লম্বায় ১০ ফুট, উচ্চতায় সাড়ে ৫ ফুটেরও বেশি। চেহারায় রাজকীয় ভাব, তাই নাম রাখা হয়েছে রাজাবাবু। তাকে লালনপালনও করা হচ্ছে একরকম রাজকীয়ভাবে। অলস রাজার মতো সে সারাদিন খায় আর ঘুমায়।
সাদাকালো রঙের প্রাণিটির ওজন দেড় হাজার কেজিরও বেশি। এত বড় রাজাবাবুকে দেখতে আসেন স্থানীয়রা, তাতে রাগ করে না সে। শরীরে বিশালাকার হলেও স্বভাবে খুবই শান্ত।
সোনালি আর লাল রঙের মুখোশ পরালে বিশালদেহী রাজাবাবুকে বেশ লাগে। ফ্রিজিয়ান জাতের এই ষাড়টিকে দেখতে ভিড় জমান উৎসুক জনতা। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার খানুরবাড়ি গ্রামের কৃষক মজনু মিয়া ও স্ত্রী জোসনা খাতুন পরম যত্নে লালনপালন করে আসছেন তাকে। তার খাবারের তালিকায় থাকে কাঁচা ঘাস, ভুট্টা, ভুসি, কাঁচা ছোলাসহ নানা দানাদার শস্য।
কৃষক মজনু মিয়া জানান, সন্তানের মতোই আদর করে রাজাবাবুকে পালছেন তারা। তার থাকার ঘরে লাগিয়েছেন ফ্যান ও লাইট। কোরবানি ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন গরুটিকে। দাম হাঁকিয়েছেন ১৩ লাখ টাকা। আলোচনার মাধ্যমে দাম আরেকটু কমানোর কথা জানিয়েছেন মজনু মিয়া।
১১ হাজার টাকা দিয়ে কেনা বাছুরের দাম মাত্র ৩ বছরের ব্যবধানে গিয়ে ঠেকেছে ১৩ লাখ টাকায়। ঠিকঠাক যত্ন করলে গরু পালন করে যে কতটা লাভবান হওয়া যায়, সেটাই প্রমাণ করলেন মজনু মিয়া দম্পতি। অন্য চাষিরা এই ঘটনা থেকে অনুপ্রেরণা খুঁজে নিতে পারে।
মন্তব্য করুন