দেশের ৮ বিভাগে গ্রামীণফোনের ফাইভজি ট্রায়াল শুরু

রাজধানীর জিপি হাউসে এক অনুষ্ঠান থেকে সব বিভাগে ফাইভজি ট্রায়াল শুরু করা হয়
রাজধানীর জিপি হাউসে এক অনুষ্ঠান থেকে সব বিভাগে ফাইভজি ট্রায়াল শুরু করা হয়ছবি : কালবেলা

ঢাকা ও চট্টগ্রামের পর এবার দেশের বাকি ছয়টি বিভাগেও ফাইভজি ট্রায়াল শুরু করেছে শীর্ষ টেলিকম অপারেটর গ্রামীণফোন। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর জিপি হাউসে এক অনুষ্ঠান থেকে এ ট্রায়াল শুরু করা হয়।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি ও মিডিয়া স্টেকহোল্ডাররা গ্রামীণফোনের ইনোভেশন ল্যাবে ফাইভজি সেবা ব্যবহারের অভিজ্ঞতা গ্রহণ করার সুযোগ পান। তারা এআর ভিডিও, ভিআর গেমিং, রোবটিক আর্মস, এআর সেলফি ও ক্লাউড গেমিংসহ প্রযুক্তিগত নানা অভিজ্ঞতা লাভ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার। আরও উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসির ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের কমিশনার মো. মহিউদ্দিন আহমেদ, লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং বিভাগের কমিশনার সৈয়দ দিলজার হোসেন, স্পেক্ট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মাদ মনিরুজ্জামান জুয়েল, পিএসসি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাসিম পারভেজ, সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিস বিভাগের মহাপরিচালক আশীষ কুমার কুন্ডু,  গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান, চিফ মার্কেটিং অফিসার সাজ্জাদ হাসিব, চিফ ডিজিটাল অফিসার সোলায়মান আলম, চিফ টেকনোলজি অফিসার জয় প্রকাশ, চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার হ্যান্স মার্টিন হেনরিক্সনসহ উইপ্রো, হুয়াওয়েই, জেডটিই পার্টনারদের ঊর্ধ্বতন অন্যান্য কর্মকর্তারা। 

গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান অনুষ্ঠানে ৫জি বিষয়ে কি-নোট উপস্থাপন করেন।

এর আগে, গত ২৬ জুলাই গ্রামীণফোন দেশে প্রথমবারের মতো ঢাকা ও চট্টগ্রামে ইউজ কেসসহ ফাইভজি ট্রায়াল পরিচালনা করে। এর ধারাবাহিকতায়, টেক সার্ভিস লিডার এ প্রতিষ্ঠানটি দেশের আট বিভাগে গ্রাহকদের ফাইভজি সেবা ব্যবহারের অভিজ্ঞতা গ্রহণের সুযোগ করে দিচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার বলেন, দেশজুড়ে ধারাবাহিকভাবে ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতেই প্রমাণিত হয়, আমাদের দেশ ডিজিটাল রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমরা জানি সেবা প্রদানে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে যেখানে আমরা সবাই কাজ করছি। কিন্তু বিষয়টা এমন নয় নতুন প্রযুক্তিকে স্বাগত জানানো যাবে না। আমাদের বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রযুক্তি সুবিধা নিতে হলে সকল প্রযুক্তি মানুষের কাছে নিয়ে যেতে হবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সম্ভাবনা উন্মোচনে আমাদের ফাইভজির মতো উন্নত প্রযুক্তি প্রয়োজন। ফাইভজি অভিজ্ঞতা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আমি গ্রামীণফোনকে ধন্যবাদ দিতে চাই, যার ফলে মানুষ যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার বিষয়ে জানতে পারবে।

ইয়াসির আজমান বলেন, প্রযুক্তির শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সমাজের ক্ষমতায়ন ও সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে গ্রামীণফোন। আসন্ন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে চলমান ডিজিটালাইজেশন ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’-এর লক্ষ্য অর্জনের দায়িত্ব আমাদের সবার। টুজি, থ্রিজি ও ফোরজি থেকে এখন ফাইভজি কানেক্টিভিটির যুগেও উচ্চগতির কানেক্টিভিটি এবং উন্নত ইন্ডাস্ট্রিয়াল সল্যুশন নিয়ে দেশের রূপান্তরে আমরা কানেক্টিভিটি পার্টনার হিসেবে কাজ করছি।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com