সোমবার, ৩১ মার্চ ২০২৫, ১৭ চৈত্র ১৪৩২
ইলিয়াস হোসেন
প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০২৫, ০২:২৬ এএম
আপডেট : ২৫ মার্চ ২০২৫, ০৯:০৩ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
যে কথা কেউ শোনে না

ইফ যদি ইজ হয় বাট কিন্তু

ইফ যদি ইজ হয় বাট কিন্তু

কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের সমর্থকরা শুধু ভোটার না। তারাই কর্মী, তারাই নেতা। আবার কোনো কোনো দলের নেতাও নিজ দলের ভোটার না। এরকম মিথ চালু আছে রাজনীতিতে। এ এক জাহেরি-বাতেনি খেলা। রাজনৈতিক প্রয়োজনে নিজের বিরুদ্ধেও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে থাকে অনেক ব্যক্তি, দল বা সংস্থা। পুলিশি বাধার মুখে গায়ের পাঞ্জাবি নিজেই ছিঁড়ে জাতীয় নেতা হয়েছেন অনেকে। জনসেবার অধিকার পেতে জনতার সঙ্গে লুকোচুরি খেলা রাজনীতির এক অনিবার্য অনুষঙ্গ। নেতা হতে গেলে ভালো অভিনেতাও হতে হয়। আবার অনেক ভালো অভিনেতাও রাজনীতিতে ব্যর্থ হয়েছেন ভাগ্যদোষে। স্থান-কাল-পাত্রই শুধু নয়, এ ক্ষেত্রে ভাগ্যও লাগে। যে কারণে জ্ঞান-বিজ্ঞানে উন্নত সভ্য দেশের রাজনীতিবিদরাও নানা কুসংস্কার ও তুকতাকে বিশ্বাস করেন। বাংলাদেশে অবশ্য কুসংস্কারের পাশাপাশি সংস্কারেও আস্থা রাখে। মানুষের প্রতি সারাজীবন নিবেদিত থেকেও জনপ্রতিনিধি হতে পারেন না কেউ কেউ। একা একটি দলকে টেনে টেনে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থেকে প্রতিষ্ঠানে পরিণত হন। তাত্ত্বিক আলোচনায় মহান অভিধা পেলেও গণমানুষের কাছে শুধুই একটি নাম হয়ে থাকেন। রাজনীতি শুধু ভালো মানুষের জন্য নয়। সমাজের ভালো-মন্দ, জ্ঞানী-মূর্খ, চোর-বাটপার সবার জন্য। সবাইকে এক সুতোয় গাঁথতে পারাটাই বড় রাজনীতিবিদের কৃতিত্ব। এ এক নিরন্তর প্রক্রিয়া। অব্যাহত চর্চা। উপমহাদেশের রাজনীতি আইনজীবী, শিক্ষক ও মধ্যবিত্ত পেশাজীবীদের হাত ধরে এগিয়েছে। এখন অবশ্য নানা পেশা-নেশার মানুষের অভয়াশ্রম রাজনীতি। ছাত্র-বেকার-ভবঘুরে সবাই জাতীয় রাজনীতিতে নাম লেখাতে চান। দেশ-জাতির জন্য কিছু করার প্রতিযোগিতায় বজ্জাতিতেও পিছিয়ে নেই অনেকে।

চাইলেই সবকিছু হয় না। এমনকি সবকিছু থাকার পরও টিকে থাকা যায় না। সহজে ইংরেজি শিখতে অনেকে বাংলায় চেষ্টা করেন। ছন্দে ছন্দে মনে রাখতে চায়, ইফ যদি ইজ হয় বাট কিন্তু। আপাতদৃষ্টিতে সহজ সরল ছন্দ মনে হলেও রাজনীতিতে এ শব্দগুলো খুবই জটিল ও রহস্যময়। যদির কথা নদীতে ফেলে দিতে চাইবে কেউ কেউ। আবার কিন্তুর প্যাঁচে পড়লে জীবন বরবাদ। বছরের পর বছর সবাই অনুগত থাকলেও হঠাৎ বিগড়ে যেতে পারে পোষা কুকুরটিও। ‘ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার উৎখাত হয়। এর আগে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে জনরোষ দানা বেঁধে ওঠা সম্পর্কে অবগত ছিল ভারত’—দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর গত শনিবার নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়বিষয়ক পরামর্শক কমিটির এক বৈঠকে এ কথা বলেন। পার্লামেন্ট সদস্যদের তিনি আরও বলেন, “শেখ হাসিনাকে প্রভাবিত করার মতো যথেষ্ট ক্ষমতা না থাকায় তাকে শুধু ‘পরামর্শ’ দেওয়া ছাড়া তেমন কিছু করার পরিস্থিতিতে ভারত ছিল না।” তার এ কথার মধ্য দিয়ে আট মাস পরও ভারতীয় কূটনীতি ও হাসিনার কর্তৃত্ববাদী রাজনীতির অসহায়ত্ব ফুটে ওঠে। যে রাজনীতি জনগণের জন্য শুরু করেছিলেন শেখ হাসিনা, তা শেষ পর্যন্ত লোভী আমলা, আগ্রাসী ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন বাহিনীর নিষ্ঠুর সদস্যদের স্বার্থে চলে যায়। ক্ষমতার রাজনীতির ট্র্যাজেডি হলো, জনগণের গড়া দল পরিচালিত হয় রাজনীতিতে অজ্ঞ গোয়েন্দা দ্বারা।

রাজনীতিতে গোয়েন্দা সংস্থার সম্পৃক্ততার অভিযোগ অনেক পুরোনো। এ বিষয়ে দৌড়ঝাঁপে ব্যস্ত থাকা গোয়েন্দারা সচরাচর নেপথ্যেই থাকেন। তাদের কৃতিত্ব-ব্যর্থতা ভুক্তভোগী রাজনীতিবিদ, অনুসন্ধানী সাংবাদিক ছাড়া জনগণ তেমন জানতে পারেন না। নিরাপদ সময়ে গবেষকের তাড়নায় পাঠকরা কিছু কিছু ঘটনা পড়তে পারেন। গড়পড়তা প্রচলিত এ ধারণা প্রতিনিয়ত ভেঙে পড়ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য ঝড়ের তাণ্ডবে। এখন রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি থেকে রাস্তার লোকটাও ব্যস্ত নিজস্ব ডিভাইসে। জাতি গঠনে প্রতিপক্ষ দমনে অবিরত আঙুল চালাচ্ছেন। দায়িত্বশীলদের অমোঘ বয়ানে হামলে পড়ছে অনুসারী, প্রতিক্রিয়াশীল অনেকে। কেউ সহমত, কেউ রহমত ভাই। প্রশ্ন জাগতে পারে, তারা এত সময় পান কীভাবে? এর মধ্য দিয়ে জাতি ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে নাকি বিভাজনে গতি বাড়ছে? এরকম হাজারো প্রশ্নে জেরবার নেটিজেন। জবাব না পেয়ে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হয়ে উত্তর-দক্ষিণ একাকার করে ফেলছেন ফেবু যোদ্ধারা। এদিকে জুলাই যোদ্ধাদের ফেসবুক স্ট্যাটাস এখন খবরের খনি। তাদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য-মন্তব্য গুরুত্বপূর্ণ গণমাধ্যমের অনিবার্য বিষয় হয়ে উঠেছে। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের ভিন্ন ভিন্ন পোস্ট নিয়ে দলটির ভেতরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। তাদের পোস্টকে দলটির নেতাদের অনেকে ‘ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা অর্জনের রাজনীতি’ বলছেন। দলীয় ফোরামে আলোচনা ছাড়াই নেতাদের হুটহাট ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া নিয়ে এনসিপির ভেতরে চলছে নানা আলোচনা।

