কুমিল্লার মেঘনায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় টেঁটাবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।
তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল এবং গুরুতর আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে মেঘনার চালিভাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তি নাম নিজাম সরকার (৪০)। তিনি চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
নিজামের বাড়ি মেঘনা উপজেলার নলচর গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত আক্কাস মেম্বার। তিনি বালুর ব্যবসা করতেন।
আহতরা হলেন আনিস সরকার (১৮), টিটু সরকার (২৮), সুমন (২৫), দেলোয়ার (২৮), ইব্রাহিম (৩০), রমজান (৩৫), শাকিল (২২), খালেদ হাসান (১৯), হানিফ (৪৫) ও ওয়াসিম (৩৫)।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) খন্দকার আশফাকুজ্জামান বলেন, ‘চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ুন চেয়রাম্যান এবং অপর আওয়ামী লীগ নেতা কাইয়ুম গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে আজ সকালে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষে তারা দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে। এতে ১০-১১ জন আহত হন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে হুমায়ূন গ্রুপের নিজাম সরকার নামের একজনের মৃত্যু হয়। তিনি হুমায়ুন চেয়ারম্যানের ছোট ভাই বলে জানা গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
নিহত নিজামের স্ত্রী সালমা আক্তার জানান, সকালে চালিভাঙ্গায় আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ বাধে। খবর শুনে বাড়ি থেকে ঘটনাস্থলে যান নিজাম। সেখানে প্রতিপক্ষের হাতে টেঁটাবিদ্ধ হন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘কুমিল্লার মেঘনা থেকে অনেকেই টেঁটাবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে এসেছেন। তাদের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
মন্তব্য করুন