শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কৌশলগত অংশীদারত্ব-বাণিজ্য সম্প্রসারণে সম্মত বাংলাদেশ-তুরস্ক

কৌশলগত অংশীদারত্ব-বাণিজ্য সম্প্রসারণে সম্মত বাংলাদেশ-তুরস্ক

দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা যাচাইয়ে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও তুরস্ক। শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের
শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সে ফের আগুন
শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সে ফের আগুন
বিএনপি আবারও আওয়ামী লীগের ফাঁদে পড়েছে : নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী
বিএনপি আবারও আওয়ামী লীগের ফাঁদে পড়েছে : নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী
পুলিশের উপস্থিতিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল
পুলিশের উপস্থিতিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল
আল্লাহর রহমতে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছি: নৌ প্রতিমন্ত্রী
আল্লাহর রহমতে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছি: নৌ প্রতিমন্ত্রী
রাত ১টার মধ্যে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে
রাত ১টার মধ্যে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে
সীমান্তবর্তী এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার
সীমান্তবর্তী এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার
  • উপজেলা স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পথে সরকার

    উন্নয়নের প্রকৃত অর্থ তখনই প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন তার সুফল মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রতিফলিত হয়। আর সেই সুফলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোর একটি হলো স্বাস্থ্যসেবা। অর্থনীতি যতই সম্প্রসারিত হোক, অবকাঠামো যতই সমৃদ্ধ হোক, যদি সাধারণ মানুষ অসুস্থ হলে যথাযথ চিকিৎসা না পায়, হাসপাতালের বারান্দায় দুর্ভোগ পোহায় কিংবা একটি আইসিইউ বেডের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে, তাহলে সেই উন্নয়নের পূর্ণতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। বাংলাদেশের বাস্তবতাও দীর্ঘদিন ধরে অনেকটা এমনই ছিল। বিশেষ করে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা দেশের কোটি কোটি মানুষের জন্য এক নীরব দুর্ভোগে পরিণত হয়েছিল। এই বাস্তবতার মধ্যেই সরকারের সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য উদ্যোগ নতুন এক সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। দেশের ৪৯২টি উপজেলার ৫০ শয্যার

    সবুজ পরিবেশ, নিরাপদ কৃষি ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশই আমাদের প্রত্যাশা

    প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্বব্যাপী পরিবেশ দিবস পালিত হয়ে আসছে। ইতিহাস থেকে জানা যায়, জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি)-এর উদ্যোগে ১৯৭৩ সাল থেকে দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিই এ দিবসের মূল উদ্দেশ্য। এবার দিবসটি এমন এক সময়ে পালিত হচ্ছে, যখন পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বন উজাড়, পানিদূষণ, মাটির অবক্ষয় এবং জীববৈচিত্র্য হ্রাসের মতো বহুমাত্রিক সংকটের মুখোমুখি। বাংলাদেশের মতো কৃষিনির্ভর দেশের জন্য এসব সংকট শুধু পরিবেশগত নয়, বরং খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি উৎপাদন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। সত্যিকারার্থে পরিবেশ ও কৃষি একে অপরের পরিপূরক। বাংলাদেশের কৃষি সম্পূর্ণভাবে প্রকৃতি ও পরিবেশের

    জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নীল অর্থনীতি

    মাথাপিছু ভূমির স্বল্পতা এবং জ্বালানি সীমাবদ্ধতা—এ দুটি সংকট আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। অতিমাত্রার এ জনবহুল দেশে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং উন্নয়নের জন্য ভূমি ও জ্বালানি দুটিই অপরিহার্য ক্ষেত্র। আমাদের দেশীয় জ্বালানির প্রধান উৎস প্রাকৃতিক গ্যাস। দেশে এ পর্যন্ত ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয়েছে। যেখানে গ্যাস মজুত রয়েছে ৪০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে ২৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট উত্তোলনযোগ্য। মজুতের তুলনায় চাহিদা অনেক বেশি। ঢাকাসহ কিছু এলাকার আবাসিক চাহিদা, শিল্প-কারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, রাসায়নিক সার বিশেষ করে ইউরিয়া ও এমোনিয়াম সালফেট উৎপাদনের জন্য আমরা এরই মধ্যে ২০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করে ফেলেছি। শিল্পায়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও রাসায়নিক সার উৎপাদনের জন্য প্রতি বছর আমাদের গ্যাসের
  • ভূরাজনীতির চক্করে বাংলাদেশ

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র দৃশ্যত গণতান্ত্রিক বিশ্বকে পৃষ্ঠপোষকতা দিত বলে ধারণা করা হয় এবং রাশিয়া ও চীন সমাজতান্ত্রিক বিশ্বের পক্ষে অবস্থান নিত। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন ১৯১৭ সালে যখন প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জড়ান, তখন তিনি কংগ্রেসে দেওয়া ভাষণে বলেছিলেন, ‘পৃথিবীকে গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ করে তুলতে হবে।’ তার এ আদর্শ অনুযায়ী, স্বৈরতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে বিশ্বের ছোট-বড় সব জাতিকে নিজেদের সরকার ব্যবস্থা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। তবে বাস্তব ক্ষেত্রে, আদর্শগতভাবে গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র সবসময় তাদের নিজেদের ভূরাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির এ দ্বিচারিতা ও ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হচ্ছে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রেসিডেন্ট

    সাম্রাজ্যের পতন নয়, রূপান্তর

    ইরানকে পরাজিত করতে না পারা এবং হরমুজ প্রণালি ফের খুলতে বাধ্য করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধকে কেউ কেউ ‘হতাশার কৌশল’, ‘ঐতিহাসিক ভুল’ এবং ‘কৌশলগত পরাজয়’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। সম্প্রতি ওয়াশিংটন পোস্টের একটি বিশ্লেষণে স্যাটেলাইট চিত্রের ভিত্তিতে বলা হয়েছে, এ সংঘাতে অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোর যে ক্ষতি হয়েছে, তা মার্কিন সরকার প্রকাশ্যে যতটা স্বীকার করেছে বা আগে যতটা জানা গিয়েছিল, তার চেয়ে অনেক বেশি। এ যুদ্ধ গোটা বিশ্বের সামনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতাও তুলে ধরেছে। রক্ষণশীল চিন্তাবিদ রবার্ট কাগান পর্যন্ত একে ইরানের হাতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘চেকমেট’ বলে উল্লেখ করেছেন। আবার কেউ কেউ এটিকে ‘আমেরিকার সুয়েজ মুহূর্ত’ বলেও অভিহিত করছেন। তবে

    অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ

    জাতীয় বাজেট কোনো সরকারের আয়-ব্যয়ের হিসাবমাত্র নয়। এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক দর্শন, উন্নয়ন কৌশল এবং জনগণের প্রতি রাষ্ট্রের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে সরকার ‘অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ’-এর বাজেট হিসেবে তুলে ধরেছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ভাষায়, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুফল সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করা এবং অর্থনীতির মূলধারার বাইরে থাকা মানুষদের অন্তর্ভুক্ত করাই এ বাজেটের মূল লক্ষ্য। এ দৃষ্টিভঙ্গি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। তবে সাধারণ মানুষের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, এ বাজেট কি তাদের জীবনে স্বস্তি এনে দিতে পারবে? বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান বাস্তবতায় জনগণের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ দ্রব্যমূল্য। গত কয়েক বছরে খাদ্যপণ্য, জ্বালানি, পরিবহন, বাসা ভাড়া
  • বাজেট : সংখ্যা নয়, বদলাতে হবে অর্থনৈতিক চিন্তার কাঠামো

    বাজেট ২০২৬-২৭ আসছে এমন এক মুহূর্তে, যখন বাংলাদেশের অর্থনীতি তিনটি পরস্পর-সংযুক্ত কাঠামোগত সংকটে আটকা— দুর্বল রাজস্ব, সুদনির্ভর ঋণের বোঝা এবং ব্যাংকিং খাতে খেলাপির মহামারি। এই তিনটি আলাদা সমস্যা নয়; একটি অন্যটিকে খাইয়ে বাঁচিয়ে রাখে। রাজস্ব না বাড়লে ঋণ বাড়ে, সুদ বাড়লে উন্নয়নব্যয় কমে, আর দুর্নীতি থাকলে কোনো উন্নয়ন গল্পই ধোপে টেকে না। প্রচলিত পথে এই চক্র ভাঙা যায়নি, যাবেও না। এই লেখায় আমরা ইসলামি অর্থনীতির আলোকে একটি বিকল্প রোডম্যাপ প্রস্তাব করব— তবে শুধু আদর্শ হিসেবে নয়, প্রয়োগযোগ্য নীতি হিসেবে। আগে কাঠামো, তারপর সংখ্যা : প্রাধান্যের ফিকহ তিন সংকটে ঢোকার আগে একটি কথা স্পষ্ট করা দরকার, কারণ এখানেই প্রচলিত ও ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গির মৌলিক পার্থক্য।

    ঐতিহাসিক বাঁকবদলের এক যোদ্ধা

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মানুষ কেবল নেতা নন, তারা একটি সময়ের প্রতীক। তাদের জীবন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে একটি জাতির স্বপ্ন, সংকট, অর্জন ও অগ্রযাত্রার প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে। তোফায়েল আহমেদ ছিলেন তেমনই একজন রাজনীতিক। উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অগ্নিঝরা দিন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম—প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে তার উপস্থিতি ছিল দৃশ্যমান। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতির একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়ের অবসান ঘটেছে, কিন্তু তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ইতিহাসের পাতায় দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবে। তোফায়েল আহমেদের রাজনৈতিক উত্থান এমন এক সময়ে, যখন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে ক্রমশ প্রতিবাদী হয়ে উঠছিল। ষাটের দশকের
    ইলিয়াস হোসেন
    ইলিয়াস হোসেনহেড অব নিউজ, আরটিভি

    বুদ্ধিজীবী পরিচয়ে বাড়ছে ঘৃণাজীবী

    তারুণ্যের গতি নিয়ে অনেকক্ষণ ধরে বক্তৃতা করলেন এক অশীতিপর জ্যোতির্ময় বৃদ্ধ। বিখ্যাত নির্মাতা ও কবি হিসেবে খ্যাতি তার। দর্শক-শ্রোতার বেশিরভাগই ছিল নিম্নআয়ের মানুষ। দিন আনে দিন খায়। সুযোগ পেলে দিন বদলের গল্প শোনে আর লটারি কিনে বাড়ি ফেরে। বক্তা শেষের দিকে বললেন, ‘তার সব কাজই মেহনতি মানুষ ঘিরে। সাধারণ মানুষের জন্য সারা জীবন কাজ করেছেন তিনি’। এ কথা শুনে দর্শক সারির একজন আরেকজনের কাছে জানতে চাইলেন, উনি কি করেন? দ্বিতীয়জন উত্তরে বললেন, উনি লেখালেখি করেন। সিনেমা-নাটকও বানান। বুদ্ধিজীবী মানুষ। এটা শুনে প্রথমজন হতাশ হলেন। লেখালেখি ও সিনেমা-নাটক বানানো আবার কাজ হয় কীভাবে? শখের জিনিসকে কাজ বলে চালিয়ে দিচ্ছেন! সাধারণ মানুষ কাজ
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সে ফের আগুন

উপজেলা স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পথে সরকার

বিএনপি আবারও আওয়ামী লীগের ফাঁদে পড়েছে : নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী

পুলিশের উপস্থিতিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল

রাত ১টার মধ্যে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে

আল্লাহর রহমতে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছি: নৌ প্রতিমন্ত্রী

কৌশলগত অংশীদারত্ব-বাণিজ্য সম্প্রসারণে সম্মত বাংলাদেশ-তুরস্ক

দুধে মজাদার স্বাদ: ঘরোয়া ও ঐতিহ্যবাহী কিছু জনপ্রিয় খাবার

বিশ্বকাপের আগে বর্ষসেরার পুরস্কার জিতলেন ইয়ামাল

নির্বাচনের পরও ভারত দ্বিচারী ভূমিকা অব্যাহত রেখেছে: সাইফুল হক

১০

জেলেনস্কির বৈঠকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন পুতিন

১১

সান মারিনো ম্যাচের একাদশে নেই শমিত

১২

ইউএনওর অভিযানে হামলার ঘটনায় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

১৩

অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : জয়সওয়াল

১৪

ভারতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার ক্লার্ক

১৫

আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুখবর, দলে যোগ দিলেন মেসি

১৬

দুই হাজারের বেশি বন্দিকে ক্ষমা করলেন মোজতবা খামেনি

১৭

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ‘গোপন অস্ত্র’ হতে পারেন থিয়াগো

১৮

আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল মিলেমিশে একাকার

১৯

ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে ভূখণ্ড ব্যবহারের অভিযোগ, জবাব দিল আজারবাইজান

২০
মধ্য ও নিম্নবিত্তের খরচের চাপ আরও বাড়বে
উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে এমনিতেই চিড়েচ্যাপ্টা দশা সাধারণ মানুষের। নিত্যপণ্যের বাজার থেকে শুরু করে জীবনযাত্রার প্রায় প্রতিটি ধাপে খরচ শুধু বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক অস্থিরতা-অনিশ্চয়তার প্রভাবে দেশে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম।
সামাজিক সুরক্ষায় নতুন তিন কর্মসূচি, বরাদ্দ ১৪.৫১ হাজার কোটি টাকা
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডসহ কিছু নতুন কর্মসূচি যোগ হওয়ায় বাজেটে সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ছে ৯ শতাংশের বেশি। এ খাতে মোট বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ১ লাখ
মাদক মামলার বিচারে তৎপর হচ্ছে সরকার
দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বেকারত্বের কারণে মাদকসেবীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। এটা নিয়ন্ত্রণ করতে হলে মাদক মামলার দ্রুত বিচার করে শাস্তি দৃশ্যমান করতে হবে। এ ধরনের মামলার দ্রুত বিচার করতে হবে।
কারাগারে বসে জীবনকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেছেন আইভী
দীর্ঘ ১৩ মাসের কারাজীবনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুক্ত বাতাসে ফিরেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। তবে কারামুক্তির পর প্রথম দিনেই রাজনীতির ময়দানে সক্রিয় হওয়ার কোনো তাড়াহুড়া
শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সে ফের আগুন
শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সে ফের আগুন
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সে ফের আগুন লেগেছে। শুক্রবার (৫ জুন) রাত ১১ ২৪ মিনিটে কার্গো ভিলেজের ৯ নম্বর গেটের ভেতরে আগুন লাগে। তবে ১৫ মিনিটের মধ্যেই তা নিয়ন্ত্রণে নেয় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা রাশেদ বিন খালিদ বলেন, রাত ১১টা ২৪ মিনিটে কার্গো ভিলেজের ৯ নম্বর গেটে আগুনের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। ঘটনাস্থলে দুটি ইউনিট গিয়ে রাত ১১ টা ৩৮ মিনিটে নিয়ন্ত্রণে নেয়। এখন তা পুরোপুরি নেভানোর কাজ চলছে বলে জানান তিনি। বিমানবন্দর থানারর ওসি কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, ৯ নম্বর গেটের ভেতরে আগুন লেগেছে। ওই গেট দিয়ে কুরিয়ার সার্ভিসের আমদানি-রপ্তানি পন্য আনা-নেওয়া করা হয়। তবে ঠিক কোথায় লেগেছে, তা তাৎক্ষণিক নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ ছাড়াও বিমানবন্দরে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে গত বছরের ১৮ অক্টোবর দুপুর আড়াইটার দিকে শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ কমপ্লেক্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। 
১৭ মিনিট আগে

চলতি মাসেই দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেন দীনেশ ত্রিবেদী

৩ ঘণ্টা আগে

সীমান্তবর্তী এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার

৩ ঘণ্টা আগে

দৌলতদিয়ার বাস ডুবির ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন : নৌ প্রতিমন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে

বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর

৪ ঘণ্টা আগে

বিয়ে করলেন দীপ্তি চৌধুরী, পাত্র কে?

৬ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনের পরও ভারত দ্বিচারী ভূমিকা অব্যাহত রেখেছে: সাইফুল হক
নির্বাচনের পরও ভারত দ্বিচারী ভূমিকা অব্যাহত রেখেছে: সাইফুল হক
নির্বাচনের পরও বাংলাদেশকে নিয়ে ভারত দ্বিচারী ভূমিকা অব্যাহত রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর একদিকে ভারত বন্ধুত্বের কথা বলছে, অন্যদিকে সাম্প্রদায়িক উসকানিসহ বাংলাদেশবিরোধী নানা অপতৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ঢাকা মহানগর কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সাইফুল হক বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টির কর্মকাণ্ড নতুন মাত্রা পেয়েছে। দলীয় রাজনৈতিক এজেন্ডার কারণে ভারত তার নিজ দেশের মানুষকেই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে আখ্যায়িত করে তাদের ভোটাধিকার ও নাগরিক অধিকার হরণ করেছে। এখন তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাইলে ভারতকে অবিলম্বে সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশবিদ্বেষী সব তৎপরতা পরিহার করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ভারতে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক অবৈধভাবে অবস্থান করলে তাদের ফেরত পাঠানোর আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। একইভাবে বাংলাদেশে অবস্থানরত অবৈধ ভারতীয় নাগরিকদের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সমতা, ন্যায্যতা ও পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সমস্যার টেকসই সমাধানে রাজনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের বাড়তি দাম প্রত্যাহারের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে সাইফুল হক বলেন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে চুরি, দুর্নীতি, অপচয় ও অব্যবস্থাপনা কমিয়ে আনা গেলে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রয়োজন হবে না। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সংঘটিত এসব দুর্নীতির দায় সাধারণ মানুষ কেন বহন করবে; এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি। ঢাকা মহানগর বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাকের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান এবং মহানগর কমিটির সদস্য জামাল সিকদার, বাবর চৌধুরী, মীর রেজাউল আলম, মোজাম্মেল হক চুন্নু, আরিফুল ইসলাম, মোহাম্মদ স্বাধীন, কাঞ্চন মিয়া, ফয়েজ ইবনে জাফর, মোহাম্মদ ইয়াসিন, ড্যানিয়েল ডি কোস্টা, নার্গিস আক্তার লিমা, নূরবানু আক্তার, মরিয়ম আক্তার, শামসুল আরেফিন ও শিবু মোহান্ত প্রমুখ। সভায় আগামী ১৪ জুন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা মহানগর কমিটির কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
রাজনীতি ও গণতন্ত্রকে ধ্বংসে সুপরিকল্পিত চক্রান্ত চলছে : মির্জা ফখরুল
রাজনীতি ও গণতন্ত্রকে ধ্বংসে সুপরিকল্পিত চক্রান্ত চলছে : মির্জা ফখরুল
বিদ্যুৎ, গ্যাস ও তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে ভাসানী জনশক্তি পার্টির বিবৃতি
বিদ্যুৎ, গ্যাস ও তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে ভাসানী জনশক্তি পার্টির বিবৃতি
দেশের সংখ্যালঘুরা বিএনপির আমলেই সবচেয়ে নিরাপদে বসবাস করে : হুইপ দুলু
দেশের সংখ্যালঘুরা বিএনপির আমলেই সবচেয়ে নিরাপদে বসবাস করে : হুইপ দুলু
জমিয়ত সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক কাসেমি
জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক বিজয় নিয়ে জমিয়ত সভাপতির প্রতিক্রিয়া
টকশোতে যুক্তিতর্কে না পারলে বলে রাশেদ খাঁন ‘নব্য বিএনপি’
টকশোতে যুক্তিতর্কে না পারলে বলে রাশেদ খাঁন ‘নব্য বিএনপি’
ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী
কারাজীবনে ‘গাদিরে খুম’ ঘিরে আইভীর বিশেষ প্রার্থনা, কী এটি

শুক্রবার কমলো স্বর্ণের দাম, বিশ্ববাজারে আশঙ্কার কারণ কী

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম শুক্রবার কমেছে এবং টানা দরপতনের কারণে সপ্তাহজুড়েও ক্ষতির মুখে রয়েছে মূল্যবান ধাতুটি। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তা এবং সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। খবর রয়টার্সের।  শুক্রবার স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৪৪২.৯৪ ডলারে নেমে আসে। চলতি সপ্তাহে স্বর্ণের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমে ৪,৪৬৯.১০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হিজবুল্লাহর যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান এবং ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহারে অনীহা মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত নিরসনের সম্ভাবনাকে দুর্বল করেছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলা বৃহত্তর শান্তি প্রচেষ্টাও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি এখনো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রার ওপরে থাকায় বাজারে সুদের হার আরও বাড়তে পারে, এমন আশঙ্কা জোরালো হয়েছে। দেশটির কয়েকজন নীতিনির্ধারকও প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে সুদের হার বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিয়েছেন। সাধারণত স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হলেও উচ্চ সুদের পরিবেশে এর আকর্ষণ কমে যায়, কারণ স্বর্ণ থেকে কোনো সুদ বা আয় পাওয়া যায় না। ফলে বিনিয়োগকারীরা সুদবাহী সম্পদের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেন। বাজার এখন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী নীতিগত সিদ্ধান্তের দিকে নজর রাখছে। এসব তথ্য ভবিষ্যতে স্বর্ণের দামের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সাত বছরের পুরোনো বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানি চূড়ান্ত হচ্ছে

সমালোচনার মুখে ১০ বছরের পরিবর্তে সাত বছরের পুরোনো বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানি করার প্রস্তাব উঠছে। আজ বৃহস্পতিবার এ প্রস্তাব কেবিনেটে উঠছে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরোনো বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানি করলে দূষিত ব্যাটারির ডাম্পিং স্টেশন হবে বাংলাদেশ। এ ছাড়া বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানও গড়ে উঠবে না দেশে। সূত্র জানায়, ২০২৬-২৯-এর জন্য নতুন আমদানি নীতি আদেশে সাত বছরের পুরোনো বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। অথচ বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারির আয়ু সাধারণত আট বছরের বেশি হয় না। এক্ষেত্রে এক-দুই বছরের মধ্যেই এসব ব্যাটারির কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যাবে। এতে গাড়ির এসব পুরোনো ব্যাটারির ডাম্পিং স্টেশন হবে বাংলাদেশ। একদিকে শিল্প বাধাগ্রস্ত হবে, অন্যদিকে পুরোনো এ ইলেকট্রিক বর্জ্য নিয়ে বিপাকে পড়বে বাংলাদেশ। প্রশ্ন উঠেছে, কার স্বার্থে এ সুযোগ রাখছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়? বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউর রহমান খান কালবেলাকে বলেন, পুরোনো বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির সুযোগ দিলে ডিজাস্টার হবে। কারণ এর ব্যাটারি আট বছরের বেশি টেকে না। ফলে পুরোনো গাড়ির ব্যাটারির ডাম্পিং স্টেশন হিসেবে ব্যবহৃত হবে বাংলাদেশ। এরই মধ্যে বাংলাদেশের মীরসরাই ইকোনমিক জোনে বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদন কারখানা স্থাপন করা হয়েছে। আরও নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে। বিওয়াইডি বাংলাদেশের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ইমতিয়াজ নওশের গণমাধ্যমকে বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত নীতিমালা কার্যকর হলে বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম কমার পাশাপাশি এ খাতের নতুন নতুন মডেলের গাড়ি আমদানিতে উৎসাহিত হবেন গাড়ি ব্যবসায়ীরা। তবে সাত বছরের পুরোনো বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির সুযোগ দেওয়া হলে দেশে এ ধরনের শিল্পের বিকাশ ব্যাহত হবে। এতে বিদেশি বিনিয়োগও বাধাগ্রস্ত হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ সালে দেশে সম্পূর্ণ তৈরি বৈদ্যুতিক গাড়ি (সিবিউ) এসেছিল ৭৭টি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭৮টিতে। আর চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে এসেছে ৩০টি বৈদ্যুতিক গাড়ি। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) তথ্যমতে, ২০২৪ সালে বিশ্বজুড়ে বৈদ্যুতিক গাড়ির বিক্রি ১ কোটি ৭০ লাখ ছাড়িয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশের বেশি।

যুদ্ধবিরতির আশায় কমলো জ্বালানি তেলের দাম

ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে যুদ্ধবিরতি জোরদারের খবর প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা কমেছে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। বুধবারের লেনদেনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬৭ সেন্ট কমে ৯৭ দশমিক ১৪ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম কমে দাঁড়ায় ৯৫ দশমিক ৪০ ডলার। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে ঝুঁকি কমবে— এমন আশাবাদ থেকেই তেলের দাম কিছুটা নেমেছে। এদিকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জ্বালানি আমদানিকারক দেশ চীন আগের তুলনায় কম অপরিশোধিত তেল আমদানি করায় আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ সংকটের চাপ কিছুটা কমেছে। ফলে ইরান যুদ্ধ ঘিরে উদ্বেগ থাকলেও তেলের দাম আরও বেশি বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমেছে।  
০৪ জুন, ২০২৬
যুদ্ধবিরতির আশায় কমলো জ্বালানি তেলের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম বেড়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অপরিশোধিত তেলের মূল্য হ্রাস এবং মার্কিন ডলারের দুর্বলতার কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকেছেন। ফলে নতুন করে স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বাজার তথ্য অনুযায়ী, স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪,৪৬৮.৮৪ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারের দাম শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,৪৯৫.৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। ডলারের মূল্য কমে যাওয়ায় অন্যান্য মুদ্রাধারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা তুলনামূলকভাবে সস্তা হয়েছে, যা বাজারে চাহিদা বাড়াতে সহায়তা করেছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে চলমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে নতুন করে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা সেই পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন, যা বৈশ্বিক আর্থিক বাজারের পাশাপাশি স্বর্ণের দামের ওপরও প্রভাব ফেলছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডলারের গতিপ্রকৃতি, জ্বালানি তেলের মূল্য এবং মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আগামী দিনগুলোতে স্বর্ণবাজারের দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
০৪ জুন, ২০২৬
আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

চেয়ারম্যানসহ বিএসইসির চার কমিশনারের পদত্যাগ

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও সংস্থাটির চার কমিশনার পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তারা। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তারা পদত্যাগ করেছেন বলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। বিএসইসির যে চার কমিশনার পদত্যাগ করেছেন তারা হলেন—মো. মহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ ও মো. সাইফউদ্দিন। জানা গেছে, আজই নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হবে, সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। চেয়ারম্যান পদে একটি বহুজাতিক কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তার নাম আলোচনায় আছে। এ ছাড়া কমিশনার হিসেবে একজন সনদপ্রাপ্ত হিসাববিদ, আইনজীবী, ব্রোকারেজ হাউসের প্রতিনিধি থাকতে পারেন। পদত্যাগের পর রাশেদ মাকসুদ যা বললেন, পদত্যাগের বিষয়ে খন্দকার রাশেদ মাকসুদের একটি বার্তা প্রেস বিজ্ঞপ্তি হিসেবে বিএসইসির পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে। সেখানে তিনি পদত্যাগের কারণ ও চেয়ারম্যান হিসেবে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছেন, সেসব বিষয় তুলে ধরেছেন। রাশেদ মাকসুদ বলেন, ২১ মাস আগে অস্থির সময়ে নেতৃত্ব গ্রহণ করেছিলেন তিনি। তবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই আইনি কাঠামো ও বাজার শৃঙ্খলা সংস্কারে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এই অল্প সময়ের মধ্যেই বিএসইসি পাঁচটি বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করে। পাশাপাশি সম্প্রতি করপোরেট গভর্ন্যান্স, নিরীক্ষা ও করপোরেট পুনর্গঠন-সংক্রান্ত তিনটি খসড়া বিধিমালা/নির্দেশিকা জনমতের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন ও ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড—এই দুটি আইনের খসড়াও প্রস্তুত করেছে বিএসইসি। রাশেদ মাকসুদ আরও বলেন, বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বিধিবিধান প্রয়োগ ও বাস্তবায়নে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। সব ধরনের আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক হস্তক্ষেপের সুযোগ দূর করে বাজার, মধ্যস্থতাকারী ও ইস্যুকারীদের নিয়মের মধ্যে থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও নিয়মিত অংশীজনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে।
০৪ জুন, ২০২৬
চেয়ারম্যানসহ বিএসইসির চার কমিশনারের পদত্যাগ
বিএনপি আবারও আওয়ামী লীগের ফাঁদে পড়েছে : নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী
বিএনপি আবারও আওয়ামী লীগের ফাঁদে পড়েছে : নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী
পুলিশের উপস্থিতিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল
পুলিশের উপস্থিতিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল
আল্লাহর রহমতে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছি: নৌ প্রতিমন্ত্রী
আল্লাহর রহমতে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছি: নৌ প্রতিমন্ত্রী
ইউএনওর অভিযানে হামলার ঘটনায় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
ইউএনওর অভিযানে হামলার ঘটনায় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল মিলেমিশে একাকার
আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল মিলেমিশে একাকার
৬০০ ফুট পতাকা নিয়ে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের শোভাযাত্রা
৬০০ ফুট পতাকা নিয়ে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের শোভাযাত্রা
পদ্মায় বাস ডুবির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন
পদ্মায় বাস ডুবির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন
বজ্রপাতে বাবা-মেয়ের মৃত্যু
বজ্রপাতে বাবা-মেয়ের মৃত্যু
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
.

জেলেনস্কির বৈঠকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন পুতিন

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সরাসরি বৈঠকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এমন বৈঠকের কোনো প্রয়োজন দেখছি না।  শুক্রবার (৫ জুন) সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে পুতিন জেলেনস্কির সাম্প্রতিক খোলা চিঠির প্রতিক্রিয়ায় এ মন্তব্য করেন। চিঠিতে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে মুখোমুখি আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।  পুতিন বলেন, তিনি বহুবার যোগাযোগের জন্য প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন, তবে এখন এমন বৈঠকের বিশেষ কোনো অর্থ খুঁজে পাচ্ছেন না। তার মতে, প্রকাশ্যে চিঠি লেখার এই পদ্ধতি আলোচনাকে এগিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।  রুশ প্রেসিডেন্ট আরও ইঙ্গিত দেন, বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে কার্যকর সমঝোতা তৈরি না হওয়া পর্যন্ত শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ফলপ্রসূ হবে না। তিনি বলেন, টেকসই চুক্তির ভিত্তি আগে প্রস্তুত হওয়া প্রয়োজন।  এর আগে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক খোলা চিঠিতে জেলেনস্কি পুতিনকে সরাসরি আলোচনার আহ্বান জানান। তিনি যুদ্ধ বন্ধে একটি নির্দিষ্ট তারিখে বৈঠকের প্রস্তাব দেন এবং আলোচনা চলাকালে পূর্ণ যুদ্ধবিরতির কথাও উল্লেখ করেন।  চিঠিতে জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেন আমাদের দুজনের সরাসরি বৈঠকের মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান চায়। একইসঙ্গে তিনি যুদ্ধবন্দি বিনিময় ও বেসামরিক নাগরিকদের প্রত্যাবাসনের মতো বিষয়েও আলোচনা করার প্রস্তাব দেন।  তবে পুতিন তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, তিনি কেবল তখনই জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন, যখন একটি চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি প্রস্তুত হবে এবং সেটি স্বাক্ষরের পর্যায়ে পৌঁছাবে।  একই অনুষ্ঠানে পুতিন দাবি করেন, রুশ বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে অগ্রগতি ধরে রেখেছে এবং সামনের সারির প্রায় পুরো অংশজুড়েই তাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে।  উল্লেখ্য, রাশিয়া ২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর চার বছরের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে উভয় পক্ষই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুদ্ধ বন্ধে বিভিন্ন কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনো কোনো সমঝোতা হয়নি।  সূত্র : আল জাজিরা
অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : জয়সওয়াল
অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : জয়সওয়াল
দুই হাজারের বেশি বন্দিকে ক্ষমা করলেন মোজতবা খামেনি
দুই হাজারের বেশি বন্দিকে ক্ষমা করলেন মোজতবা খামেনি
ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে ভূখণ্ড ব্যবহারের অভিযোগ, জবাব দিল আজারবাইজান
ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে ভূখণ্ড ব্যবহারের অভিযোগ, জবাব দিল আজারবাইজান
‘ভাগ্য সংবিধানের হাতে ছেড়ে দিলাম’, ভারতে আসছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা
‘ভাগ্য সংবিধানের হাতে ছেড়ে দিলাম’, ভারতে আসছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা
ইসরায়েলি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে আল-আকসায় জুমার নামাজে মুসল্লিদের ঢল
ইসরায়েলি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে আল-আকসায় জুমার নামাজে মুসল্লিদের ঢল
সাহারা মরুভূমিতে ট্রাক বিকল, তৃষ্ণায় প্রাণ গেল ৪৯ যাত্রীর
সাহারা মরুভূমিতে ট্রাক বিকল, তৃষ্ণায় প্রাণ গেল ৪৯ যাত্রীর
মেয়ের বাবা হলেন শাকিব খান
মেয়ের বাবা হলেন শাকিব খান
হোমিওপ্যাথির পক্ষে পোস্ট করে তোপের মুখে আনুশকা শর্মা
হোমিওপ্যাথির পক্ষে পোস্ট করে তোপের মুখে আনুশকা শর্মা
‘রকস্টার’ উন্মাদনার মাঝেই ‘সোলজার’ নিয়ে শাকিবের নতুন চমক
‘রকস্টার’ উন্মাদনার মাঝেই ‘সোলজার’ নিয়ে শাকিবের নতুন চমক
বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় টেইলর সুইফট, সম্পদ ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার
বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় টেইলর সুইফট, সম্পদ ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার
পাপারাজ্জি দেখে ইব্রাহিমের লুকোচুরি, কথিত প্রেমিকাকে আড়ালের চেষ্টা
পাপারাজ্জি দেখে ইব্রাহিমের লুকোচুরি, কথিত প্রেমিকাকে আড়ালের চেষ্টা
কন্যা সন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব-বুবলী
কন্যা সন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব-বুবলী
গুঞ্জনই সত্যি, মা হওয়ার তথ্য জানালেন বুবলী
গুঞ্জনই সত্যি, মা হওয়ার তথ্য জানালেন বুবলী
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
সান মারিনো ম্যাচের একাদশে নেই শমিত
সান মারিনো ম্যাচের একাদশে নেই শমিত
ভারতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার ক্লার্ক
ভারতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার ক্লার্ক
বিশ্বকাপের আগে বর্ষসেরার পুরস্কার জিতলেন ইয়ামাল
বিশ্বকাপের আগে বর্ষসেরার পুরস্কার জিতলেন ইয়ামাল
স্প্যানিশ ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর লা লিগার ২০২৫ মৌসুমের বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন লামিন ইয়ামাল। শুক্রবার(৫জুন) এই ঘোষণা দিয়েছে  লা লিগা। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে বার্সেলোনাকে ঘরোয়া শিরোপা ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই তরুণ উইঙ্গার। চলতি মৌসুমে তিনি লা লিগায় ১৬টি গোল ও ১১টি অ্যাসিস্ট করেছেন। পাশাপাশি এক মৌসুমে তিনবার ‘প্লেয়ার অব দ্য মান্থ’ পুরস্কার জিতে নতুন ইতিহাস গড়েছেন ইয়ামাল। এর আগে বৃহস্পতিবার বার্সেলোনার প্রধান কোচ হানসি ফ্লিক লা লিগার বর্ষসেরা কোচের স্বীকৃতি পান। ইয়ামালকে নিয়ে এক বিবৃতিতে বার্সেলোনা জানিয়েছে, প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের জন্য তিনি সবসময়ই বড় হুমকি। তার গতি, দক্ষতা ও আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলে। গোল করার পাশাপাশি ১১টি অ্যাসিস্ট করে তিনি লিগের অন্যতম সেরা সৃষ্টিশীল খেলোয়াড় হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। মৌসুমজুড়ে কয়েকবার কুঁচকির চোটে ভুগলেও বিশ্বকাপের আগে সুস্থ হয়ে উঠছেন ইয়ামাল। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে বার্সেলোনার হয়ে মৌসুমের শেষ ছয়টি ম্যাচে খেলতে না পারলেও আগামী সপ্তাহে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে স্পেনের হয়ে মাঠে নামার জন্য তিনি পুরোপুরি প্রস্তুত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।  উল্লেখ্য, মাত্র ১৬ বছর বয়সে পেশাদার ফুটবলে আলোড়ন তোলা ইয়ামাল ইতোমধ্যে ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম বড় তারকায় পরিণত হয়েছেন। তিনি ইউরো স্পেনের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে বিশ্ব ফুটবলে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন।
আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুখবর, দলে যোগ দিলেন মেসি
আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুখবর, দলে যোগ দিলেন মেসি
বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ‘গোপন অস্ত্র’ হতে পারেন থিয়াগো
বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ‘গোপন অস্ত্র’ হতে পারেন থিয়াগো
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X