কুমিল্লার হোমনায় আন্তঃজেলা ডাকাত দল সর্দার বহু মামলার আসামি ফারুক হোসেন ওরফে পান্ডু মিয়ার (৩৫) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকালে ডাকাত সর্দার পান্ডুর লাশ উদ্ধার করে হোমনা থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) রাতে হোমনা পৌরসভার বাগমারা গ্রামে তিনি নিহত হন বলে জানা গেছে। নিহত পান্ডু মিয়া পৌরসভার বাগমারা গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, হোমনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে ডাকাতির বহু মামলা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাতির মালামাল ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ডাকাত সর্দার পান্ডু তিন বছর পলাতক ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি এলাকায় যান। রাতের কোনো এক সময় নিজ দলের লোকজনের হাতে খুন হন বলে পুলিশ ও এলাকাবাসীর ধারণা। সকালে নিজ বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে রাস্তার পাশে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন বলেন, পান্ডু নামকরা ডাকাত সর্দার। দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। তার নামে হোমনাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় প্রায় অর্ধশত ডাকাতি ও লুটপাটের মামলা রয়েছে। তিনি ৩-৪ বছর ধরে এলাকা থেকে বিতাড়িত ছিলেন।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজমুল হুদা কালবেলাকে বলেন, পান্ডু ডাকাত নারায়ণগঞ্জে বসবাস করতেন। ঘটনার রাতে তিনি এলাকায় আসেন। ডাকাতির মালামাল ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এলাকাবাসীরও তাই মত। তার বিরুদ্ধে হোমনা থানায় একটি অস্ত্র ও চারটি ডাকাতিসহ পাঁচটি মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন