আবু তাহের খান
প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৩:০১ এএম
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৭:৪৪ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

প্রসঙ্গ ট্রাম্প-মাস্ক ও বাংলাদেশ

প্রসঙ্গ ট্রাম্প-মাস্ক ও বাংলাদেশ

যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অক্সফাম গত ২০ জানুয়ারি প্রকাশিত সম্পদ শোষণবিষয়ক তাদের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, ‘ঔপনিবেশিক আমলের মতো আজও শোষণ করে সম্পদের পাহাড় গড়ছেন পশ্চিমের ধনীরা।’ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পূর্ব সময়ে বিশ্বজুড়ে বিরাজমান ক্ষুধা ও দারিদ্র্য পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত অক্সফাম একটি পশ্চিমা প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও বরাবরই তারা তাদের বক্তব্য ও কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্বের অভাবী মানুষের পক্ষে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। এ বিষয়ে নিজেদের সোচ্চার অবস্থানের কথা তুলে ধরেছে। অবশ্য এজন্য বিভিন্ন সময়ে পশ্চিম থেকেই তাদের নানা ধরনের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু এরপরও যে সংগঠনটি তাদের আগের অবস্থান ধরে রাখতে প্রয়াসী হচ্ছে, সেটি নিঃসন্দেহে পুঁজির একচেটিয়া শোষণ ও মুনাফা এবং লুটেরাবৃত্তির এ যুগে খানিকটা হলেও আশাব্যঞ্জক ঘটনা বৈকি!

অক্সফাম তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, ‘ঔপনিবেশিক আমলে আফ্রিকা, ভারতীয় উপমহাদেশ এবং দক্ষিণের দেশগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ সম্পদ পশ্চিমা দেশগুলোর ধনীদের হাতে চলে গেছে। একইভাবে আজও এভাবে সম্পদের শোষণ চলছে।’ অক্সফামের মতে, ধনীদের ওপর বাড়তি কর আরোপের মাধ্যমে উল্লিখিতদের অতি ধনী হওয়া ঠেকানো যেতে পারে। তো এই যখন অক্সফামের অভিমত, তখন প্রায় একই সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসনের দক্ষতা উন্নয়ন বিভাগের (ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি) প্রধান ও মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক তার প্রেসিডেন্টকে পরামর্শ দিয়েছেন সরকারের ব্যয় কমিয়ে আনার লক্ষ্যে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক খাত থেকে অর্থ বরাদ্দ ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া চাঁদার পরিমাণ কমিয়ে আনার জন্য। বিষয়টির অর্থ হচ্ছে, এর ফলে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিত্তবানদের অধিক হারে কর প্রদান থেকে অব্যাহতি দেওয়া সম্ভব হবে।

এদিকে মাস্কের পরামর্শ মেনে ট্রাম্প তার দায়িত্ব গ্রহণের একেবারে প্রথম দিন থেকেই পূর্ব-ঘোষণা অনুযায়ী এসব জনকল্যাণমূলক ব্যয় এবং বৈদেশিক সহায়তা কমিয়ে আনতে শুরু করেছেন। এ নিয়ে ‘টাইম’ সাময়িকী গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত তাদের সর্বশেষ সংখ্যার প্রচ্ছদে ট্রাম্পের দাপ্তরিক চেয়ারে ইলন মাস্ককে বসিয়ে যে প্রতিবেদন ছেপেছে, সেটি আসলে ট্রাম্প কর্তৃক গৃহীত উল্লিখিত তৎপরতাগুলোই প্রতীকী চিত্র। এসব তৎপরতার ফলে অনিবার্যভাবেই মার্কিন সমাজে সম্পদের ঊর্ধ্বমুখী মেরূকরণ আরও ত্বরান্বিত হবে এবং সেখানে নিম্নবিত্ত মানুষের আয় ও সম্পদের পরিমাণ দিনে দিনে আরও হ্রাস পাবে, যার পূর্বাভাস অক্সফামের প্রতিবেদনেও বেশ সুস্পষ্টভাবেই রয়েছে। আর পশ্চিমের দেশগুলোর ভেতরকার সম্পদের এ মেরূকরণের পাশাপাশি বিশ্বের পূর্ব ও দক্ষিণের দেশগুলো থেকে সম্পদের পশ্চিমমুখী শোষণপ্রবাহকে অক্সফাম আখ্যায়িত করেছে ‘আধুনিক যুগের উপনিবেশবাদ’ হিসেবে। বাণিজ্য ও অর্থনীতির বর্তমান বিশ্বব্যবস্থাকে উল্লিখিত অভিধায় আখ্যায়িতকরণের বিষয়টি শুধু ধারণা হিসেবেই যথার্থ নয়; বস্তুত এটিই এখন বিশ্বসমাজ ও অর্থনীতির মূল সংকটের জায়গা, যেটি যুক্তরাষ্ট্রে ইলন মাস্কগোষ্ঠী ও অন্যত্র তার স্বগোত্রীয়দের নেওয়া নানা শোষণমূলক উদ্যোগেরই সম্মিলিত ও অনিবার্য ফল।

স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে—ঔপনিবেশিককালে ব্রিটেনের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতবর্ষ থেকে, ফরাসি কোম্পানি ভিনসেন্ট বোলোরে আফ্রিকা থেকে এবং হল্যান্ডসহ (বর্তমানের নেদারল্যান্ডস) অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের বিভিন্ন কোম্পানি লাতিন আমেরিকা থেকে সম্পদ লুণ্ঠন, শোষণ ও পাচারের যে বাণিজ্যব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল, এখনকার পৃথিবীতে সে কাজটি তাহলে কারা ও কীভাবে করছে? উত্তরটি তেমন কঠিন ও জটিল কিছু নয়। উল্লিখিত ব্রিটিশ, ফরাসি ও ওলন্দাজ কোম্পানিসমূহেরই আজকের সমরূপী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে অ্যাপল, মাইক্রোসফট, ওরাকল, আমাজন, মেটা, আইবিএম, টেসলা, গুগল, ভিসা ইত্যাদি। এরা বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশগুলোর স্বল্পশিক্ষিত, আবেগপ্রবণ, হুজুগে ও মোহাবিষ্ট জনগণের সারল্য ও অদূরদর্শিতা পুঁজি করে প্রযুক্তির বিশেষত তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণ ও মালিকানার জোরে নিজ নিজ দেশে বসেই সম্পদ শোষণের এমন এক ‘আধুনিক ব্যবস্থা’ গড়ে তুলেছে যে, সারা পৃথিবীর প্রায় সমুদয় সম্পদের একটি বিরাট অংশের নিয়ন্ত্রণই এখন তাদের হাতের মুঠোয়। তথাকথিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নামে এমন এক বিশ্ববাণিজ্য কৌশল তারা প্রবর্তন করেছে যে, এ ক্ষেত্রে অর্থ ও সময় ব্যয়ে শিল্পোন্নত দেশগুলোর সামর্থ্যবান গ্রাহককে পেছনে ফেলে বহুগুণে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশের মতো অনগ্রসর দরিদ্র দেশের সম্পদহীন সাধারণ মানুষ, যা বহুলাংশে চিন্তা, মনন ও শিক্ষার নিম্নস্তর, বেকারত্ব, হতাশা, অসচেতনতা, হুজুগেপনা ইত্যাদির ফলশ্রুতি।

অন্যদিকে এসব বহুজাতিক বাণিজ্যিক কোম্পানির একচেটিয়া মুনাফা অর্জনের প্রবৃত্তি, রাষ্ট্রকে যতটা সম্ভব কম কর দিয়ে তাদের ব্যবসা করার মানসিকতা, সামাজিক খাতে অর্থ ব্যয় করা থেকে সরকারকে বিরত থাকতে চাপ প্রয়োগ করা (যেমনটি ইলন মাস্ক ও তার সমমানসিকতার অন্যরা করছেন) ইত্যাদি সম্পদবৈষম্য সৃষ্টিকারী উদ্যোগকে নেপথ্যে থেকে সহায়তা করছে কিছু বিশ্বসংস্থাও। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মিলিত চাঁদায় পরিচালিত (তা সে চাঁদার পরিমাণ যুক্তরাষ্ট্রের যত বেশি এবং সোমালিয়ার যত কমই হোক না কেন) এসব সংস্থার মধ্যে রয়েছে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, ডব্লিউটিও, ইউএনডিপি ইত্যাদির মতো জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংস্থা। শেষোক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে আপাতদৃষ্টে জাতিসংঘের আওতাধীন কল্যাণমূলক সংস্থা বলে মনে হলেও এরা আসলে পশ্চিমা পুঁজিপতি শ্রেণি ও তাদের বিনিয়োগকৃত পুঁজির সংরক্ষক ও ধারক-বাহক। আর সব মিলিয়ে এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে এই যে, টেসলার মতো বৃহৎ বিনিয়োগ কোম্পানি এবং বিশ্বব্যাংকের মতো বিভিন্ন বিশ্বসংস্থা—এ উভয়পক্ষের সম্মিলিত উদ্যোগে গড়ে ওঠা এ ‘আধুনিক নয়া উপনিবেশবাদ’ পৃথিবীর সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষকে অচিরেই হয়তো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পূর্ব ক্ষুধা, দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্যময় সময়ের ন্যায় এক করুণ-নিষ্ঠুর পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অথচ বিষয়টি জানা ও বোঝা সত্ত্বেও বিশ্বসম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে এটিকে প্রতিরোধের ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করতে প্রায় কাউকেই দেখা যাচ্ছে না। এমনকি বিশ্বের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং তাদের অন্ধ অনুসরণকারী জনগণের মধ্যেও এ ব্যাপারে এক ধরনের নিষ্পৃহতা লক্ষ করা যাচ্ছে। তবে কি পুঁজির একচেটিয়া বিকাশের ছায়ায় পৃথিবীজুড়ে একচ্ছত্রভাবে গড়ে ওঠা ভোগবাদী মানুষের বোধ, উপলব্ধি ও প্রতিবাদী চেতনার স্তর একেবারে নিচে নেমে গেছে? বিষয়টি আসলেই হতাশাব্যঞ্জক।

গত প্রায় সাড়ে পাঁচ দশকের ব্যবধানে বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও অর্থনীতিতে গড়ে ওঠা যে সংস্কৃতিটি এরই মধ্যে মোটামুটি প্রায় স্থায়ী রূপলাভ করে ফেলেছে তা হচ্ছে—এখানে সম্পদবৈষম্য সৃষ্টিকারী কোনো অন্যায়, অনিয়ম, অন্যায্যতা ও দুর্নীতি একবার ঘটে গেলে তা আর কখনোই সংশোধিত হয়ে পূর্বাবস্থায় ফিরে যায় না। উদাহরণস্বরূপ—রাষ্ট্র ও সমাজে ধন ও সম্পদবৈষম্য সৃষ্টিকারী ঋণখেলাপিতা, খাসজমি আত্মসাৎকরণ, কর ও শুল্ক ফাঁকিদান, অর্থ পাচার, টেন্ডার ও চাঁদাবাজি, কৃত্রিম মূল্যবৃদ্ধি ইত্যাদি ক্ষেত্রে অতীতে যখন যা কিছু ঘটেছে, ঘটনা-পরবর্তী সময়ে নতুন পরিকল্পনা ও কার্যক্রম হাতে নিতে গিয়ে এর প্রণেতাদের অতীতের অন্যায্য অবস্থাকেই ভিত্তিরেখা (baseline) হিসেবে ধরে নিয়ে এগোতে দেখা গেছে। ফলে অতীতের সব ভুল ও অন্যায়ই শুধু জায়েজ হয়ে যায়নি। এসবের অসহনীয় বোঝাও সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ধারণা করা যায় যে, নিকট ভবিষ্যতেও সেই একইরূপ ঘটনা ঘটবে। শেখ হাসিনার স্বৈরশাসনের আমলে তার রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা যেভাবে গ্রামগঞ্জ, শহরনগর, মাঠঘাট, ব্যাংক-বাণিজ্য, অফিস-আদালত, বাস-বিমান, সড়ক-সেতু ইত্যাদি সবকিছু দাবড়ে বেড়িয়েছে, বিতাড়িত হওয়ার পর এখন অন্যরা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার আগেই সে কাজগুলো প্রায় একই আঙ্গিকে শুরু করে দিয়েছে। এভাবে চললে সমাজে সম্পদবৈষম্য ও এর মেরূকরণ যে আরও বৃদ্ধি পাবে, তাতে বিন্দুমাত্র কোনো সন্দেহ নেই।

