দুই দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় যশোরবাসী

যশোরের শামস-উল হুদা স্টেডিয়ামে তৈরি সমাবেশ মঞ্চ।
যশোরের শামস-উল হুদা স্টেডিয়ামে তৈরি সমাবেশ মঞ্চ।ছবি : কালবেলা

যশোরের জনসভা দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার। আজ বৃহস্পতিবার যশোরের শামস-উল হুদা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সমাবেশের সব প্রস্তুতি শেষ। এখন দুই দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করছে যশোরবাসী।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই জনপদের মানুষের দাবি দুটি হলো, যশোর পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা এবং যশোর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিকে রূপান্তর করা। সেইসঙ্গে এই এলাকায় পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ, যশোরকে বিভাগ করা, ভৈরব নদ সংস্কার, ভবদহে জোয়ারাধার চালুসহ আরও কিছু দাবিও রয়েছে তাদের।

এর আগে সর্বশেষ ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর যশোরে এক জনসভায় ভাষণ দেন শেখ হাসিনা। সে সময়ও এসব দাবি সামনে আসে। এবার প্রধানমন্ত্রীর জনসভা থেকে এসব দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি পেতে চান স্থানীয়রা।

নগরবাসী বলছে, পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হলে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বাড়বে। পদ্মা সেতু ও মধুমতী সেতু নির্মাণসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি। যশোরসহ এ অঞ্চলের অসংখ্য মানুষ চিকিৎসাসহ নানা কাজে ভারতে নিয়মিত যাতায়াত করেন। যশোর বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক করা হলে এই এলাকার মানুষকে আর ঢাকা হয়ে ভারতে যেতে হবে না।

যশোরের শামস-উল হুদা স্টেডিয়ামে তৈরি সমাবেশ মঞ্চ।
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে প্রস্তুত যশোর

রিকশাচালক আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। দিন আনতে পান্তা ফুরায়। ২৫০ শয্যার হাসপাতালটা ৫০০ সিটের হলে খুব ভালো হয়। অনেকে চিকিৎসা পাবে।’

চা দোকানি আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘যশোর অনেক পুরোনো শহর। রাস্তাঘাট উন্নত হয়েছে, কিন্তু এখন এটি সিটি করপোরেশন হওয়া দরকার। তাহলে এখানকার মানুষের জন্য ভালো হতো। আশা করি, বঙ্গবন্ধুকন্যা আমাদের দাবিগুলো পূরণ করবেন।’

যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যশোরবাসীকে অনেক কিছু উপহার দিয়েছেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক দিয়েছেন; ভৈরব নদ খনন শুরু করেছেন। স্বপ্নের পদ্মা সেতু করে দিয়েছেন। এরপরও প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের কিছু প্রাপ্তি বাকি আছে। তিনি আরও উপহার দেবেন বলে আমরা আশা করি।’

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com