সম্পর্কে যেসব বিষয় মনে রাখলে দাম্পত্য হবে আকর্ষণীয়

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

বিয়ে প্রতিটা মানুষে জীবনেই খুব সুন্দর একটা মুহূর্ত, আর সেই বিয়ে যদি হয় আপনার ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে তাহলে তো কথাই নেই। যেহেতু আপনি আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাই এক্ষেত্রে আপনার কিছু বিষয় অবশ্যই মনে রাখা দরকার যা আপনার দাম্পত্য জীবনকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে।

কি সেই বিষয়গুলো, চলুন জানা যাক-

১. নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ দৃঢ় করা: আপনি সম্পর্কে থাকুন বা বিবাহিত জীবনে, নিজেদের মধ্যে একটা দৃঢ় যোগাযোগ জরুরি। এতে নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি, সংশয় দূর হয়ে যায়, সম্পর্ক থাকে অটুট।

২. সঙ্গীর কাছে সৎ থাকা: কথায় আছে, সততাই সর্বোত্তম পন্থা। তাই সঙ্গীর কাছে যদি সৎ থাকেন, সেই সম্পর্ক হবে আরও গাঢ়। আপনার সঙ্গী যে কোন কাজে আপনাকে বিশ্বাস করবে, আপনার উপর ভরসা করবে।

৩. সঙ্গীর ‘নিজস্ব সময়’কে সম্মান করা: আপনার পার্টনারের ‘পারসোনাল স্পেস’কে অবশ্যই সম্মান জানানো উচিৎ। এমন না যে, এই পারসোনাল স্পেস শুধু সম্পর্কে থাকাকালীন দেওয়া জরুরি, বিয়ের পরেও একজন মানুষের নিজস্ব সময় বা পরিধিকে সম্মান জানানো উচিৎ। বিবাহিত মানে এই না যে, আপনি আপনার সঙ্গীর ‘মি টাইমে’ ব্যঘাত ঘটাবেন।

৪. সঙ্গীর স্বপ্নকে সাপোর্ট করা: দাম্পত্য জীবনে এই বিষয়টা বেশ গুরুত্বপুর্ণ। শুধুমাত্র বিবাহিত বলে কাউকে তার নিজস্ব স্বপ্ন জলাঞ্জলি দিতে হবে, এমনটা হওয়া বা হতে দেওয়া উচিৎ নয়। আমাদের সমাজে বিশেষত মেয়েরা এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। বিয়ের পর সংসার ও সন্তান জন্মদানের ভার তাদের ওপর এসে পড়ায় অনেকেই তাদের স্বপ্নকে পূর্ণ করতে পারে না। তাই এক্ষেত্রে সঙ্গীর উচিৎ, দায়িত্ব ভাগ করে নিয়ে অন্যজনের স্বপ্ন পূরণে তাকে উৎসাহিত করা।

৫. সঙ্গীর প্রতি ‘বিশ্বস্ত’ থাকা: ‘বিশ্বস্ততা’ সম্পর্কের অনেক জরুরি একটা বিষয়। আপনার বিশ্বস্ততার মাপকাঠির উপরেই সম্পর্ক টিকে থাকবে। সম্পর্কে অসৎ হওয়া মানেই হচ্ছে, আপনি আপনার সঙ্গীকে ও সম্পর্ককে অসম্মান করছেন। তাই সঙ্গীর প্রতি বিশ্বস্ত থাকুন।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com