কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৫:১০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

কোথায় আছেন শেখ হাসিনার নির্বাচন প্রতিনিধি

সাবেক সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার। ছবি : সংগৃহীত
সাবেক সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার। ছবি : সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন প্রতিনিধি সাবেক আলোচিত সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার কোথায় আছেন তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা। তিনি এখন কোথায় আছেন? এমন প্রশ্ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মুখে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করেন। এরপর আত্মগোপনে চলে যান আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক প্রভাবশালী সচিব ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন প্রতিনিধি শহীদ উল্লা খন্দকার।

শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর কোটালীপাড়া উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন শহীদ উল্লা খন্দকার। এ নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় অনেক নেতা সাবেক এই সচিবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাননি বলে সংবাদকর্মীদের জানিয়েছেন।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২২ সালের ২৫ অক্টোবর তার নির্বাচনী এলাকার (কোটালীপাড়া-টুঙ্গীপাড়া) উন্নয়ন প্রতিনিধি হিসেবে শহীদ উল্লা খন্দকারকে নিয়োগ দেন।

উন্নয়ন প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করার পরে শহীদ উল্লা খন্দকার এলাকার উন্নয়ন কাজের কমিশন গ্রহণ ও তদবির বাণিজ্য শুরু করেন। তার এ কাজে সহযোগিতা করতেন কোটালীপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ও শহীদ উল্লা খন্দাকারের ভাগ্নে কাজী সোহেল এবং বাড়ির মসজিদের ইমাম মাওলানা ইয়াহিয়া।

শহীদ উল্লা খন্দকারের সঙ্গে রফিকুল ইসলামের সম্পর্ক হওয়ার পরে তারও ভাগ্যোর পরিবর্তন ঘটে। শহীদ উল্লা খন্দাকারের আশীর্বাদ পেয়ে রফিকুল ইসলাম অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতারা জানিয়েছেন।

কোটালীপাড়া শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি ও উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি নজরুল ইসলাম হাজরা মন্নু বলেন, ৫ আগস্ট রাষ্ট্রীয় প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পরে শহীদ উল্লা খন্দকার গা-ঢাকা দেন। তিনি কোটালীপাড়ার সব নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। তিনি কোথায় আছেন তা আমরা জানি না।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি এবং তার মুঠোফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়।

কাজী সোহেল ও মাওলানা ইয়াহিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ড. ইউনূসকে যেসব কথা বললেন মোদি

বীর মুক্তিযোদ্ধা কানুর বাড়িতে হামলা

ঈদে দাওয়াত দিয়ে এনে জামাইকে গণধোলাই

সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে এবার মুখ খুললেন মোদি

হাওরের গাছে ঝুলছিল সবজি বিক্রেতার লাশ 

‘আমার সব শেষ হয়ে গেল’

আট সন্তান থাকতেও ৯০ বছরের বৃদ্ধার জায়গা খোলা আকাশের নিচে

চুরি করতে গিয়ে পোশাক ও ছবি ফেলে গেল চোর

মা-বাবা, দুই বোনের পর চলে গেলেন প্রেমাও

ট্রাম্পের শুল্কারোপ / শত বছরের বিশ্ব বাণিজ্যে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন

১০

ড. ইউনূসের সঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক 

১১

কাহালু সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন

১২

বাংলাদেশে ইসলামি চরমপন্থা নিয়ে প্রেস সচিবের পোস্ট

১৩

আগে ছিলেন আ.লীগ নেতা, বিএনপিতে পেলেন সদস্যসচিবের পদ

১৪

জনবসতিহীন পেঙ্গুইন দ্বীপে ট্রাম্পের শুল্কারোপ

১৫

মোদিকে ছবি উপহার দিলেন ড. ইউনূস

১৬

থাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ড. ইউনূসের বৈঠক

১৭

হাসিনার প্রত্যর্পণসহ যেসব বিষয় আলোচনা হলো ড. ইউনূস-মোদির

১৮

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাই বিশিষ্টজনদের সমর্থন চাইলেন ড. ইউনূস

১৯

দুদিনেও জ্ঞান ফেরেনি প্রেমার, স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে আরাধ্যকে

২০
X