সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের টেংগার গাঁও গ্রামের ৪টি পরিবারের লোকজনকে এক ঘরে করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিদ্যালয়েও যেতে পারছে না এই চার পরিবারের শিশুরা।
জানা যায়, টেংগার গাঁও গ্রামের মৃত মোখলিছুর রহমানের ছেলে আব্দুর রহিম ও একই গ্রামের মৃত আব্দুল হান্নানের ছেলে আজিম উদ্দিনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে গ্রামের মাতব্বরদের মধ্যে সালিশ বৈঠক হয়। এ বৈঠকে কতিপয় মাতব্বর সিদ্ধান্ত দেন আব্দুর রহিমদের দখল করা জমি প্রতিপক্ষকে দিয়ে দেওয়ার জন্য। মাতব্বরদের এ সিদ্ধান্ত অমান্য করলে তারা আব্দুর রহিম, বুধন মিয়া, আব্দুল মালিক ও আব্দুজ জাহিদের পরিবারকে সমাজচ্যুত করায় পাঁচ দিন ধরে তারা রাস্তাঘাটে চলাচল করতে পারছে না। গরু ছাগল মহিষ নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে মাঠে চরাতে পারছে না।
এমনকি এসব পরিবারের শিশুরা স্কুলে যেতে না পারায় লেখাপড়ায় মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। গ্রামের দোকান থেকে খাদ্য পণ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনে আনতে না পারায় অবরুদ্ধ হয়ে দুর্বিসহ জীবনযাপন করছে পরিবারের লোকজন। তাদের এ অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করতে আব্দুর রহিম বাদী হয়ে মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল খায়ের জানান মুরব্বিদের কথা অমান্য করায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তাফা মুন্না জানান, এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিপক্ষ আজিম উদ্দিনের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।
মন্তব্য করুন