অনলাইন গুজব ছড়িয়েছে মার্কিন সেনা : মেটা

মেটার লোগো।
মেটার লোগো।

বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমে অনলাইনে গুজব বা মিথ্যা ‘প্রোপাগান্ডা’ ছড়িয়ে দেওয়ার পেছনে মার্কিন সেনার যোগসূত্র পেয়েছে মেটা। সেনাবাহিনীর কতিপয় সদস্য মেটা মালিকানাধীন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এসব প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে বলে প্রতিষ্ঠানটির এক অনুসন্ধানে উঠে আসে। প্রচারকারীদের পক্ষ থেকে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হলেও তারা সফল হয়নি বলেও দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা।

গুজব প্রচারে জড়িত থাকায় ৩৯টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, ১৬টি পেইজ ও দুটি গ্রুপ এবং ২৬টি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে মেটা

সম্প্রতি চলতি বছরের বিজ্ঞাপনবিষয়ক তৃতীয় প্রান্তিক (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রতিবেদন প্রকাশ করে মেটা।

এই প্রতিবেদনে মেটা দাবি করে যে, প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। আর এর পেছনে রয়েছে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী বা সেনাবাহিনীর কতিপয় সদস্য।

আফগানিস্তান, আলজেরিয়া, ইরাক, ইরান, কাজাখস্তান, কিরজিকিস্তান, রাশিয়া, সোমালিয়া, সিরিয়া, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান এবং ইয়েমেনকে লক্ষ্য করে এসব প্রোপাগান্ডা প্রচার করে যুক্তরাষ্ট্র। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ছাড়াও গুজব প্রচারে ব্যবহার করা হয় টুইটার, ইউটিউব এবং টেলিগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মও।

যদিও এই ঘটনার পেছনে দায়ী ব্যক্তিরা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু আমাদের অনুসন্ধানে এই ঘটনার সঙ্গে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর কতিপয় সদস্যের যোগসূত্র রয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছি
মেটা

গুজব প্রচারে জড়িত থাকায় ৩৯টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, ১৬টি পেজ ও দুটি গ্রুপ এবং ২৬টি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে মেটা। গুজব ছড়াতে ফেক বা মিথ্যা আইডি এবং কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে সৃষ্ট ছবিও ব্যবহার করেছে প্রচারকারীরা।

তবে এই প্রচারণা খুব বেশি ব্যবহারকারীদের মাঝে ছড়ায়নি বলেও দাবি করেছে মেটা।

মেটা প্রতিবেদনে জানায়, এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য আমরা স্বতন্ত্র গবেষণা সংস্থা গ্রাফিকা এবং স্ট্যানফোর্ড ইন্টারনেট অবজারভেটরির সঙ্গে বিনিময় করেছিলাম। সেই তথ্য থেকে সংস্থাগুলো নিজেদের অনুসন্ধান গেল ২৪ আগস্ট প্রকাশ করে। যদিও এই ঘটনার পেছনে দায়ী ব্যক্তিরা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু আমাদের অনুসন্ধানে এই ঘটনার সঙ্গে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর কতিপয় সদস্যের যোগসূত্র রয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছি।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com