বান্দরবানের রুমায় যৌথবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সদস্য নিহত হয়েছেন। রোববার (১৯ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র, বেতার যন্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমী সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডেবাছড়ার গভীর অরণ্যে কেএনএফ আস্তানা গেড়েছে- এমন খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে। সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। ঘণ্টাব্যাপী গুলি বিনিময়ের পর সেখান থেকে কেএনএফের দু’জন সদস্যের লাশ ও একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তিনিও মারা যান। নিহতদের এখনো কোনো পরিচয় পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, গত ২ এপ্রিল রুমা উপজেলায় কেএনএফের সশস্ত্র হামলায় সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার নিজাম উদ্দিনকে অপহরণ, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর ১৪টি অস্ত্র লুট, ভাঙচুর এবং ৩ এপ্রিল থানচি উপজেলায় সোনালী ও কৃষি ব্যাংকে হামলা চালিয়ে টাকা লুটের ঘটনা ঘটে।
রুমার ঘটনার ১৭ ঘণ্টা পর থানচি উপজেলার সোনালী ও কৃষি ব্যাংকের দুটি শাখা থেকে সাড়ে ১৭ লাখ টাকা লুট করে অস্ত্রধারীরা। দুটি ঘটনায় পাহাড়ে সশস্ত্র সংগঠন ‘কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট-কেএনএফ’ জড়িত বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।তবে দু’দিন পর রুমার একটা পাহাড়ি এলাকা থেকে ছাড়া পান সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২ উপজেলায় ৯টি মামলা হয়। কেএনএফকে দমনে মাঠে নামে যৌথ বাহিনী।
যৌথ অভিযানে কেএনএফের সহযোগী লাল লিয়ান সিয়াম বম ও সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান সমন্বয় চেওসিম বমসহ পর্যায়ক্রমে ৭৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন