কেন খাবেন চিয়া সিড

প্রাচীনকাল থেকেই চিয়া সিড মানুষের স্বাস্থ্যের খেয়াল রেখে আসছে।
প্রাচীনকাল থেকেই চিয়া সিড মানুষের স্বাস্থ্যের খেয়াল রেখে আসছে।প্রতীকী ছবি

চিয়া সিড আকারে খুব ছোট হলেও এর পুষ্টিগুণের তালিকা কিন্তু বিশাল। প্রাচীন অ্যাজটেক ও মায়ান সভ্যতার সময় থেকে এই দানাদার শস্য মানুষের স্বাস্থ্যের খেয়াল রেখে আসছে। এতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, মিনারেল, ফাইবার, ওমেগা-৩, ফ্যাটি অ্যাসিডসহ নানা পুষ্টিগুণ; যা আমাদের হৃদরোগ ও হাড়ের ক্ষয়জনিত সমস্যা থেকে দূরে রাখে।

চলুন জেনে নিই, কেন প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় রাখবেন এই শস্যজাতীয় খাবার...

চিয়া সিডে রয়েছে ক্যালরি, প্রোটিন, ফ্যাট, কার্ব, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস।
চিয়া সিডে রয়েছে ক্যালরি, প্রোটিন, ফ্যাট, কার্ব, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস।প্রতীকী ছবি

পুষ্টিগুণে ভরপুর

প্রাচীনকালে অ্যাজটেক ও মায়ান সভ্যতায় এই শস্যের ব্যবহার হতো প্রতিদিনের খাবার, ধর্মীয় বিভিন্ন রীতি এমনকি প্রসাধনী বানানোর ক্ষেত্রে। এতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণ। এক আউন্স বা ২৮ গ্রাম, অর্থাৎ দুই টেবিল চামচ চিয়া সিডে রয়েছে ১৩৮ ক্যালরি, ৪.৭ গ্রাম প্রোটিন, ৮.৭ গ্রাম ফ্যাট, ১১.৯ গ্রাম কার্ব ও ৯.৮ গ্রাম ফাইবার। এ ছাড়া রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট

অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের খুবই ভালো একটি উৎস চিয়া সিড। এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্যানসার, অ্যান্টি-এজিং, ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

ডিং বানিয়ে, ওটমিলের সঙ্গে, সিরিয়াল, দই বা সবজির সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন চিয়া সিড।
ডিং বানিয়ে, ওটমিলের সঙ্গে, সিরিয়াল, দই বা সবজির সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন চিয়া সিড।প্রতীকী ছবি

ওজন কমায়

চিয়া সিডে বেশ ভালো পরিমাণে প্রোটিন ও ফাইবার আছে। আর এ দুটোই ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই বলা যায়, চিয়া সিড এক অর্থে ওজন কমাতে সাহায্য করে। এতে থাকা ফাইবার পেট ভারী করে, ক্ষুধা কমায়।

হাড় মজবুত করে

চিয়া সিডে থাকা ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম হাড় মজবুত এবং ক্ষয় রোধে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিদিন চিয়া সিড খাবারের তালিকায় রাখা দরকার।

খাওয়া সহজ

চিয়া সিড প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় রাখাটা খুবই সহজ। এটি আপনাকে আলাদাভাবে রান্না করতে হবে না। তাহলে যে কোনো জুস, স্মুদি, এমনকি পানির সঙ্গে মিশিয়ে কাচাই খাওয়া যায়। আবার চাইলে পুডিং বানিয়ে, ওটমিলের সঙ্গে, সিরিয়াল, দই বা সবজির সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন।

তবে এটা মনে রাখতে হবে যে, কখনো এটা অতিরিক্ত পরিমাণ খাওয়া যাবে না। এতে উচ্চমানে ফাইবার থাকায় অতিরিক্ত চিয়া সিড খেলে হজমে সমস্যা হতে পারে। প্রতিদিন দেড় টেবিল চামচ বা ২০ গ্রামের বেশি চিয়া সিড খাওয়া যাবে না এবং এর সঙ্গে অবশ্যই প্রচুর পরিমাণ পানি খেতে হবে।

প্রতিদিন দেড় টেবিল চামচ বা ২০ গ্রামের বেশি চিয়া সিড খাওয়া যাবে না।
প্রতিদিন দেড় টেবিল চামচ বা ২০ গ্রামের বেশি চিয়া সিড খাওয়া যাবে না।প্রতীকী ছবি

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com