জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান (নিপসম)-এর কীটতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. গোলাম ছারোয়ার বলেছেন, মেধার প্রকৃত পরিস্ফূরণ ছাড়া কখনই কোনো জাতি উন্নতভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। জাতির সার্বিক উন্নয়নে তথা উন্নত জাতি গঠনে মেধা বিকাশের বিকল্প নেই।
বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ১১টায় বগুড়ার নন্দীগ্রাম মুনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ মাঠে দিগন্ত ফাউন্ডেশন আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মুনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মাহবুবুর রশীদের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মো. গোলাম রব্বানী, মূল পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন দিগন্ত ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ইফতিয়ার ইসান ও এডুকর্প -এর সিনিয়র অ্যাডুকেশন কনসালট্যান্ট সুমাইয়া আক্তার সুইটি।
প্রধান আলোচক তার বক্তব্যে শিক্ষার গুরুত্ব ও বাস্তবতা নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা করেন। প্রধান অতিথি অধ্যাপক ছারোয়ার তার বক্তব্যে শিক্ষা ও জীবন গঠনের মূল উপাদানের তাযৎপর্য তুলে ধরেন। নন্দীগ্রাম উপজেলা তথা বগুড়া জেলার প্রতিটি পিছিয়ে পড়া উপজেলার উন্নয়নে মেধা বিকাশে কী কী করণীয় তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তুলে ধরেন।
নন্দীগ্রাম উপজেলা তথা বগুড়া জেলার সব শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গকে সমাজে পিছিয়ে পড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে প্রধান অতিথি ড. ছারোয়ার বগুড়ার সব গঠনমূলক প্লাটফর্মের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করার উদাত্ত আহ্বান জানান। যার মাধ্যমে বগুড়া জেলার সর্বস্তরের মেধাবী, চৌকস এবং সচেতন একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি হবে। উপকৃত হবে সারাদেশের মানুষ। চতুর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিভোলেশনে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ পৌঁছে যাবে এক উন্নত রাষ্ট্রে।
অনুষ্ঠানে নিরাপদ সড়ক চাই -এর নন্দীগ্রাম উপজেলা শাখা সভাপতি মো. জামাল হোসেন, বুড়ুইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউল হক জিয়া, নন্দীগ্রাম সরকরি মহিলা কলেজের প্রভাষক মেরাজ মোহাম্মদ নবী-উল ইসলাম, পাইলট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আলী আজম, সহকারী শিক্ষিকা তাসলিমা খাতুনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নন্দীগ্রাম উপজেলার নির্বাচিত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বৃত্তি প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন