পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহে বাংলাদেশের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের প্রায় ৩০০ বৃত্তির ব্যবস্থা রয়েছে। এর আওতায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থীরা বিশেষ সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ এ তথ্য জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট রুমে মতবিনিময় সভায় তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন। এর আগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। এ সময় দু’দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়।
এতে শিক্ষা ও গবেষণায় দু’দেশের মধ্যে কার্যক্রম পরিচালনায় বেরোবি উপাচার্যের আগ্রহ শুনে পাকিস্তানের হাইকমিশনার সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে আরও সহযোগিতায় গুরুত্বারোপ করেন।
বেরোবি উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম উন্নত, সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে পরিচালনার পাশাপাশি দেশে-বিদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষা ও গবেষণা বিনিময়ে যৌথ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তিনি দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি, যৌথ গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ ও প্রকাশনা কার্যক্রম পরিচালনা, একাডেমিক কর্মশালা, সেমিনার আয়োজন ও শিক্ষামূলক বিনিময় কার্যক্রম পরিচালনার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান হাইকমিশনের রাজনৈতিক কাউন্সিলর কামরান দঙ্গল ও বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ক অ্যাটাশে জাইন আজিজ।
এ ছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন কলা আইকিউএসি পরিচালক প্রফেসর ড. মো. তাজুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার ড. মো. হারুন-অর-রশিদ, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াছ প্রামাণিক, প্রক্টর ফেরদৌস রহমানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা। সাক্ষাৎ শেষে উপাচার্য পাকিস্তান হাইকমিশনের প্রতিনিধিদলকে স্মারক উপহার প্রদান করেন। পরে প্রতিনিধি দলটি রংপুরের মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দে বেগম রোকেয়া স্মৃতি কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন