৫০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিতে পারবেন প্রধান বিচারপতি

৫০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিতে পারবেন প্রধান বিচারপতি

বিচার বিভাগের উন্নয়ন বা কারিগরি প্রকল্পের এবং অনুন্নয়ন বাজেটের আওতায় কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রক্কলিত ব্যয় সর্বোচ্চ ৫০ কোটি টাকা হলে তার অনুমোদন দিতে পারবেন প্রধান বিচারপতি। সরকার সময়ে সময়ে, সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শ করে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই আর্থিক সীমা মুদ্রাস্ফীতির সাথে সমন্বয় করে বা অন্য কোনো উপযুক্ত কারণে বৃদ্ধি
শেখ হাসিনার সঙ্গে এবার রেহানা-টিউলিপের রায় সোমবার
প্লট দুর্নীতি / শেখ হাসিনার সঙ্গে এবার রেহানা-টিউলিপের রায় সোমবার
সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল
সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল
ঢাকা উত্তরের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদকের টিম গঠন
ঢাকা উত্তরের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদকের টিম গঠন
দলগতভাবে জড়িত আ.লীগ, মূল সমন্বয়ক তাপস
বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবেদন / দলগতভাবে জড়িত আ.লীগ, মূল সমন্বয়ক তাপস
একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে বিভ্রান্তি তৈরি হবে : গোলাম পরওয়ার
একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে বিভ্রান্তি তৈরি হবে : গোলাম পরওয়ার
সৌদিতে ব্যাপক ধরপাকড়, ২১ হাজার প্রবাসী গ্রেপ্তার
সৌদিতে ব্যাপক ধরপাকড়, ২১ হাজার প্রবাসী গ্রেপ্তার
  • সংকটের মুহূর্তে দায়িত্বশীলতার পরিচয়ই আমাদের পথপ্রদর্শক

    বেগম খালেদা জিয়া আজ ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায়। একজন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের প্রতীক এবং কোটি মানুষের হৃদয়ের মানুষ হিসেবে তার শারীরিক অবস্থার প্রতি আমাদের স্বাভাবিক উদ্বেগ যেমন আছে, তেমনই আছে শ্রদ্ধা, প্রার্থনা ও আশা। দুঃখজনক হলেও সত্য—এই মানবিক পরিস্থিতিকেও কেউ কেউ রাজনীতির হাতিয়ার বানাতে দ্বিধা করছেন না। মুমূর্ষু ব্যক্তির শয্যাকে রাজনৈতিক বিষোদগারে  রূপান্তরিত করার প্রবণতা কোনো সভ্য রাজনীতির লক্ষণ হতে পারে না। আমরা অতীতে লাশ নিয়ে রাজনীতি দেখেছি, তা ছিল দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত। ৫ আগস্ট ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী একটি পরিশীলিত ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি নির্মাণের যে প্রত্যাশা, তার সাথে এই নেতিবাচকতা সাংঘর্ষিক। অবশ্য যেসব দল ও নেতা আন্তরিকভাবে স্মৃতিচারণ করেছেন,

    মোবাইল ডাটার দাম ও মান

    দেশের মোবাইল ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনঅসন্তোষ নতুন নয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বল সেবা, অযৌক্তিক দাম, মেয়াদ শেষে অব্যবহৃত ডাটা পরের প্যাকেজে যুক্ত না হওয়াসহ নানাবিধ কারণে অসন্তোষ সেবাগ্রহীতাদের। এ নিয়ে জনপরিসরে নিন্দা-সমালোচনা আর সরকারের সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর আলাপ-আলোচনাও এযাবৎকালে কম হয়নি। পরিতাপের বিষয়, কাজের কাজ হয়নি কিছুই। উপরন্তু গত দেড় বছরে নতুন করে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়িয়েছে মোবাইল ফোন অপারেটররা, যা কোনো বিবেচনাতেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর বলছে, গত ১৮ মাসে দেশের মোবাইল ফোন অপারেটরদের ইন্টারনেট ডাটা প্যাকেজের দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্যহারে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সর্বশেষ মূল্য পর্যালোচনায় এ চিত্র উঠে আসে। বিভিন্ন অপারেটরের এক বছরের

    বুদ্ধদেব বসু

    খ্যাতনামা বাঙালি সাহিত্যিক বুদ্ধদেব বসু একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, গল্পকার, অনুবাদক, সম্পাদক ও সাহিত্য-সমালোচক। বিংশ শতাব্দীর বিশ ও ত্রিশের দশকের নতুন কাব্যরীতির সূচনাকারী অন্যতম কবি হিসেবে তিনি সমাদৃত। আবার সাহিত্য সমালোচনা ও কবিতা পত্রিকার প্রকাশ এবং সম্পাদনার জন্যও তিনি বিশেষভাবে সম্মাননীয় ও স্মরণীয়। বুদ্ধদেব বসুর জন্ম ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর, কুমিল্লায়। তার শৈশব, কৈশোর ও যৌবনের প্রথমভাগ কাটে কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ঢাকায়। ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ থেকে আইএ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে অনার্সসহ বিএ ও এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। কর্মজীবনের প্রথমভাগে কলকাতার রিপন কলেজে অধ্যাপনা করেন। এরপর একে একে তিনি আমেরিকার একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ ভারতে বিশ্ববিদ্যালয়ে
  • কাইয়ুম চৌধুরী

    স্বনামধন্য চিত্রশিল্পী কাইয়ুম চৌধুরীর জন্ম ১৯৩২ সালের ৯ মার্চ। বাবার বদলির চাকরির সুবাদে বাংলার অনেক এলাকায় ঘুরে ফিরেছেন। মক্তবে তার শিক্ষার হাতেখড়ি। এরপর ভর্তি হন চট্টগ্রামের নর্মাল স্কুলে। কিছুকাল কুমিল্লায় কাটিয়ে চলে যান নড়াইলে। চিত্রাপাড়ের এই শহরে কাটে তার তিনটি বছর। সেখান থেকে সন্দ্বীপ, নোয়াখালী, ফেনী, ফরিদপুরে। এখান থেকে ময়মনসিংহ এসে ১৯৪৯ সালে সিটি কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। স্কুলজীবন থেকে আঁকাআঁকির প্রতি ঝোঁক। ১৯৪৯ সালে আর্ট ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়ে ১৯৫৪ সালে কৃতিত্বের সঙ্গে শিক্ষা সমাপন করেন। ১৯৫৫-৫৬ সাল পর্যন্ত কাইয়ুম চৌধুরী নানা ধরনের ব্যবহারিক কাজ করেছেন, বিজ্ঞাপনী সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন আর বইয়ের প্রচ্ছদ ও সচিত্রকরণের কাজ করেছেন।

    ‘আমি খালেদা জিয়া বলছি’

    বিএনপি চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে তার অবস্থা সংকটাপন্ন। এমন অবস্থায় সারা দেশের মানুষ উদ্বিগ্ন। সবারই প্রত্যাশা—খালেদা জিয়া সুস্থ হয়ে দ্রুত বাসায় ফিরবেন এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। নব্বইয়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে খালেদা জিয়ার ভূমিকা ছিল আপসহীন। দীর্ঘ ৯ বছরের আপসহীন আন্দোলন এবং স্বৈরাচারী এরশাদের পতনের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি হয়ে ওঠেন সারা দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের নেত্রী, অর্থাৎ, দেশনেত্রী। সামরিক স্বৈরাচারী হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের পতনের প্রাক্কালে নব্বইয়ের এই দিন (৩০ নভেম্বর) দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আত্মগোপন থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বার্তা দেন। ‘আমি খালেদা জিয়া বলছি’ শীর্ষক রেকর্ডকৃত ওই বাণী ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে ভয়েস

    ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্যের দায়

    শহরের রাস্তাগুলো অনেকটা নদীর স্রোতের মতো। সিগন্যালগুলো বাঁধের দরজার মতো কাজ করে। যখন দরজা ঠিকমতো কাজ করে, নদীর জল শান্তভাবে এগোয়। কিন্তু কেউ যদি জোর করে দরজা ভেঙে এগোতে চায় বা দরজাটাই নষ্ট হয়ে থাকে, তখন স্রোত বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। এদিক-সেদিক চলে যায়। ঢাকার ট্রাফিক সিগন্যালও ঠিক এমনই। মানুষ যদি নিয়ম মানতে না চায় বা সিস্টেমটাই যদি দুর্বল হয়, তাহলে শহরের চলাচল থেমে গিয়ে বিশৃঙ্খলার স্রোতে ডুবে যায়। ঢাকার ট্রাফিক পরিস্থিতি শুধু যানজট নয়, নিরাপত্তাহীনতারও বড় এক কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিনই খবর শোনা যায় সিগন্যাল ভেঙে দ্রুত যাওয়ার চেষ্টায় দুর্ঘটনা, পথচারী আহত হওয়া বা মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ। ট্রাফিক সিগন্যাল কেন আছে, কীভাবে
  • ‘ডু-নাথিং’ সংস্কৃতি ভাঙতে হবে

    একজন প্রকৃত ‘ডুয়ার’ সেই ব্যক্তি, যিনি শুধু ভাবনা বা কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেন না; বরং দ্রুত, দক্ষ ও কার্যকরভাবে কাজ সম্পন্ন করেন। তারা হাতে-কলমে বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগী এবং পরিকল্পনা থেকে ফলাফল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যেতে সক্ষম। ডুয়াররা উদ্যোগী ও লক্ষ্যনিষ্ঠ—তারা স্পষ্ট, পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য স্থির করে নিষ্ঠার সঙ্গে তা অর্জনে মনোনিবেশ করেন। সমস্যা সমাধান তাদের শক্তি; তারা বাধাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখেন এবং দ্রুত কার্যকর সমাধান বের করেন। তারা ফলাফলমুখী, নির্ভরযোগ্য এবং দায়িত্বগ্রহণে দ্বিধাহীন। প্রয়োজনে নতুন কৌশল অবলম্বন করে লক্ষ্যপূরণে অভিযোজিত হতে পারেন। সমাজ বা পেশাগত যে কোনো প্রেক্ষাপটে তারা পরিবর্তনের চালিকাশক্তি। এক কথায় ডুয়াররা পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেন এবং দৃশ্যমান অগ্রগতি

    সমন্বিত চিন্তায় এফবিসিসিআই : শিল্প, বাণিজ্য ও প্রযুক্তির সেতুবন্ধ

    বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতি এক ক্রান্তিলগ্নে অবস্থান করছে, যখন ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ এবং আগামী বছরগুলোতে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার দ্বৈত লক্ষ্য অর্জনের চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। এই দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কেবল প্রথাগত শিল্প ও বাণিজ্য কৌশল যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন হয়েছে প্রযুক্তিনির্ভর এক সমন্বিত অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির।  বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের শীর্ষ নেতৃত্ব হিসেবে, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) ভূমিকা এখন কেবল নীতিগত আলোচনা বা পরামর্শে সীমিত না রেখে, সরাসরি মাঠ পর্যায়ে রূপান্তর নিশ্চিত করার দিকে কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে। তাদের এই ‘সমন্বিত চিন্তা’ কেবল একটি আদর্শিক প্রস্তাবনা নয়, বরং এটি সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ডেটা-ড্রিভেন একটি

    বিদেশি গণমাধ্যমনির্ভর ছিল দেশবাসী

    নব্বইয়ের শেষদিকে বাংলাদেশে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারবিরোধী যে আন্দোলন হয়েছে, তার প্রচারে বিদেশি বেতার, সংবাদ সংস্থা, সংবাদপত্র ও সাময়িকী এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে বিদেশি বেতারের ‘খবর’ এ আন্দোলনে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার ও প্রকাশে বিদেশি গণমাধ্যমগুলোর ভূমিকা এরশাদ সরকারবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে লিপিবদ্ধ আছে। গণআন্দোলন যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে উপনীত হয়, তখন ২৭ নভেম্বর এরশাদ সরকার দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে। সংবাদপত্রের ওপর জারি করা হয় সেন্সরশিপ। তার প্রতিবাদে সাংবাদিক ইউনিয়ন সংবাদপত্র প্রকাশনা বন্ধ করে দেয়। ফলে আন্দোলনের উত্তপ্ত সময়ে বাংলাদেশের মানুষ দেশের সঠিক চিত্র দেশের গণমাধ্যমগুলো থেকে জানতে পারেনি। দেশের রেডিও ও টেলিভিশন এমনিতেই
  • ০৬ নভেম্বর ২০২৫, ১১:২৮ এএম
    পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন কোচ সালাউদ্দিন। তার এই সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন কি?

    পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন কোচ সালাউদ্দিন। তার এই সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন কি?

    • হ্যাঁ
    • না
    • মন্তব্য নেই
    +
    =
    সাবমিট
    মোট ভোটদাতাঃ ৮,০৮৬ জন
    মোট ভোটারঃ ৮,০৮৬
    ভোট দিন
    Link Copied
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিজিএমইএ’র উদ্যোগে দোয়া

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় নারায়ণগঞ্জে মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে দোয়া 

১৩ জনকে বাঁচিয়ে পানিতে তলিয়ে গেলেন হাসান, শেষ ফোনকলে ছিল মাকে দেখার ইচ্ছা

খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় দোয়া চাইলেন ইশরাক

‘মা-ভাই-বোনকে প্লট দিতে খালা হাসিনাকে চাপ দেন টিউলিপ’

প্লট দুর্নীতি / শেখ হাসিনার সঙ্গে এবার রেহানা-টিউলিপের রায় সোমবার

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন সোমবার

বিএমইউ ‘ছাত্র কল্যাণ পরিষদ’-এর উদ্যোগে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

জাতির ক্রান্তিলগ্নে খালেদা জিয়ার সুস্থতা অনেক বেশি জরুরি : ব্যারিস্টার অসীম

১০

ঢাকা উত্তরের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদকের টিম গঠন

১১

মশক নিধনে ৫৬ স্প্রেম্যানকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিল চসিক

১২

চট্টগ্রামে মাস্টার ইন্সট্রাক্টর প্রশিক্ষণ, সড়ক নিরাপত্তায় নতুন উদ্যোগ

১৩

জামায়াত বরাবরই বিএনপির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে : কাজী আলাউদ্দিন

১৪

ব্রাকসু নির্বাচন / প্রথম দিনে ৭ জনের মনোনয়ন সংগ্রহ, ছাত্রী হলে নেননি কেউ

১৫

বগুড়ায় হাসিনাসহ ২৯৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

১৬

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি ভাতা দেবে : মাসুদ সাঈদী

১৭

৫০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিতে পারবেন প্রধান বিচারপতি

১৮

সৌদিতে ব্যাপক ধরপাকড়, ২১ হাজার প্রবাসী গ্রেপ্তার

১৯

খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় সিংড়ায় বিশেষ দোয়া মাহফিল

২০
ঘন ঘন কম্পন কি নতুন ঝড়ের শঙ্কা
গত এক সপ্তাহে দেশে-বিদেশে একের পর এক ভূমিকম্পে মানুষের মনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে টঙ্গী ও মাধবদীর মতো জায়গায় ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
কাল থেকে রাত্রিযাপন / প্রাণচাঞ্চল্য ফিরছে সেন্টমার্টিনে
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সেন্টমার্টিনে ফের প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে। সেখানে আবারও রাতযাপনের সুযোগ পাচ্ছেন পর্যটকরা। আগামীকাল থেকে এ সুযোগ মিলবে। একই দিন কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া জেটিঘাট থেকে নিয়মিত পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হচ্ছে।
কলেজের টাকায় সভাপতির জন্য আমেরিকা থেকে মোবাইল ফোন
কলেজের পরিচালনা পর্ষদের (গভর্নিং বডি) সভাপতি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিনে নিয়ে আসেন দামি মোবাইল ফোন। অধ্যক্ষ ওই মোবাইল ফোন কিনতে ব্যয় হওয়া অর্থ গভর্নিং বডির বৈঠক ডেকে বরাদ্দ করেন
একটা গোষ্ঠীর হাতে চলে গেছে অর্থনীতির সুফল
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে না গিয়ে একটি গোষ্ঠীর কাছে চলে গেছে। বর্তমান সময়ে যারা বিগত দিনে ব্যাংক লুট করেছে, তাদের না ধরে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা উত্তরের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদকের টিম গঠন
ঢাকা উত্তরের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদকের টিম গঠন
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধানে দুই সদস্যর টিম গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।  রোববার (৩০ নভেম্বর) সংস্থাটির সহকারী পরিচালক আশিকুর রহমানকে প্রধান করে দুই সদস্যর টিম গঠন করা হয়। অনুসন্ধান দলে আরও আছেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক সুবিমল চাকমা। দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি ঊর্ধ্বতন সূত্র কালবেলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  অনুসন্ধানের স্বার্থে ২/১ দিনের মধ্যেই প্রয়োজনীয় নথিপত্র চেয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিতে পারে দুর্নীতি দমন কমিশন। এ ছাড়াও ডিএনসিসিতে যে কোনো সময় অভিযানও পরিচালনা করতে পারে দুদক। সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়গুলো কালবেলাকে নিশ্চিত করেছে। এর আগে গত ২৭ নভেম্বর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের চিঠির সংক্ষিপ্ত শিরোনামে বলা হয়, ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক নানাবিধ অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ।’  দুদকের পরিচালক (দৈনিক ও সাম্প্রতিক অভিযোগ সেল) ঈশিতা রনি স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত চিঠির অনুলিপি রয়েছে কালবেলার হাতে। চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘উপর্যুক্ত বিষয়ে প্রাপ্ত অভিযোগটি অনুসন্ধানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে মহাপরিচালক (তদন্ত-১) বরাবর প্রেরণের জন্য কমিশন কর্তৃক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এমতাবস্থায়, উক্ত সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রাপ্ত অভিযোগটি অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে এতদসঙ্গে প্রেরণ করা হলো।’ চিঠির সঙ্গে অভিযোগের কপিসহ এক বান্ডেল কাগজপত্র সংযুক্তি হিসেবে পাঠানো হয়।
৪ ঘণ্টা আগে

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবেদন / দলগতভাবে জড়িত আ.লীগ, মূল সমন্বয়ক তাপস

৭ ঘণ্টা আগে

ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ সম্পাদক মাইনুল

৭ ঘণ্টা আগে

নতুন খাদ্য সচিব ফিরোজ সরকার

৮ ঘণ্টা আগে

খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা

৮ ঘণ্টা আগে

আওয়ামী লীগ ছাড়াই নির্বাচন হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে
খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিজিএমইএ’র উদ্যোগে দোয়া
খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিজিএমইএ’র উদ্যোগে দোয়া
রাজধানীর বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৩০ নভেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ ভবনে সংগঠনটির উদ্যোগে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, বিজিএমইএ এর সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় উপ-কোষাধ্যক্ষ মাহমুদ হাসান খান বাবু, সংগঠনের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী মনিরুজ্জামান মনির, রশিদ গ্রুপ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এম কফিল উদ্দিন আহমেদসহ বিভিন্ন গার্মেন্টসের মালিকরা।  গত ২৩ নভেম্বর রাতে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, তার ফুসফুসে ইনফেকশন হয়েছে। গত চারদিন ধরে হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।
১৫ মিনিট আগে
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় নারায়ণগঞ্জে মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে দোয়া 
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় নারায়ণগঞ্জে মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে দোয়া 
খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় দোয়া চাইলেন ইশরাক
খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় দোয়া চাইলেন ইশরাক
শেখ হাসিনার সঙ্গে এবার রেহানা-টিউলিপের রায় সোমবার
প্লট দুর্নীতি / শেখ হাসিনার সঙ্গে এবার রেহানা-টিউলিপের রায় সোমবার
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন সোমবার
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন সোমবার
বিএমইউ ‘ছাত্র কল্যাণ পরিষদ’-এর উদ্যোগে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল
বিএমইউ ‘ছাত্র কল্যাণ পরিষদ’-এর উদ্যোগে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশের বাজারেও সমন্বয় করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। ডিসেম্বরের জন্য ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম লিটারে দুই টাকা বাড়ানো হয়েছে। রোববার (৩০ নভেম্বর) রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। আগামীকাল সোমবার (১ ডিসেম্বর) থেকে এ নতুন দর কার্যকর হবে। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ২ টাকা বেড়ে ১০৪ টাকা, কেরোসিন লিটারে ২ টাকা বেড়ে ১১৬ টাকা, পেট্রলের দাম ২ টাকা বাড়িয়ে ১২০ টাকা এবং অকটেনের দাম লিটারে ২ টাকা বাড়িয়ে ১২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। জানা গেছে, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ গত বছরের মার্চ থেকে শুরু করেছে সরকার। সে হিসাবে প্রতি মাসে নতুন দাম ঘোষণা করা হচ্ছে। বর্তমানে জ্বালানি তেলের দর নির্ধারণ ছাড়াও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বছরে জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ৭৫ লাখ টন। মোট চাহিদার প্রায় ৭৫ শতাংশই ডিজেল ব্যবহার হয়। বাকি ২৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ হয় পেট্রল, অকটেন, কেরোসিন, জেট ফুয়েল, ফার্নেস অয়েলসহ বিভিন্ন জ্বালানি তেলে। ডিজেল সাধারণত কৃষি সেচে, পরিবহন ও জেনারেটরে ব্যবহার করা হয়। অকটেন ও পেট্রল বিক্রিতে সব সময় বিপিসি লাভ করে। মূলত ডিজেল বিক্রিতেই সংস্থাটির লাভ ও লোকসান নির্ভর করে। জ্বালানি তেলের মধ্যে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জেট ফুয়েল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম আগে নিয়মিত সমন্বয় করত বিপিসি। এখন বিইআরসি প্রতি মাসে করছে। আর ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। জ্বালানি বিভাগ জানায়, প্রতিবেশী দেশ ভারত ছাড়াও উন্নত বিশ্বে প্রতি মাসেই জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত হিসেবে গত বছরের ২৯ ফেব্রুয়ারি জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ঘোষণা করা হয়। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া চালুর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম কমলে দেশে কমবে আবার বাড়লে দেশের বাজারেও বাড়বে।

নভেম্বরে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি ৮ ব্যাংকে

চলতি মাসের প্রথম ২৯ দিনে ২৬৮ কোটি ১১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। এর মধ্যে দেশের ৮টি ব্যাংকে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। যার মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকও। রোববার (৩০ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, নভেম্বরের প্রথম ২৯ দিনে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি এমন ব্যাংকের সংখ্যা ৮। এর মধ্যে রয়েছে একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক, একটি বিশেষায়িত ব্যাংক, ২টি বেসরকারি ব্যাংক ও ৪টি বিদেশি ব্যাংক। নভেম্বরের প্রথম ২৯ দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা বিডিবিএল, বিশেষায়িত খাতের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক বা রাকাব ও বেসরকারি খাতের কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, পদ্মা ব্যাংক পিএলসি ও আইসিবি ইসলামী ব্যাংকে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এ ছাড়া কোনো রেমিট্যান্স আসেনি বিদেশি খাতের ব্যাংক আল ফারাহ, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়াতেও। এদিকে নভেম্বরের প্রথম ২৯ দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫১ কোটি ৬৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার। এ ছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৭ কোটি ৯৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৮৭ কোটি ৯০ লাখ ৭০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৫ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায়, ২৩ থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৫৪ কোটি ৬১ লাখ ৪০ হাজার ডলার। নভেম্বরের ১৬ থেকে ২২ তারিখ পর্যন্ত দেশে এসেছে ৬১ কোটি ২২ লাখ ৭০ হাজার ডলার। ৯ থেকে ১৫ নভেম্বর দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৭৬ কোটি ৮৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার। ২ থেকে ৮ নভেম্বর দেশে এসেছে ৭১ কোটি ১০ লাখ ৭০ হাজার ডলার। আর নভেম্বরের প্রথম দিন প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৪ কোটি ৩১ লাখ ৮০ হাজার ডলার। এর আগে গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছে যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। এদিকে গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

২৯ দিনে এলো ৩২ হাজার কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স

চলতি মাসের (নভেম্বর) প্রথম ২৯ দিনে দেশে ২৬৮ কোটি ১১ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ ৩২ হাজার কোটি টাকারও বেশি।  রোববার (৩০ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি নভেম্বরের প্রথম ২৯ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৬৮ কোটি ১১ লাখ ৩০ হাজার ডলার। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫১ কোটি ৬৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার। এ ছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৭ কোটি ৯৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৮৭ কোটি ৯০ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৫ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। এর আগে, বিদায়ী অক্টোবরজুড়ে দেশে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরে প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) দেশে ১০১ কোটি ৪৯ লাখ ডলার বা ১০ দশমিক ১৫ বিলিয়ন বৈদেশিক অর্থ পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।  প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ২৪ হাজার ৩২২ কোটি টাকা।
৭ ঘণ্টা আগে
২৯ দিনে এলো ৩২ হাজার কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স

দেশে সরকারি ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু

চূড়ান্ত অনুমোদনের মাধ্যমে দেশের সবচেয়ে বড় ও সরকারি ইসলামী ব্যাংক ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’-এর কার্যক্রম শুরু হলো। রোববার (৩০ নভেম্বর) সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক বোর্ড সভা।  এর মাধ্যমে নতুন ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু করতে আর কোনো বাধা থাকল না অর্থ মন্ত্রণালয়ের। এর আগে গত ৯ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের। যেখানে আরজিএসসি থেকে কোম্পানি নাম ছাড়পত্র, ব্যাংকের চলতি হিসাব খোলাসহ ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিধিবিধান পূরণের দায়িত্ব পড়ে সরকারের ওপর। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের মাধ্যমে ব্যাংকটির কার্যক্রম শুরু হলো। শিগগিরই আমানতকারীদের অর্থ পরিশোধ, সুদের হার, বতন স্কেলসহ বিস্তারিত স্কিম নির্ধারণ করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশে সরকারি ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু

একটা গোষ্ঠীর হাতে চলে গেছে অর্থনীতির সুফল

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে না গিয়ে একটি গোষ্ঠীর কাছে চলে গেছে। বর্তমান সময়ে যারা বিগত দিনে ব্যাংক লুট করেছে, তাদের না ধরে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এতে ১৪ লাখ মানুষ কাজ হারিয়েছে। এই মানুষগুলো যাবে কোথায়? তাই অর্থনৈতিক ন্যায্যতার জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা জরুরি। গতকাল শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫-এ এসব কথা বলেন বক্তারা। দৈনিক বণিক বার্তা এই সম্মেলনের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ব্যবসায়ীদের বিষয়ে আমাদের ধারণা পাল্টাতে হবে। চোর ধরার চিন্তা থেকে বেরিয়ে বিশ্বাসের জায়গায় আসতে হবে। তাকে যদি বিশ্বাস না-ই করি, তাহলে ব্যবসা করে তারা দেশের জন্য কী করবে। তিনি বলেন, গত ১৫ বছর যারা লুট করেছেন, চুরি করেছেন, ব্যাংক ডাকাতি করেছেন। লুটপাট করে নিয়ে চলে গেছেন। তাদের ধরেন, তাদের শাস্তি দেন। তাদের যে ইন্ডাস্ট্রিজগুলো, শিল্পকারখানা আছে, সেগুলোতে হাজার হাজার মানুষ কাজ করছে। সেগুলো বন্ধ করে দিয়ে ১৪ লাখ বেকার হয়ে গেছে। এই লোকগুলো যাবে কোথায়? এই বেকারত্বটা আমরা সৃষ্টি করছি কেন? আমি মনে করি, বিষয়টা আমাদের আবারও ভেবে দেখা উচিত। এই কারখানাগুলো আমরা কীভাবে চালু করতে পারি, এই প্রতিষ্ঠানগুলোয় কীভাবে এই মানুষগুলোর কর্মসংস্থানে সৃষ্টি করতে পারি, সেটা আমাদের দেখা দরকার। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে না গিয়ে একটি গোষ্ঠীর কাছে চলে গেছে। তিনি বলেন, অর্থনীতি গণতন্ত্রের অংশ হতে হবে এবং এটি জনগণের কল্যাণে ব্যবহার হতে হবে। যতদিন অর্থনীতি শুধু একটি গোষ্ঠীর হাতে সীমাবদ্ধ থাকবে, ততদিন দেশের সাধারণ মানুষ এর সুফল ভোগ করতে পারবে না। অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ন করা ছাড়া দেশের আর্থিক পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতি সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আমীর খসরু বলেন, এজন্য আমাদের নতুন একটি অর্থনৈতিক মডেল গড়ে তুলতে হবে, যেখানে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে। উদ্যোক্তাদের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে, যেন গ্রামীণ জনগণও উন্নতির পথে এগিয়ে যেতে পারে, যেন তারা আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের পণ্য বিক্রি করতে পারে। বিপুল পরিমাণ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মধ্যেও যদি সেই উন্নয়ন শুধু একটি বিশেষ গোষ্ঠীর হাতে থাকে, তাহলে জনগণের কাছে এর সুফল পৌঁছবে না। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এ দেশের অর্থনীতিতে গরিব-দুঃখী সবাই অবদান রেখে যাচ্ছে। আমাদের টোটাল ডেভেলপমেন্ট দুটি বড় খাত থেকে আসে—একটি বিভিন্ন পর্যায়ের ট্যাক্স, আরেকটি রেমিট্যান্স। ভিক্ষুক, শিল্পপতি এমনকি নবজাতক শিশুকেও ট্যাক্স দিতে হয়। যেহেতু সমাজের দায়িত্ব সবাই সমানভাবে নিচ্ছে, তাই অর্থনৈতিক বিষয়টিও ন্যায্যতার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। অর্থনীতি পুনর্গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, এ অর্থনীতিতে যেমন বিভিন্ন সরকারি মারপ্যাঁচ, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য আছে, সেখানে অনেক দুর্বৃত্তপনাও আছে। ক্ষেত্রবিশেষে এ দুর্বৃত্তপনাকে রাষ্ট্র বিভিন্নভাবে সহায়তা করছে। রাজনীতির বাইরে কোনো অর্থনীতি নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, সব নীতি সমন্বয়, নিয়ন্ত্রণ ও বিকশিত করবে রাজনীতি। ব্যবসায়ীরা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। রাজনীতির জায়গা থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আমরা কাঙ্ক্ষিত কম্ফোর্ট জোন ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, বিগত সরকার দেশের অর্থনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিল, যেখানে মাফিয়া ও লুটেরা শ্রেণি ক্ষমতায় ছিল। এর ফলে সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার ও আকাঙ্ক্ষা দীর্ঘদিন উপেক্ষিত থেকেছে। তবে সময়ের সঙ্গে সমাজের বৃহত্তর জনগণের মধ্যে ঐক্য গড়ে ওঠায় জুলাইয়ের অভ্যুত্থান সংগঠিত হয়। যেখানে তরুণরা ন্যায্য অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রত্যাশায় সংগ্রামে নেমেছিল। অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষিত হলে নতুন করে অভ্যুত্থানের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচনই গণতন্ত্র নয়। এটি গণতন্ত্রের একটি পথ। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রধান বাধা হচ্ছে অস্বচ্ছ নির্বাচন অঙ্গন। এটি স্বচ্ছ করতে হবে। রাজনৈতিক অঙ্গন অস্বচ্ছ এবং এখানে ব্যাপক দুর্বৃত্তায়ন রয়েছে। এটিকেও স্বচ্ছ করতে হবে। দেশের নির্বাচন ব্যবসায় পরিণত হয়েছে মন্তব্য করে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচনকে ব্যবসায়ীকরণ করা হয়েছে, আর ব্যবসাকে রাজনীতিকরণ করা হয়েছে। সংস্কার বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন প্রস্তাব করেছি। প্রার্থীদের হলফনামা প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে এখানেও কাজ করতে হবে। তারা যে তথ্য দেন, সেগুলো যাচাই-বাছাই করতে হবে। টাকার খেলা ও মনোনয়ন বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে। তবেই স্বচ্ছ নির্বাচন সম্ভব। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, একীভূত ব্যাংকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন থাকবে। এর চেয়ে শক্তিশালী ব্যাংক আর হবে না। সরকারের সাহায্যেই দুর্বল ব্যাংকগুলোকে নিয়ে একটি সবল ব্যাংক তৈরি করব আমরা। অচল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে কিছু করার দরকার ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ প্রয়োগ করে পাঁচ ব্যাংক নিয়ে আমরা একটি নতুন ব্যাংক করতে যাচ্ছি। আশা করি, আগামী সপ্তাহেই এ ব্যাংকের লঞ্চিং (যাত্রা) হয়ে যাবে। আসন্ন রমজানে বাজারে প্রয়োজনীয় পণ্যের কোনো সংকট তৈরি হবে না বলেও জানান গভর্নর। তিনি বলেন, গত বছর রমজান মাসে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেই আমরা সর্বোচ্চ সরবরাহ নিশ্চিত করেছি। এ বছরও কোনো সংকট দেখছি না। বাজার নিয়ন্ত্রণে পণ্যের দাম বেঁধে দেওয়ার সমালোচনা করে গভর্নর বলেন, এই যে ব্যুরোক্রেটিক ইন্টারভেনশন যেটা হয়, আমি মনে করি, এটা আমাদের জন্য কাউন্টার প্রডাক্টিভ। এতে কোনো লাভ হয় না। আমাদের চিন্তা করতে হবে বাজার কীভাবে মনিটরিং করা যায়, বাজারকে কীভাবে আমরা আরও বেশি সচল করতে পারি। সরবরাহ যেন সচল থাকে। সম্মেলনে মুক্ত আলোচনায় দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, ব্যাংকের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী, অর্থনীতিবিদসহ বিশিষ্টজন নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি এ. কে. আজাদ, বিএসএমএর সভাপতি ও জিপিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক অধ্যাপক এ কে এনামুল হক, ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমান, অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিন প্রমুখ।
৩০ নভেম্বর, ২০২৫
একটা গোষ্ঠীর হাতে চলে গেছে অর্থনীতির সুফল
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া
চট্টগ্রামে মাস্টার ইন্সট্রাক্টর প্রশিক্ষণ, সড়ক নিরাপত্তায় নতুন উদ্যোগ
চট্টগ্রামে মাস্টার ইন্সট্রাক্টর প্রশিক্ষণ, সড়ক নিরাপত্তায় নতুন উদ্যোগ
মশক নিধনে ৫৬ স্প্রেম্যানকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিল চসিক
মশক নিধনে ৫৬ স্প্রেম্যানকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিল চসিক
জামায়াত বরাবরই বিএনপির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে : কাজী আলাউদ্দিন
জামায়াত বরাবরই বিএনপির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে : কাজী আলাউদ্দিন
প্রথম দিনে ৭ জনের মনোনয়ন সংগ্রহ, ছাত্রী হলে নেননি কেউ
ব্রাকসু নির্বাচন / প্রথম দিনে ৭ জনের মনোনয়ন সংগ্রহ, ছাত্রী হলে নেননি কেউ
বগুড়ায় হাসিনাসহ ২৯৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা
বগুড়ায় হাসিনাসহ ২৯৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা
খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় সিংড়ায় বিশেষ দোয়া মাহফিল
খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় সিংড়ায় বিশেষ দোয়া মাহফিল
রাজশাহীকে নিরাপদ শহর হিসেবে গড়তে চাই : আরএমপি কমিশনার
রাজশাহীকে নিরাপদ শহর হিসেবে গড়তে চাই : আরএমপি কমিশনার
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
.

১৩ জনকে বাঁচিয়ে পানিতে তলিয়ে গেলেন হাসান, শেষ ফোনকলে ছিল মাকে দেখার ইচ্ছা

নিজের জীবন বাজি রেখে ১৩ জনকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়ে পানিতে তলিয়ে মারা গেলেন হাসান আহমেদ আল গাজ্জার (২২)। ঘটনাটি ঘটেছে মিশরের সিনাই অঞ্চলের মেনিয়েল দোয়েইব গ্রামে। খবর গালফ নিউজের।  স্থানীয় গণমাধ্যমকে উদ্ধৃত করে গালফ নিউজ জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের বহনকারী একটি মিনিবাসের টায়ার ফেটে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং সড়ক থেকে ছিটকে নদীতে পড়ে। ঘটনাটি দেখেই হাসান দ্রুত ছুটে যান। সাঁতার জানতেন না- তবুও কোনো দ্বিধা ছাড়াই পানিতে লাফ দেন। ডুবে থাকা মিনিবাসের পেছনের দরজা ভেঙে তিনি একে একে ১৩ জন ছাত্রীকে উদ্ধার করেন। তবে অতিরিক্ত পরিশ্রম ও মানসিক চাপের কারণে পরে তিনি নিজেই পানিতে ডুবে মারা যান।  গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসান জীবিকার সন্ধানে সিনাই এলাকায় গিয়েছিলেন। তার ঘরে স্ত্রী ও তিন কন্যাশিশু- যাদের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তায় ঘেরা। শোকে ভেঙে পড়া হাসানের বাবা গণমাধ্যমকে বলেন, আমার ছেলে নায়ক হিসেবে মৃত্যু বরণ করেছে। আমি তার জন্য গর্বিত। তিনি জানান, মাত্র দুই দিন পরই ছিল হাসানের জন্মদিন। ছেলের জন্য কেক নিয়ে দেখা করতে যাওয়ার পথে তিনি মৃত্যুসংবাদ পেয়েছিলেন। দুর্ঘটনার আগে পরিবারের সঙ্গে শেষ ফোনকলে হাসান মায়ের সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন- যা এখন পরিবারের শোক আরও গভীর করেছে।  তার পরিবার সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে, যেন হাসানের স্ত্রী ও সন্তানদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয় এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে হাসানকে সম্মানিত করা হয়। পরিবারের ভাষায়, অনেক পরিবারকে রক্ষা করেছে হাসান। অন্তত তার মেয়েদের ভবিষ্যৎ যেন সুরক্ষিত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য মানুষ হাসানকে জাতীয় বীর হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি তুলেছেন। তাদের মতে, তার আত্মত্যাগ শুধু ১৩টি প্রাণই নয়, অসংখ্য পরিবারকে দুঃখ থেকে বাঁচিয়েছে। সাহস, মানবতা ও দায়িত্ববোধের উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে রইল হাসান আহমেদ আল গাজ্জারের নাম।
সৌদিতে ব্যাপক ধরপাকড়, ২১ হাজার প্রবাসী গ্রেপ্তার
সৌদিতে ব্যাপক ধরপাকড়, ২১ হাজার প্রবাসী গ্রেপ্তার
সাজা হলে যুক্তরাজ্যে যে পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন টিউলিপ
সাজা হলে যুক্তরাজ্যে যে পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন টিউলিপ
ইমরান খানের বেঁচে থাকার তথ্য দিলেন পিটিআই নেতা, দেশ ছাড়তে চাপ
ইমরান খানের বেঁচে থাকার তথ্য দিলেন পিটিআই নেতা, দেশ ছাড়তে চাপ
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে উত্তাল ইউরোপ, দেশে দেশে বিক্ষোভ
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে উত্তাল ইউরোপ, দেশে দেশে বিক্ষোভ
প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
পাকিস্তানসহ ৩ দেশে দূতাবাস বন্ধের সিদ্ধান্ত, কারণ জানাল ফিনল্যান্ড
পাকিস্তানসহ ৩ দেশে দূতাবাস বন্ধের সিদ্ধান্ত, কারণ জানাল ফিনল্যান্ড
প্রথম সারির নায়িকারাও আমার থেকে কম টাকা কামায় : সোফী
প্রথম সারির নায়িকারাও আমার থেকে কম টাকা কামায় : সোফী
লোকজন কী সুন্দর বিয়ে করছে, আমি একটা প্রেমও করতে পারছি না : শ্রীলেখা
লোকজন কী সুন্দর বিয়ে করছে, আমি একটা প্রেমও করতে পারছি না : শ্রীলেখা
সৌমেনের ক্যারিয়ারে কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে অনির্বাণ!
সৌমেনের ক্যারিয়ারে কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে অনির্বাণ!
এক ফ্রেমে সৃজিত-মিথিলা-আইরা
এক ফ্রেমে সৃজিত-মিথিলা-আইরা
মারা গেলেন অস্কারজয়ী স্যার টম স্টপার্ড
মারা গেলেন অস্কারজয়ী স্যার টম স্টপার্ড
টিভি সিরিয়ালে আমি অভিনয় করব না: জীতু কামাল
টিভি সিরিয়ালে আমি অভিনয় করব না: জীতু কামাল
ঐশ্বরিয়াকে বিয়ে করতে চান পাকিস্তানি মুফতি
ঐশ্বরিয়াকে বিয়ে করতে চান পাকিস্তানি মুফতি
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
বড় হারে শেষ বাংলাদেশের এশিয়া কাপ স্বপ্ন
বড় হারে শেষ বাংলাদেশের এশিয়া কাপ স্বপ্ন
অবশেষে বিপিএলে দল পেলেন মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ
অবশেষে বিপিএলে দল পেলেন মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ
নিলাম শেষে দেখে নিন বিপিএলের ৬ দলের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড
নিলাম শেষে দেখে নিন বিপিএলের ৬ দলের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড
আসন্ন বিপিএল ১২-এর লড়াই মাঠে গড়াতে আর মাত্র কিছুদিন বাকি। তার আগে আজ রোববার অনুষ্ঠিত হলো খেলোয়াড় নিলাম, যেখানে অভিজ্ঞতা, সামর্থ্য আর তারকা-মানের ওপর ভিত্তি করে দলগুলো সাজিয়েছে নিজেদের স্কোয়াড। ব্যাটসম্যানদের তালিকায় সবচেয়ে বড় চমক এনে দিয়েছেন মোহাম্মদ নাঈম—১ কোটি ১০ লাখ টাকায় তাকে দলে নিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস, যা এবারের নিলামের সর্বোচ্চ মূল্য। নিলাম শেষে ছয় দলের সম্পূর্ণ স্কোয়াড এক নজরে— রংপুর রাইডার্স সরাসরি চুক্তি: নুরুল হাসান, মোস্তাফিজুর রহমান, খাজা নাফি, সুফিয়ান মুকিম নিলাম থেকে: লিটন দাস (৭০ লাখ), তাওহিদ হৃদয় (৯২ লাখ), নাহিদ রানা (৫৬ লাখ), রকিবুল হাসান (৪২ লাখ), আলিস আল ইসলাম (২৮ লাখ), মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি (১৮ লাখ), নাঈম হাসান (১৮ লাখ), মেহেদি হাসান সোহাগ (১১ লাখ), মাহমুদউল্লাহ (৩৫ লাখ), আব্দুল হালিম (১১ লাখ), এমিলো গে (১০ হাজার ডলার), মোহাম্মদ আখলাক (১০ হাজার ডলার) ঢাকা ক্যাপিটালস সরাসরি চুক্তি: তাসকিন আহমেদ, সাইফ হাসান, উসমান খান, অ্যালেক্স হেলস নিলাম থেকে: শামীম পাটোয়ারী (৫৬ লাখ), সাইফউদ্দিন (৬৮ লাখ), মোহাম্মদ মিঠুন (৫২ লাখ), তাইজুল ইসলাম (৩০ লাখ), সাব্বির রহমান (২৮ লাখ), নাসির হোসেন (১৮ লাখ), তোফায়েল আহমেদ (১৮ লাখ), ইরফান শুক্কুর (১৮ লাখ), আব্দুল্লাহ আল মামুন (১৪ লাখ), মারুফ মৃধা (১৪ লাখ), জায়েদ উল্লাহ (১১ লাখ), দাসুন শানাকা (৫৫ হাজার ডলার), জুবাইরউল্লাহ আকবর (২০ হাজার) সিলেট টাইটানস সরাসরি চুক্তি: নাসুম আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, সায়েম আইয়ুব, মোহাম্মদ আমির নিলাম থেকে: পারভেজ হোসেন (৩৫ লাখ), খালেদ আহমেদ (৪৭ লাখ), আফিফ হোসেন (২২ লাখ), রনি তালুকদার (২২ লাখ), জাকির হাসান (২২ লাখ), রুয়েল মিয়া (২৩ লাখ), আরিফুল ইসলাম (২৬ লাখ), ইবাদত হোসেন (২২ লাখ), শহিদুল ইসলাম (১৪ লাখ), রাহাতুল ফেরদৌস জাভেদ (১৪ লাখ), তৌফিক খান তুষার (১৪ লাখ), মুমিনুল হক (২২ লাখ), রবিউল ইসলাম রবি (১১ লাখ), অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস (৩৫ হাজার ডলার), অ্যারন জোন্স (২০ হাজার ডলার) রাজশাহী ওয়ারিয়র্স সরাসরি চুক্তি: নাজমুল হোসেন শান্ত, তানজিদ হাসান, সাহিবজাদা ফারহান, মোহাম্মদ নওয়াজ নিলাম থেকে: তানজিম হাসান (৬৮ লাখ), ইয়াসির আলি (৪৪ লাখ), আকবর আলী (৩৪ লাখ), রিপন মণ্ডল (২৫ লাখ), জিসান আলম (১৮ লাখ), হাসান মুরাদ (১৮ লাখ), আব্দুল গাফফার (৪৪ লাখ), মেহেরব হাসান (৩৯ লাখ), ওয়াসী সিদ্দিকী (১৯ লাখ), মোহাম্মদ রুবেল (১১ লাখ), মুশফিকুর রহিম (৩৫ লাখ), দুশান হেমান্থ (২৫ হাজার ডলার), জাহান্দাদ খান (২০ হাজার ডলার) চট্টগ্রাম রয়্যালস সরাসরি চুক্তি: মেহেদী হাসান, তানভীর ইসলাম, আবরার আহমেদ নিলাম থেকে: মোহাম্মদ নাঈম (১ কোটি ১০ লাখ), শরীফুল ইসলাম (৪৪ লাখ), আবু হায়দার (২২ লাখ), মাহমুদুল হাসান (৩৭ লাখ), সুমন খান (৩২ লাখ), জিয়াউর রহমান (৩০ লাখ), আরাফাত সানি (১৮ লাখ), মুকিদুল ইসলাম (৩৩ লাখ), সালমান হোসেন (১৪ লাখ), শুভাগত হোম (১৪ লাখ), জাহিদুজ্জামান সাগর (১১ লাখ), নিরোশান ডিকভেলা (৩৫ হাজার ডলার), অ্যাঞ্জেলো পেরেরা (২০ হাজার ডলার) নোয়াখালী এক্সপ্রেস সরাসরি চুক্তি: হাসান মাহমুদ, সৌম্য সরকার, জনসন চার্লস, কুশল মেন্ডিস নিলাম থেকে: জাকের আলী (৩৫ লাখ), মাহিদুল ইসলাম (৩৫ লাখ), হাবিবুর রহমান সোহান (৫০ লাখ), নাজমুল ইসলাম অপু (১৮ লাখ), আবু হাশিম (১৮ লাখ), মুশফিক হাসান (১৮ লাখ), শাহাদাত হোসেন (১৮ লাখ), রেজাউর রহমান (১৮ লাখ), মেহেদি হাসান (১৪ লাখ), সৈকত আলী (১৪ লাখ), সাব্বির হোসেন (১৪ লাখ), ইহসানউল্লাহ (২৮ হাজার ডলার), হায়দার আলি (২৫ হাজার ডলার) বিপিএল ১২ শুরু হবে ২৬ ডিসেম্বর, আর নিলামের মাধ্যমে দলগুলো নিশ্চিত করল নিজেদের কাঙ্ক্ষিত স্কোয়াড। এখন অপেক্ষা মাঠের লড়াইয়ে কোন দল গড়বে সেরা সমন্বয়—তা দেখার।
বিপিএল নিলামে কোটিপতি নাঈম শেখ
বিপিএল নিলামে কোটিপতি নাঈম শেখ
বিপিএলে দল না পেয়ে ফেসবুকে মুশফিকের পোস্ট
বিপিএলে দল না পেয়ে ফেসবুকে মুশফিকের পোস্ট
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X