সাতক্ষীরার আশাশুনিতে মদপানে স্বেচ্ছাসেবকদল নেতাসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে আরও ৯ জন। এদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (০১ এপ্রিল) মধ্যরাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এর আগে ঈদের দিন সোমবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় মদপানের পর রাত ১২টার দিকে মারাত্মক অসুস্থতা হয়ে পড়লে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মৃতরা হলেন, আশাশুনি উপজেলার মিত্র তেঁতুলিয়া গ্রামের জাফর আলী খাঁর ছেলে ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন টিটু (৪০), সোহরাব গাজীর ছেলে নাজমুল গাজী (২৬) ও মোকামখালি গ্রামের কুদ্দুস সরদারের ছেলে ইমরান হোসেন (২৫)।
এ ঘটনায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ব্রাহ্মণ তেঁতুলিয়া গ্রামের সাইদ সরদারের ছেলে ফারুক হোসেন, মোকামখালী গ্রামের কুদ্দুস সরদারের ছেলে ইমরান, মিত্র তেঁতুলিয়ার মর্জিনা খাতুনের ছেলে ইকবাল, কামরুলের ছেলে লিফটন, আজিবার সরদারের ছেলে রবিউল, শহীদ গাজীর ছেলে তুহিন, আনিসের ছেলে নাজমুলসহ আটজন। এদের মধ্যে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ফারুক হোসেনকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ঈদের দিন সন্ধ্যায় তেঁতুলিয়া শ্মাশানঘাট মাঠে বসে জাকির হোসেন টিটু ও নাজমুল গাজীসহ মোট ১১ জন মদপান করেন। পরে তারা নিজ নিজ বাড়ি গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। একপর্যায়ে রাত ১২টার দিকে মারাত্মক শারীরিক অসুস্থতা বোধ করলে তাদের আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে জাকির হোসেন টিটু, নাজমুল গাজী ও ইমরান মারা যান। এছাড়া আরও অন্তত ৯ জন অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছে।
আশাশুনি থানার ডিউটি অফিসার এসআই ফিরোজ জানান, এ ঘটনায় তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে জানা যাবে।
মন্তব্য করুন