বান্দরবানের লামায় এক রোহিঙ্গা নারীকে ভুয়া জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরিতে সহযোগিতা করার অপরাধে আব্দুল জব্বার নামে এক ইউপি সদস্যকে সাত দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিনের ভ্রাম্যমাণ আদালত এ আদেশ দেন। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল জব্বার উপজেলার সরই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোহিঙ্গা নারী মনিরা বেগম (২৫) আব্দুল জব্বারের স্ত্রী। চলমান ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য মনিরা বেগমের ভোটার তথ্য ফরম পূরণের পরে ভুয়া জন্ম সনদ তৈরি করে দিয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসে কাগজপত্র জমা দেন আব্দুল জব্বার। বিষয়টি সন্দেহ হলে কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এক পর্যায়ে ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জব্বারকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি দোষ স্বীকার করেন।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. বেদারুল ইসলাম বলেন, ইউপি সদস্যের জমা দেওয়া কাগজপত্র সন্দেহ হওয়ায় তদন্ত করা হয়। তদন্তে ভুয়া জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরির বিষয়টি প্রমাণিত হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পুরো বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে ইউপি সদস্য আব্দুল জব্বার তার দোষ স্বীকার করেন।
লামা থানার ওসি মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত আব্দুল জব্বারকে বান্দরবান জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঈন উদ্দিন বলেন, ইউপি সদস্যকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন