কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে খিরার ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। প্রতিদিন আড়তে বেচা-কেনা হচ্ছে কয়েক শ টন খিরা। হাওরাঞ্চল অধ্যুষিত এ উপজেলার উৎপাদিত এসব খিরা স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে আড়ৎ থেকে প্রতিদিন ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে বলে জানান স্থানীয় আড়তদাররা।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে এবার ২৫৫ হেক্টর জমিতে খিরা চাষ হয়েছে। সাতটি ইউনিয়নের বিভিন্ন কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি একর জমিতে ভাড়া বাবদ ২৫ হাজার টাকা এবং বপন, সার, কীটনাশক, হাল ও শ্রমিকসহ ৫০-৬০ হাজার টাকা ব্যয় হয়। বর্তমান বাজারে ১২ থেকে ১৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে খিরা। এ ক্ষেত্রে উৎপাদন খরচ উঠিয়ে লাভের আশা করছেন কৃষকরা।
উপজেলার জাওয়ার ইউনিয়নের কালনা গ্রামের প্রান্তিক কৃষক ফয়েজ উদ্দিন বলেন, এবার ২০ শতাংশ জমিতে খিরা চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে কিন্তু দামটা মোটামুটি পাচ্ছি।
ধলা ইউনিয়নের তেউরিয়া গ্রামের কৃষক আলী হোসেন বলেন, প্রতি বছর ধান ও সরিষা চাষ করলেও এবার ৩০ শতাংশ জমিতে খিরা চাষ করেছি। এতে ফলন ভালোই হয়েছে। এসব খিরা স্থানীয় বাজারে ১২ থেকে ১৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
তাড়াইল সদর বাজার মাদরাসা মার্কেটের কাচা বাজার খিরার হাটের আড়তদারদের সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, এবার খিরার ফলন ভালো হয়েছে। সেই সঙ্গে চাহিদা থাকায় ভালো দাম পাচ্ছে কৃষক।
এ প্রসঙ্গে তাড়াইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুমন কুমার সাহা বলেন, উপসহকারী কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন। সে সঙ্গে আবহাওয়া অনূকূলে থাকায় এই মৌসুমে খিরা চাষে কৃষকরা ভালো ফলন ও দাম পাচ্ছেন। আশা করছি উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
মন্তব্য করুন