রাশিয়ার গণভোট আয়োজনের ‘নিন্দা’ বিশ্বনেতাদের

২৩ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাশিয়া।
২৩ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাশিয়া।ছবি : সংগৃহীত

রাশিয়ার সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেন অঞ্চলগুলোতে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে—রাশিয়ার এমন সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছেন বিশ্বনেতারা। ভোটের ফলাফল কোনো দিনও মেনে নেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও ফ্রান্স।

সাত মাস ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ সামরিক বাহিনী অধ্যুষিত অঞ্চলগুলো রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত করতে ২৩ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলের রাশিয়া সমর্থিত প্রশাসন এ গণভোটের ডাক দিয়েছে। আগামী শুক্রবার থেকে পাঁচ দিনে গণভোটের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে পূর্বাঞ্চলীয় লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক এবং দক্ষিণের জাপোরিঝিয়া ও খেরসনে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ (বাঁয়ে) ও জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ (বাঁয়ে) ও জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ।ছবি : সংগৃহীত

অঞ্চলগুলোর রাশিয়া সমর্থিত প্রশাসন সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনারও ঘোষণা দিয়েছে। তাদের এ ঘোষণার পরপরই জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ এ পরিকল্পনাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ এ ভোটকে গণতন্ত্রের ‘প্যারোডি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে বিশ্বনেতারা বর্তমানে নিউইয়র্ক রয়েছেন। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট বলেন, গণভোটের আয়োজনকে দুঃখজনক না বলে হাস্যকর বলা যেতে পারে।

২৩ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাশিয়া।
‘পারমাণবিক সন্ত্রাস’ চালাচ্ছে রাশিয়া : জেলেনস্কি

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই এ ভোটকে স্বীকৃতি দেবে না। এ ভোটের মধ্য দিয়ে ইউক্রেনের ‘সার্বভৌমত্ব’ ও ‘আঞ্চলিক অখণ্ডতার নীতির অবমাননা’ করা হবে।

সম্প্রতি ইউক্রেনের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে রুশ সামরিক অভিযান অনেকটাই স্তিমিত হয়ে এসেছে। ইউক্রেন সেনাবাহিনী রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ থেকে বেশ কিছু অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেছে। এরপরই পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের ব্যাপারে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে রুশ প্রশাসন।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com