সফলতা পেতে পালন করুন ‘নেভার গিভ আপ ডে’

সফলতা পেতে পালন করুন ‘নেভার গিভ আপ ডে’
প্রতীকী ছবি।

জীবনে সফলতা পেতে চেষ্টার কোনো বিকল্প নেই। আর এই চেষ্টা করতে গিয়ে অনেক বারই সম্মুখীন হতে হয় ব্যর্থতার। অনেকে এই ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে জীবনে ঘুরে দাঁড়ান। কেউ কেউ আবার এই বৃত্তে আটকে পড়ে হাল ছেড়ে দেন। তবে জীবনে হাল ছাড়া যাবে না এই কথা মানুষকে মনে করাতেই বিশ্বে পালিত হয় ‘হাল না ছাড়া দিবস’। অনেকেই এই দিবসের নাম শুনে অবাক হবেন। কারণ বিশ্বের অনেক মানুষই জানে না এই দিবসের কথা।

জীবনে সফলতা পেতে চেষ্টার কোনো বিকল্প নেই। আর এই চেষ্টা করতে গিয়ে অনেক বারই সম্মুখীন হতে হয় ব্যর্থতার। অনেকে এই ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙ্গে জীবনে ঘুরে দাঁড়ান। কেউ কেউ আবার এই বৃত্তে আটকে পড়ে হাল ছেড়ে দেন। তবে জীবনে হাল ছাড়া যাবে না এই কথা মানুষকে মনে করাতেই বিশ্বে পালিত হয় ‘হাল না ছাড়া দিবস’। অনেকেই এই দিবসের নাম শুনে অবাক হবেন। কারণ বিশ্বের অনেক মানুষই জানে না এই দিবসের কথা।

প্রতীকী ছবি।

মূলত পৃথিবীতে বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে বিশ্বব্যাপী অনেক দিবসই পালিত হয়। এই বিশেষ দিবসগুলো মানুষকে সেসব মুহূর্ত সম্পর্কে মনে রাখতে সহায়তা করে। যেমন ভালোবাসা দিবসে নিজের ভালোবাসার মানুষের জন্য বিশেষ কিছু করা। অথবা মা কিংবা বাবা দিবসে পরিবারকে সময় দেওয়া এবং তাদের প্রতি যত্নবান হওয়ার কথা মনে করায়। ঠিক তেমনই ‘হাল না ছাড়া’ দিবস মানুষকে মনে করায় যে জীবনে যাই হোক না কেন এগিয়ে যাও। শত বাধা আসবে, তবে থামা যাবে না। কেননা কথায় আছে, একবার না পারিলে দেখ শতবার।

গত ৮ জুলাই প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম কিডডিএল জানায়, ২০১৯ সালের ১৮ আগস্টে প্রথম বেলজিয়ামের কয়েকজন উদ্যোক্তা এই দিবসটি পালন করেন। মূলত নিজেদের ব্যর্থতার সঙ্গে লড়াই করে সফলতার পথে এগিয়ে যেতে মানুষদের অনুপ্রেরণার দেওয়ার জন্যেই এই দিবস পালিত হয়।

ফ্রান্সের সাঁতারু ফিলিপ ক্রাইজেন।
ফ্রান্সের সাঁতারু ফিলিপ ক্রাইজেন।ছবি: সংগৃহীত

কেন পালিত হয় এই দিবস?

এই দিবসটি পালনের মূল কারণ হলো মানুষকে উৎসাহিত দেওয়া। মূলত এই দিবসটি হাত-পা ছাড়া মানব ফ্রান্সের বিখ্যাত সাঁতারু ফিলিপ ক্রাইজেনকে উৎসর্গ করে করা হয়। গত ১৯৯৪ সালের মার্চে একদিন একটি স্টিল কারখানায় কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎ শক খেয়ে মই থেকে মাটিতে পড়ে আহত হন তিনি। এই দুর্ঘটনায় নিজের দুই হাত ও পা হারান তিনি।

তবে তার এই অপরিপূর্ণতা তাকে দমাতে পারেনি। হাত পা না থাকা স্বত্ত্বেও ২০১০ সালে ১৮ সেপ্টেম্বর ১৪ ঘণ্টারও কম সময়ে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন তিনি। এরপর ২০১২ সালের এপ্রিল থেকে শুরু করে একই বছরের আগস্ট পর্যন্ত লাল সমুদ্র হয়ে ওশেনিয়া থেকে এশিয়া, আফ্রিকা থেকে ইউরোপে যুক্ত জিব্রাল্টার প্রণালী ও এশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত যুক্ত বেরিং প্রণালী অতিক্রম করেন। আর এইসব অর্জনগুলোকে প্রতিবন্ধীদের মধ্যে উৎসর্গ করেন ফিলিপ। নিজের অসম্পূর্ণতাকে উপেক্ষা করে অদম্য ইচ্ছে শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সফল হয়েছেন তিনি। আর এই সফলতাকে স্মরণ করেই পালিত হয়ে আসছে ‘হার না মানা দিবস’ বা ‘নেভার গিভ আপ ডে’।

সংক্ষেপে

নেভার গিভ আপ ডে এমন একটি দিন যা নিজেকে ও অন্যদের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে। সবচেয়ে কঠিন সময়েও নিজেদেরকে মানসিক দিক দিয়ে শক্ত ও ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণে এ দিবসটি সহায়তা করে। শত বাধার মধ্যে স্বপ্নকে সত্যি করতে হবে এই মন্ত্র এ দিবসটি মনে করিয়ে দেয়।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com