কুমিল্লার প্রাচীনতম লালমাই পাহাড়ে প্রথম বাণিজ্যকভাবে আনারস চাষে সফলতা পাওয়া গেছে। কুমিল্লা থেকে বরুড়া যাওয়ার পথে প্রাচীনতম চন্ডি মন্দির (চন্ডি টিলার) পূর্ব পাশ দিয়ে আঁকাবাঁকা পথে প্রায় এক কিলোমিটার গহিন পাহাড়ে চাষ করা হয়েছে আনারস।
দুই একর ৫০ শতক জায়গার ওপর লালমাইয়ের দুতিয়াপুর এলাকার আব্দুর রশিদ, বড় ধর্মপুর এলাকার নিয়াজ ও আব্দুল মান্নান নামে তিনজন কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রম ও অর্থের জোগানে বাণিজ্যিকভাবে আনারসের চাষাবাদে সফলতা পেয়েছেন। প্রায় ৬৫ হাজার আনারসের চারা রোপণ করেছেন তারা। বর্তমানে শতকরা ৯৮ ভাগ রোপণকৃত চারা গাছে ফলন দিয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি আনারস গাছে নতুন চারা গাছ রয়েছে প্রায় ৬ থেকে ৭টি যা আনারস ফল বিক্রির পরে চারা হিসেবে বিক্রি করতে পারবে।
পাহাড়ের ঢালু ও মাঝের সমতল ভূমিতে আনারসের চাষ দেখতে প্রতিদিন উৎসুক মানুষ ভিড় করেন।
কৃষক আব্দুর রশিদ বলেন, আমরা এই আনারস বাগানে অনেক পরিশ্রম করেছি, এখন সফলতা দেখতে পাচ্ছি। কৃষি অফিস থেকে আমাদের পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে।
সদর দক্ষিণ উপজেলা কৃষি অফিসার জোনায়েদ কবির খাঁন বলেন, কৃষকদের সার্বিক উন্নয়নে যথাসময়ে পরামর্শ দিয়ে থাকি আমরা আনারস চাষিদের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম করিনি। ফলনও ভালো হয়েছে, তাদের সফলতা দেখে অন্য কৃষকরাও আগ্রহী হবেন। লালমাই পাহাড়ের আনারস সম্প্রসারণের ভালো সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন