বগুড়ার ধুনটে যমুনা নদীতে নিখোঁজের ২০ ঘণ্টা পর জুনায়েদ আহম্মেদ (১৮) নামে এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে ডুবুরি দলের সদস্যরা।
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নে যমুনা নদীর বানিয়াজান বাঁধ এলাকা থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়।
জুনায়েদ আহম্মেদ শেরপুর টাউন কলোনির জাহিদুল ইসলামের ছেলে। সে বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শেরপুর টাউন কলোনি এলাকার মাফিজ ইকবাল (১৮), সোয়েব আহম্মেদ (১৮) ও অওফি হাসান (১৮) ও জুনায়েদ আহম্মেদ শুক্রবার বিকেল ৪টায় যমুনা নদীর বানিয়াজান স্পার এলাকায় বেড়াতে যায়। এরপর যমুনা নদীতে নেমে মোবাইল ফোনে সেলফি তুলতে থাকে তারা। একপর্যায়ে অসাবধাণতাবসত যমুনা নদীতে পড়ে ডুবে যায় ৪ বন্ধু। এ সময় সেখানকার অন্য ভ্রমণকারীরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় নৌকার সাহায্যে ৩ বন্ধুকে জীবিত উদ্ধার করে। কিন্তু ওই সময় জুনায়েদ আহম্মেদকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
পরে শনিবার সকাল ৯টা থেকে রাজশাহী থেকে আগত ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও বেসকাররি ডুবুরি দলের সদস্যরা নিখোঁজ জুনায়েদ আহম্মেদকে উদ্ধারের অভিযান চালায়। একপর্যায়ে দুপুর ১২টায় বেসরকারি ডুবুরি দলের সদস্যরা জাল দিয়ে জুনায়েদের মৃতদেহ উদ্ধার করে।
ধুনট ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার হামিদুল ইসলাম বলেন, যৌথ উদ্ধার অভিযানের একপর্যায়ে বেসরকারি ডুবুরি দলের সদস্যদের জালে উদ্ধার হয়েছে জুনায়েদ আহম্মেদের মৃতদেহ।
ধুনট থানার ওসি সাইদুল আলম বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে জুনায়েদের মৃতদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন