সারা দেশে হঠাৎ করে ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম বেড়ে যাওয়ায় জনগণের জান-মালের নিরাপত্তায় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে খেলাফত মজলিস।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) খেলাফত মজলিস থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভায় নেতারা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাবনতি জনগণকে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগাচ্ছে। গত সপ্তাহজুড়ে ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়া কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ ক্ষেত্রে বারবার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। খুনি হাসিনার বিচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য ত্বরান্বিত করতে না পারলে সবাইকে খেসারত দিতে হবে। আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অবিলম্বে জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রমজানকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ও দৌরাত্ম্য এখনই রুখে দিতে হবে। দ্রব্যমূল্য ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে।
এর আগে বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নির্বাহী বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী। সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জাহাঙ্গীর হোসাইনের পরিচালনায় বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, যুগ্ম-মহাসচিব ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান, অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, বায়তুলমাল সম্পাদক আবু সালেহীন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, প্রচার ও তথ্য সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, আইনবিষয়ক সম্পাদক শায়খুল ইসলাম, যুববিষয়ক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম তুহিন, সাহাব উদ্দিন আহমদ খন্দকার, মুফতি আবদুল হক আমিনী, মাওলানা আজিজুল হক, নুর হোসেন, আবুল হোসেন, ফারুক আহমদ ভূঁইয়া, আমির আলী হাওলাদার, মাওলানা রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
মন্তব্য করুন