কঠিন চ্যালেঞ্জে দেশের অর্থনীতি

কঠিন চ্যালেঞ্জে দেশের অর্থনীতি

দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি যখনই স্থিতিশীলতার দিকে এগোচ্ছিল, তখনই মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত শুল্ক। এতে বড় ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে দেশের সার্বিক অর্থনীতি ঘিরে। সংশ্লিষ্টরা
০৪ এপ্রিল : আজকের নামাজের সময়সূচি
০৪ এপ্রিল : আজকের নামাজের সময়সূচি
ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পুণ্যস্নান
সৌদি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরছেন ১২ রেমিট্যান্স যোদ্ধা
সৌদি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরছেন ১২ রেমিট্যান্স যোদ্ধা
শুল্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা হুমকি চীনের
শুল্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা হুমকি চীনের
  • মহিউদ্দিন খান মোহন
    মহিউদ্দিন খান মোহনসাংবাদিক ও রাজনীতি বিশ্লেষক

    একাত্তর বনাম চব্বিশ

    শিরোনাম দেখে কেউ হয়তো ধন্দে পড়ে যেতে পারেন। সন্দেহ জাগতে পারে আমি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে এক কাতারে শামিল করতে চাচ্ছি কি না। মোটেও তা নয়। বরং আমি মনে করি, আমাদের পূর্বাপর সব অর্জনের মধ্যে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতা সর্বশ্রেষ্ঠ ও অতুলনীয় অর্জন। একাত্তরের অর্জনের সঙ্গে অন্য কোনো অর্জনের তুলনাই হতে পারে না। কেননা, একাত্তর আমাদের একটি প্রকৃত স্বাধীন ভূখণ্ড, একটি জাতীয় পতাকা ও জাতি হিসেবে একটি স্বতন্ত্র পরিচিতি এনে দিয়েছে। আমরা আজ নিজেদের ‘বাংলাদেশি নাগরিক’ বলে গর্বের সঙ্গে যে পরিচয় দিতে পারি, তা এনে দিয়েছে একাত্তর। কিন্তু ১৫ বছর ৭ মাসের শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের

    জুলাই বিপ্লব যেভাবে জনগণকে উপকৃত করবে

    ইতিহাসের চাকা কখনো উল্টো ঘোরে না। আশ্চর্যের বিষয় হলো, পৃথিবীতে শুধু সময় পাল্টায়, কিন্তু ঘটনা বা পরিস্থিতি প্রায় একইরকম থাকে। সহজভাবে দেখলে মনে হবে, আমরা সবাই একই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি, শুধু সময়ের ব্যবধান ভিন্ন। যুগে যুগে বিপ্লব ঘটেছে, বিপ্লবীদের আত্মত্যাগের ফলে একসময় সাধারণ স্থান ইতিহাসের অংশ হয়ে উঠে অসাধারণ রূপে। কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি, বিপ্লব কেন সংঘটিত হয়? প্রতিটি বিপ্লবের পেছনে অসংখ্য কারণ থাকতে পারে। তবে একটি কারণ সর্বদা সাধারণ—তা হলো নিপীড়ন। মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন; তার সহজাত প্রবৃত্তি হলো— শেষমুহূর্ত পর্যন্ত তার স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা। বাংলাদেশও এক অনন্য বিপ্লব দেখল ২০২৪ সালে, যখন ৫ আগস্ট দীর্ঘ দুই

    মায়ের মুখের হাসি

    রাত পেরোলেই ঈদ, আর তাওহীদের যেন তর সইছে না। ঢাকায় চাকরি করার পর প্রতিবারের মতো এবারও সে ফিরছে গ্রামে, মায়ের কাছে। কিন্তু এবারের ঈদযাত্রাটা আগেরবারের চেয়ে একটু আলাদা। টিকিটের দাম বেড়েছে, বাড়তি গরমে যাত্রা আরও কষ্টদায়ক। তারপরও মায়ের মুখের হাসি দেখার আশায় সব কিছু মেনে নিতে হয়েছে। বাসস্ট্যান্ডের ভোগান্তি গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছতেই দেখা মেলে প্রচণ্ড ভিড়। সবাই যেন বাড়ির পথে ছুটছে। দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে মানুষের হৈচৈ, অনেকেই অতিরিক্ত ভাড়া গুনছে। বুকিং কাউন্টারে গিয়ে তাওহীদ জানতে পারে, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ৪০০ টাকা বেশি দিতে হবে। কি আর করা! মা তো অপেক্ষা করছে, তাই মন খারাপ হলেও টিকিট নিতে হলো। নির্ধারিত সময় পার হয়ে প্রায়
  • ঈদ মোবারক

    দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর আবার এলো খুশির ঈদ—ঈদুল ফিতর। দিনটি উপলক্ষে কালবেলার প্রিয় পাঠক, লেখক, বিজ্ঞাপনদাতা, এজেন্ট, শুভানুধ্যায়ীসহ সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। ঈদুল ফিতর একাধারে আনন্দ-উৎসব ও ইবাদত। এই আনন্দ আল্লাহর অশেষ রহমত ও ক্ষমাপ্রাপ্তির, জাহান্নাম থেকে মুক্তির। এ আনন্দে নেই কোনো পাপ-পঙ্কিলতা। এ আনন্দে রয়েছে শুধুই সওয়াব ও পুণ্য। ইন্দ্রিয়ের কৃচ্ছ্রসাধনের মধ্য দিয়ে আত্মিক পরিশুদ্ধি অনুশীলনের সুযোগ নিয়ে আসে পবিত্র রমজান। পবিত্র রমজান আমাদের চিত্তশুদ্ধির যে শিক্ষা দিয়েছে, ঈদুল ফিতর হচ্ছে সেই শিক্ষা কাজে লাগানোর দিন। এ মাসে আমাদের সংযম সাধনার প্রতিফলন যেন বছরের বাকি দিনগুলোতেও ঘটে। পবিত্র ঈদুল ফিতর যে আনন্দের বার্তা বয়ে আনে, তা যেন

    মার্কিনিদের স্বপ্নের সমাপ্তি ঘটেছে

    আমেরিকার অর্থনীতির স্বর্ণযুগের ইতি টানা হয়ে গেছে বহু আগেই। আর নিকট ভবিষ্যতে দেশটির আরও উন্নত দিন আসার সম্ভাবনা বেশ ক্ষীণ। বিশ শতকের একটা জনপ্রিয় ধারণা ছিল ‘আমেরিকান স্বপ্ন’ যেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষ মধ্যবিত্ত, সচ্ছল কিংবা অত্যন্ত বিত্তশালী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারত এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নেও সক্ষম হতো। একবিংশ শতকের দ্বিতীয় প্রান্তিকে এসে এমন ঘটনা বিরল হয়ে দাঁড়িয়েছে। মুডি’স অ্যানালিস্ট নামক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদনের মতে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা ব্যয়ের অর্ধেকেরও বেশি ১০ ট্রিলিয়ন ডলার এককভাবে চালিত করেছে দেশটির শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনী নাগরিক। এদের ঘর প্রতি ন্যূনতম বার্ষিক আয় ২,৫০,০০০ ডলার। এই বাস্তবতা দেখায় যে,

    সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত

    ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন হয়। ২০২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যর সর্বমোট সংখ্যা ছিল ১১টি এবং ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় জামদানি শাড়ি। এই আট বছরে জিআই সংখ্যার পরিমাণ দাঁড়ায় ১১টি। তখন আমি ও আমার মতো এই দেশের কিছু মানুষ অবাক হয়েছিলাম। কারণ, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের জিআই সংখ্যা দেখে, কারণ তখন আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে প্রায় ৫১৭টির বেশি ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য ছিল, আর (অন্যান্য দেশেও অনেক বেশি) সেই অনুযায়ী আমাদের দেশে জিআই স্বীকৃতি পণ্য ছিল অনেক কম। যাই হোক, প্রথম জিআই পণ্যর স্বীকৃতি সাল থেকেও যদি বলি আট বছরে
  • পুরান ঢাকার ঈদ-পার্বণ

    পুরান ঢাকার সব উৎসব-পার্বণ ছিল ধর্মীয় দিনগুলো কেন্দ্র করেই। এসব উৎসব পালিত হতো স্বকীয়তায়। এখনো কিছু কিছু অবশিষ্ট আছে। তবে বেশিরভাগই লুপ্তপ্রায়। সেকালে রোজার মাসে পুরান ঢাকার চেহারা বদলে যেত। স্থানীয় ছোট-বড় সব হোটেলে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত থাকত কাপড়ের পর্দা টানানো, এখনো সেই কায়দাটি রয়েছে। দুপুরের পরপরই সড়কের পাশে ইফতার বানানোর হিড়িক পড়ে যেত। বিক্রি হতো রকমারি ইফতার। চকবাজারের ইফতারি পূর্বের ধারাবাহিকতায় আজও টিকে আছে। তবে মানের ক্ষেত্রে ধস নেমেছে, সবই এখন নিম্নমানের। আকর্ষণীয় সেই ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ হতে বিভিন্ন নামের আকর্ষণে এখনও দূরদূরান্ত থেকে অনেকে ইফতারি কিনতে আসে। বিক্রিও হয় দেদার। তবে আগের কারিগরও নেই, স্বাদ ও মান

    গণতন্ত্র নিজেই একটা সংস্কার

    নুরুল ইসলাম মনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান। বরগুনা-২ আসন থেকে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৮৮ ও ১৯৯১ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এবং ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য হন। একই আসনে আগামী নির্বাচনেও বিএনপি থেকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ, গণপরিষদ নির্বাচন, সংবিধান, বিএনপির নির্বাচনী প্রস্তুতিসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কালবেলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রাজকুমার নন্দী কালবেলা: আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও জুলাই গণহত্যার বিচারের বিষয়টি রাজনীতিতে আবারও আলোচনায়। বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখছেন? নুরুল ইসলাম মনি: কতগুলো বিষয় পরিকল্পিত, আবার কতগুলো অপরিকল্পিত। এটা (আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ) পরিকল্পিত কি না জানি না। বিএনপি থেকে ইতোমধ্যে বলা হয়েছে, দল নিষিদ্ধ করার
    অজয় দাশগুপ্ত
    অজয় দাশগুপ্তকলামিস্ট ও প্রাবন্ধিক, সিডনি প্রবাসী

    বজ্রচেরা আলোর পথিক

    প্রাচীন কবিতাটি এমন: জন্মিলে মরিতে হবে/ অমর কে কোথা কবে? / মিছে জীব করো না ক্রন্দন ... অমরত্ব শরীরে থাকে না। অমরত্ব শরীর দিয়ে অর্জনও অসম্ভব। অমরত্বের জায়গা মানুষের হৃদয়ে। সন্জীদা খাতুন সে অর্থে অমর। গত মঙ্গলবার তিনি তার নশ্বর দেহ ত্যাগ করে অনন্তলোকে পাড়ি দিয়েছেন। গড়পড়তা বাঙালির আয়ু থেকে অনেক বেশিদিন বেঁচেছিলেন তিনি। আমরা সবাই জানি, একজন মানুষের চাইতে একটি কচ্ছপের আয়ু ঢের বেশি। একটি কাছিম পাঁচশ বছর বাঁচে। সে তুলনায় মানুষের আয়ু হাতেগোনা। তবু সন্জীদা খাতুন অনেক সময় ধরেছিলেন। ছিলেন বলতে সগৌরবে, স্বমহিমায় ছিলেন। তার না থাকাটা কত বেদনার সেটা বলবে সময়। আমি যেটা বলতে চাইছি তা বলার আগে একটা
  • ২৯ মার্চ ২০২৫, ১২:০২ পিএম
    ঘরমুখো অনেকে বলছেন, অন্যান্য বারের তুলনায় এবার ঈদযাত্রা অনেকটা স্বস্তিদায়ক। আপনিও কি তাই মনে করেন?

    ঘরমুখো অনেকে বলছেন, অন্যান্য বারের তুলনায় এবার ঈদযাত্রা অনেকটা স্বস্তিদায়ক। আপনিও কি তাই মনে করেন?

    • হ্যাঁ
    • না
    • মন্তব্য নেই
    +
    =
    সাবমিট
    মোট ভোটদাতাঃ ২,৭৭৬ জন
    মোট ভোটারঃ ২,৭৭৬
    ভোট দিন
    Link Copied
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

০৪ এপ্রিল : ইতিহাসের এই দিনে যা ঘটেছিল

০৪ এপ্রিল : আজকের নামাজের সময়সূচি

বাণিজ্যের বিশ্বযুদ্ধ শুরু করলেন ট্রাম্প

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বাংলাদেশি যুবক নিহত, লাশ ফেরত চায় পরিবার

‘ইসলাম অত্যন্ত আধুনিক ও উদার ধর্ম’ লোকসভায় কংগ্রেস নেতা

সরোজা ম্যাগাজিনে প্রকাশিত প্রবন্ধের প্রতিবাদ এবি পার্টির

লিগের বাধা গুড়িয়ে আদালতে বার্সার বড় জয়

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ত্যাগী নেতাদের পরিবারও মূল্যায়িত হবে : রহমাতুল্লাহ

‘একটা গোষ্ঠী নির্বিঘ্নে চাঁদাবাজি-দখলদারি করার জন্য দ্রুত নির্বাচন চাচ্ছে’

দ্রুত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আহবান ড. ফরিদুজ্জামানের

১০

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পুণ্যস্নান

১১

সৌদি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরছেন ১২ রেমিট্যান্স যোদ্ধা

১২

মসজিদের সাইনবোর্ডে ‘জয় বাংলা’ কাণ্ডে আটক ১

১৩

ধর্মীয় সহিংসতার উস্কানি : এবি পার্টির প্রতিবাদ

১৪

শুল্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা হুমকি চীনের

১৫

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদের সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

১৬

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য, কড়া বার্তা দিল রাশিয়া

১৭

ফেসবুক পোস্টে কমেন্টস নিয়ে ছাত্রদল-স্বেচ্ছাসেবক দলের সংঘর্ষ 

১৮

আগে মেসে থাকতেন, এখন কোটি টাকার গাড়িতে চড়েন : বুলু

১৯

অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিয়ে আশার আলো দেখছে পাকিস্তান

২০
নির্বাচনী এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন নেতারা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ না দিলেও নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন রাজনৈতিক দলের নেতাসহ সম্ভাব্য প্রার্থীরা। ঈদে বাড়ি গিয়ে তারা সাধারণ মানুষকে নির্বাচনী ‘সালাম’ দিচ্ছেন। বিএনপি, জামায়াতে
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন নিয়ে ‘সরগরম’ রাজনীতি
যুক্তরাষ্ট্রের ‘দ্য নিউইয়র্ক টাইমস’-এ ‘অ্যাজ বাংলাদেশ রিইনভেন্ট ইটসেলফ, ইসলামিস্ট হার্ড-লাইনারস সি অ্যান ওপেনিং’ বা ‘বাংলাদেশের নতুন পরিস্থিতিকে কট্টর ইসলামপন্থিরা মতাদর্শ কায়েমের সুযোগ হিসেবে দেখছে’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে দেশের রাজনীতি
পানিতে ভেসে গেল সাতক্ষীরা উপকূলের ঈদ আনন্দ
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ এখনো মেরামত করা সম্ভব হয়নি। ঈদের দিন (৩১ মার্চ) ভোরে নদীর পাড়ে প্রায় ২০০ ফুট এলাকা ধসে পড়ে। এর ফলে
আরাধ্য এখনো জানে না তার মা-বাবা আর নেই
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের শয্যায় শুয়ে কাতরাচ্ছে ছোট্ট শিশুটি। হাতে স্যালাইন লাগানো। কপালে ছোপ ছোপ রক্তের দাগ। হাতেও দেখা যাচ্ছে শুকিয়ে যাওয়া রক্তের দাগ। দুই চোখ বন্ধ।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদের সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদের সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
বিমসটেক মহাসচিব ইন্দ্র মণি পান্ডে আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংককে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিমসটেক সচিবালয় জানিয়েছে, বৈঠকে তারা আঞ্চলিক সহযোগিতা গভীরতর করা, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং বিমসটেকের সাফল্যে পরবর্তী সভাপতি হিসেবে ঢাকার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা সকালে ২০তম বিমসটেক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের এক দিন আগে বিমসটেকের সাতটি সদস্য দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বিশেষ করে বিমসটেক মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (এফটিএ) কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে আন্তঃআঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাস্তবসম্মত ও ফলপ্রসূ সহযোগিতার ওপর জোর দেন। তিনি একটি অভিন্ন বিমসটেক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন। বৈঠকের আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বিমসটেক সমুদ্র পরিবহন সহযোগিতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, যা আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস শুক্রবার ব্যাংককে অনুষ্ঠিতব্য ষষ্ঠ বিমসটেক রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানদের শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য ব্যাংককে রয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে

নৈশভোজে যোগ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে

কালী শংকর রায় চৌধুরীর শ্রাদ্ধানুষ্ঠান শনিবার

১৩ ঘণ্টা আগে

ইন্টারকন্টিনেন্টালে উপদেষ্টা ও সমন্বয়কদের সুবিধা দেওয়ার দাবি, যা বলল কর্তৃপক্ষ

১৩ ঘণ্টা আগে

এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাল শিক্ষা বোর্ড

১৪ ঘণ্টা আগে

পরিবর্তন আনতে চাইলে পদ্ধতি বদলাতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে
সরোজা ম্যাগাজিনে প্রকাশিত প্রবন্ধের প্রতিবাদ এবি পার্টির
সরোজা ম্যাগাজিনে প্রকাশিত প্রবন্ধের প্রতিবাদ এবি পার্টির
ভারত থেকে প্রকাশিত ‘সরোজা’ অনলাই ম্যাগাজিনে প্রকাশিত প্রবন্ধের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি। বৃহস্পতিবার দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব‍্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এ ধরনের মিথ‍্যা প্রোপাগাণ্ডা ও উস্কানিমূলক প্রবন্ধ নিষিদ্ধ করারও দাবি জানান।  তারা বলেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিশ্বে বিরল। কিন্তু গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সরোজা ম্যাগাজিনে জয়দীপ মজুমদার কতৃক "কার্ভিং অ্যা হোমল্যান্ড ফর হিন্দুস অব বাংলাদেশ অ্যান্ড আনলকিং দ্যা ল্যান্ডলকড নর্থইস্ট’ নামে যে প্রবন্ধ প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়েছে আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কেননা, জয়দীপ মজুমদারের প্রবন্ধে প্রধানত: পরিকল্পিতভাবে দুটি বিষয় নিয়ে লিখা হয়েছে, এক. ভারতের উত্তর পূর্বের ৭টি রাজ্য তথা সেভেন সিস্টারের ভৌগোলিক অসুবিধাসমূহ। দুই. বাংলাদেশে হিন্দুরা অমানবিক অন্যায়, নির্যাতন ও বৈষম্যের স্বীকার হচ্ছে মর্মে নানা কল্পিত বানোয়াট তথ‍্য। এবি পার্টি মনে করে, এই লেখায় বাংলাদেশের ভৌগোলিক অখন্ডতা খর্ব ও সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননাকর উস্কানিমূলক প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। এরকম অসত্য ও উস্কানিমূলক লিখার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন; ভারতসহ বিশ্বাবাসীকে আমরা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে জানাতে চাই যে, ভারত বাংলাদেশের প্রতিবেশী হিসাবে আমরা সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরস্পর সমমর্যাদার নীতি মেনে বসবাস করতে চাই।  বিবৃতিতে বলা হয়, এ প্রবন্ধ বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে মিথ্যা বানোয়াট তথ‍্য দিয়ে ধর্মীয় সহিংসতার উস্কানি সৃষ্টির অপচেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়, এ লেখার মধ‍্য দিয়ে গণমাধ‍্যম নীতিমালাও চরমভাবে লংঘন করা হয়েছে। এধরনের শিষ্টাচার বহির্ভূত লেখা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট করারও একটা পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। সেখানে আরও বলা হয়, এবি পার্টি মনে করে দু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া বাংলাদেশে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান যে ধর্মীয় সম্প্রীতি রয়েছে তা পৃথিবীতে বিরল। যখনই দেশের ভেতর ও বাইরে থেকে ষড়যন্ত্রকারী মহল সাম্প্রদায়িক বিভেদ তৈরির চেষ্টা করেছে তখনই বাংলাদেশের দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলসমূহ, সামাজিক সংগঠন তথা সকল জনগণ ঐক‍্যবদ্ধভাবে তা নস‍্যাৎ করে দিয়েছে। বাংলাদেশের কোনো সম্প্রদায়ের লোকেরাই বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্রের কথা কল্পনা করেনা, এটা লেখকের আড়ালে জয়দীপ মজুমদারদের মত সাম্প্রদায়িক নেতাদের ভোট বাগানোর হীন রাজনৈতিক কৌশল ছাড়া কিছু নয়। ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের সেভেন সিস্টার খ‍্যাত ৭ রাজ্যের জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়ে এবি পার্টি নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রতিবেশীদের ভৌগোলিক অসুবিধাসমূহ দূর করতে তাদের প্রতি সহযোগিতামূলক মনোভাব প্রদর্শনে বাংলাদেশের জনগণ সবসময়ই আগ্রহী। তারা ভারতের মানবতাবাদী, বিবেকবান জনগণকে জয়দীপ মজুমদারের হীন উদ্দেশ্য প্রণোদিত লিখা বর্জন ও উস্কানিমূলক তৎপরতার বিরুদ্ধে ন‍্যয়সঙ্গত প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি নেতৃবৃন্দ ভারত সরকারকে এ ধরনের জিঘাংসামূলক লেখা প্রকাশ ও প্রচার নিষিদ্ধেরও দাবি জানান।  
৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ত্যাগী নেতাদের পরিবারও মূল্যায়িত হবে : রহমাতুল্লাহ
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ত্যাগী নেতাদের পরিবারও মূল্যায়িত হবে : রহমাতুল্লাহ
‘একটা গোষ্ঠী নির্বিঘ্নে চাঁদাবাজি-দখলদারি করার জন্য দ্রুত নির্বাচন চাচ্ছে’
‘একটা গোষ্ঠী নির্বিঘ্নে চাঁদাবাজি-দখলদারি করার জন্য দ্রুত নির্বাচন চাচ্ছে’
দ্রুত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আহবান ড. ফরিদুজ্জামানের
দ্রুত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আহবান ড. ফরিদুজ্জামানের
ধর্মীয় সহিংসতার উস্কানি : এবি পার্টির প্রতিবাদ
ধর্মীয় সহিংসতার উস্কানি : এবি পার্টির প্রতিবাদ
আগে মেসে থাকতেন, এখন কোটি টাকার গাড়িতে চড়েন : বুলু
আগে মেসে থাকতেন, এখন কোটি টাকার গাড়িতে চড়েন : বুলু
প্রয়োজন হলে অন্য দলের সঙ্গে জোট হতেও পারে : আখতার
প্রয়োজন হলে অন্য দলের সঙ্গে জোট হতেও পারে : আখতার

আরও ৫৭ হাজার কোটি টাকা আদায়ের জন্য আইএমএফের চাপ

চলতি বছরের জানুয়ারিতে অপ্রত্যাশিতভাবে কর বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এরপর প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে পূর্বাভাস দেওয়া হয়, বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবা থেকে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আয় সম্ভব। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) চায়, আগামী অর্থবছরে কর ছাড় কমিয়ে ও করের হার বাড়িয়ে সরকার অতিরিক্ত ৫৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করুক। এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে টিবিএস। এ অবস্থায় এনবিআর কর্মকর্তারা বলছেন, অতিরিক্ত এ রাজস্ব সংগ্রহ করা না গেলে আইএমএফের ঋণের চতুর্থ কিস্তি যা ইতোমধ্যে মার্চ থেকে বিলম্বিত হয়েছে এবং আসন্ন পঞ্চম কিস্তি পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। তারা আরও বলেন, আইএমএফ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের দাবিগুলো জানায়নি। তবে আগামী শনিবার (৫ এপ্রিল) ঢাকায় সংস্থাটির প্রতিনিধি দল আসার পর আনুষ্ঠানিকভাবে এসব শর্ত উপস্থাপন করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, জানুয়ারির কর বৃদ্ধির ধাক্কা এখনো পুরোপুরি সামলানো যায়নি। তা ছাড়া সব কর ছাড় একসঙ্গে বাতিল করাও সম্ভব নয়। এনবিআরের আরেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে কিছু কর ছাড় পুরোপুরি তুলে দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য কিছু কর ছাড় বিশেষ করে আয়করের ক্ষেত্রে বাতিল করা যেতে পারে। তবে, তা রাজস্ব আদায়ে প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করবে এমন নিশ্চয়তা নেই। আবার শুধু কর বাড়ালেই রাজস্ব বাড়বে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, কর ফাঁকি রোধ, করজালের সম্প্রসারণ এবং করদাতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য অটোমেশন ব্যবস্থা উন্নয়ন করাও জরুরি। এমন পরিস্থিতিতে সরকার যদি আইএমএফের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের চেষ্টা করে, তাহলে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা কঠিন হবে জানিয়ে এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আব্দুল মজিদ বলেন, আদতে শুধু কর বাড়িয়ে বা ছাড় কমিয়ে এত বড় অঙ্কের রাজস্ব আদায় করা সম্ভব নয়। অতীতে অনেক দেশ আইএমএফের শর্ত মেনে চলতে গিয়ে অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে নিজস্ব সক্ষমতার ভিত্তিতে অর্থনীতি পরিচালনার পরিকল্পনা নিতে হবে। এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, আইএমএফ যদি ঋণের কিস্তি স্থগিত রাখে, তাহলে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের মতো আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোও তাদের বাজেট সহায়তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বসতে পারে। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের শুরুতে স্বাক্ষরিত ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ চুক্তির অংশ হিসেবে আইএমএফ ৩০টিরও বেশি সংস্কারের শর্ত দিয়েছে, যার মধ্যে বার্ষিক রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্যও অন্তর্ভুক্ত। তবে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত এ লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। এমনকি জানুয়ারিতে ভ্যাট ও কর বৃদ্ধির পরও রাজস্ব আদায় প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছায়নি। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কিছু নীতিগত পদক্ষেপ নিয়ে মতবিরোধের কারণে চতুর্থ ঋণের কিস্তি ছাড়ে বিলম্ব হচ্ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই বাংলাদেশ আগামী জুন মাসে দুটি কিস্তি পাওয়ার আশা করছে। তার আগে আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল দেশের অর্থনৈতিক সংস্কারের অগ্রগতি মূল্যায়ন করতে শনিবার (৫ এপ্রিল) ঢাকা সফর করবে। এ সময় প্রতিনিধি দলটি অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে এবং পরদিন এনবিআরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক বসবে।

বাংলাদেশের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্কারোপ কতটা প্রভাব ফেলবে

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ফলে বাংলাদেশ নতুন করে অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়তে পারে বলে মত দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) হোয়াইট হাউস প্রকাশিত এক চার্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশ মার্কিন পণ্যের ওপর ৭৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। তাই বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ ‘ডিসকাউন্টেড রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ ধার্য করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা সমস্ত পণ্যের ওপর ন্যূনতম ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এর পাশাপাশি, বাংলাদেশসহ প্রায় ৬০টি দেশের ওপর নির্দিষ্ট হারে আরও বেশি ‘রেসিপ্রোকাল শুল্ক’ আরোপ করা হবে। সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সেলিম রায়হান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, ‘আজ বিশ্ব দেখেছে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাল্টা (রেসিপ্রোকাল) শুল্ক আরোপের মাধ্যমে বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন, যা দীর্ঘদিন ধরে GATT/WTO কাঠামোর মূল স্তম্ভ হিসেবে থাকা ‘সর্বাধিক অনুকূল দেশ’ (MFN) নীতির সমাপ্তি বা অন্তত উল্লেখযোগ্য রূপান্তরের সংকেত বহন করছে। এই নীতির ভবিষ্যৎ এখন অন্ধকার। কারণ বিভিন্ন মার্কিন বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর ভিন্ন ভিন্ন পারস্পরিক শুল্কহার আরোপিত হচ্ছে এবং নির্দিষ্ট পণ্যের ক্যাটাগরির ওপর শুল্কের হারও পরিবর্তিত হচ্ছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বিজয়ী ও পরাজিত দেশ নির্ধারণ করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ছে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবেশ আরও অস্থির ও অনিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে।’ অধ্যাপক রায়হান পোস্টের শেষে বলেন, ‘বাংলাদেশসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এই পরিবর্তন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। এই নতুন পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশকে অবশ্যই তার অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য নীতিগুলো পুনর্বিবেচনা করতে হবে, বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থার সংস্কারে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে হবে এবং পরিবর্তিত বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থায় নিজের অবস্থান সুরক্ষিত করতে মূল অংশীদারদের সঙ্গে বাণিজ্য সহযোগিতা বাড়াতে হবে।’ প্রসঙ্গত, বাংলাদেশি পোশাকের অন্যতম প্রধান রপ্তানি গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে বাংলাদেশের মোট বৈশ্বিক রপ্তানির ১৭ থেকে ১৮ শতাংশই যায় যুক্তরাষ্ট্রে। ইউনাইটেড স্টেটস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভের (ইউএসটিআর) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আগের বছরের তুলনায় ১.১ শতাংশ বেড়ে ৮.৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অবদান তৈরি পোশাক খাতের।  পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে আমদানি ১.৫ শতাংশ কমে ২.২ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। এর ফলে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ৬.২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এপ্রিলে ঢাকায় আসছে আইএমএফের দল

