শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১
মো. এনামুল কবির শিশির
প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০২:২৫ এএম
আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:১৬ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

জুলাই বিপ্লব যেভাবে জনগণকে উপকৃত করবে

জুলাই বিপ্লব যেভাবে জনগণকে উপকৃত করবে

ইতিহাসের চাকা কখনো উল্টো ঘোরে না। আশ্চর্যের বিষয় হলো, পৃথিবীতে শুধু সময় পাল্টায়, কিন্তু ঘটনা বা পরিস্থিতি প্রায় একইরকম থাকে। সহজভাবে দেখলে মনে হবে, আমরা সবাই একই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি, শুধু সময়ের ব্যবধান ভিন্ন। যুগে যুগে বিপ্লব ঘটেছে, বিপ্লবীদের আত্মত্যাগের ফলে একসময় সাধারণ স্থান ইতিহাসের অংশ হয়ে উঠে অসাধারণ রূপে। কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি, বিপ্লব কেন সংঘটিত হয়?

প্রতিটি বিপ্লবের পেছনে অসংখ্য কারণ থাকতে পারে। তবে একটি কারণ সর্বদা সাধারণ—তা হলো নিপীড়ন। মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন; তার সহজাত প্রবৃত্তি হলো— শেষমুহূর্ত পর্যন্ত তার স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা। বাংলাদেশও এক অনন্য বিপ্লব দেখল ২০২৪ সালে, যখন ৫ আগস্ট দীর্ঘ দুই দশকের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটল। আমরা সবাই জানি, এই বিপ্লব সহজে আসেনি—কোটি মানুষের নিপীড়িত আত্মা, ক্ষোভ, কষ্ট, যন্ত্রণা, গ্লানি ও একঝাঁক অদম্য সাহসী তরুণের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় এ স্বাধীনতার নতুন সূর্যোদয়। সেই বিকেলে মানুষ রাস্তায় নেমে আসে উল্লাসে, ভয়হীন পরিবেশে, স্বৈরাচারের আতঙ্ক থেকে মুক্ত হয়ে।

কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—এ বিপ্লব জনগণকে কীভাবে উপকৃত করবে? যারা এত বছর নির্যাতিত ছিল, তারা কীভাবে বিপ্লব-পরবর্তী সুবিধাভোগী শ্রেণিতে পরিণত হবে? আমরা স্বাধীনতাকে গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে দেখি, যেখানে মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষার পাশাপাশি মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিত থাকবে। তারা নিজেদের জনপ্রতিনিধি বেছে নিতে পারবে, যারা তাদের দুঃখ-কষ্ট বুঝবে এবং প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব করবে। সুতরাং, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে মানুষ স্বাধীনভাবে তাদের মতামত দিতে পারে।

সংস্কার নাকি নির্বাচন?

বর্তমানে বাংলাদেশে বিপ্লব-পরবর্তী নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হলো—সংস্কার নাকি নির্বাচন? সুকৌশলে এ দুটি বিষয়কে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী বানিয়ে তোলা হচ্ছে, যা একপ্রকার কৃত্রিম প্রতিযোগিতা। সহজভাবে চিন্তা করলে বোঝা যায়, সংস্কার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জনগণের ইচ্ছা ও মতামতের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। তাহলে কেন আমরা সংস্কারকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমায় বেঁধে দিচ্ছি? সংস্কার কোনো ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট সময়ের ওপর নির্ভরশীল নয়।

পৃথিবী তার নিজস্ব নিয়মে প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। আজকের বিশ্বে উষ্ণায়ন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত অগ্রগতি আমাদের সামনে নতুন বাস্তবতা হাজির করেছে। প্রতিটি পরিবর্তন সময়ের প্রয়োজনে এবং মানুষের কল্যাণের স্বার্থে হয়েছে। তাহলে একটি দেশ কেন সময় ও মানুষের ঊর্ধ্বে থাকবে? সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা সময়ের চাহিদা অনুযায়ী পরিচালিত হওয়া উচিত। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্য নির্বাচনের বিকল্প নেই। যে কোনো পরিবর্তন বা পরিবর্ধন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমেই যৌক্তিকভাবে হওয়া উচিত।

কেন সংস্কার প্রত্যাশা অনুযায়ী হচ্ছে না?

বাংলাদেশে সংস্কার প্রত্যাশা অনুযায়ী হচ্ছে না, তার পেছনে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে:

এক. রাজনৈতিক মতানৈক্য ও বিভাজন: বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সংস্কার নিয়ে একমত না হয়ে, তারা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থরক্ষার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

দুই. প্রশাসনিক জটিলতা ও আমলাতান্ত্রিক বাধা: দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী শাসনের ফলে প্রশাসনের ভেতরে দুর্নীতি, অদক্ষতা ও স্বচ্ছতার অভাব দেখা দিয়েছে। সংস্কার কার্যকর করতে হলে প্রশাসনিক কাঠামোর ভেতরে ব্যাপক পরিবর্তন প্রয়োজন, যা সহজ কাজ নয়।

তিন. স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর বাধা: দীর্ঘদিনের সুবিধাভোগী কিছু শক্তিশালী গোষ্ঠী সংস্কারের বিরুদ্ধে কাজ করছে, কারণ এতে তাদের ক্ষমতা ও প্রভাব কমে যেতে পারে। তারা কৌশলে সংস্কারের অগ্রগতি ধীর করে দিচ্ছে।

চার. আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রভাব: বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সংস্কার শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, বরং আন্তর্জাতিক রাজনীতির সঙ্গেও গভীরভাবে সংযুক্ত। বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে। আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর মধ্যে যাদের বাংলাদেশে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ রয়েছে, তারা সংস্কারের গতিপথ নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করছে।

পাঁচ. জনগণের হতাশা ও অস্থিরতা: জনগণ বিপ্লবের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে একটি সুস্পষ্ট পরিবর্তন আশা করেছিল। কিন্তু ধীর সংস্কার প্রক্রিয়া, মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও বাজারের অস্থিতিশীলতা তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি করছে।

ছয়. নেতৃত্বের দ্বিধা: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বারবার বলেছেন, সংস্কার করতে হলে সময় লাগবে। কিন্তু এই প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, দ্রুত ও গণমুখী করা প্রয়োজন ছিল, যা এখনো হয়নি।

সাত. সংস্কার নীতির স্বচ্ছতা ও গণশুনানি নেই: একটি বড় সমস্যা হলো, সংস্কার নীতিগুলো কীভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে, সে সম্পর্কে জনগণকে নিয়মিত অবহিত করা হচ্ছে না। যদি মাসিক সংস্কারপত্র প্রকাশ করা হতো, তাহলে জনগণ পরিবর্তনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে পারত এবং সরকারের প্রতি আস্থা রাখতে পারত।

পেছনে তাকানো যাক: ফরাসি বিপ্লব (১৭৮৯-১৭৯৯) আমাদের শেখায়, কীভাবে বিপ্লব-পরবর্তী শাসন কাঠামো গঠিত হয়। ষোড়শ লুইসকে গ্রেপ্তার করার পর এক বছরের মধ্যেই ফ্রান্সে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয় এবং জাতীয় কনভেনশনের মাধ্যমে নতুন শাসনব্যবস্থা গড়ে ওঠে। একইভাবে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব, ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লব, ১৯৮৯ সালের রোমানিয়ান বিপ্লব এবং সাম্প্রতিক আরব বসন্তের ঘটনাগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, স্বৈরাচার পতনের পর নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করতে এক বছর সময়ের বেশি লাগেনি।

এ ইতিহাস প্রমাণ করে, নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কোনো দেশ সত্যিকারের উন্নতি করতে পারে না। জনগণের মতামত ও কল্যাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র বৈধ পথ হলো নির্বাচন।

উইনস্টন চার্চিল খুব মারাত্মক একটি উক্তি করেছিলেন—‘রাজনীতি প্রায় যুদ্ধের মতোই উত্তেজনাপূর্ণ এবং বেশ বিপজ্জনক। যুদ্ধে আপনি শুধু একবার হত্যা করতে পারেন। তবে রাজনীতিতে অনেকবার।’ এ দেশের মানুষের স্বপ্ন বারবার নিহত হচ্ছে রাজনৈতিক মারপ্যাঁচে পড়ে। কী চাই, কীভাবে চাই এবং কেন চাই—এ বিষয়টা আমরা জাতিগতভাবে বুঝতে বেশ দেরি করি। শত আশাভঙ্গের কারণ থাকার পরও আমরা অত্যন্ত আশাবাদী একটি জাতি। সেই অপার আশা নিয়েই যাত্রা শুরু করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সরকার এবং জনগণের এই আশা তারা কীভাবে পূরণ করবে, তা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। সরকার গঠনের আট মাস পার হয়ে গেছে, কিন্তু জনগণ এখনো সংস্কারের দৃশ্যমান ফল দেখতে পাচ্ছে না।

কেন এই সরকারের পক্ষে সম্পূর্ণ সংস্কার বাস্তবায়ন করা বেশ কঠিন হয়ে যাবে তার কারণ হলো—বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে দেশের যে অস্থিতিশীল অবস্থা বর্তমানে বিরাজ করছে সেখানে সরকার তার আস্থার জায়গা পুরোপুরি অর্জন করতে পারেনি। যদি সংস্কারই মূল এজেন্ডা হয়ে থাকে, তাহলে সরকারের উচিত ছিল প্রতি মাসে একটি সংস্কারপত্র প্রকাশ করা, যাতে জনগণ নিয়মিত আপডেট পায়। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। এর বাইরে যে ব্যাপারটা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো, বর্তমান দায়িত্বশীলরা কতটুকু অভিজ্ঞতা রাখেন—এমন একটি বিশাল পরিবর্তন অথবা সংস্কার করার জন্য, ইতিমধ্যে প্রধান উপদেষ্টা এটি অকপটে স্বীকার করেছেন, যা অন্যরা করছেন না। যদি আপনার জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা না থাকে তাহলে আপনি কীভাবে তাদের চাহিদাগুলো বুঝবেন। দেখুন সংস্কারের আরও একটি অন্যতম ব্যাপার হতে পারত সাধারণ মানুষের কোন কোন বিষয়গুলোতে আগ্রহ আছে তা চিহ্নিত করা এবং সেখানে সংস্কার প্রয়োজন আছে কি না, তার ওপর জনগণের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা। তবুও এ সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে সেই ব্যাপারে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। হয়তো গত ১৫ বছরের এত এত ঝামেলা, দুর্নীতি ছয় মাস কিংবা এক বছরে সমাধান করা সম্ভব না এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি কার্যকলাপ। সেইসঙ্গে বিভিন্ন গোষ্ঠী, রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে এবং সবাই একটি সমূহ সম্ভাবনা দেখছে ক্ষমতা আস্বাদনের জন্য অথচ কেউ পরিষ্কারভাবে বলছে না আগামীতে তারা দেশে এবং জনগণের জন্য কী করবে? তার ফলস্বরূপ এ সরকারকে ব্যর্থ করারও চেষ্টা অব্যাহত আছে। সেই সূত্র ধরেই দেশের আইনশৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি হয়েছে এখন, স্বেচ্ছাচারিতা, নিরাপত্তাহীনতা, নারীর ওপর হামলা, গণপিটুনি—এ সবকিছুর প্রভাব বেড়ে গেছে। কারণ কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি কাজ করছে না। সবার একই ধারণা, এ অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ যেহেতু বেশি নয়; তাহলে নির্বাচনী সরকারের সঙ্গেই তারা পুরোদস্তুর কাজ করতে চায়, যা বর্তমান সরকারের জন্য অত্যন্ত কঠিন অবস্থার তৈরি করেছে। অতএব, প্রশ্ন থেকেই যায়—আমরা কি সত্যিই স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে এগোচ্ছি, নাকি সংস্কারের নামে এক নতুন বিভ্রান্তির বেড়াজালে আটকে যাচ্ছি? বিশাল স্বাধীনতা ডুবে যাচ্ছে কারও পুকুরের ঘাটে। বাংলাদেশে প্রধান দুটি বড় রাজনৈতিক দলের মধ্যে যেহেতু একটি দল তার রাজনীতি করার সব নৈতিক অবস্থান হারিয়েছে তার নিজের কর্মের কারণে; সুতরাং জনগণের পাশে গত ১৭ বছর যে দলটি ছিল তা হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তাই সবাই বোধহয় তাদের ওপর ভরসা করছে অনেকাংশে বর্তমানে। সেই সূত্র ধরে সামাজিক মাধ্যমে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একটি কথা নজর কেড়েছে—‘সংসদের মাধ্যমে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে যে সরকার বাধ্য থাকবে, একমাত্র সেই সরকারের পক্ষেই সম্ভব মানুষের জন্য ভালো কিছু করা, দেশের জন্য ভালো কিছু করা।’ এ উক্তির মতো অবস্থান যদি তৈরি করা সম্ভব হয় সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে, তাহলে আগামীর বাংলাদেশ হবে দায়বদ্ধতা ও সমৃদ্ধির। এ সংকটময় মুহূর্তে, জনগণের সজাগ দৃষ্টি এবং সক্রিয় অংশগ্রহণই পারে স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে। আসুন, আমরা সবাই মিলে সজাগ থাকি যেন আমাদের কষ্টার্জিত স্বাধীনতা সংস্কারের নামে কোনো পুকুরে ডুবে না যায়।

