‘আল কোরআন যেভাবে বিষন্নতা দূর করতে পারে’

পবিত্র আল কোরআন
পবিত্র আল কোরআন

বিষন্নতা দূর করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। পৃথিবীতে বিষন্নতার ভাঁজ কপালে পড়ে না এমন মানুষ খুব কমই খুঁজে পাওয়া যায়। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারণে মানুষকে বিষন্ন থাকতে দেখা যায়। আজ আমরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. গিয়াস উদ্দিন তালুকদারের কাছ থেকে জানব পবিত্র আল কোরআন কীভাবে বিষন্নতা দূর করে।

আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, যারা ইসলামকে সঠিকভাবে পালন করেন না, বিভ্রান্ত থাকেন, তারাই কেবল বিষন্নতার চাদরে আটকে যান। তবে এর থেকে পরিত্রাণেরও উপায় রয়েছে।

যখন কঠিন সময়ে নবী করীম (সা.) হিজরতে ছিলেন তখন আবু বক্কর (রা.) খুবই বিষন্ন ছিলেন। এসময় আল্লাহ তায়ালা নবী করীম (সা.) বললেন, হে নবী তুমি তোমার সাথীকে বল যে, তুমি চিন্তা করো না। বিষন্ন হয়ো না। আমি তোমার সাথে আছি।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আমাদের সমাজে অনেকেই আছেন যাদের হাতের নাগালে পর‌্যাপ্ত মাধ্যম আছে কিন্তু সুখ খুঁজে পান না। অথচ যাদের হাতে অন্য কোনো মাধ্যম নেই, কিন্তু পবিত্র আল কোরআন আছে তারাই বেশি সুখী।

এর কারণ সম্পর্কে অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন বলেন, সুখী হওয়ার সূত্র আল কোরআনে বিদ্যমান। কারণ কোনো ব্যক্তি যদি মনে করেন আমি ব্যর্থ। তখন আল্লাহ বলেন, কে বলেছে তুমি ব্যর্থ ? তোমার কাছে ঈমান আছে, তুমি সফল।

আবার অনেকে মনে করে থাকেন, এতো বড় প্রকল্প। সংকটে পড়ব। কীভাবে শেষ করব? আমি বিষন্ন। তখন আল্লাহ বলেন, কে বলেছে কঠিন? আমার রহমত তোমার কাছে থাকলে আমি সব সংকট নিরসন করে দেব। সহজ করে দেব।

কেউ বলেন, আমাকে সাহায্য করার মতো কেউ নেই। তখন আল্লাহ বলেন, তুমি ঈমানের পথে থাকো, সৎ পথে থাকো তোমার জন্য আমার সাহায্য অবধারিত। অর্থাৎ কেউ বিষন্ন হলে তিনি যদি আল কোরআনকে ধারন করেন, ঈমানের পথে থাকেন তাহলে মহান আল্লাহ তায়ালা নিজেই তার বিষন্নতা নিরসন করে দেবেন।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com