ড. মইনুল ইসলাম
প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০২৫, ০২:৪৮ এএম
আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২৫, ০৭:৪০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

নতুন বছরে বাংলাদেশকে উদ্ধারে প্রচেষ্টা

নতুন বছরে বাংলাদেশকে উদ্ধারে প্রচেষ্টা

সাড়ে পনেরো বছর ধরে গেড়ে বসা স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে প্রাণভয়ে বোন রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে সামরিক বাহিনী-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত গ্রহণযোগ্য সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট তিন-চতুর্থাংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয় অর্জন করে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছিল। ওই ভূমিধস বিজয় হাসিনাকে হয়তো আজীবন প্রধানমন্ত্রীর মসনদ দখল করে রাখার সর্বনাশা খায়েসে মত্ত হয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করেছিল। ২০১০ সালে প্রদত্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের সুবিধা নিয়ে ২০১১ সালে হাসিনা এককভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে তার নিয়ন্ত্রণাধীন সংসদে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাসের মাধ্যমে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপের ব্যবস্থা করেছিলেন, যার ফলে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে তিনটি একতরফা নির্বাচনী প্রহসনের মাধ্যমে সাড়ে দশ বছর তিনি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা জবরদখলে রাখতে সমর্থ হয়েছিলেন। ২০১১ সাল থেকেই সব প্রধান বিরোধী দল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া সত্ত্বেও হাসিনার তিনটি একতরফা নির্বাচন ঠেকাতে পারেনি। বরং ২০১৪ সাল থেকে শুরু করে গত সাড়ে দশ বছর দেশের জনগণের মনে ধারণা গেড়ে বসেছিল যে হাসিনার জীবদ্দশায় এ দেশে নির্বাচনের মাধ্যমে আর সরকার পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। বিশেষত, একতরফা নির্বাচনী প্রহসন সত্ত্বেও প্রতিবেশী ভারত নিজের স্বার্থে হাসিনার সরকারকে বারবার মেনে নেওয়ার কারণে জনগণের হতাশা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছিল। কিন্তু হাসিনা নিজের অবৈধ ক্ষমতাকে এসব নির্বাচনী প্রহসনের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী করায় ক্রমেই জনগণের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ ক্রমবর্ধমান ক্রোধে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে চলেছিল যে, সুযোগ পেলেই তারা একটি গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত করে হাসিনার সরকারকে উৎখাত করে ছাড়বে। সে সুযোগ এনে দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে ছাত্রছাত্রীদের কোটাবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম। এ তিনটি একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচনী গণতন্ত্রকে সম্পূর্ণ বরবাদ করে দিয়ে শেখ হাসিনাই গণঅভ্যুত্থানে সরকার উৎখাতকে ডেকে এনেছেন। ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখ দুপুর আড়াইটায় যখন পলায়নকারী শেখ হাসিনার উড়োজাহাজটি ঢাকা থেকে উড়াল দেয়, তখন ঢাকার উপকণ্ঠ থেকে লাখ লাখ মানুষের মিছিল রাজপথ ধরে শাহবাগ, গণভবন ও সংসদ ভবনের দিকে ধাবিত হয়। কমপক্ষে ২০ লাখের মতো মানুষ ঢাকায় জড়ো হয়ে গণঅভ্যুত্থানটি সফল করে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতি উদযাপন করে।

হাসিনা তার সাড়ে পনেরো বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে নিকৃষ্টতম ‘ক্রোনি ক্যাপিটালিজমের’ মাধ্যমে তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন, দলীয় নেতাকর্মী, কতিপয় অলিগার্ক-ব্যবসায়ী এবং পুঁজি-লুটেরাদের সঙ্গে নিয়ে যে লাখ লাখ কোটি টাকা লুণ্ঠনের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিলেন, তার ভয়াবহ কাহিনি তার পতনের পর উদ্ঘাটিত হতে শুরু করেছে। খবরে প্রকাশিত তথ্য-উপাত্তে দেখা যাচ্ছে, সাড়ে পনেরো বছরে দেশের জনগণকে ১৫ লাখ ৫৮ হাজার ২০৬ কোটি টাকা ঋণের সাগরে ডুবিয়ে দিয়ে হাসিনা দেশ থেকে পালিয়েছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিকসহ মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। অথচ ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি শেখ হাসিনা ক্ষমতাসীন হওয়ার দিনে বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ছিল মাত্র ২ লাখ ৭৬ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা। এর মানে এ দুই ঋণের স্থিতির অঙ্কের পার্থক্য দাঁড়িয়েছে ওপরে উল্লিখিত ১৫ লাখ ৫৮ হাজার ২০৬ কোটি টাকা। গত ৫ আগস্ট পালিয়ে যাওয়ার আগে হাসিনা এ সুবিশাল ১৮ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকার ঋণের সাগরে দেশের জনগণকে নিমজ্জিত করে প্রতি বছর মাথাপিছু জিডিপির উচ্চপ্রবৃদ্ধি দেখিয়ে চলেছিলেন, যাকে এক কথায় বলা চলে ‘নিকৃষ্টতম শুভংকরের ফাঁকি’ ও জনগণের সঙ্গে ভয়ানক প্রতারণা। ফলে ২০২৪ সালের অক্টোবরে প্রতিজন বাংলাদেশির মাথার ওপর এক লাখ টাকার বেশি ঋণ নিজেদের অজান্তেই চেপে বসে গেছে।

হাসিনার পতিত স্বৈরাচারী সরকার সাড়ে পনেরো বছর ধরে উচ্চ মাথাপিছু জিডিপি প্রবৃদ্ধির খেল দেখিয়ে দেশটাকে লুটেপুটে ছারখার করে দিয়েছে, যে অর্থের সিংহভাগই বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। খবরে প্রকাশ, এই পুঁজি-লুণ্ঠনের কেন্দ্রে ছিল শেখ হাসিনার পরিবার, শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও তার পুত্র শেখ ফাহিম, শেখ হেলাল, তার ভাই শেখ জুয়েল ও তার পুত্র শেখ তন্ময়, সেরনিয়াবাত হাসনাত আবদুল্লাহ ও তার পুত্র সাদিক আবদুল্লাহ, শেখ তাপস, শেখ পরশ, লিটন চৌধুরী ও নিক্সন চৌধুরী এবং হাসিনার অন্যান্য আত্মীয়স্বজন। আর ছিল এস আলম, সালমান এফ রহমান, সামিটের আজিজ খান, বসুন্ধরার আকবর সোবহান, ওরিয়ন গ্রুপের ওবায়দুল করিম ও নাসা গ্রুপের নজরুল ইসলাম মজুমদারের মতো লুটেরা অলিগার্ক ব্যবসায়ী এবং হাজার হাজার লুটেরা রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও দুর্নীতিবাজ আমলা। সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীনের পুত্র সোহেল তাজ অভিযোগ করেছেন, ২০০৯ সালেই শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘বিএনপি অনেক টাকা কামিয়েছে। এখন আমাদের দুহাতে টাকা বানাতে হবে।’ শুধু একজন এস আলম নাকি ইসলামী ব্যাংকসহ সাতটি ব্যাংকের মালিকানা জবরদখলের মাধ্যমে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করে দিয়েছে। হাসিনার বেসরকারি বিনিয়োগ ও শিল্প উপদেষ্টা সালমান রহমান তার বেক্সিমকো গ্রুপের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে লুটে নিয়েছেন ৩৬ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা। প্রতিটি মেগা-প্রকল্প ও দেশের শত শত প্রকল্প থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে এই সাড়ে পনেরো বছরে। উপরন্তু, দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রচণ্ড লুটপাটের শিকার করে রেখেছিল হাসিনার সরকার। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান মনসুরের প্রদত্ত তথ্য মোতাবেক, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট পৌনে ১৭ লাখ কোটি টাকা ব্যাংকঋণের মধ্যে কমপক্ষে ৬ লাখ কোটি টাকা খেলাপি ঋণে পরিণত হয়েছে, যার অধিকাংশই দেশ থেকে বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। রাঘববোয়াল ‘ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের’ ট্রাইব্যুনালের বিচারের মাধ্যমে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার ব্যাপারে হাসিনা সরকার ছিল পুরোপুরি নিষ্ক্রিয়। নিউইয়র্কভিত্তিক গবেষণা সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রেটি দাবি করেছে যে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে বিদেশে ১৪৯.২০ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়ে গেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত তিন বছরে ২৭.৫ বিলিয়ন ডলার হ্রাস পাওয়া সত্ত্বেও হাসিনার টনক নড়েনি।

