কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২৩, ০৪:৩৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

নতুন শিক্ষাক্রম বাতিলের দাবিতে অভিভাবকদের মানববন্ধন

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নতুন শিক্ষাক্রম বাতিলের দাবিতে অভিভাবকদের মানববন্ধন। ছবি : কালবেলা
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নতুন শিক্ষাক্রম বাতিলের দাবিতে অভিভাবকদের মানববন্ধন। ছবি : কালবেলা

নতুন শিক্ষাক্রম বাতিল, নম্বরভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু এবং শিক্ষার্থীদের দলগত কাজে ডিভাইসমুখী হতে অনুৎসাহিত করাসহ ৮ দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে সম্মিলিত শিক্ষা আন্দোলন।

আজ শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।

মানববন্ধনে সম্মিলিত শিক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক রাখাল রাহা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক নাসির আহমেদসহ প্রায় শতাধিক অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন।

মানবনন্ধনে রাখাল রাহা বলেন, একটি কারিকুলাম প্রণয়নে বিভিন্ন মহলে আলোচনা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী কি না সেটি ভাবার প্রয়োজন ছিল। সংসদে ও মন্ত্রিপরিষদে এ কারিকুলামে আলোচনা হওয়ার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এসব হয়েছে কি না আমরা জানি না। যদি হতো তাহলে এমন কারিকুলাম প্রণয়ন করা হতো না।

তিনি বলেন, আমাদের আহ্বান থাকবে অবিলম্বে আমাদের শিক্ষার্থী ও জাতি ধ্বংসের এই কারিকুলামের প্রকল্প বন্ধ করুন। দেশের পরবর্তী প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে এ কারিকুলাম বন্ধ করার বিকল্প নেই।

সমাবেশে অভিভাবকরা বলেন, শিক্ষার্থীদের দলগত কাজে ডিভাইসমুখী হতে অনুৎসাহিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের অধ্যায়নমুখী করতে হবে। যে ইন্ডিকেটর দিয়ে বাচ্চাদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে, সেটি তো প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রযোজ্য। যারা পড়তে জানে না, সংখ্যা চেনে না... তাদের এসব ইন্ডিকেটর শেখাতে হয়। কিন্তু আমাদের বাচ্চাদের এসব শিখিয়ে তাদের প্রতিবন্ধী করা হচ্ছে।

তারা বলেন, নতুন এ কারিকুলামে আমাদের ব্যয়ও বাড়ছে। আমরা এত ব্যায় কুলিয়ে উঠতে পারছি না। প্রতিদিন কাগজ, কলম ও পেন্সিলের পাশাপাশি এখন নতুন নতুন সরঞ্জাম যুক্ত করা হচ্ছে। শিক্ষা ব্যয়ের দিকেও রাষ্ট্রকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

সম্মিলিত শিক্ষা আন্দোলনের ৮ দফা দাবি হলো- নতুন কারিকুলাম বাতিল; নম্বর ভিত্তিক দুইটি সাময়িক লিখিত পরীক্ষা চালু ও ক্লাস টেস্টগুলোকে ধারাবাহিক মূল্যায়ন হিসাবে গণ্য করা; নবম শ্রেণি থেকেই শিক্ষার্থীদের বিষয় নির্বাচনের সুযোগ অথবা বিজ্ঞান বিভাগ রাখা; ত্রিভুজ, বৃত্ত, চতুর্ভুজ ইত্যাদি নির্দেশক বাতিল করে নম্বর ও গ্রেডভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি বহাল রাখা; শিখন, প্রজেক্ট ও অভিজ্ঞতা ভিত্তিক ক্লাসের ব্যয় সরকারকে বহন করা; শিক্ষার্থীদের ডিভাইসমুখী হতে অনুৎসাহিত করতে তাত্ত্বিক বিষয়ে অধ্যয়নমুখী করা; নিবন্ধন ও সনদ প্রদানের সিদ্ধান্ত বাতিল, প্রাথমিক ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা চালু, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা বহাল রাখা এবং সব শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের আগে অবশ্যই তা মন্ত্রিপরিষদ এবং সংসদে উত্থাপন করা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক শুরু​​​​​​​

বাসে ডাকাতদের তাড়া, যাত্রীদের বাঁচিয়ে প্রশাসংসায় ভাসছেন চালক

৬৪ দলের বিশ্বকাপের বিপক্ষে উয়েফা সভাপতি

ভারতে ওয়াকফ বিল পাসের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের বিবৃতি

হেডফোনে কথা বলার সময় ট্রেনের ধাক্কায় যুবক নিহত

ভারতে বহুল বিতর্কিত বিলটি পাস হলে মুসলিমদের লাভ না ক্ষতি

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ২১ পয়েন্ট যেন মৃত্যুফাঁদ

জাতীয় নির্বাচন অন্তর্বর্তী সরকারের এজেন্ডার শীর্ষে : ড. ইউনূস

থাই বিশিষ্টজনদের সঙ্গে ড. ইউনূসের বৈঠক

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে আদালতের রায়

১০

বিএনপি নেতা বাশারকে লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ

১১

পুলিশের সামনে বীর মুক্তিযোদ্ধার ওপর হামলা

১২

৩ স্কুলে ইসরায়েলের মিসাইল হামলা

১৩

গাজায় ইসরায়েলের মুহুর্মুহু হামলা, শতাধিক নিহত

১৪

আজও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’

১৫

আজ ঢাকার আবহাওয়া যেমন থাকবে

১৬

০৪ এপ্রিল : ইতিহাসের এই দিনে যা ঘটেছিল

১৭

০৪ এপ্রিল : আজকের নামাজের সময়সূচি

১৮

বাণিজ্যের বিশ্বযুদ্ধ শুরু করলেন ট্রাম্প

১৯

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বাংলাদেশি যুবক নিহত, লাশ ফেরত চায় পরিবার

২০
X