লেখক: রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও স্ট্র্যাটেজিস্ট

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাথায় গুলি নিয়েই মারা গেলেন জুলাই আন্দোলনে আহত হৃদয়

ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, ছিটকে পড়ে নিহত ২

পরিচয় মিলল রাস্তায় পড়ে থাকা সেই কার্টনভর্তি খণ্ডিত লাশের

মার্কিন পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা করল চীন

‘বস’ সম্বোধন করে ড. ইউনূসকে উপদেষ্টা আসিফের ধন্যবাদ

মুসলিম দেশগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ জুলুম চালাতে পারবে না : ইরান

দেশে ফিরেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

মিয়ানমারের ভূমিকম্পে / পরিবারকে বাঁচাতে ৬০০ ফুট নিচে ঝাঁপ দিলেন বাবা

ড. ইউনূস-মোদির বৈঠককে যেভাবে দেখছেন মির্জা ফখরুল

গত ২৫ বছরে একবারও ‘জয় বাংলা’ বলিনি : কাদের সিদ্দিকী

১০

লাস ভেগাসে `অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’-এর এক ঝলক

১১

আর্জেন্টিনাকে উড়িয়ে ‘বিশ্বচ্যাম্পিয়ন’ বাংলাদেশ!

১২

নববধূর সঙ্গে পরকীয়া, ঘটক গ্রেপ্তার 

১৩

পলিথিনে স্কচটেপে প্যাচানো ছিল মানবদেহের খণ্ডিত অংশ

১৪

‘আউলিয়া কেরামদের প্রতি মহব্বতই শান্তি-সম্প্রীতি এনে দিতে পারে’

১৫

মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জীর মৃত্যুতে জামায়াতের শোক

১৬

মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে সৌদি যুবরাজ-পেজেশকিয়ানের ফোনালাপ

১৭

শর্ত ভঙ্গ করায় যাত্রাপালা বন্ধ করল প্রশাসন

১৮

সংস্কারও চাই, ডিসেম্বরে নির্বাচনও চাই : যুবদল নেতা জুয়েল

১৯

ভয়ংকর বিপদে ইসরায়েল, গৃহযুদ্ধের শঙ্কা

২০
X