সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মুহিবুর রহমান মানিক (নৌকা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শামীম আহমদ চৌধুরী (ঈগল) সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ঢিলের আঘাতে সাংবাদিকসহ ৫ জন আহত হয়েছেন।
রোববার (৭ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় সদর ইউনিয়নের সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের মূল ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উভয়পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই নৌকা ও ঈগলের সমর্থকরা সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেন। দুপুর আড়াইটার দিকে প্রথমে স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম আহমদ চৌধুরীর পক্ষে শামীম ও মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে ঈগল, ঈগল বলে শ্লোগান দেন সমর্থকরা। এরপর মুহিবুর রহমান মানিকের পক্ষে ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান মিজানের নেতৃত্বে (নৌকা) সমর্থকরাও নৌকা, নৌকা বলে শ্লোগান দিতে থাকেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয় ও হাতাহাতি শুরু হয়। এ ঘটনায় নৌকার সমর্থক সদর ইউনিয়নের মাঝেরগাঁও গ্রামের রুসমত আলী, পশ্চিম মাছিমপুর গ্রামের তেরাব আলী, রুবেল মিয়া ও আসুক মিয়া আহত হন। এছাড়াও ঈগল সমর্থকদের ঢিলের আঘাতে দৈনিক আমাদের সময় ও দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরের দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি আশিক মিয়া আহত হন।
দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর ও দৈনিক আমাদের সময়ের দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি আশিক মিয়া বলেন, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলাকালে ঢিলের আঘাতে আমার ডান হাত ফুলে গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে।
কেন্দ্রের পুরুষ ও মহিলা বুথের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার শারমিন সুলতানা ও মনিমালা দাশ বলেন, কেন্দ্রের ভিতরে কোনো গোলাযোগ বা মারামারি হয়নি। মূল ফটকের বাইরে হয়েছে। ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে চলছে।
প্রসঙ্গত, সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার রয়েছেন ৬ হাজার ১৪ জন। এর মধ্যে ২ হাজার ৯৭২ জন পুরুষ ও ৩ হাজার ৪২ জন মহিলা।
মন্তব্য করুন