কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:১৯ পিএম
আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:২০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

নতুন পৃথিবী গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

বেইজিংয়ে চায়না মিডিয়া গ্রুপ সিএমজির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা
বেইজিংয়ে চায়না মিডিয়া গ্রুপ সিএমজির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা

নতুন চিন্তাভাবনার কাঠামো ব্যবহার করে একটি নতুন পৃথিবী গড়ে তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, এই পুরনো পৃথিবী যতই আমরা টেনেহিঁচড়ে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি না কেন, আমাদের পরিশ্রম সার্থক হচ্ছে না।

সাম্প্রতিক চীন সফরের সময় বেইজিংয়ে চায়না মিডিয়া গ্রুপের (সিএমজি) সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

সাক্ষাৎকারে প্রশ্নকর্তা তাকে জিজ্ঞেস করেন, আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎকার নেওয়ার আগে আমি আপনার তিন শূন্য তত্ত্ব কিছুটা পড়েছি। এখন আমি আপনার কাছে জানতে চাই এ প্রস্তাবে তিন শূন্য তত্ত্ব এবং শি জিনপিংয়ের প্রস্তাবিত আধুনিকীকরণ তত্ত্বের মধ্যে কোনো মিল আছে কি না?

জবাবে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, অনেক সামঞ্জস্য আছে। বিষয়গুলো তো একই, তবে বিভিন্নভাবে বলা হচ্ছে। কিন্তু একই লক্ষ্যে আমরা পৌঁছানোর চেষ্টা করছি। অর্থাৎ আমাদের লক্ষ্য এটাই যে একটা নতুন পৃথিবী সৃষ্টি করতে হবে। এই পুরনো পৃথিবী যতই আমরা টেনেহিঁচড়ে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি না কেন, আমাদের পরিশ্রম এতে সার্থক হচ্ছে না। কাজেই মেরামতি কাজে না গিয়ে সুন্দর করে আবার কাঠামোটি গড়ে তুলতে হবে। এ ক্ষেত্রে চিন্তার কাঠামো গড়াই ছিল তিন শূন্যের মূল কথা। পরিষ্কারভাবে বলা আমরা কী চাই?

এ সময় প্রশ্নকর্তা বলেন, এই তত্ত্ব বাস্তবায়িত হলে আমাদের পৃথিবী অনেক সুন্দর হবে।

ড. ইউনূস বলেন, আমাদের পৃথিবীর সুন্দর হবে না কিন্তু বেঁচে যাবে। বর্তমান যে পৃথিবী, যে সভ্যতা কাঠামোতে আমরা আছি, এই কাঠামোতে পৃথিবীর বেঁচে থাকার কোনো সুযোগ নেই। এটা একটা আত্মহননকারী সভ্যতা। কাজেই আত্মহনন থেকে রক্ষা করে একটি সুন্দর সভ্যতার দিকে নিয়ে যেতে হলে বিশ্বকে প্রথমে এই অবস্থা থেকে সরিয়ে আনতে হবে।

প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে চীন সফরের অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার খুবই ভালো লাগছে। সবার সঙ্গে দেখা হচ্ছে। পুরনো বন্ধুবান্ধব যারা আছেন, তাদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আমাদের বহু কাজ একসঙ্গে হচ্ছে, যেমন আমার বন্ধু প্রফেসর ড্যু বহুদিন থেকে এগুলো থেকে (গ্রামীণ ব্যাংক) উৎসাহ নিয়েছেন। তার প্রতিষ্ঠান চায়নিজ একাডেমি অব স্যোশাল সায়েন্সেস ওনার পরিচালনায় চলে। তিনি খুবই আগ্রহী হলেন এটা জানতে। বাংলাদেশে আসলেন এটা বোঝার জন্য। এরপর চীনের বিভিন্ন জায়গায় তার এ কর্মসূচি প্রচার করেছেন। তার মাধ্যমে মাইক্রেক্রেডিট অ্যাসোসিয়েশন অব চায়না এ রকম একটা বড় প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে। অনেকে এটার অনুকরণ করেছে। ফলে অ্যাসোসিয়েশন তৈরি হয়েছে। তারা বার্ষিক সম্মেলন করে, নানা উৎসব করে। এগুলো আবার মনে পড়ে গেল ওনাকে দেখে।

তিনি বলেন, আরও অনেক বন্ধুবান্ধব যারা ছিলেন, তাদের সঙ্গে দেখা হলো এ উপলক্ষে। এই পরিবর্তনটা তার নজরে পড়েছে। আগে ছিলাম নিজের কাজ নিয়ে, এখন আবার সরকারের মধ্যে কী বিপদে পড়লাম, তা বুঝতে চাচ্ছেন তারা। কী হবে? কেমন হবে? তবে সর্বাত্মকভাবে যেটা হলো ভীষণ রকমের একটা সমর্থন পেলাম সবার কাছ থেকে। বিশেষ করে চীন সরকারের পক্ষ থেকে। তাদের সমর্থন একবারে সীমাহীন সমর্থন। কাজেই এটা আমাদের একটা আনন্দ দেয়। এ রকম পরিস্থিতিতে চীনের সমর্থন পাওয়া, সহযোগিতা পাওয়া খুবই দরকারি।

কারণ আমরা বড় রকমের সংস্কার করতে চাই। দেশকে নতুনভাবে গড়তে চাই। এখানে অনেক সাহায্য সহযোগিতার প্রয়োজন আছে, বলেন তিনি।

প্রশ্নকর্তা বলেন, এ বছর চীন সফরে এসে যেই ভাষণ দিয়েছেন, তাতে চীনা দর্শক এবং অন্যান্য দেশের অতিথিদের কাছে কেমন সাড়া পেয়েছেন?

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, খুবই ভালো, আমি যেগুলো বলতে চেয়েছি তাদের মনে দাগ কেটেছে বলে মনে হয়। কারণ উচ্চতর স্থানে আসীন এমন ব্যক্তি, উপপ্রধানমন্ত্রী অনেক প্রশংসা করলেন। বিশেষ করে তিন শূন্যের কথাটা বললাম। আমি মনে করেছিলাম এগুলো বোধ হয় উনি বুঝতে পারবেন না ৷ কিন্তু উনি এসে বললেন, ওনার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। বিশেষ করে তরুণদের মনের মধ্যে যে এটা ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছ, এটা আমার কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। আমার কাছে ভালো লেগেছে। আমি চিন্তা করে দেখব, কীভাবে এটাকে নিয়ে আমরা কাজ করতে পারি।

তিনি আরও বলেন, আমি বক্তৃতা দেওয়ার পর অনেকেই কথা বলতে এসেছিল। আমার পাশে যিনি বসেছিলেন, তিনি উচ্চকণ্ঠে প্রশংসা করলেন। এই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে যে মানুষের মনে দাগ কাটতে পেরেছি, এটা দেখে আমি খুব খুশি হয়েছি।

এ সময় প্রশ্নকর্তা অধ্যাপক ইউনূসের কাছে জানতে চান, চীনের প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের আলাপ-আলোচনা কেমন হয়েছে।

জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খুবই ভালো হয়েছে। প্রেসিডেন্ট শি মনে করতে পেরেছেন যে তার সঙ্গে আমার ২০০৯ সালে দেখা হয়েছিল। তখন তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। আমি তারই আহ্বানে তার অফিসে সাক্ষাৎ করেছিলাম। সেখানে আমাদের মধ্যে মাইক্রোক্রেডিট নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, সেটার কথা তিনি উল্লেখ করেছেন।

আলোচনা তার মনে দাগ কেটেছিল, তিনি সেটাও বললেন। তিনি ফুজিয়ান প্রভিন্সের একজন গভর্নর ছিলেন। সে সময় তার বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল, তিনি সেসবের কথাও আমাকে বলেছেন এবং এই মাইক্রোক্রেডিটের চিন্তা তার খুব মনে ধরেছে, সেটাও তিনি উল্লেখ করেছেন। গভর্নর হিসেবে তার অভিজ্ঞতা, দারিদ্র্য মোচনে কী কী উপায় হতে পারে এবং তার মধ্যে এটাও (ক্ষুদ্রঋণ) একটি উপায় হিসেবে তিনি গ্রহণ করেছিলেন, সে জন্য সেটা তার খুব মনে ধরেছে বলে তিনি আমাকে জানিয়েছেন।

আমাদের আলোচনা খুবই সুন্দর হয়েছে। বাংলাদেশের এই পরিস্থিতিতে আমরা কী কী করতে পারি, সেটা তার কাছে আমরা তুলে ধরেছি। এ ক্ষেত্রে আমাদের সাহায্য সহযোগিতা ও সমর্থন লাগবে। তিনি সমর্থন দিতে আগ্রহী হয়েছেন। তিনি বলেছেন, আপনাদের যা লাগে আমরা সেটা চেষ্টা করব আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চীনের সমাজবিজ্ঞান একাডেমির গ্রামীণ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের গবেষক অধ্যাপক ড্যু, তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, আপনার চোখে আপনি কীভাবে প্রফেসর ইউনূসকে মূল্যায়ন করছেন?

প্রফেসর ড্যু বলেন, দারিদ্র্য নিয়ে গবেষণার সময় আমরা খেয়াল করেছি অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে গ্রামীণ ব্যাংকের একটি দল ১৯৭৬ সাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কাজ শুরু করেছে। ১৯৮৩ সালে তিনি গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন, আর আমি দারিদ্র্য বিমোচন নিয়ে গবেষণা করি। আমি ভেবেছি আমরা কি তার অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারি? এ কারণে ১৯৯৩ সালে আমরা বাংলাদেশে যাই। তারপর থেকে ইউনূসের সঙ্গে আমাদের সরাসরি যোগাযোগ শুরু। যদিও তিনি একজন অধ্যাপক তবে তিনি দরিদ্রদের বিশেষ করে তার দেশের দরিদ্র নারীদের নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন ছিলেন।

প্রফেসর ড্যু বলেন, তিনি যে কেবল শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন তা নয়, বিশ্বজুড়ে থাকা দারিদ্র্য বিমোচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সংগঠনগুলো তার ভূয়সী প্রশংসা করে। আপনি গ্রামাঞ্চলে গরিবদের জন্য যেভাবে ক্ষুদ্রঋণের সিস্টেম চালু করেছেন, এটা শুধু বাংলাদেশ নয়, চীনসহ বিশ্বের অনেক দেশের লোকেরা এটার উপকার পেয়েছেন।

এ অনুষ্ঠানে এসে অধ্যাপক ইউনূসের মধ্যে তিনি কোনো পরিবর্তন দেখেছেন কি না, এ প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক ড্যু বলেন, তিনি এখনো আমার পুরনো বন্ধুর মতোই আছেন। দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্র থেকে তার দেশের রাষ্ট্রীয় নেতার পদে আছেন। তিনি আরও বৃহত্তর পরিসরে ভূমিকা পালন করছেন। তিনি অত্যন্ত দায়িত্বশীল ব্যক্তি। এটা কোনো সহজ কাজ নয়। তিনি নিজের পরিচিত ক্ষেত্রে অতুলনীয় সাফল্য অর্জনের পাশাপাশি এখন দেশের জন্য অপরিচিত ক্ষেত্রে নতুন পথ সুগমের কাজ করছেন, তাকে আমি খুব শ্রদ্ধা করি।