৮ আগস্ট ২০২৪ প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর গত সোয়া তিন মাস ধরে প্রাণপণ প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতিকে ‘মেল্টডাউন’ থেকে বাঁচানোর জন্য। এস আলম কর্তৃক লুটে নেওয়া সাতটি ব্যাংকসহ এগারোটি ব্যাংকের পরিচালনা বোর্ড পরিবর্তন করা হয়েছে এসব ব্যাংককে দেউলিয়া হওয়া থেকে উদ্ধার করার উদ্দেশ্যে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কয়েকটি ব্যাংককে তারল্য সরবরাহ করা হয়েছে ওগুলোকে আবার ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ডলার-বিক্রয় বন্ধ করা হয়েছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের পতনকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য। আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক, জাইকা ও এডিবি থেকে প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার ঋণ চাওয়া হয়েছে রিজার্ভকে কিছুটা চাঙা করার জন্য। মূল্যস্ফীতি কমানোর উদ্দেশ্যে অনেকগুলো পণ্য আমদানিতে শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে। একই সঙ্গে, ডলারের দামকে টাকার অঙ্কে ১২০ টাকায় স্থিতিশীল রাখার প্রয়াস জোরদার করা হয়েছে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারের অস্থিরতা নিরসনের উদ্দেশ্যে। আমদানি বাণিজ্যের ওভারইনভয়েসিং নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের মনিটরিং কঠোর ও জোরদার করা হয়েছে। অবশ্য খুশির খবর হলো যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর তিন মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ফরমাল চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানো উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছেন। এর ফলে ডলারের সরবরাহ অনেকখানি বেড়ে যাওয়ায় কার্ব মার্কেটে দামের পার্থক্য সরকার-নির্ধারিত বাজারের দামের ১ শতাংশের মধ্যে এসে গেছে এবং স্থিতিশীল রয়েছে। ওপরের তথ্য-উপাত্ত থেকে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে যে, অদূর ভবিষ্যতে দেশের ফাইন্যান্সিয়াল খাতের মারাত্মক সংকট কাটিয়ে ওঠা যাবে। প্রফেসর ইউনূস বেশ কয়েকটি সংস্কার কমিশন গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। কমিশনগুলো তাদের প্রতিবেদন এবং সুপারিশ দ্রুত প্রকাশ করবে বলে আমাদের ধারণা। এরপর ওই সুপারিশগুলো নিয়ে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চূড়ান্তভাবে সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু করবে। ওই প্রক্রিয়ার পর দেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন ঘোষণা করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রফেসর ইউনূস। ওপরের বর্ণনা থেকে দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতির ভবিষ্যৎ গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাওয়া যাচ্ছে। কয়েকজন উপদেষ্টার কার্যক্রমে মন্থরতার অভিযোগ উত্থাপিত হলেও মোটামুটিভাবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পারফরম্যান্সে জনগণ খুশি।

লেখক: একুশে পদকপ্রাপ্ত অর্থনীতিবিদ; সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য, কড়া বার্তা দিল রাশিয়া

ফেসবুক পোস্টে কমেন্টস নিয়ে ছাত্রদল-স্বেচ্ছাসেবক দলের সংঘর্ষ 

আগে মেসে থাকতেন, এখন কোটি টাকার গাড়িতে চড়েন : বুলু

অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিয়ে আশার আলো দেখছে পাকিস্তান

প্রয়োজন হলে অন্য দলের সঙ্গে জোট হতেও পারে : আখতার

‘আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে’

চট্টগ্রামে আ.লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগের ২৯ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

জানাজায় ব্যানার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

ঈদের চতুর্থ দিনেও পর্যটকে মুখরিত সোনারগাঁয়ের বিনোদন কেন্দ্রগুলো

ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির বৈঠক শুক্রবার

১০

ময়মনসিংহে অন্তঃসত্ত্বা প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

১১

এসিসির নতুন চেয়ারম্যান হলেন মহসিন নকভি

১২

নৈশভোজের টেবিলে পাশাপাশি ড. ইউনূস ও মোদি

১৩

সংসদ সদস্য হলে ঠাকুরগাঁওয়ে বিমানবন্দর করা হবে : ফারুক

১৪

জব্দ ৫০০ কেজি জাটকা গেল এতিমখানায়

১৫

গণঅভ্যুত্থানের শহীদরা বাংলার চেতনার বাতিঘর : বরকত উল্লাহ বুলু

১৬

চট্টগ্রামে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত যুবদল কর্মীর মৃত্যু

১৭

পৈতৃক ব্যবসা ছেড়ে দিচ্ছেন শ্রীমঙ্গলের মৃৎশিল্পের কারিগররা

১৮

‘একটা গোষ্ঠী নির্বিঘ্নে চাঁদাবাজি-দখলদারির জন্য দ্রুত নির্বাচন চাচ্ছে’

১৯

সরু রেলগেটে বাড়ছে যানজট, ভোগান্তিতে হাজার পথচারী

২০
X