হাসিন জাহান, মো. তাহমিদুল ইসলাম ও প্লাবন গঙ্গোপাধ্যায়
প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৩:৪৩ এএম
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:২৬ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

আলাপ যখন স্যানিটেশন নিয়ে

আলাপ যখন স্যানিটেশন নিয়ে

বিশ্বব্যাপী স্যানিটেশন খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বাংলাদেশ আয়োজন করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক টয়লেট কনফারেন্স ২০২৫। গুরুত্বপূর্ণ এ সম্মেলনটি স্যানিটেশন-সংক্রান্ত বৈশ্বিক আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাবে, যেখানে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, জলবায়ু সহনশীল স্যানিটেশন ব্যবস্থা, লিঙ্গ ও সামাজিক সমতা, অর্থায়ন, বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা এবং গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত কাঠামো নিয়ে আলোচনা হবে। বিশ্বব্যাপী নেতৃবৃন্দ, গবেষক, বাস্তবায়নকারী ও নীতিনির্ধারকদের একত্রিত করে এই সম্মেলন স্যানিটেশনকে গুরুত্ব দেওয়ার, সময়োপযোগী করার এবং রূপান্তরমূলক সম্ভাবনাকে সামনে আনার গুরুত্বকে তুলে ধরবে।

স্যানিটেশন মানবস্বাস্থ্য, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও এটি সবচেয়ে অবহেলিত বৈশ্বিক সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের যৌথ পর্যবেক্ষণ কর্মসূচির (JMP, ২০২১) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী ৩.৬ বিলিয়ন মানুষ নিরাপদ স্যানিটেশন সেবার বাইরে রয়েছে। ২০২০ সালে, বিশ্বব্যাপী গৃহস্থালিতে উৎপাদিত বর্জ্যজলের ৪৪ শতাংশ নিরাপদ পরিশোধন ছাড়াই পরিবেশে নিষ্কাশিত হয়েছিল। ২০২২ সালে, বিশ্বের জনসংখ্যার ৮৮ শতাংশ মানুষ (৭.২ বিলিয়ন) ন্যূনতম মৌলিক স্যানিটেশন পরিষেবা ব্যবহার করলেও, নিরাপদে পরিচালিত স্যানিটেশন পরিষেবার আওতায় ছিল ৫৭ শতাংশ মানুষ এবং মাত্র এক-তৃতীয়াংশ মানুষ পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার সুবিধা ভোগ করেছে। অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন ডায়রিয়া, কলেরা ও টাইফয়েডসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যা বিশেষত পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য মারাত্মক পরিণতি বয়ে আনে এবং বছরে আনুমানিক ২ লাখ ৯৭ হাজার মৃত্যুর কারণ হয় (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ২০২১)। সর্বোপরি, সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর দুর্বল স্যানিটেশনের প্রভাব সুদূরপ্রসারী ও তীব্র।

বাংলাদেশে স্যানিটেশন খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হলেও বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে। ইউনিসেফের ২০১৫ সালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১৯৯০ সালে যেখানে উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগের হার ৩৪ শতাংশ ছিল, তা ২০১৫ সালের মধ্যে ১ শতাংশেরও নিচে নেমে এসেছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ পরিচালিত জয়েন্ট মনিটরিং প্রোগ্রামের ২০২২ সালের উপাত্ত থেকে দেখা যায়, বাংলাদেশে এখনো ৪১ শতাংশ মানুষ উন্নত বা ন্যূনতম মৌলিক স্যানিটেশন সুবিধার আওতার বাইরে রয়েছে।

