বিশ্বের সবচেয়ে চৌকশ গোয়েন্দা বাহিনীগুলোর তালিকায় সবার ওপরের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নাম। সারা বিশ্বজুড়ে তাদের রয়েছে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। কার্যক্রম চলে- ইউরোপ থেকে আফ্রিকা, এশিয়া থেকে অস্ট্রেলিয়া সব মহাদেশে। শোনা যাচ্ছে, সেই গোয়েন্দা সংস্থারই ডজনকে ডজন সদস্য পড়েছে হানিট্রাপে।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড জানিয়েছেন, ‘বিশ্বাসের গুরুতর লঙ্ঘনের’ কারণে শতাধিক মার্কিন গোয়েন্দাকে চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সংবেদনশীল তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সরকারি গোয়েন্দারা অত্যন্ত গোপন যে যোগাযোগযন্ত্র ব্যবহার করেন সেখানেই অশ্লীল ও যৌনতাপূর্ণ আলাপ করেছেন তারা। এভাবে জাতীয় নিরাপত্তা প্রশাসনযন্ত্রের ব্যবহার বিশ্বাসের গুরুতর লঙ্ঘন।
গেল মঙ্গলবার প্রথম এ নিয়ে খবর প্রকাশ করে রক্ষণশীল অ্যাকটিভিস্ট ক্রিস রুফো। একই দিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের কার্যালয়ের এক মুখপাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করে বলেছিলেন, ‘তুলসী গ্যাবার্ড সব গোয়েন্দা সংস্থায় একটি নির্দেশনা পাঠিয়েছেন। যে কর্মীরা অশ্লীল, পর্নোগ্রাফি এবং যৌনতাপূর্ণ আলাপ করেছেন তাদের শুক্রবারের মধ্যে খুঁজে বের করতে বলেছেন তিনি।’
প্রশাসন এসব ব্যক্তিদের সরিয়ে দেওয়া অব্যাহত রাখবে বলেও ফক্স নিউজে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন তুলসী। এদিকে, সাবেক প্রসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থায় বৈচিত্র্যপূর্ণ যেসব উদ্যোগ নিয়েছিল সেগুলোর নেতৃত্বে যারা ছিলেন তাদেরও বরখাস্ত করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তবে এখন পর্যন্ত জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার কতজন কর্মী তাদের চাকরি হারাতে যাওয়ার খবর পেয়েছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দেশটির ফেডারেল আদালত এই নির্দেশনার আইনি বৈধতা পর্যালোচনা করে দেখছেন। এ কারণে চাকরিচ্যুতির নির্দেশের বাস্তবায়ন আটকে আছে।
মন্তব্য করুন