বাংলাদেশে গত চুয়ান্ন বছরের বিভিন্ন সময়ে নানা প্রক্রিয়ায় ক্ষমতার যেসব হাতবদল হয়েছে, তার অধিকাংশই শেষ পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়েছে মূলত প্রতিহিংসা ও জিঘাংসা পূরণের উপলক্ষ হিসেবে। এসব পরিবর্তনের মাধ্যমে এক গোষ্ঠী সম্পদ ও অর্থ কুক্ষিগতকরণের মাধ্যমে লাভবান হয়েছে মাত্র। আর এসবের বিপরীতে সমাজে সম্পদবৈষম্যই শুধু বাড়েনি, বেড়েছে জনগণের ভোগান্তি। অক্সফামের গাণিতিক প্রাক্কলনভিত্তিক ভবিষ্যদ্বাণী ও ইলন মাস্কদের নীতিনির্দেশনাকে বিবেচনায় নিলে মানতেই হবে যে, বাংলাদেশের নিকট ভবিষ্যতের রাজনীতি যেমন আগের মতোই প্রতিহিংসাপ্রবণ হয়ে থাকার আশঙ্কা রয়েছে, তেমনি রয়েছে সম্পদবৈষম্য বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা। সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা ও দারিদ্র্য পরিস্থিতি নিয়ে কেউ ভাবছে না। সবাই ব্যস্ত রাষ্ট্রক্ষমতাকে নিজ দল ও শ্রেণির নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার কথা। অন্যদিকে অক্সফাম তাদের প্রতিবেদনে উল্লিখিত বৈষম্য বৃদ্ধির হাত থেকে বিশ্ববাসীকে রক্ষাকল্পে ধনীদের সম্পদের ওপর অধিক হারে কর আরোপের যে সুপারিশ করেছে, সেটিও বোধকরি বাংলাদেশে হবে না। এ কারণে যে, নেপথ্যে থেকে এ ধনীরাই উল্লিখিত ক্ষমতার গতিমুখ ও পথ নিয়ন্ত্রণ করছে। অতএব ইলন মাস্ক ও তার আদর্শিক অনুসারীরাই সম্ভবত হতে যাচ্ছে দেশের জনগণের আগামী দিনের প্রভু। সম্পদের প্রভু তো বটেই।

লেখক: সাবেক পরিচালক

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক), শিল্প মন্ত্রণালয়

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুষ্টিয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আট নেতা বহিষ্কার

পুলিশকে মেরে আসামি ছিনতাই, আটক ৬

শিবচতুর্দশী মেলায় পদদলিত হয়ে ৩ পুণ্যার্থীর মৃত্যু

আত্মকর্মী ও উদ্যোক্তা গড়তে নেত্রকোনায় মতবিনিময়

বিএনপির বর্ধিত সভা বৃহস্পতিবার, প্রস্তুতি সম্পন্ন

নতুন ছাত্রসংগঠনে ঢাবির ভাগে ৫ নেতা, জাবির ভাগে ১

ছাত্রদের কমিটি নিয়ে হাতাহাতি, আহত ২ শিক্ষার্থী ঢামেকে ভর্তি

আগে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে রাজপথে সাবেক জনপ্রতিনিধিরা

ফরিদপুরে গৃহবধূ হত্যার দায়ে দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জেসিআই মানিকগঞ্জের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা 

১০

ঈদে আসছে অনন্ত শান্ত’র গান

১১

ঘুষ-দুর্নীতিতে সম্পদের পাহাড় সাবেক অতিরিক্ত সচিব গাউসের

১২

সব তিক্ততা ভুলে রাশিয়াকে কাছে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র?

১৩

ডিএনসিসি’র খালের টেকসই উন্নয়নে সহায়তা দিবে বিশ্বব্যাংক

১৪

মন্ত্রণালয় পেলেন মাহফুজ আলম

১৫

চট্টগ্রামে আ.লীগ-ছাত্রলীগের আরও ৩৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

১৬

স্পেন থেকে ঘোড়ায় চড়ে পবিত্র হজ পালনে ৩ বন্ধু

১৭

বাংলাদেশের সঙ্গে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য করবে পাকিস্তান

১৮

মামলা দেওয়ায় পরিবহন শ্রমকিদের মহাখালী সড়ক অবরোধ

১৯

ফিল্মি স্টাইলে আদালত চত্বর থেকে দুই আসামি অপহরণ

২০
X