দুই ভাইকে মারধরের অভিযোগ এনে নরসিংদী সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন মানসুর মিয়া নামে একনজন।
রবিবার (২ জুন) মহিষাশুড়া ইউপি চেয়ারম্যান মুফতি কাউছার আহমেদ ও একই ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য সমির হাসানকে আসামি করা হয়।
এর আগে একই অভিযোগ এনে গত ২৭ মে নরসিংদী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মানসুর মিয়া ও তার সৎভাই মাঈনুদ্দিনের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল অনেকদিন। বিরোধ মীমাংসার জন্য উভয়পক্ষকে মহিষাশুড়া ইউপি চেয়ারম্যান মুফতি কাউছার আহমেদ ও ইউপি সদস্য সমির হাসান ইউপি কার্যালয়ে ডাকেন। বিচারের নামে চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য মিলে একতরফা রায় প্রদান করে এবং খালি কাগজে স্বাক্ষর দিতে বলে। এতে রাজি না হওয়ায় মারধর করে। এ সময় মানসুরকে বাঁচাতে এসে ছোট ভাই অহিদুল্লাহও মারধরের শিকার হয়। পরে সাদা কাগজে স্বাক্ষর রেখে তাদের ছেড়ে দেয় তারা।
মানছুর মিয়া বলেন, আমার সৎ ভাইয়েরা আমাদের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে জমি ভোগ করতে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করে আসছে। অত্যাচারের কোনো বিচার পাই না। তাদের পক্ষ নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যসহ অন্যরা আমাকে লাঞ্ছিত করেছে। বিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ এবং নরসিংদীর আদালতে মামলা করেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
মহিষাশুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুফতি কাউছার আহমেদ বলেন, আমি একজন জনপ্রতিনিধি, আমার কাছে সকলেই সমস্যার সমাধানের জন্য আসে। সে অনুযায়ী সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করে সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করি। সবার মন তো আর খুশি করা যায় না। বিচার করতে গেলে একপক্ষ খুশি হয়, আরেকপক্ষ বেজার হয়। আমি একজন আলেম মানুষ, চেষ্টা করি সঠিক বিচার করতে। এর মধ্যে কেউ যদি খুশি না হয়, সে আদালত, প্রশাসনসহ অন্য যেকোনো স্থানে যেতে পারে, তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই।
মন্তব্য করুন