স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৪:৫০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত পাকিস্তান-বাংলাদেশ ম্যাচ

রাওয়ালপিন্ডি স্টেডিয়ামের অবস্থা। ছবি : সংগৃহীত
রাওয়ালপিন্ডি স্টেডিয়ামের অবস্থা। ছবি : সংগৃহীত

বৃষ্টির করুণ পরিণতি—পাকিস্তান ও বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫ অভিযান শেষ হলো এক অপ্রত্যাশিত নোটে। রাওয়ালপিন্ডিতে নির্ধারিত দুই দলের ম্যাচটি এক বলও না গড়িয়ে বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছে। এই ম্যাচের ফলাফলের ওপর গ্রুপ ‘এ’-এর সেমিফাইনাল নির্ধারণের কোনো প্রভাব না থাকলেও, দুই দলই অন্তত একটি করে পয়েন্ট অর্জন করলো।

দুপুরের পর থেকেই রাওয়ালপিন্ডিতে মেঘাচ্ছন্ন আকাশ এবং বৃষ্টির উপস্থিতি টের পাওয়া যাচ্ছিল। মাঠ পুরোপুরি ঢেকে রাখা হলেও, বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ম্যাচ অফিসিয়ালরা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেন—বৃষ্টির কারণে খেলা সম্ভব নয়। এমনকি মাঠ শুকানোর কাজেরও কোনো সুযোগ ছিল না, কারণ বৃষ্টি থামার নামই নিচ্ছিল না।

এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি যাত্রা শেষ হলো হতাশাজনকভাবে। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দুই দল ছন্দ খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়েছিল। বিশেষ করে পাকিস্তান, যারা হাই-প্রোফাইল দল হলেও নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলতে পারেনি। পাকিস্তানের সহকারী কোচ আজহার মাহমুদ স্বীকার করেছেন, ‘আমরা টুর্নামেন্টে ভালো খেলতে পারিনি। চোট-আঘাত ও টিম কম্বিনেশন নিয়ে বারবার পরিবর্তন করায় দল ছন্দ হারিয়েছে।’

অন্যদিকে, বাংলাদেশের জন্যও এই আসরটি ছিল হতাশার। দলটি ব্যাটিং-বোলিংয়ে ধারাবাহিকতা দেখাতে পারেনি, ফলে কোনো ম্যাচেই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আসেনি। ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় অন্তত এক পয়েন্ট পাওয়া গেলেও, এটি তাদের সামগ্রিক পারফরম্যান্সের কোনো সান্ত্বনা দিতে পারছে না।

এদিকে, গ্রুপ ‘এ’ থেকে সেমিফাইনালে উঠেছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। পরবর্তী ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ও আফগানিস্তান মুখোমুখি হবে লাহোরে। তবে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জন্য চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির যাত্রা এখানেই শেষ।

এই পরিণতি দুই দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার জন্য বড় প্রশ্ন তুলবে, বিশেষ করে পাকিস্তান দলের জন্য, যেখানে নেতৃত্ব ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশকেও নিজেদের শক্তি ও দুর্বলতাগুলো বিশ্লেষণ করে সামনের প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নন্দকুজা নদী যেন পৌর ডাম্পিং স্টেশন

ফুলবাড়ীতে গৃহবধূকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৫

‘আল মাহমুদের বাড়িতে স্মৃতি জাদুঘর ও ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করবে সরকার’

‘বাঘ আমাদের প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ’

‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’র আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টাকে নিমন্ত্রণ

নব্য ডেভিলদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না : আবু হানিফ

বরিশাল বিভাগের জন্য দক্ষিণ কোরিয়া থেকে এলো সুখবর

মাদ্রাসার ছাত্রাবাস খালি করতে বিএনপি নেতার হুমকি, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

জানা গেল রাশিয়ান তরুণীর সঙ্গে কক্সবাজারে কী ঘটেছিল

লঞ্চ ঘাটের দখল নিয়ে বিএনপির দুপক্ষে সংঘর্ষ, আহত ১০

১০

ক্রিকেটে পাকিস্তান সমর্থন করায় ভারতে ব্যবসায়ীর করুণ পরিণতি

১১

দুই পাঠাগারে তালা, একটির নেই অস্তিত্ব

১২

বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়ের চাপ শিক্ষার্থীদের কাঁধে

১৩

হানিট্রাপে পড়েছে মার্কিন গোয়েন্দারা?

১৪

বিকেলে বিয়ে, সকালে মিলল বরের ঝুলন্ত মরদেহ

১৫

‘জুলাই শহীদ’ ও ‘জুলাই যোদ্ধা’ স্বীকৃতি দেবে সরকার

১৬

মিরপুরে আন্তর্জাতিক মানের কনভেনশন হল চালু

১৭

পরিবেশবান্ধব ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে : রিজওয়ানা হাসান 

১৮

ভারত থেকে এল আরও ১০ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল

১৯

বন্যহাতির আক্রমণে প্রাণ গেল কৃষকের

২০
X