এক প্রতিষ্ঠান থেকেই মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেলেন ৫৩ শিক্ষার্থী। নীলফামারীর সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থী তারা। প্রতিবছর এ কলেজ থেকে অসংখ্য শিক্ষার্থী মেডিকেল, বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পান।
এ বছর যারা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন তারা হলেন- ঢাকা মেডিকেল কলেজে ফাহিম ও সুমাইয়া শারমিন। রংপুর মেডিকেল কলেজে সৌরভ, মণিষা, খাদিজা, সাদিকুল, পর্শিয়া, রেজওয়ানা, জোবাদুর ও মুয়াজ আলম। রাজশাহী মেডিকেল কলেজে সুমাইয়া, তারিন, প্রজ্ঞা, রাইসা, ফজলে রাব্বি ও রুশো। নীলফামারী মেডিকেল কলেজে মিম, কিবতিয়া ও নাফিস ফুয়াদ। দিনাজপুর মেডিকেল কলেজে তুশিন, কণা, ঋতু, মারিয়া, মুনতাহা ও সায়েমুজ্জামান। সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজে মেধা ও অংকন। বগুড়া মেডিকেল কলেজে আশা, জুথি, জেরিন ও নখবাত তাবাসসুম রাইয়ান।
এ ছাড়াও পাবনা মেডিকেল কলেজে তিথি, তানজিলা ও মামুনি। নওগাঁ মেডিকেল কলেজে শুভ রায়। সিলেট মেডিকেল কলেজে রুমাইয়া। গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজে আল আমিন। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে শেখ মাঈন। সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে রিয়াদ ও তৌফিকা। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে আরিফ মুহাইমিন ও প্রিয়াঙ্কা। তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজে মারজানা। কিশোরগঞ্জ মেডিকেল কলেজে জাফরুন্নেসা। সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে সোহানী মণ্ডল রাধা ও আতিয়া। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে হৈমন্তী এবং যশোর মেডিকেল কলেজে মুমতামিম মাহবুব রুহান।
এই সাফল্যের ব্যাপারে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ জানান, এ বছরে ৫৩ জন এবং গত বছরে ৫২ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আন্তরিকতার কারণে এ ফলাফল অর্জিত হয়েছে।
শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রতিবছর মেডিকেল ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ধারাবাহিক সফলতা ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে বলেও জানান এ অধ্যক্ষ।
প্রসঙ্গত, এ প্রতিষ্ঠান থেকে এ বছরে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ২৬২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছেন। তার মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৫৫ জন। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২০২৪ সালে ৫২ জন, ২০২৩ সালে ৩৫ জন, ২০২২ সালে ৩৯ জন, ২০২১ সালে ৪০ জন, ২০১৯ সালে ৩৬ জন ও ২০১৮ সালে ৩৮ জন শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।
মন্তব্য করুন