আমাদের যাপিত জীবনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ ‘টয়লেট’। কিন্তু এটাকে ঘিরে যেসব পর্যালোচনা গুরুত্ব সহকারে হওয়া প্রয়োজন, বিস্ময়করভাবে সেগুলো উপেক্ষিত রয়ে যায়। শিক্ষা, লৈঙ্গিক সমতা এবং সামগ্রিক মানব উন্নয়নের ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাবের কারণে স্যানিটেশন সংক্রান্ত আলোচনাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা আরও দৃঢ়ভাবে প্রতীয়মান হয়। ইউনিসেফের প্রতিবেদন (২০১৯) অনুযায়ী, দেশের স্কুলগুলোতে সঠিক স্যানিটেশন সুবিধার অভাব, বিশেষ করে মাসিককালীন স্বাস্থ্যবিধির অপ্রতুল ব্যবস্থাপনা, স্কুলগুলো থেকে কিশোরীদের ঝরে পড়ার উচ্চহারের অন্যতম প্রধান কারণ। এসব সমস্যা সমাধান করা শুধু স্বাস্থ্য পরিস্থিতি উন্নত করার জন্যই নয়, জেন্ডার সমতা অর্জন এবং জনগণের আর্থসামাজিক ক্ষমতায়নের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। ওয়াটারএইডের মতো সংস্থাগুলোর লক্ষ্য লিঙ্গ-সংবেদনশীল স্যানিটেশন কাঠামো এবং তদসংক্রান্ত সচেতনতা তৈরি করা, যা নারীদের স্বাস্থ্য ও মর্যাদা উন্নত করার পাশাপাশি তাদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক সুযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। তবে এটা অনস্বীকার্য যে, এ কাজগুলো সামগ্রিক প্রয়োজনের তুলনায় এখনো অপ্রতুল এবং এখনো এই খাতে যথেষ্ট অগ্রগতি প্রয়োজন। নীতিনির্ধারকদের উচিত সর্বজনীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিকল্পনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং প্রতিবন্ধী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চাহিদা বিবেচনায় রেখে স্যানিটেশন পরিকল্পনা করা।

এমন পরিস্থিতিতে, ২০২৫ সালের টয়লেট কনফারেন্সটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কনফারেন্সটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন বিশ্ব ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) অর্জনের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে। তবে লক্ষ্য ৬ (সবার জন্য পরিষ্কার পানি ও স্যানিটেশন) অর্জনে অগ্রগতি আশঙ্কাজনকভাবে ধীর। ইউএন ওয়াটারের গ্লোবাল অ্যানালাইসিস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট অব স্যানিটেশন অ্যান্ড ড্রিঙ্কিং-ওয়াটার (GLAAS) ২০২৩ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমান অগ্রগতির হার বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণে যথেষ্ট নয়। জলবায়ু সংকট এ চ্যালেঞ্জকে আরও প্রকট করে তুলেছে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড় এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বিশ্বব্যাপী, বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো নিম্নভূমি ও দুর্যোগপ্রবণ দেশগুলোতে স্যানিটেশন ব্যবস্থা তীব্রভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইউনিসেফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশের ভয়াবহ বন্যায় ১ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি মানুষ প্রভাবিত হয়েছে, যার ফলে অনেকেই কার্যকর স্যানিটেশন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে এবং রোগের প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি বেড়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় টেকসই স্যানিটেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে। উন্নত ল্যাট্রিন ব্যবস্থা, বন্যা-সহনশীল অবকাঠামো এবং টেকসই উপকরণের ব্যবহার বিস্তৃতভাবে গ্রহণ করার জন্য নীতিগত সহায়তা ও বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। টয়লেট কনফারেন্স ২০২৫, এ বিষয়গুলো নিয়ে বিশ্বব্যাপী আলোচনার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

