তাড়াইল (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০২৩, ১২:২৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জে আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে আমন ধানের বিস্তীর্ণ ক্ষেত। ছবি : কালবেলা
কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে আমন ধানের বিস্তীর্ণ ক্ষেত। ছবি : কালবেলা

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে আমনের বাম্পার ফলনের আশা করছেন স্থানীয় কৃষকরা। আমনক্ষেতে সবুজের ঢেউ খেলানোর দৃশ্য চোখে পড়ছে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে উপজেলার সর্বত্রই। চলতি মৌসুমে এ উপজেলার কৃষকরা রোদবৃষ্টি মাথায় নিয়ে হাল চাষ, সেচ পানি দিয়ে আমন আবাদ করেছেন।

উপজেলার কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকার কর্তৃক বিনামূল্যে ধানের হাইব্রিড বীজ দেওয়ায় চলতি মৌসুমে উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে সাত হাজার ৫৫৫ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এরই মধ্যে সাত হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে।

গত বছর রোপা-আমন ধানের আবাদ ছিল সাত হাজার চারশত ৩৫ হেক্টর জমি।

বোরো মৌসুমে উন্নত বীজ আর সেচ সুবিধা ভালো থাকায় ধান আবাদে ফলন ভালো হওয়ায় এবার আমন চাষে কৃষকদের উৎসাহ কয়েকগুণ বেড়েছে। রোগবালাইয়ের প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে কৃষকরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছেন। উপজেলায় ব্রি-আর ২৮, ব্রি-আর ২৯ সহ বিভিন্ন প্রজাতির ধান চাষ করা হয়েছে। বোরোর চেয়ে আমন আবাদে ভালো ফলনের চেষ্টা করছেন কৃষকরা।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার তালজাঙ্গা, রাউতি ও তাড়াইল-সাচাইল সদর ইউনিয়নের মাঠে মাঠে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে আমন ক্ষেতে সবুজে সমারোহ হয়ে আছে। সবুজে ঘেরা আমনের মাঠে কৃষক ব্যস্ত সময় পার করছেন। শেষ পযর্ন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ মৌসুমে আমনের ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সাচাইল গ্রামের কৃষক আবদুল হাই বলেন, এ মৌসুমে ৩ বিঘা জমিতে আমন ধান রোপণ করা হয়েছে। সময়মতো সার দেওয়াসহ সঠিকভাবে জমির পরিচর্যা করায় এখন ধানগাছের অবস্থা খুবই ভালো। জমির যে অবস্থা বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে বাম্পার ফলনের আশা করছি।

অন্য আরেক কৃষক মমিন বলেন, কৃষি অফিসের পরামর্শে এ মৌসুমে ৬ বিঘা জমিতে আমন ধান আবাদ করেছি। এক বিঘা জমি আবাদ করতে শ্রমিক মজুরি, সারসহ অন্যান্য খরচ হয়েছে প্রায় ৮ হাজার টাকা। বর্তমানে জমি সবুজে ভরে গেছে। কিছুদিনের মধ্যে ধানের শীষ আসবে। নিয়মিত জমির পরিচর্যা করা হচ্ছে। আশা করি গত বছরের চাইতে এবার ভালো ফসল ঘরে তুলতে পারব।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন কুমার সাহা বলেন, বর্তমানে আমন ধানের ক্ষেতগুলো পাকতে শুরু করেছে। আমরা সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছি। জমিতে ফলন ভালো করতে সার্বিকভাবে স্থানীয় কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশা করা যায়। তাছাড়া কৃষকরাও নিজেদের ফসল ঘরে তোলার জন্য উদ্গ্রীব হয়ে আছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঈদে দাওয়াত দিয়ে এনে জামাইকে গণধোলাই

সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে এবার মুখ খুললেন মোদি

হাওরের গাছে ঝুলছিল সবজি বিক্রেতার লাশ 

‘আমার সব শেষ হয়ে গেল’

আট সন্তান থাকতেও ৯০ বছরের বৃদ্ধার জায়গা খোলা আকাশের নিচে

চুরি করতে গিয়ে পোশাক ও ছবি ফেলে গেল চোর

মা-বাবা, দুই বোনের পর চলে গেলেন প্রেমাও

ট্রাম্পের শুল্কারোপ / শত বছরের বিশ্ব বাণিজ্যে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন

ড. ইউনূসের সঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক 

কাহালু সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন

১০

বাংলাদেশে ইসলামি চরমপন্থা নিয়ে প্রেস সচিবের পোস্ট

১১

আগে ছিলেন আ.লীগ নেতা, বিএনপিতে পেলেন সদস্যসচিবের পদ

১২

জনবসতিহীন পেঙ্গুইন দ্বীপে ট্রাম্পের শুল্কারোপ

১৩

মোদিকে ছবি উপহার দিলেন ড. ইউনূস

১৪

থাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ড. ইউনূসের বৈঠক

১৫

হাসিনার প্রত্যর্পণসহ যেসব বিষয় আলোচনা হলো ড. ইউনূস-মোদির

১৬

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাই বিশিষ্টজনদের সমর্থন চাইলেন ড. ইউনূস

১৭

দুদিনেও জ্ঞান ফেরেনি প্রেমার, স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে আরাধ্যকে

১৮

রাত থেকে বন্ধ অনলাইনে ট্রেনের টিকিট বিক্রি

১৯

মাদারীপুরে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল ২৫ দোকান

২০
X