কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের পর তরুণীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মো. সুমন মিয়া নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই তরুণীর পিতা বাদী হয়ে হোসেনপুর থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ সুমন ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে।
বুধবার (১০ জুলাই) বিকেলে উপজেলার দ্বীপেশ্বর গোলচত্বর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত সুমন সদর উপজেলার কুট্টাগর গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে ও তার সহযোগী মো. শামীম একই উপজেলার টুটিয়ারচর গ্রামের মো. মজিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২ মাস পূর্বে ফেসবুকে মো. সুমনের সঙ্গে হোসেনপুর আদর্শ মহিলা কলেজে পড়ুয়া ওই তরুণীর পরিচয় হয়। বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও ডাক্তার পরিচয় দিয়ে ওই তরুণীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে সে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই তরুণীকে গাজীপুর নেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু তরুণী রাজি না হলে সুমন তার সহযোগী মো. শামীমের সহযোগিতায় ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে ওই তরুণীকে অপহরণ করে গাজীপুর নিয়ে যায়। সেখানে সে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই তরুণীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে।
পরে ১০ জুলাই বিকেলে সুমন গাজীপুর থেকে সিএনজিযোগে ওই তরুণীকে উপজেলার দ্বীপেশ্বর গোলচত্বর এলাকায় নামিয়ে কৌশলে পালিয়ে যেতে চাইলে ওই তরুণীর ডাক-চিৎকারে স্থানীয় জনতা তরুণীকে উদ্ধার করে সুমন ও শামীমকে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেন।
হোসেনপুর থানার ওসি নাহিদ হাসান সুমনের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন