জন্মভূমিকে হারিয়ে দিলেন এমবোলো

জন্মভূমিকে হারিয়ে দিলেন এমবোলো

বিরতির পর তৃতীয় মিনিটে পাওয়া কাঙ্ক্ষিত গোলে সুইজারল্যান্ড শিবির উৎসবে ভাসলেও গোলদাতা ব্রিল এমবোলো দুই হাত উঁচু করে মাথানত করে রাখলেন। জন্মভূমি ক্যামেরুনের বিপক্ষে এ গোলের পর ২৫ বছর বয়সী মোনাকো ফরোয়ার্ড উৎসবের পরিবর্তে আবেগপ্রবণ ছিলেন।

২০১৪ সালে সুইস নাগরিকত্ব পাওয়া এমবোলা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি এখন ৬০-৭০ শতাংশ সুইস, বাকি অংশটা আফ্রিকান।’ শেষ পর্যন্ত এমবোলোর গোলটাই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারক হয়ে দাঁড়ায়। এটা ছিল বিশ্বকাপে ক্যামেরুনের টানা অষ্টম হার। এই জয়ে ‘জি’ গ্রুপে শুভ সূচনা পেল সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের প্রথমার্ধে দাপট দেখিয়েছে ‘আফ্রিকার অদম্য সিংহ’ খ্যাত দলটি; কিন্তু কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি দলটি। সুইসরা বিরতির পর আধিপত্য দেখিয়ে কাঙ্ক্ষিত গোল আদায় করে নেয়।

প্রথমার্ধে ব্রায়ান বেয়োমোর দারুণ প্রচেষ্টা গোলে না যাওয়ায় হতাশ হয় ক্যামেরুন শিবির। এ আক্রমণের পরও সুইস গোলরক্ষক ইয়ান সোমেরকে ব্যতিব্যস্ত রাখে ক্যামেরুন। কিছুক্ষণ পর ইকাম্বির প্রচেষ্টাও বাইরে যায়। মার্টিন হোঙ্গার প্রচেষ্টা রুখে দিয়ে সুইসদের অক্ষত রাখেন গোলরক্ষক সোমার। ইকাম্বির আরেকটি প্রচেষ্টা প্রতিহত করেন সিলভান উইডমার।

বিরতির পর রুবেন ভারগাসের প্রচেষ্টা রুখে দেন ক্যামেরুন গোলরক্ষক আন্দ্রে ওনানা। ৪৮ মিনিটে গোলের শুভ শুরু করেন গ্রানিট শাকা, আর্সেনাল তারকা স্লাইডিংয়ে বল পাঠান জেরদান শাকিরির কাছে, যিনি বক্সে এমবোলোকে খুঁজে নেন। সুযোগ কাজে লাগাতে মোটেও ভুল করেননি মোনাকো তারকা (১-০) ।

ব্রাজিল-সার্বিয়া ম্যাচের আগে এ জয়ে স্বস্তির জায়গায় আছে সুইসরা। সুইজারল্যান্ড ইউরোপিয়ান তিন দেশের একটি; যারা শেষ ৪টি মেজর প্রতিযোগিতার নকআউট পর্বে নাম লেখায়। কাতারেও তা করে দেখানোর পথে এগিয়ে থাকল দেশটি।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com