‘রিফাইন্ড (সংশোধিত) আওয়ামী লীগ’ গঠনে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে চাপ দেওয়া হয়েছে বলে সম্প্রতি ফেসবুকে পোস্ট দেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তাতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সেনাবাহিনী সদর দপ্তর। সুইডেনভিত্তিক নেত্র নিউজের এক প্রতিবেদনে এ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, হাসনাত আবদুল্লাহর পোস্ট ‘সম্পূর্ণ রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি বৈ অন্য কিছু নয়। অত্যন্ত হাস্যকর ও অপরিপক্ব গল্পের সম্ভার’। এ ব্যাপারে গত রোববার এনসিপির মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের ছাত্ররা এখন রাজনীতিতে আসছেন। সে জায়গায় কিছু ক্ষেত্রে ভুল হয়ে থাকলে দেশবাসী ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।’ এর এক দিন আগে অবশ্য তিনি হাসনাতের স্ট্যাটাসকে ‘শিষ্টাচারবর্জিত’ বলে মন্তব্য করেছেন। এসব বাহাসের মধ্য দিয়ে আপাতত উত্তপ্ত আলোচনা নিভে যাবে। নিত্যনতুন ইস্যুর ভিড়ে চাপা পড়ে যাবে হয়তো আগুনের জ্বালামুখ। কিন্তু উসকে দেওয়া ছাই-চাপা আগুন ধিকিধিকি জ্বলবে অন্তরালে। বাংলাদেশের রাজনীতি ও অনির্বাচিত সরকার (তত্ত্বাবধায়ক ও অন্তর্বর্তী) গঠনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অনস্বীকার্য। অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ও বিদগ্ধ বিশ্লেষকরা এ নিয়ে রেখে-ঢেকে আলোচনা-সমালোচনা করে থাকেন। এবারই প্রথম প্যান্ডোরার বাক্স খুলে দিলেন হাসনাত। আর হৈচৈ করে চিরচেনা দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ভুলে কাঁধে হাত রেখে আলাপে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এজন্য গালমন্দ থেকে শুরু করে হাসনাত বীরের শুভেচ্ছাও পেলেন ফেবুপাড়ায়।

বিষয়টি অন্যভাবেও দেখা যায়। সেনাবাহিনীর সঙ্গে বাহাসে এনসিপির হয়তো একটা লাভ হয়েছে। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষ মনে করতে পারে, এটা কোনো কিংস পার্টি না। সেরকম হলে এরকম পরিস্থিতি তৈরি হতো না। ভ্রূণ অবস্থাতেই দলটির গায়ে কিংস পার্টির তকমা লাগে। সরকারি ও বিভিন্ন বাহিনীর গাড়ি, হেলিকপ্টার ব্যবহার করায় তাদের নেতাদের ব্যক্তিগত এবং দলীয় খরচা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে নতুন দলের নেতাদের বারবার প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। এখন আওয়ামী লীগ ইস্যুতে নিজেদের সমর্থনে গড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গেও দ্বিমত পোষণ করছে তারা। প্রতিবাদে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে গত রোববার শাহবাগ ব্লকেড করেছে তাদের অনুসারীরা। অভ্যুত্থানে আহতরা মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছেন। যদিও আগের মতো জমেনি অবস্থান কর্মসূচি। তবু সরকারবিরোধী পদক্ষেপের মাধ্যমে নিজেদের স্বতন্ত্র ও স্বাবলম্বী করে তোলার সুযোগ পেয়েছে। তবে সরকারে থাকা সহযোদ্ধাদের বিভিন্ন বক্তব্যে তাদের প্রতি অতি সহমর্মিতা প্রকাশ পায়। এতে সরকারের নিরপেক্ষতা ও দলটির বেড়ে ওঠা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। এরই মধ্যে পুরোনো আমলাতন্ত্রের ঘেরাটোপে পড়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। অবসর থেকে ফেরা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তরাও চাকরি জীবনে কোনো না কোনো সময় হাসিনা রেজিমের অংশীদার ছিলেন। স্বজনপ্রীতি-দুর্নীতি সবই করেছেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়। সে আমলারাই এখন বুদ্ধি দিচ্ছেন, বঙ্গবন্ধুসহ চার নেতা মুক্তিযোদ্ধা নয়। সহযোগী মাত্র। এ জাতীয় কর্মকাণ্ডে দিন দিন সরকারের দেনা বাড়ছে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বাড়াবাড়ি বা কড়াকড়ি কোনোটাই সাধারণ মানুষ ভালোভাবে নেয় না।

মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে সংগঠিত হয় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী। শুরু থেকেই গৌরবোজ্জ্বল নেতৃত্বগুণে স্বমহিমায় আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গভীর আত্মত্যাগ ও চৌকস পদক্ষেপে মন জয় করে নেয় সাত কোটি বাঙালির। স্বাধীনতা অর্জনের পর সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জনবান্ধব কর্মসূচিতে দেশপ্রেমিক অভিধা পায় বাহিনীটি। প্রাকৃতিক ও মানবিক দুর্যোগে সেনারা সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক সংকটে বারবার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে তারা। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মুখে দেশ রক্ষায় শহীদ হয়েছেন অনেক সেনাসদস্য। আবার দেশের জনপ্রিয় দুই রাষ্ট্রপতি নিহত হয়েছেন একই বাহিনীর কয়েকজন বিপথগামী সদস্যের হাতে। তবু দেশের মানুষ কখনো এ বাহিনীর প্রতি বিরাগভাজন হননি। কতিপয় বিপথগামী সদস্যের দায় পুরো বাহিনীর ঘাড়ে চাপায়নি। দেশবাসী মনে করে, শেষ আশ্রয় আদালত আর শেষ ভরসা সেনাবাহিনী। গত দেড় দশকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। বাদ যায়নি বিচারালয় ও সেনানিবাস। মানুষ বিশ্বাস করে, হাসিনা রেজিমে জনগণের প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয় আদর্শে চলতে বাধ্য হয়েছে। এ সময় দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। বিভিন্ন লাভজনক ব্যবসার ফাঁদে ফেলে তাদের সিভিল আমলাদের মতো সাধারণ করে ফেলা হয়েছে। যে কারণে, যে কেউ প্রকাশ্যে তাদের সমালোচনা করার স্পর্ধা দেখাচ্ছে। হারানো গৌরব ফিরে পেতে অতি লাভের বায়না ভুলে যেতে হবে। আয়নাঘরের কলঙ্ক মুছতেই হবে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী সেনাবাহিনীকে।

লেখক: হেড অব নিউজ, আরটিভি

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গাজীপুরে বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ২

ভারতে ঈদগাহে আসা মুসলিমদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানাল হিন্দুরা

ঈদগাহে মুসল্লিদের ওপর ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলা

‘দ্রুত নির্বাচন না হলে আরও একটি স্বৈরাচার জন্ম নিতে পারে’

‘১৭ বছর পর স্বাধীনভাবে ঈদের নামাজ পড়তে পেরেছি’

সাম্যের প্রতীকে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর

মঙ্গলবার ২৪ ঘণ্টা গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে যেসব এলাকায়

এবারের ঈদে অনেক পার্থক্য আছে: মির্জা ফখরুল

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে দেশে অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা বিএনপির

শোলাকিয়ায় ৬ লক্ষাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণে ঈদ জামাত

১০

সব ধরনের নেতিবাচক কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান সারজিসের

১১

ঈদের ময়দানে ব্যতিক্রমী আপ্যায়ন

১২

সিলেট শাহী ঈদগাহে লক্ষাধিক মানুষের নামাজ আদায়

১৩

বায়তুল মোকাররমে ঈদের পাঁচ জামাত অনুষ্ঠিত

১৪

ঈদ উপলক্ষে বিশেষ বার্তা দিলেন হামজা ও জামাল

১৫

শ্রীমঙ্গলে রাতভর বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, সাবেক মেয়রসহ আটক ১৪

১৬

৮ বছর পর নুজাইরা বাবার সঙ্গে ঈদ করবে

১৭

ঈদের দিন সুস্থ থাকতে কী কী খাবেন

১৮

সারা দেশে উৎসাহ-উদ্দীপনায় ঈদুল ফিতর উদযাপন

১৯

ঈদের দিন বদহজম থেকে রক্ষা পাবেন যেভাবে

২০
X