খুলনায় ২টি বিদেশি পিস্তল, ১টি শর্টগান ও ৭ রাউন্ড গুলিসহ দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় ৮ রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং ৭ রাউন্ড শটগানের গুলি উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (০৩ এপ্রিল) ভোররাতে নগরীর রায়েল মহল এলাকা থেকে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।
হরিণটানা থানার ওসি খায়রুল বাশার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হলেন খাইরুল সরদার (২৭) ও ফারুক হোসেন (৩০)।
কেএমপির অতিরিক্ত উপ কমিশনার (মিডিয়া) মো. আহসান হাবীব জানান সংবাদ সম্মেলনে জানান, হরিণটানা থানা পুলিশ বুধবার (০২ এপ্রিল) রাতে জানতে পারে যে, দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। এতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। পুলিশ হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় খাইরুল সরদারকে (২৭) শনাক্ত করে।
গুলিবিদ্ধ খাইরুল সরদারকে জিজ্ঞাসাদে জানা যায়, অস্ত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সময় অসর্তকতার কারণে ফায়ার হয়ে তার বাম হাত জখম হয়। খাইরুল সন্ত্রাসী ফারুক হোসেনের গ্রুপে ছিল।
খাইরুলকে সাথে নিয়ে গোয়েন্দা পুলিশ সহযোগে সকাল থেকে বাঙ্গালীবাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হরিণটানা থানা পুলিশ। গুলিবিদ্ধ খাইরুল অস্ত্র বিক্রেতা ফারুক হোসেনের বাড়ি দেখিয়ে দিলে ফারুকের বাড়ি তল্লাশি করা হয়। এ সময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কাছে অস্ত্র আছে বলে স্বীকার করে। এ সময় তার রান্না ঘরে থাকা জ্বালানি কাঠের স্তূপের মধ্য থেকে ২টি বিদেশি পিস্তল, তার বসতঘরের মধ্য থাকা টিনের বাক্সে রাখা একটি শটগান এবং শটগানের ৭ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া ঘরের ভেতরের দেয়ালের উপর থেকে পিস্তলের ৮ রাউন্ড তাজা গুলি এবং ১ রাউন্ড এমটি কার্তুজ, তার বসত ঘরের খাটের নিচ থেকে ১টি বড় রামদা পাওয়া যায়।
সেইসাথে অবৈধ অস্ত্র বেচাকেনার কাজে ব্যবহৃত ১টি মোটরসাইকেল এবং মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, উদ্ধারকৃত শটগান বাংলাদেশ পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্র।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে বিভিন্ন সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ এবং দুষ্কৃতকারীদের কাছে অবৈধ অস্ত্র কেনাবেচা করে বলে স্বীকার করে। খাইরুলের বিরুদ্ধে ১টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।
মন্তব্য করুন