শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৪, ১০:১৭ পিএম
আপডেট : ২১ মে ২০২৪, ১০:৩০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

নকলায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মাহবুবুল

অ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম সোহাগ। ছবি : সংগৃহীত
অ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম সোহাগ। ছবি : সংগৃহীত

শেরপুর জেলার নকলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে নকলা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম সোহাগ প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২১ মে) রাতে নকলা উপজেলা পরিষদের নির্বাচনী ফল ঘোষণা কেন্দ্র থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রের ফল মাইকে ঘোষণা করা হয়। সেই হিসাবে প্রায় দুই হাজার ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. মোকশেদুল হক শিবলু।

জানা যায়, অ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম সোহাগ পেয়েছেন ২০ হাজার ৬৫৪টি ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মা. মোকশেদুল হক শিবলু পেয়েছেন ১৯ হাজার ২১৩টি ভোট।

এদিন সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। ভোট চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সকাল থেকে ভোটার উপস্থিতি একটু কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ভোটার উপস্থিতি।

এদিকে নির্বাচনকে উৎসবমুখর, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনী এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স নিয়োজিত ছিল। এ ছাড়াও প্রতিটা ইউনিয়নে নিয়োজিত ছিলেন একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট। তবে জালভোট দেওয়ার চেষ্টা করায় একজনকে তিন দিনের জেল, একজনকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ও একজনকে কিছু সময়ের জন্য আটকের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম সোহাগ বলেন, আমি ১৯৯৬ সালে যুবলীগের থানা কমিটির সদস্য হিসেবে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রবেশ করি। ২০১৫ সালে নকলা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হই। বর্তমানে আমি সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। আমার দীর্ঘ সময়ের রাজনীতিতে কোনো অনিয়ম, অবিচার বা আর্থিক কেলেঙ্কারি আমাকে স্পর্শ করতে পারেনি। আমি ২০১৮ সালে নকলা উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচনে প্রথমবারের মতো নৌকা প্রতীকে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছিলাম। সেই এক বছর আমি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পরিষদ পরিচালনা করেছি। সেই সঙ্গে আমি শেরপুর জেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলাম। ২০১৯ সালে আমি দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে দলের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন করে জিতিয়ে আনতে কাজ করেছি। জননেত্রী শেখ হাসিনা এবার নির্বাচন উন্মুক্ত করে দিয়েছেন, তাই আমি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। আমি এরইমধ্যে বড় একটি নির্বাচনী ইসতেহার দিয়েছি। এখন আমার প্রথম কাজ হলো আমার দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা।

উল্লেখ্য, নকলা উপজেলায় ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬০৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। আর এই নির্বাচনে মোট ১৪ জন প্রার্থী বিভিন্ন পদে প্রতিযোগিতা করেছেন। তাদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঈদে দাওয়াত দিয়ে এনে জামাইকে গণধোলাই

সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে এবার মুখ খুললেন মোদি

হাওরের গাছে ঝুলছিল সবজি বিক্রেতার লাশ 

‘আমার সব শেষ হয়ে গেল’

আট সন্তান থাকতেও ৯০ বছরের বৃদ্ধার জায়গা খোলা আকাশের নিচে

চুরি করতে গিয়ে পোশাক ও ছবি ফেলে গেল চোর

মা-বাবা, দুই বোনের পর চলে গেলেন প্রেমাও

ট্রাম্পের শুল্কারোপ / শত বছরের বিশ্ব বাণিজ্যে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন

ড. ইউনূসের সঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক 

কাহালু সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন

১০

বাংলাদেশে ইসলামি চরমপন্থা নিয়ে প্রেস সচিবের পোস্ট

১১

আগে ছিলেন আ.লীগ নেতা, বিএনপিতে পেলেন সদস্যসচিবের পদ

১২

জনবসতিহীন পেঙ্গুইন দ্বীপে ট্রাম্পের শুল্কারোপ

১৩

মোদিকে ছবি উপহার দিলেন ড. ইউনূস

১৪

থাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ড. ইউনূসের বৈঠক

১৫

হাসিনার প্রত্যর্পণসহ যেসব বিষয় আলোচনা হলো ড. ইউনূস-মোদির

১৬

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাই বিশিষ্টজনদের সমর্থন চাইলেন ড. ইউনূস

১৭

দুদিনেও জ্ঞান ফেরেনি প্রেমার, স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে আরাধ্যকে

১৮

রাত থেকে বন্ধ অনলাইনে ট্রেনের টিকিট বিক্রি

১৯

মাদারীপুরে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল ২৫ দোকান

২০
X