কুমিল্লা ব্যুরো
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৫, ১০:৪৯ এএম
অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লায় ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ছাত্রদল-এনসিপির যৌথ মিছিল

কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন সড়কে যৌথভাবে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদল ও এনসিপি। ছবি : কালবেলা 
কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন সড়কে যৌথভাবে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদল ও এনসিপি। ছবি : কালবেলা 

কুমিল্লা নগরীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল ঠেকাতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদল। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে এই দুই দলের নেতাকর্মীরা নগরীর বিভিন্ন সড়কে যৌথভাবে বিক্ষোভ মিছিল করে।

সোমবার (২১ এপ্রিল) রাতে কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়ে এই বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে এনসিপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ‘এই কুমিল্লায় হবে না, ছাত্রলীগের ঠিকানা, আওয়ামী লীগের গুন্ডারা, হুঁশিয়ার সাবধানসহ নানা স্লোগান তুলে। পরে মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি ফখরুল ইসলাম মিঠু ও এনসিপি নেতা আবু রায়হান।

বক্তব্যে ফখরুল ইসলাম মিঠু বলেন, ছাত্রলীগ একটা নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন। তারা কুমিল্লার পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য রাত তিনটায় মুখোশ পরে এসে মিছিল করে। আমরা খবর নিয়েছি, মিছিল করে যাওয়ার সময় তারা সাধারণ পথচারীদের থেকে টাকা-মোবাইল ছিনতাই করে বাসায় ফিরেছে। কুমিল্লাকে অস্থিতিশীল করার জন্য কেউ যদি এমন উদ্যোগ নেয় তাহলে সাধারণ মানুষ তাদের গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করবে।

এনসিপি নেতা আবু রায়হান বলেন, গণতন্ত্র হত্যাকারী একটি দলের পুনরুত্থান এই দেশের জনগণ মেনে নেবে না। তারা ২৪-এ গণহত্যা চালিয়েও এখন কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে চোরাগোপ্তা মিছিল করছে। তারা এই সাহস কোথায় পেল। আমরা সাবধান করে তাদেরকে বলতে চাই আগামীতে এই ধরনের কোনো চোরাগোপ্তা মিছিল করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ সময় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদল ও এনসিপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত রোববার (২০ এপ্রিল) গভীর রাতে কুমিল্লা নগরীর শাসনগাছা এলাকায় ঝটিকা মিছিল করে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কয়েকজনের একটি দল। তারা মুখে মাস্ক পরে দ্রুত মিছিল করে পালিয়ে যায়। পরে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দিলে তোলপাড় শুরু হয়। এ ঘটনায় পুলিশ সোমবার অভিযান চালিয়ে প্রথমে ৮ জন ও পরে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের মধ্যে একজন সাবেক কাউন্সিলর রয়েছেন।

সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক রেজাউল কাইয়ুম জানান, তারা গভীর রাতে ভিডিও করতে মিছিল করে দ্রুত পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে সাধারণ মানুষ তাদের খুঁজতে বের হয়ে তাদের কোথাও পায়নি। এরপর ওই ভিডিও তারা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, এমন অপতৎপরতায় যারা জড়িত ও যারা ভিডিও শেয়ার করছে তাদেরও আইনের আওতায় আনা উচিত।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পুঁজিবাজারে টানা দরপতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ কাল

ফেসবুক আইডি ডিজেবল নিয়ে ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদকের বক্তব্য

মুশফিকের আরেক ব্যর্থতা, লিডে আশাবাদী বাংলাদেশ

ভাইবোনকে হত্যার দায়ে আরেক ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড

টেস্টে টাইগারদের হয়ে মুমিনুলের নতুন রেকর্ড

লাইভে এসে নিরাপত্তা চাইলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের আহ্বায়ক

আসুন আমরা সাহসী হই : প্রধান উপদেষ্টা

মেঘনার সহযোগী সমির ফের ৪ দিনের রিমান্ডে

‘এই প্রজন্মের সঙ্গে লড়াই করে হাসিনার ফিরে আসা সম্ভব না’

বিশ্লেষণ / যুক্তরাষ্ট্রকে কী একা সামলাতে পারবে ইরান?

১০

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টেকসই পৃথিবী গঠনের আহ্বান ড. ইউনূসের

১১

ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের পাশে ছাত্রদল 

১২

নির্বাচনের আগে হাসিনার বিচার দৃশ্যমান হতে হবে : এ্যানি

১৩

দেশের বাজারে হুয়াইহাই ইলেকট্রিক স্কুটারস আনছে ন্যামস মোটরস

১৪

গত ৯ বছরে ঢাকার মানুষ নির্মল বাতাস পেয়েছে মাত্র ৩১ দিন

১৫

সাগর-রুনি হত্যা মামলায় আরও ছয় মাস সময় পেল টাস্কফোর্স

১৬

থাইল্যান্ডে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেলেন হাবিপ্রবির ২২ শিক্ষার্থী

১৭

পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুতে মেসির শোকবার্তা

১৮

আজ থেকে কার্যকর সোনার সর্বোচ্চ দাম

১৯

অহনা-সিমান্তের ‘ভাঙ্গা সংসার’

২০
X