বাংলাদেশের জন্য জলবায়ু পরিবর্তন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। একটি প্লাবনভূমি ও ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রতি বছর ঘন ঘন বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিসহ বেশ কিছু চরম আবহাওয়ার মুখোমুখি হয়, যা স্যানিটেশন অবকাঠামো ব্যাহত করে এবং জনস্বাস্থ্য সংকটকে তীব্র করে তোলে। অপরিকল্পিত টয়লেট নির্মাণ বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়ে দূষণের সৃষ্টি করে, যা রোগবালাইয়ের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই জলবায়ু-সহনশীল সমাধানগুলোকে স্যানিটেশন সিস্টেমে একীভূত করার তাগিদ উপেক্ষা করা যায় না। উন্নত ল্যাট্রিন, বন্যা-সহনশীল অবকাঠামো, বিশেষ করে মলের ধারকের সুরক্ষা ও সক্ষমতা এবং টেকসই উপকরণের ব্যবহার পরীক্ষামূলকভাবে দেশে চালু করা হয়েছে, তবে এ উদ্ভাবনগুলোকে সমর্থনমূলক নীতি, বর্ধিত বিনিয়োগ ও ব্যাপক জনসচেতনতার মাধ্যমে সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। টয়লেট কনফারেন্স ২০২৫ আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জলবায়ু-সহনশীলতাকে স্যানিটেশন নীতিতে একীভূত করার বৈশ্বিক আলোচনাকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। এ সম্মেলনটি অংশীদারদের জন্য ক্লাইমেট বন্ড এবং মিশ্র অর্থায়নের মতো উদ্ভাবনী অর্থায়ন প্রক্রিয়া অন্বেষণের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করবে, যা টেকসই স্যানিটেশন সিস্টেমে বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য সম্পদ সংগ্রহে কার্যকর (Climate Policy Initiative, 2020)।

স্যানিটেশন খাতে অর্থায়নও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যেখানে সবার আশু মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। শহরে ও গ্রামে নিরাপদ ও উন্নত স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে যে পরিমাণ বিনিয়োগ প্রয়োজন, তার তুলনায় বিদ্যমান তহবিল খুবই অপ্রতুল। স্যানিটেশন বন্ড ও ব্লেন্ডেড ফাইন্যান্স মডেলের মতো উদ্ভাবনী অর্থায়নের মাধ্যমেই এ ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো সফলভাবে গৃহস্থালির টয়লেট নির্মাণে সহায়তা করেছে, যার ফলে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো স্যানিটেশন সমস্যা সমাধানে বিনিয়োগ করতে সক্ষম হয়েছে। তবে এ প্রচেষ্টাকে আরও ব্যাপকভাবে বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারি সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে অংশীদারত্ব ও সমন্বয় বাড়াতে হবে। আন্তর্জাতিক টয়লেট কনফারেন্স ২০২৫-এর লক্ষ্য হলো, এ ধরনের ব্যবসায়িক মডেলগুলো পর্যালোচনা করা, যাতে এ খাতের সব অংশীদার স্যানিটেশনে অর্থায়নের ক্ষেত্রে কার্যকর মূল্যায়ন করতে পারে। বেসরকারি খাতও এ পরিবর্তনকে চালিত করার বিশাল সম্ভাবনা ধারণ করে। উদ্যোক্তা মডেল এবং বাজারভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করে সাশ্রয়ী মূল্যের স্যানিটেশন পণ্য তৈরি, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি বিকাশ ও বর্জ্য পরিষেবা পরিচালনায় তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলো গ্রামীণ পরিবারগুলোতে কম খরচে স্যানিটারি ল্যাট্রিন সরবরাহে সাফল্য প্রদর্শন করেছে। বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ প্রয়োজন, যা সহায়ক নীতি, সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং উদ্ভাবনের জন্য প্রণোদনা প্রদানের মাধ্যমে সামনে এগিয়ে নিতে হবে। এ সম্মেলনটি নীতিনির্ধারক, বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে সংলাপের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ প্রদান করার পাশাপাশি টেকসই স্যানিটেশনের জন্য একটি বৈশ্বিক দৃষ্টান্তমূলক অর্থায়ন পদ্ধতির সুলুক সন্ধানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

টয়লেট কনফারেন্স ২০২৫ শুধুই একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি একটি বৈশ্বিক আহ্বান, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্যানিটেশন নীতিমালার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, যেমন—জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCCC) দ্বারা সমর্থিত জাতীয় জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনায় স্যানিটেশনের একীভূতকরণ, জলবায়ু প্রভাবের প্রতি স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং আদিবাসী সম্প্রদায়সহ প্রান্তিক গোষ্ঠীর চাহিদা পূরণ করা। জাতীয় পর্যায়ে কনফারেন্সটি দেশের স্যানিটেশন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করতে পারে।

টয়লেট কনফারেন্স ২০২৫ একটি বৈশ্বিক আহ্বান। জাতীয় পর্যায়ে সম্মেলনটি বাংলাদেশের স্যানিটেশন চ্যালেঞ্জগুলো সমাধানে অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করতে পারে। অংশীদারত্ব গড়ে তোলা, সম্পদ সংগ্রহ করা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি করার মাধ্যমে এটি রূপান্তরমূলক পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, শহরব্যাপী ন্যায্য, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্যানিটেশন (CWIS) পদ্ধতিগুলো আত্তীকরণ করা, যা ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনার মতো শহরগুলোতে পরিষেবা সরবরাহকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করতে পারে।

এ সম্মেলনের মাধ্যমে গৃহীত সুপারিশগুলো বাংলাদেশের পাশাপাশি বৈশ্বিক নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। সম্মেলনটি শিক্ষাবিদ, বাস্তবায়নকারী, নীতিনির্ধারক ও অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের একত্রিত করে ভবিষ্যতের টেকসই স্যানিটেশন ব্যবস্থার একটি দিকনির্দেশনা তৈরি করবে। ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ সম্মেলন বিশ্বের জন্য একটি সম্মিলিত আহ্বান হয়ে উঠবে, যেখানে স্যানিটেশন কোনো বিশেষ সুযোগ নয়, বরং একটি সর্বজনীন অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

লেখকবৃন্দ: যথাক্রমে কান্ট্রি ডিরেক্টর, হেড অব টেকনিক্যাল সার্ভিসেস এবং কমিউনিকেশনস কো-অর্ডিটেনর হিসেবে ওয়াটারএইড বাংলাদেশে কর্মরত রয়েছেন

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সরোজা ম্যাগাজিনে প্রকাশিত প্রবন্ধের প্রতিবাদ এবি পার্টির

লিগের বাধা গুড়িয়ে আদালতে বার্সার বড় জয়

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ত্যাগী নেতাদের পরিবারও মূল্যায়িত হবে : রহমাতুল্লাহ

‘একটা গোষ্ঠী নির্বিঘ্নে চাঁদাবাজি-দখলদারি করার জন্য দ্রুত নির্বাচন চাচ্ছে’

দ্রুত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আহবান ড. ফরিদুজ্জামানের

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পুণ্যস্নান

সৌদি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরছেন ১২ রেমিট্যান্স যোদ্ধা

মসজিদের সাইনবোর্ডে ‘জয় বাংলা’ কাণ্ডে আটক ১

ধর্মীয় সহিংসতার উস্কানি : এবি পার্টির প্রতিবাদ

শুল্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা হুমকি চীনের

১০

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদের সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

১১

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য, কড়া বার্তা দিল রাশিয়া

১২

ফেসবুক পোস্টে কমেন্টস নিয়ে ছাত্রদল-স্বেচ্ছাসেবক দলের সংঘর্ষ 

১৩

আগে মেসে থাকতেন, এখন কোটি টাকার গাড়িতে চড়েন : বুলু

১৪

অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিয়ে আশার আলো দেখছে পাকিস্তান

১৫

প্রয়োজন হলে অন্য দলের সঙ্গে জোট হতেও পারে : আখতার

১৬

‘আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে’

১৭

চট্টগ্রামে আ.লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগের ২৯ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

১৮

জানাজায় ব্যানার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

১৯

ঈদের চতুর্থ দিনেও পর্যটকে মুখরিত সোনারগাঁয়ের বিনোদন কেন্দ্রগুলো

২০
X