জামালপুরের মাদারগঞ্জে ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৭ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার তেঘরিয়া বাজারে সাহেদ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে চরপাকেরদহ ইউনিয়ন বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের প্যান্ডেল প্রস্তুত করার সময় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আব্দুস সোবহান ফকির, সভাপতি প্রার্থী বিপ্লব তরফদারের কর্মী বালিজুড়ী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী আলামিন, চরপাকেরদহ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য শফিকুল ইসলাম মধু, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আরিফ হাসান, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য শ্যামল আহম্মেদ, সদস্য রিপন মিয়া ও ডেকরেটর কর্মী আনিছ মিয়া। এ ঘটনায় সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে।
জানা গেছে, সম্মেলনে সভাপতি পদে প্রার্থিতা প্রকাশ করেন ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মো. মজনু ফকির ও ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম কিবরিয়া বিপ্লব তরফদার। বিষয়টি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।
সভাপতি প্রার্থী শাহ মজনু ফকির অভিযোগ করে বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী বিপ্লব তরফদার ও শফিউল ইসলাম স্বপনের লোকজন রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাঠে প্রবেশ করে চেয়ার ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে তেঘরিয়া বাজারে থাকা আমার লোকজন এলে ওরা পালিয়ে যায়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আরেক সভাপতি প্রার্থী বিপ্লব তরফদার বলেন, সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আমাদের লোকজন রাতে মঞ্চ সাজসজ্জা কাজ পরিদর্শনে গেলে মজনু ফকিরের ভাতিজাসহ তার লোকজন ও শফির লোকজন অতর্কিত হামলা চালায়। এ ঘটনায় আমাদের ৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছে ও ৭টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মঞ্জুর কাদের খান বলেন, গতকালের সংঘর্ষে শুক্রবারের সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আল মামুন বলেন, ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন