শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে একজোড়া জুতা হারানোকে কেন্দ্র করে সালিশে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে মনির হোসেন বেপারী (৪০) নামে একজন নিহত হয়েছেন।
রোববার (২০ আগস্ট) গোসাইরহাট থানায় নিহত মনিরের স্ত্রী নাজমা বেগম বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এর মধ্যে সাতজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
জানা গেছে, মনির পেশায় একজন জেলে। তিনি গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ইউনিয়নের ছৈয়ালকান্দি গ্রামের ইসমাইল বেপারীর ছোট ছেলে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন শুকুর আলী বেপারী (৪৫), আশিক বেপারী (২৭), রকিব বেপারী (২৯), খালেক বেপারী (৩৭), শহীদ বেপারী (৫৮), লিটন মুন্সী (৩৫) ও হোসনে আরা বেগম (৩৮)। এরা সবাই ছৈয়াল পাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে ছৈয়ালকান্দি গ্রামে শহিদ বেপারীর স্ত্রী ফিরোজা বেগমের জুতা হারোনোকে কেন্দ্র করে একই বাড়ির মনির বেপারীর স্ত্রী নাজমা বেগমের সঙ্গে ঝগড়া হয়। শনিবার রাত ১০টায় ঝগড়ার মীমাংসা করার জন্য মনিরের বাবা ইসমাঈল বেপারীর বাড়িতে সালিশ বৈঠক বসে। এ সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় আশিক লোহার রড দিয়ে মনিরের মাথার নিচে ঘারের ভিতরে ঢুকেয়ে দেয়। পরে তাকে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মনিরের বড় ভাই আবুল বেপারী বলেন, একজোড়া পুরাতন জুতার জন্য ছয় সাতজন যুবক আমার ভাইকে আমাদের সামনে রড দিয়ে এলোপাতারি পিটাতে থাকে। এক পর্যায়ে মাথার পিছন সাইট দিয়ে রড ঢুকিয়ে দিলে মাটিতে লুটিয়ে পরে।
গোসাইরহাট থানার ওসি (তদন্ত) ওবায়েদুল হক বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে মনির নিহত হন। এ ঘটনায় ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের আদালতের পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন