নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্ধারিত ভোট না পাওয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ শামীম জামানত হারালেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৫ হাজার ৬০৫।
বুধবার (২২ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলী বলেন, উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ৮০ হাজার ২৩৯ জন। এর মধ্যে ভোট পড়েছে ৯৯ হাজার ৭৭৯টি।
নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী, প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট যদি মোট প্রদত্ত ভোটের ১৫ শতাংশের কম হয়, তাহলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। সেক্ষেত্রে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাঈদ শামীম নির্ধারিত ভোটের চেয়ে কম পাওয়ায় জামানত হারাবেন।
আবু সাঈদ শামীমের বাড়ি উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের খালিশা খুটামারা এলাকায়। তিনি জলঢাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি আনারস প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ মে) রাতে ভোটগণনা শেষে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জি আর সারোয়ার এ ফল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আনছার আলী মিন্টু ঘোড়া প্রতীকে ৩৯ হাজার ৬৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকের গোলাম আজম এলিচ পেয়েছেন ৩১ হাজার ৪৬ ভোট।
চেয়ারম্যান পদে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর (চিংড়ি মাছ) প্রতীকে পেয়েছেন ২১ হাজার ৮৩৪ ভোট এবং আবু সাঈদ সামিম (আনারস) প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৬০৫ ভোট। এ উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ৮০ হাজার ২৩৯ জন। এ উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১০৫টি এবং বুথ ৭৪১টি।
উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ শামীমের শোচনীয় পরাজয় ও জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি কালবেলাকে বলেন, দলীয় নেতাকর্মীরা আমার হয়ে কাজ না করায় এ পরাজয়ের সম্মুখীন হতে হয়েছে।
মন্তব্য করুন