশ দেখে স্ত্রীকে রেখে পালালেন স্বামী

পাকিস্তান-বাংলাদেশ না পারলেও পেরেছে আফগানিস্তান

ফেঁসে যাচ্ছেন ‘শেখ বাড়ি সিন্ডিকেট’ সদস্য খুবির সাবেক দুই ভিসি

৭ বছর পর বিএনপির বর্ধিত সভা

শব্দদূষণ রোধে রাজশাহীতে ক্যাম্পেইন

মান্নার ভাইসহ নাগরিক ঐক্যের ৯ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

কুমিল্লা মহানগর বিএনপির কমিটি গঠন

১০

শিক্ষা সফরের বাস ডাকাতির ঘটনায় আটক ৪

১১

ঢালাইয়ের পরই ফেটেছে ২ কোটি টাকার সড়ক

১২

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল / নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি, ৫৪৪ জনের ফল বাতিল

১৩

স্বামীর নির্যাতনের ভিডিও দেখিয়ে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

১৪

নাহিদের অ্যাকাউন্টে কত টাকা?

১৫

বানরের উৎপাতে দিশাহারা গ্রামবাসী

১৬

সাজেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস পার্বত্য চট্টগ্রাম উপদেষ্টার

১৭

নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ নিয়ে শিবির সভাপতির স্ট্যাটাস

১৮

জাতীয় নাগরিক কমিটির ভবিষ্যৎ জানালেন সামান্তা

১৯

বিরল মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ববাসী

২০
X