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে বাংলাদেশ ২৩৯ কোটি ডলার কিস্তির অর্থ পেতে পারে। চলমান ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় আইএমএফের কাছ থেকে বাংলাদেশ ঋণের চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তির ২৩৯ কোটি ডলার অর্থ পাবে। অর্থছাড়ের আগে বিভিন্ন শর্ত পর্যালোচনা করতে আইএমএফের প্রতিনিধিদল চলতি এপ্রিল মাসে ঢাকায় আসবে।  ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেওয়ার পর আইএমএফের বড় কোনো দলের ঢাকায় এটি দ্বিতীয় সফর হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে জানা গেছে, ঋণের চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তির অর্থ ছাড়ের আগে বিভিন্ন শর্ত পালনের অগ্রগতি পর্যালোচনায় আইএমএফের একটি দল আগামী ৫ এপ্রিল ঢাকায় আসছে। দলটি ৬ এপ্রিল থেকে টানা দুই সপ্তাহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করবে। এ সফরে আইএমএফের দলটির সঙ্গে অর্থ বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি), জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠক শেষে ১৭ এপ্রিল প্রেস ব্রিফিং করবে সফররত আইএমএফের দল। দলটি প্রথম দিন ৬ এপ্রিল এবং শেষ দিন ১৭ এপ্রিল বৈঠক করবে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে। ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি আইএমএফের সঙ্গে ঋণ কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর তিনটি কিস্তির অর্থ পেয়েছে বাংলাদেশ। আইএমএফের কাছ থেকে প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার ২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পায়। একই বছরের ডিসেম্বরে পেয়েছে দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। আর ২০২৪ সালের জুনে তৃতীয় কিস্তির ১১৫ কোটি ডলার পেয়েছে। তিন কিস্তিতে বাংলাদেশ প্রায় ২৩১ কোটি ডলার পেয়েছে। ঋণের অর্থছাড় বাকি আছে ২৩৯ কোটি ডলার। বিপত্তি দেখা দেয় চতুর্থ কিস্তির অর্থ ছাড়ের আগে। যদিও সরকার আশা করছে আগামী জুনে চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তির অর্থ একসঙ্গে পাওয়া যাবে। এদিকে সম্প্রতি অর্থনীতিবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইআরএফের সঙ্গে এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বাজেট সহায়তার জন্যই আইএমএফ ঋণ লাগবে। এ কারণেই বাংলাদেশ সরকার ও আইএমএফ যৌথভাবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত দুটি কিস্তি একসঙ্গে ছাড়ের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইএমএফের ঋণের দুই কিস্তির অর্থ একসঙ্গে পেতে বাংলাদেশের সামনে মোটাদাগে তিনটি বাধা রয়েছে। এগুলো হলো- মুদ্রা বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করা, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) দশমিক ৫ শতাংশ হারে বাড়তি রাজস্ব আদায় ও এনবিআরের রাজস্ব নীতি থেকে রাজস্ব প্রশাসনকে আলাদা করা। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আইএমএফকে জানানো হয়েছে, এসব শর্ত বাস্তবায়ন করা হবে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজস্ব নীতি থেকে রাজস্ব প্রশাসনকে আলাদা করার পদক্ষেপ ছাড়া বাকি দুটির বিষয়ে তেমন অগ্রগতি নেই। তবে ক্রলিং পেগ পদ্ধতিতে বিনিময় হার নির্ধারণ করা হচ্ছে। যার কারণে হঠাৎ ডলারের দাম খুব বেশি বেড়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। এ পদ্ধতিতে ডলারের দাম ১২২ টাকায় স্থিতিশীল আছে।
০১ এপ্রিল, ২০২৫
এপ্রিলে ঢাকায় আসছে আইএমএফের দল

এপ্রিলের জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি মাসেই জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ করে জ্বালানি বিভাগ। জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রেখে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার; যা আগামী ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। ডিজেল প্রতি লিটার ১০৫ টাকা, কেরোসিন ১০৫ টাকা, অকটেন ১২৬ টাকা এবং পেট্রোল ১২২ টাকায় বিক্রি হবে বলে জানানো হয়। সোমবার (৩১ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস বা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসের জন্য তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্য জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যমান মূল্য কাঠামো অনুযায়ী ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এপ্রিলে ডিজেল প্রতি লিটার ১০৫ টাকা, কেরোসিন ১০৫ টাকা, অকটেন ১২৬ টাকা এবং পেট্রোল ১২২ টাকায় বিক্রি হবে। সোমবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
৩১ মার্চ, ২০২৫
এপ্রিলের জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ

দেশের রিজার্ভ ২৫ বিলিয়ন ডলার

ঈদুল ফিতর উৎসব উদযাপনকে কেন্দ্র করে পরিবার-পরিজনের কাছ থেকে শত-হাজার মাইল দূরে থাকলেও তাদের জন্য কষ্টার্জিত অর্থ পাঠাচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। ফলে চলতি মার্চে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ বাড়ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সবশেষ ২৭ মার্চ পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রোস রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার। তবে ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ এখনো ১৫ বিলিয়নের ঘরে রয়েছে। এর আগে গত ৯ মার্চ আকুর বিল পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ২৫ বিলিয়ন ডলার নেমে এসেছে। বিপিএম-৬ ১৯ দশ‌মিক ৭০ বিলিয়ন ডলার হয়। এরপর রমজান মাসে রেমিট্যান্সের উচ্চ প্রবৃদ্ধি ও রপ্তানি আয় ইতিবাচক থাকায় রিজার্ভ বাড়ছে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়। তবে এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, তা হ‌লো ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ। এ তথ্য আনুষ্ঠানিক প্রকাশ ক‌রে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেখানে আইএমএফের এসডিআর খাতে থাকা ডলার, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাবে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা এবং আকুর বিল বাদ দিয়ে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ এর হিসাব করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সেই হিসাবে দেশের ব্যয়যোগ্য প্রকৃত রিজার্ভ এখন ১৫ বিলিয়ন ডলারে আছে। প্রতি মাসে ৫ বিলিয়ন ডলার হিসেবে এ রিজার্ভ দিয়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ১৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামে। সে সময় বৈদেশিক ঋণ ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কেনার মাধ্যমে রিজার্ভ বাড়ানো হয়। আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন গভর্নর এসে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ রেখেছে। আবার বিভিন্ন সোর্স থেকে ডলার জোগানের চেষ্টাও করছে। তবে আগের দায় পরিশোধ করতে গিয়ে রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারে কাছে ওঠানামা করছে এখন।
২৯ মার্চ, ২০২৫
দেশের রিজার্ভ ২৫ বিলিয়ন ডলার
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বাংলাদেশি যুবক নিহত, লাশ ফেরত চায় পরিবার
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বাংলাদেশি যুবক নিহত, লাশ ফেরত চায় পরিবার
মসজিদের সাইনবোর্ডে ‘জয় বাংলা’ কাণ্ডে আটক ১
মসজিদের সাইনবোর্ডে ‘জয় বাংলা’ কাণ্ডে আটক ১
‘একটা গোষ্ঠী নির্বিঘ্নে চাঁদাবাজি-দখলদারির জন্য দ্রুত নির্বাচন চাচ্ছে’
‘একটা গোষ্ঠী নির্বিঘ্নে চাঁদাবাজি-দখলদারির জন্য দ্রুত নির্বাচন চাচ্ছে’
ফেসবুক পোস্টে কমেন্টস নিয়ে ছাত্রদল-স্বেচ্ছাসেবক দলের সংঘর্ষ 
ফেসবুক পোস্টে কমেন্টস নিয়ে ছাত্রদল-স্বেচ্ছাসেবক দলের সংঘর্ষ 
আগে মেসে থাকতেন, এখন কোটি টাকার গাড়িতে চড়েন : বুলু
আগে মেসে থাকতেন, এখন কোটি টাকার গাড়িতে চড়েন : বুলু
প্রয়োজন হলে অন্য দলের সঙ্গে জোট হতেও পারে : আখতার
প্রয়োজন হলে অন্য দলের সঙ্গে জোট হতেও পারে : আখতার
চট্টগ্রামে আ.লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগের ২৯ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে আ.লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগের ২৯ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
জানাজায় ব্যানার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ
জানাজায় ব্যানার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
.

বাণিজ্যের বিশ্বযুদ্ধ শুরু করলেন ট্রাম্প

হুট হাট করে সিদ্ধান্ত নেওয়া আর বেফাঁস মন্তব্যের কারণে নিজের প্রথম মেয়াদেও সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই বাঁধিয়ে দিয়েছেন যুদ্ধ। আর সেই যুদ্ধে টেনে এনেছেন পুরো বিশ্বকে। ট্রাম্প শুরু করলেন বাণিজ্যের বিশ্বযুদ্ধ।  অথচ ক্ষমতায় যাবার আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি সব যুদ্ধ বন্ধ করে দেবেন। শান্তি আনবেন পুরো বিশ্বে। কিন্তু হোয়াইট হাউজের মসনদে বসার কয়েক মাসের মধ্যেই সব উলট-পালট করে দিলেন তিনি। প্রচলিত কোনো নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করেন না ট্রাম্প। নীল ছবির তারকার সঙ্গে সম্পর্ক থেকে শুরু করে ব্যবসায়িক তথ্য নিয়ে গোপনীয়তা, সব জায়গাতেই ট্রাম্পের বিচরণ রয়েছে অবারিত। এমনকি ব্যবসায়িক নথিপত্রে তথ্য গোপনের মামলায় দোষীও সাব্যস্ত হয়েছিলেন ট্রাম্প। তাই নির্বাচনে দাঁড়াতে পারবেন কিনা তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল শঙ্কা। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে দাঁড়িয়ে জিতেও নিয়েছেন মার্কিনিদের মন। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসেই মার্কিন প্রচলিত রীতির বাইরে হুটহাট বড়বড় সিদ্ধান্ত নিতে থাকেন ট্রাম্প। ইউক্রেন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া, গাজা দখলের পরিকল্পনা প্রণয়ন, ইরানে সরাসরি হামলার পরিকল্পনা এবং সর্বশেষ বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ। ট্রাম্পের এসব নীতিতে এখন নড়বড়ে বিশ্বব্যবস্থা।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে এই নতুন শুল্কের প্রভাব হবে বিশাল। ১৯৩০ সালে অভ্যন্তরীণ ব্যবসা সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্র আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করে। যা সুরক্ষাবাদ হিসেবে পরিচিত। এরপর প্রায় ১০০ বছরেও যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক এত উচ্চ দেখা যায়নি। ফলে এটা বিশ্ববাণিজ্যে শত বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে।  স্থানীয় সময় বুধবার (২ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন শুল্ক কাঠামোর ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার অংশ হিসেবে বর্ণনা করেন। নতুন শুল্ক কাঠামো অনুযায়ী, প্রায় অধিকাংশ দেশের ওপর ১০ শতাংশ থেকে শুরু করে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বাড়ানো হয়েছে, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশগুলোকেও বাদ দেওয়া হয়নি। নতুন শুল্ক তালিকায় যেসব দেশকে লক্ষ্য করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে ভারত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভিয়েতনাম এবং চীন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, ভারতকে ২৭ শতাংশ, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ২০ শতাংশ এবং ভিয়েতনামকে ৪৬ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। চীনের পণ্য আমদানির ওপর ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, আমরা আমাদের শিল্পকে রক্ষা করছি, এটা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পুনর্জন্মের দিন। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই শুল্ক বৃদ্ধির ফলে ট্রাম্প বাণিজ্যের বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছেন যা হয়ত কারো জন্যই ভালো হবে না।   
‘ইসলাম অত্যন্ত আধুনিক ও উদার ধর্ম’ লোকসভায় কংগ্রেস নেতা
‘ইসলাম অত্যন্ত আধুনিক ও উদার ধর্ম’ লোকসভায় কংগ্রেস নেতা
শুল্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা হুমকি চীনের
শুল্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা হুমকি চীনের
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য, কড়া বার্তা দিল রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য, কড়া বার্তা দিল রাশিয়া
অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিয়ে আশার আলো দেখছে পাকিস্তান
অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিয়ে আশার আলো দেখছে পাকিস্তান
শুল্ক আরোপের ঘোষণায় বাংলাদেশের নাম উচ্চারণ করে যা বললেন ট্রাম্প
শুল্ক আরোপের ঘোষণায় বাংলাদেশের নাম উচ্চারণ করে যা বললেন ট্রাম্প
সামরিক শক্তিতে বাংলাদেশের পেছনে, তবুও পাচ্ছে মার্কিন যুদ্ধবিমান
সামরিক শক্তিতে বাংলাদেশের পেছনে, তবুও পাচ্ছে মার্কিন যুদ্ধবিমান
মস্কোতে ‘মাস্তুল’
মস্কোতে ‘মাস্তুল’
পরমদা দারুণ চুমু খায়:  কৌশানী
পরমদা দারুণ চুমু খায়:  কৌশানী
আমাকে বেঁধে রাখলেও আমি আসব : নিশো
আমাকে বেঁধে রাখলেও আমি আসব : নিশো
ঈদের ছবি নিয়ে তারকাদের দৌড়ঝাঁপ
ঈদের ছবি নিয়ে তারকাদের দৌড়ঝাঁপ
কাল বিটিভিতে রশীদ সাগরের উপস্থাপনায় ‘প্রিয় শিল্পীর প্রিয় গান’
কাল বিটিভিতে রশীদ সাগরের উপস্থাপনায় ‘প্রিয় শিল্পীর প্রিয় গান’
সিনেপ্লেক্স থেকে নামিয়ে দেওয়া হলো শাকিবের সিনেমা
সিনেপ্লেক্স থেকে নামিয়ে দেওয়া হলো শাকিবের সিনেমা
বাংলাদেশে আসছে পাকিস্তানি ব্যান্ড, টিকিট বিক্রি শুরু
বাংলাদেশে আসছে পাকিস্তানি ব্যান্ড, টিকিট বিক্রি শুরু
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
এসিসির নতুন চেয়ারম্যান হলেন মহসিন নকভি
এসিসির নতুন চেয়ারম্যান হলেন মহসিন নকভি
ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি
ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি
লিগের বাধা গুড়িয়ে আদালতে বার্সার বড় জয়
লিগের বাধা গুড়িয়ে আদালতে বার্সার বড় জয়
ট্রেবল জয়ের অভিযানের মাঝপথে যখন বার্সেলোনার স্বপ্নে ধাক্কা লাগার আশঙ্কা ছিল, তখনই আদালতের রায়ে মিলল স্বস্তির নিশ্বাস। আদালতের জয়গানে বার্সেলোনা শিবিরে ফিরে এলো উচ্ছ্বাস, কারণ দানি ওলমো ও পাউ ভিক্টরের নিবন্ধন বহাল রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছে স্পেনের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় (সিএসডি)। লা লিগার আপত্তি উপেক্ষা করে মৌসুমের শেষ পর্যন্ত খেলতে পারবেন দুই তারকা। বার্সেলোনা ফুটবল ক্লাবের জন্য বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে স্পেনের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় (সিএসডি)। বৃহস্পতিবার তাদের দেওয়া রায়ে জানানো হয়েছে, দানি ওলমো ও পাউ ভিক্টরকে মৌসুমের শেষ পর্যন্ত খেলানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। জানুয়ারিতে সাময়িক নিবন্ধন পেয়ে খেলা শুরু করেছিলেন এই দুই খেলোয়াড়। লা লিগা ও স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ) বার্সেলোনার আর্থিক নিয়ম লঙ্ঘন এবং সময়সীমা অতিক্রমের অজুহাতে নিবন্ধন বাতিল করেছিল। তবে সিএসডি তাদের রায়ে জানিয়েছে, খেলোয়াড়দের কাজের অধিকার রয়েছে এবং লা লিগা ও আরএফইএফের যৌথ কমিটির সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। বার্সেলোনা সভাপতি হুয়ান লাপোর্তা রায়ের পর বলেন, ‘ওলমো ও ভিক্টরের নিবন্ধন সঠিকভাবেই করা হয়েছে। আমরা লা লিগা ও ফেডারেশনের সকল নিয়ম মেনে নিবন্ধন করেছি।’ রায়ের পর লা লিগা একটি বিবৃতিতে জানায় যে তারা সিএসডির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবে। তারা অভিযোগ করেছে যে বার্সেলোনা ডিসেম্বরের শেষ সময়সীমার মধ্যে আর্থিক নিয়মাবলী মেনে চলার প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বার্সেলোনা জানুয়ারিতে ভিআইপি আসন বিক্রির মাধ্যমে ১০০ মিলিয়ন ইউরো সংগ্রহ করেছিল, যা আর্থিক নিয়মাবলী পূরণের জন্য যথেষ্ট বলে দাবি করেছিল ক্লাবটি। তবে লা লিগা ও আরএফইএফ যৌথ কমিশন জানায়, নিবন্ধন বাড়ানোর সময়সীমা পেরিয়ে গেছে। গত গ্রীষ্মে আরবি লাইপজিগ থেকে প্রায় ৬০ মিলিয়ন ইউরোতে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া ওলমো সম্প্রতি অ্যাডাক্টর চোটে ভুগছেন। মৌসুমের দ্বিতীয়ার্ধে তিনি ১৩টি ম্যাচে অংশ নিয়েছেন, যার মধ্যে লা লিগার সাতটি ম্যাচে দুই গোল ও চারটি অ্যাসিস্ট করেছেন। অন্যদিকে, তরুণ স্ট্রাইকার পাও ভিক্টর বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাত্র পাঁচবার মাঠে নেমেছেন। বার্সেলোনার এই জয় ক্লাবের জন্য বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে। তবে লা লিগার আপিল প্রক্রিয়ার কারণে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি নিষ্পত্তি হয়নি।  
নারী বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের আম্পায়ারিংয়ে থাকছেন জেসি-মুকুল
নারী বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের আম্পায়ারিংয়ে থাকছেন জেসি-মুকুল
চ্যাম্পিয়ন্স কাপে হারের মুখ দেখল মেসির মায়ামি
চ্যাম্পিয়ন্স কাপে হারের মুখ দেখল মেসির মায়ামি
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X