এ সময় তিনি পুরাতন কিছু ছবি দেখিয়ে বলেন, দেখুন, অধ্যাপক ইউনূস চীনের চিয়াংশু গ্রামে গিয়েছিলেন। তিনি আমাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। একটি ক্ষুদ্রঋণব্যবস্থায় সুবিধাভোগী নারী তাকে সনদও দিয়েছেন।

এরপর তিনি বলেন যে তিনি আশা করেন অধ্যাপক ইউনূস চীনেও বড় সাফল্য অর্জন করবেন।

জবাবে অধ্যাপক ড. ইউনূস তাকে সহাস্যে বাংলাদেশে আসার উষ্ণ আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, আপনাকে বাংলাদেশে আসতে হবে।

প্রধান উপদেষ্টাকে করা পরবর্তী প্রশ্নটি ছিল, চীন ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে অর্থনীতি ও বাণিজ্য একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ক্ষেত্রে আর কী কী অগ্রগতি করা যেতে পারে বলে আপনি মনে করেন?

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সব বিষয়ের অগ্রগতি হতে পারে। আজকের সভায় প্রাথমিক আলোচনা হলো। তারা বাংলাদেশে আসবেন, আর নতুনভাবে কী কী ক্ষেত্র তৈরি করা যায়, সেটা দেখবেন। সেই সঙ্গে বর্তমানে যেসব সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, সে সুযোগগুলো গ্রহণ করার জন্য তাদের আহ্বান জানালাম। তারা সেসব সুযোগ গ্রহণের জন্য সাগ্রহে রাজি হয়েছেন। আমরা চীনে অনেক বন্ধু পেয়েছি। এ বন্ধুত্বকে আমরা কাজে লাগাব যেন আবার নতুনভাবে বাংলাদেশটা গড়ে তুলতে পারি।

এ সময় অধ্যাপক ইউনূসকে প্রশ্ন করা হয়, ২০২৫ সাল হলো চীন ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ বছর উপলক্ষে এ দুই দেশের সম্পর্ক গভীরতর করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কি না।

জবাবে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমরা সব সময় চেষ্টা করব দুই দেশে সম্পর্ক গভীরতর হোক। এই উপলক্ষে আমরা আরও বেশি সচেষ্ট হব এবং সে কারণেই এখানে আসা। চীনের নেতা যারা আছেন, তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও বৈঠক করা। এটা আমরা করতে পেরেছি এবং আমরা মনে করি যে আমাদের কথাগুলো তারা খুব মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং আমাদের কাজে তারা আমাদের সমর্থন করবেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কোকোর শাশুড়ির মৃত্যুতে তারেক রহমানের শোক

চোখজুড়ানো ফুলে প্রকৃতি মাতাচ্ছে মেঘশিরীষ

বার্সা পয়েন্ট খোয়ানোয় জমে উঠেছে লা লিগার শিরোপা রেস

সাত বিভাগে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

ভারতে দুর্ঘটনার কবলে ৭০ বাংলাদেশি পর্যটকবাহী বাস

সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল

‘নিজেই আইডি খুলে ধর্ষণের হুমকি ছাত্রদল নেত্রীর’

বৈঠকে বিএনপিকে কী বলেছে হেফাজত

১০

রাফায় অবশিষ্ট ভবনও গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইসরায়েল, নিহত ২৭

১১

রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারীকে নিয়ে নিউইয়র্কে মতবিনিময় সভা

১২

রাশিয়া সফরে গেলেন সেনাপ্রধান

১৩

চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করায় লম্পট বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

১৪

টিকটকারের কথায় ভিডিও করতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু

১৫

আবারও মিথ্যাচারের অভিযোগ টিউলিপের বিরুদ্ধে

১৬

আইএমএফের সঙ্গে আজ বৈঠকে বসবে বাংলাদেশ

১৭

ট্রাম্পের কর্মকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন ওবামা

১৮

সাতসকালে ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’

১৯

বাংলাদেশসহ ১৩ দেশের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা সৌদির

২০
X