ঢাকায় দৈনিক বাংলা মোড়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত পুলিশ সদস্যের টাঙ্গাইলের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে।
স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষে নিহত হওয়ার খবর শুনেছি। তবে এখানে মা-বাবা থাকেন। তারাসহ স্থানীয়দের মধ্য এক ধরনের স্থবিরতা এসেছে। এলাকার যেন বাতাসটাও ভারী ভয়ে আছে বলে মন্তব্য করেন নিহতের খবর শুনে স্থানীয়রা। তারা বলেন, একজন আইনের লোককে এভাবেই বিদায় নিতে হবে- এই মৃত্যুকে আমাদের সহজভাবে মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে।
স্থানীয় আবুল হাশেম বলেন মানিকগঞ্জের শেষ সীমানা টাঙ্গাইলেরও শেষ সীমানা এটি। নাগরপুর উপজেলার ফয়েজপুর গ্রাম। এই গ্রামের বেশির ভাগ লোক নদীভাঙনের শিকার। পুলিশ সদস্যের পরিবার বাড়িটি লিজ নিয়ে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন। তাদের বসতভিটা হারিয়ে আজ ফয়েজপুরে বসবাস।
এ বিষয় দপ্তিয়র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম ফিরোজ সিদ্দিকী বলেন, খবর শোনার সাথে সাথেই আমার ইউনিয়ন পরিষদের চকিদারসহ বেশ কিছু লোক পাঠিয়েছি তারা সার্বক্ষণিক নজর রাখছে যে কোনো প্রয়োজনীয় বিষয় তারা পাশে থাকবে।
ওই পুলিশ সদস্যের বাড়ি নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুর গ্রাম। ইউপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় ছিল তারা- সেখানে নদী ভেঙে, ভিটে-মাটি হারিয়ে আজ এখানে আছে।
মন্তব্য করুন